সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সেনাবাহিনী জাতিসংঘের প্রোগ্রীনে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে। সিয়েরা লিওনে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি সৈন্যরা শুধু গ্রহণযোগ্যতা নয়; পেয়েছে স্থানীয় মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা। আর তাই সেখানে-বাংলা ভাষা দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পেয়েছে।

উত্তরঃ

ভেটো হচ্ছে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত কোনো প্রস্তাব নাকচ করে দেওয়ার' ক্ষমতা। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য যথাক্রমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীনের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।

উত্তরঃ

মানবাধিকার ছাড়া কোনো মানুষ পূর্ণাঙ্গভাবে বিকশিত হতে পারে না। মানবাধিকার হলো প্রত্যেক মানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রায়োজনীয় কিছু সুযোগ-সুবিধার অধিকার। মানবাধিকার সব জায়গায় এবং সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। ১৯৪৮ সালে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষনা দেওয়া হয়।

উত্তরঃ

আমাদের পৃথিবীতে দুটি বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। যথা-গত শতকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ - (১৯৩৯-১৯৪৫) সংঘটিত হয়।

উত্তরঃ

জাতিগত দ্বন্দ্ব নিরসনে মধ্যস্থতাকারী শান্তিকামী জনতা যুদ্ধের ধ্বংসলীলায় চুপ করে থাকেনি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে ১৯২০ সালের ১০ই জানুয়ারি বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে "লীগ অব নেশনস' সৃষ্টি হয়েছিল।

উত্তরঃ

লীগ অব নেশনস বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হলে ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। মানব ইতিহাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলা পৃথিবীকে প্রাস করে। লক্ষ লক্ষ মানুষ আহত ও নিহত হলে ১৯৪৫ সালে বিশ্বশান্তির লক্ষ্যে জাতিসংঘ গঠন করা হয়।

উত্তরঃ

জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠায় দুইজন বিশ্বনেতা হলেন-
১. মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট
২. ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল।

উত্তরঃ

জাতিসংঘ গঠনে ভূমিকা রাখে এমন ৪টি দেশ হলো- ১. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; ২. ব্রিটেন; ৩. রাশিয়া; ৪. ফ্রান্স।

উত্তরঃ

বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য। ৫০টি সদস্যরাষ্ট্র নিয়ে জাতিসংঘের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে (২০২৪ খ্রি.) এর সংখ্যা ১৯৩।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ সংগঠন পাঁচটি। যথা- সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, অছি (তত্ত্বাবধায়ক) পরিষদ এবং আন্তর্জাতিক বিচারালয় বা আদালত।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত। এ পরিষদ কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে তার সদস্যদের মধ্যে আলোচনা ও. যুক্তি তর্কের আয়োজন করে থাকে। তাই সাধারণ পরিষদকে 'বিতর্ক সভা' বলেও অভিহিত করা যায়।

উত্তরঃ

নিরাপত্তা পরিষদ হচ্ছে জাতিসংঘের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী পরিষদ। ৫টি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী মোট ১৫টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে এটি গঠিত। ৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হচ্ছে: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন।

উত্তরঃ

ভেটো (Veto) হচ্ছে একপক্ষীয়ভাবে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, দেশের মনোনীত প্রতিনিধি কর্তৃক কোনো সিদ্ধান্ত বা আইনের ওপর স্থগিতাদেশ প্রদান করা। জাতিসংঘের ৫টি স্থায়ী সদস্য হচ্ছে: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের প্রত্যেকের ভেটো প্রদান বা কোনো প্রস্তাব নাকচ করে দেওয়ার ক্ষমতা আছে।

উত্তরঃ

জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার একটি অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে শান্তির প্রতি হুমকি ও আক্রমণাত্মক কার্যকলাপকে প্রতিরোধ করে বিশ্বশান্তি নিশ্চিত করা। কিন্তু বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে বিবাদ লক্ষ করা যায়, যা বিশ্বশান্তি ও শৃঙ্খলা নষ্ট করে। তাই আন্তর্জাতিক বিবাদ মীমাংসা করে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্যই আন্তর্জাতিক আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়। নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে এর কার্যালয় অবস্থিত।

উত্তরঃ

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে ১৯২০ সালের ১০ জানুয়ারি বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে 'লীগ অব নেশনস' সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু লীগ অব নেশনস-এর সাংগঠনিক দুর্বলতা ও অন্যান্য কারণে বিশ্বশান্তি বিধানে তা ব্যর্থ হয়। ১৯৩৯ সালে পুনরায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীরা পৃথিবীকে গ্রাস করলে লীগ অব নেশনস তার অস্তিত্বের মূল্য হারায়। ফলে ১৯৪৬ সালের ২০ এপ্রিল লীগ অব নেশনসকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

উত্তরঃ

আন্তর্জাতিক বিবাদ মীমাংসা হচ্ছে- আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কাজ। নেদাল্যান্ডসের হেগ শহরে এর কার্যালয় অবস্থিত। আন্তর্জাতিক আদালতে ১৫ জন বিচারক দায়িত্ব পালন করেন।

উত্তরঃ

জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যেকোনো শান্তিকামী স্বাধীন দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে। বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের দুইটি উদ্দেশ্য হলো- ১. শান্তিভঙ্গের হুমকি, আক্রমণাত্মক প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; ২. সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা।

উত্তরঃ

জাতিসংঘে বাংলাদেশের আর্থিক অবদান কম হলেও বাংলাদেশের সৈন্যরা প্রাণ উৎসর্গ করে শান্তিরক্ষা মিশন পরিচালনায় কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। জাতিসংঘ মিশনে দায়িত্ব পালনকারী বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীর সংখ্যা বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯৮৮ সালে ইরাক ও নামিবিয়া শান্তি মিশনে যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তি মিশন শুরু করে।

উত্তরঃ

১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। তাঁর এই সভাপতি নির্বাচিত হওয়া বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের বিশেষ ভূমিকার কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের আর্থিক ও সামাজিক তথা অর্থাৎ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে ইউএনডিপি দেশব্যাপী অসংখ্য কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। শিশু মৃত্যুহার হ্রাস, মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়ন, দারিদ্র্য হার হ্রাসকরণ এবং নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করেছে।

উত্তরঃ

জাতিসংঘ শিশু তহবিল বা ইউনিসেফ (UNICEF) সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মৌলিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে বিশেষত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য ইউনিসেফ কাজ করে।

উত্তরঃ

'ইউনিসেফ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের প্রতিষ্ঠান' কেননা দেশের সুবিধা বঞ্চিত শিশু ও মেয়ে শিশুদের মৌলিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে কাজ করাই জাতিসংঘ শিশু তহবিল বা ইউনিসেফ গঠনের মুখ্য উদ্দেশ্য। বিশেষত সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিতকরণে ইউনিসেফ বিশ্বব্যাপী নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি এবং সুবিধাবঞ্চিত, অবহেলিত, অসহায় শিশুদের সার্বিক অধিকার প্রতিষ্ঠাই ইউনিসেফের মূল লক্ষ্য।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের খাদ্য এবং কৃষি সংস্থা বা এফএও (FAO)-বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য জাতিসংঘের খাদ্য এবং কৃষি সংস্থা কাজ করছে।

উত্তরঃ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও (WHO)-স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। ২০২৪ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশকে পোলিওমুক্ত হিসেবে ঘোষণা করে।

উত্তরঃ

উদ্বাস্তুবিষয়ক জাতিসংঘ হাইকমিশনারের কার্যালয় বা ইউএনএইচসিআর (UNHCR)-বাংলাদেশ-মিয়ানমার ইস্যুতে এই কার্যালয় মধ্যস্থতা করছে। বিশাল শরণার্থী পালনের খরচেও 'অবদান রাখছে। তাছাড়া বাংলাদেশে বিহারী জনগোষ্ঠীর আবাসনসহ অন্যান্য ইস্যুতে এই সংস্থা ব্যাপক অবদান রেখেছে।

উত্তরঃ

জাতিসংঘ নারী উন্নয়ন তহবিল বা ইউনিফেম (UNIFEM)-বাংলাদেশে নারীদের উন্নয়নে এ সংস্থাটি বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করছে। নারীদের বিভিন্ন ধরনের অধিকার আদায়ে ভূমিকা রাখছে এবং অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে তাদের সংশ্লিষ্ট করছে। নারীদের নিরাপদ শ্রম অভিবাসনসহ বিভিন্ন ইস্যুতেও এ সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে।

উত্তরঃ

নারীর উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ নারী উন্নয়ন তহবিল বা ইউনিফেম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বাংলাদেশে নারীদের উন্নয়নে এ সংস্থাটি বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করাসহ নারীদের বিভিন্ন ধরনের অধিকার আদায়ে ভূমিকা রাখছে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে তাদের সংশ্লিষ্ট করছে। এছাড়াও নারীদের নিরাপদ শ্রম অভিবাসনসহ বিভিন্ন ইস্যুতেও এ সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে।

উত্তরঃ

নারী উন্নয়নে জাতিসংঘের অন্যতম দুইটি কাজ হলো-
১. মানবপাচার দমন ও পতিতাবৃত্তি অবসানের জন্য জাতিসংঘ সনদ অনুমোদন।
২. আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) কর্তৃক একধরনের কাজের জন্য নারী ও পুরুষ, শ্রমিকের একই বেতন প্রদান।

উত্তরঃ

নারী উন্নয়নে জাতিসংঘের ১ম নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় মেক্সিকোতে। সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ সালে।

উত্তরঃ

১৯৯৫ সালে বেইজিং-এ অনুষ্ঠিত বিশ্ব নারী সম্মেলনের ঘোষণা ছিল- 'নারীর চোখে বিশ্ব দেখুন'। এ সম্মেলনে প্লাটফরম ফর অ্যাকশন বা বেইজিং কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

উত্তরঃ

CEDAW-এর পূর্ণরূপ হলো- (Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women).

উত্তরঃ

নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদটি 'সিডও' নামে পরিচিত। ১৯৭৯ সালে ডিসেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এটি গৃহীত হয়। ১৯৮১ সালে ২০টি দেশ সমর্থন করার পর এটি কার্যকর হয়। বাংলাদেশসহ মোট ১৩২টি দেশ বর্তমানে সনদটি সমর্থন করেছে। এই সনদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো- এটি নারীর অধিকারের একটি পূর্ণাঙ্গ দলিল।

উত্তরঃ

নারীর প্রতি বৈষম্যের ক্ষেত্রে ভূমিকা পালনকারী সংস্থা হলো সিডও। নারী ও পুরুষের সমতার নীতির ওপর ভিত্তি করে সিডও সনদটি তৈরি। নারীর মানবাধিকারের বিষয়টিও এখানে উঠে এসেছে। সিডও সনদ নারীর প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বকে নিশ্চিত করে। সিডও সনদে ৩০টি ধারা আছে। প্রথম ১৬টি নারীর প্রতি কত প্রকার বৈষম্য আছে তা বিশ্লেষণ করে। আর পরের ১৪টি ধারা ব্যাখা করে এ বৈষম্যগুলো কীভাবে বিলোপ করা যায়।

উত্তরঃ

সিডও সনদের উদ্দেশ্য হলো নারী পুরুষের সমতার ভিত্তি তৈরি করা, নারীর আইনগত অধিকার বলবৎ করা, নারীর প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বকে নিশ্চিত করা, নারী-পুরুষের বৈষম্য বিলোপ করা এবং এ সনদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এটি নারীর অধিকারের একটি পূর্ণাঙ্গ দলিল, যা বিভিন্ন সময়ে নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে গ্রহণকৃত বিভিন্ন ইস্যুকে সমন্বিত করে।

উত্তরঃ

সিডও সনদে ৩০টি ধারা আছে। প্রথম ১৬টি ধারা নারীর প্রতি কত প্রকার বৈষম্য আছে তা বিশ্লেষণ করে। আর পরের ১৪টি ধারা ব্যাখ্যা করে এ বৈষম্যগুলো কীভাবে বিলোপ করা যায়।

উত্তরঃ

নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৫শে নভেম্বরকে 'আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস' হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৫শে নভেম্বর থেকে ১০ই ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে। নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনগুলোতে বাংলাদেশের অবদান ঈর্ষণীয়। ১৯৮৮ সাল থেকে শুরু করে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ৪০টি দেশে/অবস্থানে জাতিসংঘের ৬৩টি শান্তি মিশনে বাংলাদেশের প্রায় ১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৮৫৬ জন শান্তিরক্ষী কাজ করেছে।

উত্তরঃ

বর্তমানে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, মালি, দক্ষিণ সুদান, লেবানন, ডি আর কঙ্গো, ওয়েস্টার্ন সাহারা ও আবেই (সুদান) প্রভৃতি দেশে জাতিসংঘ পরিচালিত শান্তি মিশনে কাজ করছে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা।

উত্তরঃ

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের কার্যক্রমের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল হব। কারণ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এবং মানবাধিকার রক্ষার জন্য জাতিসংঘ বিভিন্ন দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং প্রয়োজনে বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রেরণ করে। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠাসহ নারী ও শিশুর অবস্থান উন্নয়নেও জাতিসংঘ অনেক ভূমিকা রেখে চলেছে, যা বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

উত্তরঃ

আফ্রিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে অন্যান্য দেশের সৈন্যরা যেখানে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছিল না, সেখানে বাংলাদেশি সৈন্যরা শুধু গ্রহণযোগ্যতা নয়, পেয়েছে স্থানীয় মানুষের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা। সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা পেয়েছে সেই দেশের দ্বিতীয় ভাষার মর্যাদা। আইভরিকোস্টের ব্যস্ততম সড়কের নাম হয়েছে 'বাংলাদেশ সড়ক'। বাংলাদেশি সৈন্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল্লেই বাংলাদেশ জাতিসংঘ তথা বিশ্বে পেয়েছে ব্যাপক পরিচিতি ও বিশেষ মর্যাদা।

উত্তরঃ

বহির্বিশ্বে বাংলাদেশি সৈন্যরা গ্রহণযোগ্যতার পাশাপাশি পেয়েছে স্থানীয় সানুষের ভালবাসা, শ্রদ্ধা। সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা পেয়েছে সেই দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা। আইভরিকোস্টে অন্যতম ব্যস্ত সড়কের নাম হয়েছে 'বাংলাদেশ সড়ক'। এই দেশটিতে একটি গ্রামের নাম রাখা হয়েছে 'রূপসি বাংলা'।

উত্তরঃ

এখন পর্যন্ত ১৬৭ জন বাংলাদেশি সৈন্য বিশ্বশান্তির জন্য শহিদ হয়েছেন। আহত হয়েছে অনেকে। বাংলাদেশি সৈন্যরা প্রমাণ করেছে শান্তির জন্য তারা জীবন দিতে প্রস্তুত। বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার মডেল হিসেবে বাংলাদেশ পরিচিতি পেয়েছে।

উত্তরঃ

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বা এসিডিজি অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশ উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন।

উত্তরঃ

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বা এসডিজির ১ম তিনটি লক্ষ্য হলো-১. দারিদ্র্য বিলোপ, ২. ক্ষুধা মুক্তি, ৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ, ৪. গুণগত শিক্ষা।

উত্তরঃ

বর্তমান পৃথিবীর অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থেই টেকসই উন্নয়ন প্রয়োজন। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সারা পৃথিবীর সচেতন মানুষকে শঙ্কিত করে তুলছে। এর প্রভাব মানবজীবন, সমাজ, কৃষি উৎপাদন, স্বলজ ও জলজ প্রাণিকূলকে ক্রমাগত হুমকির মধ্যে ফেলে দিচ্ছে। এসবের হাত থেকে বর্তমান পৃথিবীকে রক্ষা করে আগামীর প্রজন্মকে একটি সুন্দর, নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী উপহার দিতেই এসডিজি প্রয়োজন।

উত্তরঃ

উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে বর্তমান প্রজম্মের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি সেসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাহিদা মেটানোর ক্ষেত্রে ঘাটতি বা বাঁধার কারণ হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে পরিকল্পিত উন্নয়নই হলো টেকসই উন্নয়ন। এটি এমন এক ধরনের উন্নয়ন পরিকল্পনা, যাতে বর্তমান চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ চাহিদার কথাও বিবেচনা করা হয়। সহজ কথায়, নিঃশেষ হবে না ও ক্ষতি হবে না- এমন উন্নয়নই টেকসই উন্নয়ন।

উত্তরঃ

জাতিসংঘ বিশ্বের কল্যাণ ও অগ্রগতি সাধনের লক্ষ্যে টেকসই উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত হয়ে সকলের সম্ভাবনা, মর্যাদা ও সমতা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশ উন্নয়নের সমন্বয়ে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে জাতিসংঘ কাজ করে যাচ্ছে।

উত্তরঃ

সাধারণত অংশীদারিত্ব বলতে কোনো উদ্দেশ্য সাধনে একাধিক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও অর্জন ভাগাভাগি করে নেওয়ার চুক্তিকে নির্দেশ করা হয়। একইভাবে এই অংশীজন সমভাবে দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করে ও সুফল ভোগ করে থাকে। টেকসই উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, তৃণমূলে ব্যক্তি পর্যায়ের অংশগ্রহণকে উন্নয়নের ক্ষেত্রে অংশীদার বিবেচনা করা হয়। আর এই সুসমন্বিত অবস্থাই অংশীদারিত্ব।

উত্তরঃ

দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের মাধ্যমে উন্নয়নে অংশীজনের অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। যারা উন্নয়নের সুফল ভোগকারী তারাই অংশীজন। তবে তাদের কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্যও রয়েছে। এগুলো পালনের মাধ্যমে উন্নয়নে তাদের অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।

উত্তরঃ

এসডিজি বাস্তবায়নে সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমেই অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা যায়। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসতে হবে। শুধু বেসরকারি খাত বা সংগঠন নয়, তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণ ও মিলিত প্রচেষ্টায় একযোগে উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে কাজ করতে হবে। এভাবেই এসডিজি বাস্তবায়নে অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা যায়।

উত্তরঃ

টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্বের গুরুত্ব অপরিসীম। উন্নয়নের সুফল ভোগকারী গোষ্ঠীই হলো অংশীজন। তারা যদি উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে চায় তাহলে অংশীজন হিসেবে তাদের কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য থাকে। সেই দায়িত্ব ও কর্তব্য ঠিকমতো পালন করলে উন্নয়নে তাদের অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। উন্নয়ন কর্মী বা সরকারের একার পক্ষে উন্নয়ন গতিধারাকে অব্যাহত রাখা সম্ভর নয়। তাই যার যতটুকু দায়িত্ব তা স্ব-স্ব অবস্থানে থেকে পালন করতে হবে। সকলের অংশীদারিত্ব ব্যতীত এসডিজি অর্জন করা অসম্ভব। তাই টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।

উত্তরঃ

টেকসই উন্নয়নে অভীষ্ট অর্জনে জাতীয় পর্যায়ের অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ টেকসই উন্নয়ন বলতে যা বোঝায় সকলের সম্মিলিত প্রায়স ছাড়া সে উন্নয়ন সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসতে হবে। শুধু বেসরকারি খাত বা সংগঠনই নয়, বরং তৃণমূল পর্যায় থেকে কাজ করতে হবে। সকলের সম্মিলিত উদ্যোগে অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পাশাপশি দীর্ঘমেয়াদি টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

উত্তরঃ

যেকোনো সামাজিক ব্যবস্থার সুফল ভোগকারী গোষ্ঠীই হলো অংশীজন। অংশীজনদের কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য থাকে। সেই দায়িত্ব ও কর্তব্য ঠিকমতো পালন করলে অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।

উত্তরঃ

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পারস্পরিক অংশীদারিত্বের সূচনা করে। যে দেশের যে ধরনের সক্ষমতা রয়েছে সে দেশ সেভাবে নিজেদের ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সামষ্টিক উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ অর্জনে এগিয়ে আসবে। কাউকে পিছিয়ে রেখে অন্যরা এগিয়ে গেলে সেই উন্নয়ন জাতীয় ও বৈশ্বিকভাবে টেকসই হবে না।

উত্তরঃ

বর্তমানে পৃথিবীব্যাপী যে উন্নয়ন ঘটেছে তা ভারসাম্যহীন। এই উন্নয়ন হচ্ছে দেশে দেশে এবং মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টিকারী, বিভেদ বর্ধনকারী উন্নয়ন। এই প্রকট ও ক্রমবর্ধমান বৈষম্য ও বিভক্তি টেকসই উন্নয়নের পথে একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের সম্পদ বৈষম্য ক্রমাগত বেড়ে চলছে। সমাজে এক শ্রেণির মানুষ ভূমি দখল, নদী দখল, বন দখল এমনকি অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান কুক্ষিগত করে অপরিমিত সম্পদশালী হয়েছে। এর ফলে ভারসাম্যহীন সমাজ গড়ে উঠছে।

উত্তরঃ

ভারসাম্যহীন উন্নয়ন বলতে সেই উন্নয়নকে বোঝায় যে উন্নয়নে ধনী-দরিদ্র্যের ব্যবধান প্রকট হচ্ছে। অর্থাৎ ধনী আরও ধনী হচ্ছে এবং গরিব আরও গরিব হচ্ছে বা গরিবই থেকে যাচ্ছে। টেকসই উন্নয়নের পথে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সম্পদের এই অসম বণ্টন, বৈষম্য ও দারিদ্র্য। এই উন্নয়ন হচ্ছে দেশে দেশে এবং মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টিকারী এক ভারসাম্যহীন উন্নয়ন। টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়নে এ উন্নয়ন কোনো কাজে আসবে না।

উত্তরঃ

বর্তমানে পৃথিবীব্যাপী যে উন্নয়ন ঘটেছে তার মাঝে কোনো শৃঙ্খলা বা ভারসাম্য নেই। এ উন্নয়ন দেশে দেশে এবং মানুষে-মানুষে বিভেদ বর্ধনকারী উন্নয়ন। কেউ পিছিয়ে পড়ছে, কেউ আবার এগিয়ে যাচ্ছে। এ কারণেই বলা হয়েছে, বর্তমানে পৃথিবীব্যাপী যে উন্নয়ন ঘটছে তা ভারসাম্যহীন।

উত্তরঃ

সম্পদ বৈষম্য বেড়ে চলায় নানা ধরনের ক্ষতি হচ্ছে। এক শ্রেণির মানুষ ভূমি দখল, নদী দখল, বন দখল এমনকি অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান কুক্ষিগত করে অপরিমিত সম্পদশালী হয়েছে। ফলে ভারসাম্যহীন সমাজ গড়ে উঠছে এবং পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের অব্যাহত মাত্রা এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারে জলবায়ু পরিবর্তনে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। সম্পদ বৈষম্য বেড়ে চলায় এ ধরনের ক্ষতিই হচ্ছে।

উত্তরঃ

ক্রমবর্ধমান বৈষম্যই এসডিজি অর্জনের পথে প্রধান বাধা। কারণ, একটি দেশকে উন্নয়নের শিখরে পৌছাতে এর সামগ্রিক উন্নয়নের কথাই ভাবতে হয়। এ লক্ষ্যে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বা এসডিজি (SDG) অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে কিন্তু এই টেকসই উন্নয়নের পথে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সম্পদের অসম বণ্টন, বৈষম্য ও দারিদ্র্য। ধনী-গরিবের ক্রমবর্ধমান ব্যবধান দারিদ্র্যকে আরও বেশি প্রকট করে তুলেছে এবং সম্পদের বৈষম্য যত বাড়বে ধনী-গরিবের বিভক্তি তত প্রকট হবে। তাই বলা হয়, এসডিজি অর্জনের পথে বৈষম্য প্রধান একটি বাধা।

উত্তরঃ

পরিশেষে ভারসাম্য বজায় না রেখে আমরা যদি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করি তাহলে দেখা যাবে একসময় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হব এবং আমাদের উৎপাদন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলব। যেমন ধরা যাক আমরা অধিক পরিমাণে পণ্য সামগ্রী উৎপাদনের জন্য কল-কারখানায় বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি ও যন্ত্রের ব্যবহার করে থাকি। এসব যন্ত্রের দ্বারা নির্গত বর্জ্য বা কালো ধোয়া আমাদের পরিবেশকে দূষণ করছে। তাই বলা যায়, উন্নয়নের পথে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো পরিবেশ দূষণ।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ যদি টেকসই উন্নয়নের জন্য পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে অভীষ্টগুলো অর্জন করতে পারে তাহলে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন সাধিত হবে। দারিদ্র্যের অবসান ঘটবে, বৈষম্য কমে আসবে, আয় ও ভোগের মধ্যে ভারসাম্য সৃষ্টি হবে। বৈশ্বিক অঙ্গনে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিরাজ করবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। নারী-পুরুষ বৈষম্য থাকবে না। বৈদেশিক ঋণের বোঝা থাকবে না। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চার দ্বার উন্মোচিত হবে। তাই বাংলাদেশের জন্য টেকসই উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তরঃ

মানবাধিকার হলো প্রত্যেক বানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু সুযোগ-সুবিধার অধিকার।

উত্তরঃ

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯২০ সালের ১০ জানুয়ারি বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যে সংস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল সেটিই হলো 'লীগ অব নেশনস'।'

উত্তরঃ

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি স্থায়ী সদস্যের জাতিসংঘে উত্থাপিত কোনো প্রস্তাব নাকচ করে দেওয়ার যে ক্ষমতা রয়েছে সেটিই হলো ভেটো ক্ষমতা।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি স্থায়ী সদস্যের জাতিসংঘে উত্থাপিত কোনো প্রস্তাব নাকচ করে দেওয়ার যে ক্ষমতা রয়েছে সেটিই হলো ভেটো ক্ষমতা।

উত্তরঃ

'লীগ অব নেশনস' সৃষ্টি হয় ১৯২০ সালে।

উত্তরঃ

যুদ্ধ ডেকে আনে ভয়ঙ্কর ধ্বংসলীলা এবং মানবজাতির জন্য দুর্ভোগ ও অশান্তি।

উত্তরঃ

১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

উত্তরঃ

আন্তর্জাতিক আদালত নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত।

উত্তরঃ

জাতিসংঘ দিবস হচ্ছে ২৪ অক্টোবর।

উত্তরঃ

বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য।

উত্তরঃ

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল ছিল ১৯১৪ থেকে ১৯১৮।

উত্তরঃ

১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে।

উত্তরঃ

আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।

উত্তরঃ

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ১৯১৪ সালে শুরু হয়।

উত্তরঃ

যুদ্ধ কখনো জাতিতে জাতিতে সংকট নিরসনের পথ হতে পারে না।

উত্তরঃ

এ পর্যন্ত দুটি বিশ্বযুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উত্তরঃ

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় ১৯১৮ সালে।

উত্তরঃ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় ১৯৪৫ সালে।

উত্তরঃ

বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের ৫টি অঙ্গ হলো সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, অছি পরিষদ এবং আন্তর্জাতিক আদালত।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের স্থায়ী রাষ্ট্র ৫টি।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের স্থায়ী রাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন।

উত্তরঃ

মহাসচিব হলেন জাতিসংঘের প্রধান নির্বাহী।

উত্তরঃ

'ইউএনএইচসিআর' এর পূর্ণরূপ হলো- United Nations High Commissioner for Refugees. বা উদ্বাস্তু বিষয়ক জাতিসংঘ হাইকমিশনারের কার্যালয়।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার নাম হলো (FAO) বা এফএও।

উত্তরঃ

UNDP-এর পূর্ণরূপ হলো- United Nations Development Programme.

উত্তরঃ

United Nations International Children's Emergency Fund বা জাতিসংঘ শিশু তহবিল।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে 'জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)' সুবিধা বঞ্চিত শিশু ও মেয়ে শিশুদের মৌলিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে বিশেষত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য ইউনিসেফ কাজ করছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।

উত্তরঃ

বিশ্ব নারী দিবস ৮ মার্চ পালন করা হয়।

উত্তরঃ

প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ সালে।

উত্তরঃ

২০০০ সালে বেইজিং প্লাস ফাইভ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

উত্তরঃ

২৫ নভেম্বরকে 'আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়।

উত্তরঃ

১৯৭৯ সালে ডিসেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সিডও সনদ গৃহীত হয়।

উত্তরঃ

সিডও-এর পূর্ণরূপ হলো- Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women.

উত্তরঃ

সিডও সনদে ৩০টি ধারা আছে।

উত্তরঃ

নারী ও পুরুষের সমতার নীতির ওপর বিত্তি করে সিডও সনদটি তৈরি।

উত্তরঃ

জাতিসংঘ ৮ই মার্চকে বিশ্ব নারী দিবস হিসেবে ঘোষনা করেছে।

উত্তরঃ

আইভরি কোস্টের একটি সড়কের নাম 'বাংলাদেশ সড়ক'।

উত্তরঃ

বৈরিতার অবসান ঘটিয়ে যুদ্ধ বিধ্বস্তদেশগুলোতে শান্তি স্থাপনের জন্য জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশন কাজ করছে।

উত্তরঃ

১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশ কাজ করছে।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের ৬৩টি শান্তি মিশনে বাংলাদেশ কাজ করছে।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনে প্রায় ১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৮৫৬ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী হিসেবে কাজ করছে।

উত্তরঃ

আইভরিকোস্টের একটি গ্রামের নাম রাখা হয়েছে 'রূপসী বাংলা।'

উত্তরঃ

টেকসই উন্নয়ন হলো সামগ্রিক উন্নয়নের কাঠামোবদ্ধ পরিকল্পনা।

উত্তরঃ

SDG-এর পূর্ণরূপ হলো- 'Sustainable Development Goals' I

উত্তরঃ

SDG-এর অভীষ্ট ১৭টি।

উত্তরঃ

জাতিসংঘ SDG তথা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ঘোষণা করেছে।

উত্তরঃ

এসডিজি-এর বাংলা পূর্ণরূপ হলো টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট।

উত্তরঃ

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিজস্ব চাহিদা পূরণের দক্ষতায় আপস না-করে যে উন্নয়ন বর্তমানের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম তাই টেকসই উন্নয়ন।

উত্তরঃ

জাতিসংঘ অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশ উন্নয়নের সমন্বয়ে এসডিজি অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে।

উত্তরঃ

উন্নয়নের সুফল ভোগকারী গোষ্ঠীকে অংশীজন বলে।

উত্তরঃ

উন্নয়নের সুফল ভোগকারী গোষ্ঠীকে অংশীজন বলে।

উত্তরঃ

পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের মাধ্যমে সম্মিলিত প্রচেষ্টাই অংশীদারিত্ব।

উত্তরঃ

অংশীজনদের কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য থাকে।

উত্তরঃ

ভালো ফসল ফলানোর জন্য, সরকার সার ও প্রয়োজনীয় কীটনাশক সরবরাহ করবে।

উত্তরঃ

আমাদের সামষ্টিক উপকারিতা নিয়ে ভাবতে হবে।

উত্তরঃ

যেকোনো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সকলের কথা ভেবে পরিচালিত করতে হবে।

উত্তরঃ

বিচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত তৎপরতাকে সুসমন্বিত করতে হবে।

উত্তরঃ

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় পর্যায়ের সঙ্গে বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের গুরুত্ব রয়েছে।

উত্তরঃ

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পারস্পরিক অংশীদারিত্বের সূচনা করে।

উত্তরঃ

একটি দেশকে উন্নয়নের শিখরে পৌঁছাতে হলে সামগ্রিক উন্নয়নের কথা ভাবতে হয়।

উত্তরঃ

পরিবর্তনশীল বিশ্বের সমতা ও বৈষম্যহীন উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এসডিজি অর্জন নিশ্চিত করতে হবে।

উত্তরঃ

ধনী-গরিবের ক্রমবর্ধমান ব্যবধান দারিদ্র্যকে আরও প্রকট করে তুলেছে।

উত্তরঃ

বর্তমানে পৃথিবীব্যাপী যে উন্নয়ন ঘটছে তা ভারসাম্যহীন।

উত্তরঃ

পাবলিক ও প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয়হীনতা এবং অংশীদারিত্ব না থাকলে টেকসই উন্নয়ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে।

উত্তরঃ

সামাজিক বিপর্যয়ের পাশাপাশি প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা করার প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না থাকা উন্নয়নের গতিকে পথরোধ করবে।

উত্তরঃ

বর্তমানকালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে যতটুকু অগ্রগতি হয়েছে তা সুষম ও সুসংহত করা এবং একে গতিশীল করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত হয়। এ পরিষদ কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে তার সদস্যদের মধ্যে আলোচনা ও যুক্তি তর্কের আয়োজন করে থাকে। তাই সাধারণ' পরিষদকে 'বিতর্ক সভা' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের আইনসভার মতো। এ পরিষদের সদস্যদের একটি করে ভোট দানের অধিকার রয়েছে।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের পাঁচটি স্থায়ী সদস্যরাষ্ট্র হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, প্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের প্রত্যেকের 'ভেটো' প্রদান বা কোনো প্রস্তাব নাকচ করে দেওয়ার ক্ষমতা আছে।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত হয়। এ পরিষদ কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে তার সদস্যদের মধ্যে আলোচনা ও যুক্তি তর্কের আয়োজন করে থাকে। তাই সাধারণ পরিষদকে 'বিতর্কসভা' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের আইনসভার মতো। এ পরিষদের সদস্যদের একটি করে ভোট দানের অধিকার রয়েছে।

উত্তরঃ

মানবাধিকার হলো প্রত্যেক মানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার। তাই মানবাধিকার ছাড়া কোনো মানুষ পূর্ণাঙ্গ হতে পারে না।

উত্তরঃ

পাঁচটি প্রধান অঙ্গ এবং একটি সেক্রেটারিয়েট নিয়ে জাতিসংঘ গঠিত। পাঁচটি অঙ্গ হচ্ছে- সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, অছি (তত্ত্বাবধায়ক) পরিষদ এবং আন্তর্জাতিক বিচারালয় বা আদালত। জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত। ৫টি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ীসহ মোট ১৫টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত নিরাপত্তা পরিষদ জাতিসংঘের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কার্যকরী সভা। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ বিশ্বের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধনে এবং অছি পরিষদ স্বাধীনতা প্রাপ্ত নয় এরূপ বিশেষ এলাকার তত্ত্বাবধায়নে নিয়োজিত। আন্তর্জাতিক বিবাদ ও বিরোধের মীমাংসার জন্য গঠিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিচারালয়। সেক্রেটারিয়েট হচ্ছে জাতিসংঘের প্রশাসনিক প্রধান।

উত্তরঃ

জাতিসংঘ সনদে সুস্পষ্টভাবে বিশ্বশান্তি ও সহযোগিতা বিধানের লক্ষ্যে জাতিসংঘের উদ্দেশ্য লিপিবদ্ধ আছে। উদ্দেশ্যসমূহ হলো-
১. শান্তি ভঙ্গের হুমকি, আক্রমণাত্মক প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্ব শান্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
২. বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা।
৩. অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা।
৪. জাতি, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা।
৫. আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা। 
৬. প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি। 
৭. উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যধারা অনুসরন করা।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিষদ হলো- নিরাপত্তা পরিষদ। একে কার্যকরী পরিষদও বলা হয়। ৫টি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী মোট ১৫টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে এটি গঠিত। ৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হচ্ছে- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন এদের প্রত্যেকের "ভেটো' প্রদান বা কোনো প্রস্তাব নাকচ করে দেওয়ার ক্ষমতা আছে।

উত্তরঃ

মানবজীবনে যুদ্ধের প্রভাব অতি ভয়াবহ। এতে লক্ষ লক্ষ মানুষ আহত ও নিহত হয়। অনেকে গৃহহারা ও পঙ্গুত্ব বরণ করে উদ্বাস্তু হয়ে অসহায় জীবনযাপন করে। প্রতিটি দেশ হারায় তার কর্মক্ষম যুব সম্প্রদায়কে। যুদ্ধ কখনো জাতিতে জাতিতে সংকট নিরসনের পথ হতে পারে না। বরং যুদ্ধ ডেকে আনে ভয়ংকর ধ্বংসলীলা এবং মানবজাতির জন্য ভয়াবহ দুর্ভোগ। মানবজীবনে যুদ্ধের প্রভাব তাই অতি ভয়াবহ।

উত্তরঃ

ইউএনডিপি ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ইউএনডিপি সদস্যপদ লাভের পর থেকেই আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য তার কাছে থেকে বিভিন্ন রকম সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করে আসছে। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে ইউএনডিপি দেশব্যাপী অসংখ্য কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। ২০১৫ সালে বাংলাদেশে ইউএনডিপি মিলেনিয়াম উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে আটটি এগুলো অর্জনে ইউএনডিপি বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে আসছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে জাতিসংঘের সব কয়টি অঙ্গ সংস্থার মিশন রয়েছে। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো UNIFEM। বাংলাদেশে নারীদের উন্নয়নে এ সংস্থাটি বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন অব্যাহত রেখেছে। UNIFEM বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের অধিকার আদায়ে ভূমিকা রাখছে, এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে নারীদের সংশ্লিন্ট করছে। এছাড়া নারীদের নিরাপদ শ্রম অভিবাসনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে এ সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে।

উত্তরঃ

UNHCR জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা। এটি উদ্বাস্তু বিষয়ক জাতিসংঘ হাই কমিশনারের কার্যালয়। বাংলাদেশ মিয়ানমার রোহিঙ্গা ইস্যুতে এ কার্যালয় মধ্যস্থতা করছে। বিশাল শরণার্থী পালনের খরচেও অবদান রাখছে। তাছাড়া বাংলাদেশের বিহারী জনগোষ্ঠীর অবস্থানসহ অন্যান্য ইস্যুতে এ সংস্থা ব্যাপক অবদান রাখছে।

উত্তরঃ

'UNIFEM' হলো জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থাগুলোর একটি। 'UNIFEM' হলো নারী উন্নয়ন তহবিল। বাংলাদেশের নারীদের উন্নয়নে এ সংস্থা বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করেছে। নারীদের বিভিন্ন ধরনের অধিকার আদায়ে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে তাদের সংশ্লিষ্ট করছে। বাংলাদেশের নারীদের নিরাপদ শ্রম অভিবাসনসহ বিভিন্ন ইস্যুতেও এ সংস্থা কাজ কৃরেছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে জাতিসংঘের সব কটি অঙ্গ সংস্থার মিশন আছে। তাদের মধ্যে একটি সংস্থা হচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও (WHO)। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। যেমন: বাংলাদেশের পোলিও নিবারণের জন্য শিশুদের বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খাওয়াচ্ছে এবং টিকা দিচ্ছে। অর্থাৎ WHO দ্বারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে বুঝি, যা জাতিসংঘের একটি অন্যতম সংস্থা।

উত্তরঃ

জাতিসংঘ শিশু তহবিল বা ইউনিসেফ (UNICEF)- দেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও মেয়ে শিশুদের মৌলিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে বিশেষত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য ইউনিসেফ কাজ করছে। জাতিসংঘের খাদ্য এবং কৃষি সংস্থা বা এফএও (FAO)-বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য জাতিসংঘের খাদ্য এবং কৃষি সংস্থা কাজ করছে।

উত্তরঃ

নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য-দূরীকরণে জাতিসংঘ যে নীতি প্রণয়ন করেছে, তা-ই সিডও (CEDAW) সনদ নামে পরিচিত। সিডও সনদটি নারীর অধিকার সংক্রান্ত একটি পূর্ণাঙ্গ দলিল, যা বিভিন্ন সময়ে নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে গ্রহণকৃত বিভিন্ন ইস্যুকে সমন্বিত করে। ১৯৭৯ সালের ডিসেম্বর মাসে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক এটি গৃহীত হয়। ১৯৮১ সালে ২০টি দেশ সমর্থন করার পর এটি কার্যকর হয়। বাংলাদেশসহ মোট ১৩২টি দেশ সনদটি সমর্থন করছে।

উত্তরঃ

নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদটি CEDAW সনদ নামে পরিচিত। ১৯৭৯ সালের ডিসেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এটি গৃহীত হয়। ১৯৮৯ সালে ২০টি দেশ সমর্থন করার পর এটি কার্যকর হয়। বাংলাদেশসহ মোট ১৩২টি দেশ এ সনদটি সমর্থন করেছে। এটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, এটি নারীর অধিকারের পূর্ণাঙ্গ দলিল।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের কর্মকান্ডে বাংলাদেশ নানাভাবে পুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বাংলাদেশে জাতিসংঘের সবক'টি অঙ্গ সংস্থার মিশন আছে। জাতিসংঘে বাংলাদেশের আর্থিক অবদান কম হলেও বাংলাদেশের সৈন্যরা প্রাণ উৎসর্গ করে শান্তিরক্ষা মিশন পরিচালনায় কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। এছাড়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করার পর থেকে বাংলাদেশ এ বিশ্ব সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

উত্তরঃ

জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা হয়েছে বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। আর জাতিসংঘের শান্তিমিশনগুলোতে বাংলাদেশের অবদান ঈর্ষণীয়। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ১১টি দেশে ১১,০০০ এর বেশি সৈন্য জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করে যাচ্ছে। এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে অন্যান্য দেশের সৈন্যরা যেখানে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছিল না, সেখানে বাংলাদেশি সৈন্যরা পেয়েছে স্থানীয় মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা, সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা ২য় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা লাভ করেছে। আইভরিকোস্টের অন্যতম ব্যস্ত সড়কের নাম হয়েছে 'বাংলাদেশ সড়ক'। তাই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনগুলোতে বাংলাদেশ ঈর্ষণীয় অবদান রেখে চলেছে। বর্তমানে প্রায় ১১,০০০ এর বেশি বাংলাদেশি সৈন্য বিশ্বের ১১টি দেশে জাতিসংঘের অধীনে শান্তিরক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে। আফ্রিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশি সৈন্যদের অভূতপূর্ব সাফল্য সেই দেশগুলোতে তথা সারা বিশ্বে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতাকে অনেক বৃদ্ধি করেছে। তাই বলা যায়, জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উত্তরঃ

সকলের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে উন্নয়নের গতিধারাকে অব্যাহত রাখা যায়। উন্নয়নকর্মী বা সরকারের একার পক্ষে উন্নয়ন গতিধারাকে অব্যাহত রাখা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে স্ব-স্ব অবস্থানে থেকে সবাইকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তবেই টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন করা সম্ভব হবে এবং উন্নয়নের গতিধারাকে অব্যাহত রাখা যাবে।

উত্তরঃ

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর

উত্তরঃ

বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য

উত্তরঃ

লীগ অব নেশন্স ১৯২০ সালের ১০ই জানুয়ারি গঠিত হয়েছিল। এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিজয়ী মিত্রশক্তির উদ্যোগে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা ছিল।

উত্তরঃ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ

উত্তরঃ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে

উত্তরঃ

জাতিসংঘ ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর আত্মপ্রকাশ করে, যখন ৫১টি রাষ্ট্র জাতিসংঘের সনদ স্বাক্ষর করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

উত্তরঃ

জাতিসংঘ ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর আত্মপ্রকাশ করে, যখন ৫১টি রাষ্ট্র জাতিসংঘের সনদ স্বাক্ষর করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

উত্তরঃ

বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ

উত্তরঃ

জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে

উত্তরঃ

জাতিসংঘের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও-কার্যকরী পরিষদে ২ ধরনের সদস্য থাকে

উত্তরঃ

জাতিসংঘের অস্থায়ী সদস্যরাষ্ট্র ১০ টি।

উত্তরঃ

আন্তর্জাতিক আদালত (International Court of Justice বা ICJ) নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গ এবং এর সদর দপ্তর শান্তি প্রাসাদে (Peace Palace) অবস্থিত।

উত্তরঃ

জাতিসংঘ চার্টার মানতে বাধ্য

উত্তরঃ

বাংলাদেশ ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে ১৩৬তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত হয়। এই দিনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশ, গ্রানাডা ও গিনি-বিসাউকে সদস্যপদ দেওয়া হয়।

উত্তরঃ

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা

উত্তরঃ

ইউএনডিপি (UNDP) টেকসই উন্নয়নের ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা (Sustainable Development Goals বা SDGs) নিয়ে কাজ করে, যা ২০১৫ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ গৃহীত "২০৩০ এজেন্ডা"-এর অংশ। এই ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো দারিদ্র্য বিলোপ, ক্ষুধা মুক্তি, সুস্বাস্থ্য, মানসম্মত শিক্ষা, লিঙ্গ সমতা, বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন, সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি, শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো, বৈষম্য হ্রাস, টেকসই নগর ও জনপদ, পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন, জলবায়ু পরিবর্তন, জলজ জীবন, স্থলজ জীবন, শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং অংশীদারিত্ব—এই সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত।

উত্তরঃ

টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা ১৭টি

উত্তরঃ

শিশুদের শিক্ষা ও চিকিৎসা

উত্তরঃ

নারীর প্রতি সকল বৈষম্য বাতিল ধারা CEDAW

উত্তরঃ

"নারী চোখে বিশ্ব দেখুন"- ঘোষণাটি ৪র্থ নারী সম্মেলনে ছিল ।

উত্তরঃ

নারীর বৈষম্যের প্রকারভেদ

উত্তরঃ

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বা Sustainable Development Goals (SDGs)-এর মোট ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রাগুলো ২০১৬ সাল থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে একটি উন্নত ও টেকসই ভবিষ্যৎ অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়েছে এবং জাতিসংঘ এগুলো প্রণয়ন করেছে।

উত্তরঃ

অংশীদারিত্ব' SDG এর ১৭ নম্বর অভীষ্ট

উত্তরঃ

Sustainable Development Goals

উত্তরঃ

সম্পদের অসম-বণ্টন

179
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

পাঁচটি প্রধান অঙ্গ ও একটি সেক্রেটারিয়েট নিয়ে জাতিসংঘ গঠিত। পাঁচটি অঙ্গের প্রধান অঙ্গটি হচ্ছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ। বিতর্ক সভা বলতে এ সাধারণ পরিষদকেই বোঝায়। আর জাতিসংঘের সকল সদস্যরাষ্ট্র নিয়ে সাধারণ পরিষদ বা বিতর্ক সভা গঠিত।

916
উত্তরঃ

রিতার মতো এ ধরনের নারীর অধিকার আদায়ে জাতিসংঘের নারী উন্নয়ন তহবিল বা ইউনিফেম (UNIFEM) অঙ্গ সংস্থাটি কাজ করছে।

ইউনিফেম বাংলাদেশে নারীদের উন্নয়নে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করছে। নারীদের বিভিন্ন ধরনের অধিকার আদায়ে এবং অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে তাদের সংশ্লিষ্ট করছে। উদ্দীপকের গৃহবধূ রিতা উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া সত্ত্বেও পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে কোনো কর্মক্ষেত্রে যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়নি। অনেক যুক্তি ও সংগ্রামের পরে তিনি একটি প্রাইভেট ফার্মে চাকরি লাভ করেন। সেখানে একই পদমর্যাদার পুরুষ সহকর্মী অপেক্ষা তাকে কম আর্থিক সুবিধাদি দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে যোগ্য সম্মান ও প্রাপ্য সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য তিনি কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করেন; অবশেষে সফল হন। বাংলাদেশের নারীদের নিরাপদ শ্রম অভিবাসনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে এ ইউনিফেম কাজ করছে। 

সুতরাং বলা যায়, বাংলাদেশের নারীদের অধিকার আদায়ে ইউনিফেম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

688
উত্তরঃ

রিতার ভাই লাভলু বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের শান্তিমিশনে কাজ করছে এবং দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছেন।

জাতিসংঘের শান্তি মিশনে শুধু বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নয়; পাশাপাশি পুলিশও নিয়োজিত আছেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে জাতিসংঘ তথা বিশ্বে বাংলাদেশ পেয়েছে ব্যাপক পরিচিতি ও শ্রদ্ধা এবং দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছেন। লাভলু সাহেব সিয়েরা লিওনে কর্মরত। সে হিসেবে তিনি দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছেন। বর্তমানে প্রায় ১১,০০০ এর বেশি বাংলাদেশি সৈন্য বিশ্বের ১১টি দেশে জাতিসংঘের অধীনে শান্তিরক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে। আফ্রিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশি সৈন্যদের অভূতপূর্ব সাফল্য সে দেশগুলোতে তথা সারা বিশ্বে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতাকে অনেক বৃদ্ধি করেছে। আফ্রিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে অন্যান্য দেশের সৈন্যরা যেখানে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছিল না, সেখানে বাংলাদেশি সৈন্যরা শুধু গ্রহণযোগ্যতা নয়, পেয়েছে স্থানীয় গণমানুষের শ্রদ্ধা, ভক্তি ও ভালোবাসা। সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা পেয়েছে সেই দেশের - দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা। তাছাড়া আইভরিকোস্টে অন্যতম একটি ব্যস্ত সড়কের নাম হয়েছে 'বাংলাদেশ সড়ক'।

অতএব, রিতার ভাই লাভলু দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

425
উত্তরঃ

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি স্থায়ী সদস্যের জাতিসংঘে উত্থাপিত কোনো প্রস্তাব নাকচ করে দেওয়ার যে ক্ষমতা রয়েছে সেটিই হলো ভেটো।

303
উত্তরঃ

জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা হয়েছে বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। আর জাতিসংঘের শান্তিমিশনগুলোতে বাংলাদেশের অবদান ঈর্ষণীয়। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ১১টি দেশে ১১,০০০ এর বেশি সৈন্য F জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করে যাচ্ছে। এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে অন্যান্য দেশের সৈন্যরা যেখানে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছিল না, সেখানে বাংলাদেশি সৈন্যরা পেয়েছে স্থানীয় মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা, সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা ২য় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা লাভ করেছে। আইভরিকোস্টের অন্যতম ব্যস্ত সড়কের নাম হয়েছে 'বাংলাদেশ সড়ক'। তাই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক।

236
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews