সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের উত্তরের পাহাড়গুলো; যেমন-চিকনাগুল, খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া ইত্যাদির পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত। এসবের উচ্চতা মাত্র ৩০ থেকে ৯০ মিটার। আর তাই এ পাহাড়গুলোকে টিলা বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

অক্টোবর-নভেম্বর মাসে ভারতে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। দিক পরিবর্তন করে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুতে পরিণত হতে থাকে।  বলে ভারতের কোনো কোনো স্থানে ঘূর্ণিঝড়ের মাধ্যমে বৃষ্টিপাত হয়। পশ্চিমবঙ্গে এ ঝড়কে 'আশ্বিনা ঝড়' বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভূতাভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে ভূমিকম্পের কেন্দ্র বলে। আর কেন্দ্রের ঠিক সোজাসুজি উপরের ভূপৃষ্ঠের নামই হচ্ছে উপকেন্দ্র। কম্পনের বেগ উপকেন্দ্র হতে ধীরে ধীরে চারদিকে কমে যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

১৯৮৯ সালে ফরাসি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়াম বাংলাদেশের ভূমিকম্প বলয় সংবলিত মানচিত্র তৈরি করে। এতে যে তিনটি বলয় দেখানো হয়েছে সেগুলোই হচ্ছে 'সিসমিক রিস্ক জোন'। তিনটি বলয়ের প্রথম বলয়কে 'প্রলয়ঙ্কীয়' দ্বিতীয় বলয়কে 'বিপজ্জনক এবং তৃতীয় বলয়কে 'লঘু' বলে বর্ণনা করেছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি নিচু ও সমতল। রাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বের সামান্য পাহাড়ি অঞ্চল এবং উত্তর-পশ্চিমাংশের সীমিত উঁচুভূমি ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতির আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি পলল গঠিত একটি আর্দ্র অঞ্চল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে ব্যংলাদেশের অবস্থান। বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখার মধ্যে অবস্থিত। এছাড়া বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩°৫′) অতিক্রম করেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত। বাংলাদেশের মোট আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি. বা ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের ভূখণ্ড উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে অবস্থিত। ফলে বাংলাদেশের নদনদী, উপনদী ও শাখা নদীগুলো উত্তর দিকে থেকে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অভিমুখে প্রবাহিত হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভূ-প্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা-
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
২. প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ;
৩. সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত। প্রায় ২ মিলিয়ন বছরেরও আগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ সকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় এই দুই শ্রেণিতে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়কে বিভক্ত করা হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহের গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিওডং (বিজয়) যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার। এছাড়া কিওক্রাডং (১২৩০) মিটার। মোদকমুয়াল (১,০০০) মিটার ও পিরামিড (৯১৫ মিটার)। এগুলো এই অঞ্চলে অবস্থিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের উত্তরের পাহাড়গুলোর উচ্চতা কম বলে এগুলো টিলা নামে পরিচিত। বাংলাদেশের উত্তরের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের। এ পাহাড়গুলোর উচ্চতা দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলো থেকে অনেক কম। মাত্র ৩০ থেকে ৯০ মিটার উচ্চতার কারণেই এগুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

শীত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা- তিনটি আলাদা ঋতুর উপস্থিতিতে যে জলবায়ু, তাই ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু। সূর্য উত্তর গোলার্ধে অবস্থান করার কারণে এ জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালে অধিক উত্তাপ লক্ষ করা যায়। আবার দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। শীতকালে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থান করায় শীতল বায়ুপ্রবাহ থাকলেও শৈত্য ততটা প্রকট আকার ধারণ করে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

সমতল ভূমির ওপ্র দিয়ে অসংখ্য নদী প্রবাহিত হওয়ার কারণে বর্ষাকালে বাংলাদেশ বন্যার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর এভাবে বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমি গঠিত হয় সেটাই প্লাবন সমভূমি। বাংলাদেশে প্লাবন সমভূমির আয়তন ১.২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার। সমগ্র সমভূমির মাটির স্তর খুব গভীর এবং ভূমি খুব উর্বর। প্লাবন সমভূমি খুবই উর্বর বলে কৃষিজাত দ্রব্য' উৎপাদনের ক্ষেত্রে তা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

আনুমানিক ২৫.০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয়। এই সময়ের আন্তঃবরফ গলা পানিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়ে প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ গঠিত হয়েছিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১.. বরেন্দ্রভূমি।
২. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়।
৩. লালমাই পাহাড়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া জয়পুরহাট, রংপুর ও দিনাজপুর 'জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত। এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গ কিলোমিটার। এ স্থানের মাটি ধূসর ও লাল বর্ণের।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত লালমাই পাহাড়টি বিস্তৃত। এর আয়তন ৩৪ বর্গকিলোমিটার। এই পাহাড়ের গড় উচ্চতা ২১ মিটার।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সমতল ভূমির উপর দিয়ে অসংখ্য নদী প্রবাহিত হওয়ার কারণে এখানে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর এভাবে বন্যার পানির সঙ্গে পরিবাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির একটি ভাগ হলো ব-দ্বীপ সমভূমি। ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী ও ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি গঠিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

জীবিকা সংস্থান কষ্টসাধ্য হওয়ায় পার্বত্য অঞ্চলে জনবসতির ঘনত্ব খুব কম। অনুন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা, বনভূমি এবং ভূপ্রকৃতিগত কারণেই মূলত পার্বত্য এলাকায় জনসংখ্যার ঘনত্ব কম থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

সমতলভূমি উর্বর পলিমাটি দ্বারা সৃষ্ট বলে এই অঞ্চলে কৃষি আবাদ অনেকটা সহজসাধ্য। তাই এসব অঞ্চলে ঘন জনবসতি গড়ে উঠতে দেখা যায়। এছাড়া নদীগুলোর নাব্য, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রভৃতি কারণেও এখানে ঘন জনবসতি দেখা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

জনবসতি সৃষ্টিতে-শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রভাব অপরিসীম। শিক্ষা ও সংস্কৃতি আজকের যুগের মানুষকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। যেসব অঞ্চলে শিক্ষা-সংস্কৃতি, কৃষ্টি সংস্কৃতি প্রভৃতির অনুশীলন ও চর্চার সুযোগ বেশি, সেসব স্থানে জনবসতি স্বাভাবিক কারণেই বেশি হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ, মানুষের অর্থনৈতিক উন্নতির পাশাপাশি বাড়িঘর, কলকারখানা, পুল, রাস্তাঘাট, শহর-উপশহর নির্মাণে বাংলাদেশের কৃষিজমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে। পরিকল্পিতভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ হিসেবে ভূমি বা কৃষিজমির ব্যবহার না করা হলে জাতীয় জীবনে বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে। বর্তমানে অধিক পরিমাণ শিল্পায়ন ও নগরায়ণের ফলেও কৃষি জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ু বলতে একটি বৃহৎ অঞ্চলব্যাপী আবহাওযার উপাদানসগুলোর দৈনন্দিন অবস্থার দীর্ঘদিনের গড় অবস্থাকে বোঝায়। মৌসুমী জলবায়ুর কারণে এদেশে বছরের বিভিন্ন ঋতুতে জলবায়ুর তারতম্য ঘটে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দেখা দেয় নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের জলবায়ু মোটামুটি উষ্ণ, আর্দ্র ও সমভাবাপন্ন। মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাব এখানে এত অধিক যে, সামগ্রিকভাবে এ জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত। ঋতুভেদে জলবায়ুর কিছুটা তারতম্য থাকলেও এটি কখনো অন্যান্য শীতপ্রধান বা গ্রীষ্মপ্রধান দেশের মতো চরমভাবাপন্ন হয় না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

মৌসুমি শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ 'মওসুম' থেকে, যার অর্থ হলো ঋতু। ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে যে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয় তাকে মৌসুমি বায়ু বলে। সূর্যের উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়নের ফলে শীত-গ্রীষ্মে ঋতুভেদে স্থলভাগ ও জলভাগের তাপের তারতম্য ঘটে। সেজন্য মৌসুমি বায়ুর সৃষ্টি হয়। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশসহ কর্কটক্রান্তির আশপাশে দেশগুলোতে প্রচুর বৃষ্টিপাত ও প্রচণ্ড গরমের প্রবণতা লক্ষ করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ুর বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশের প্রধান ঋতু তিনটি। যথা-
১. শীতকাল,
২. গ্রীষ্মকাল,
৩. বর্ষাকাল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

প্রতিবছর নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে শীতকাল। এসময় সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে থাকায় বাংলাদেশে উত্তাপের পরিমাণ যথেষ্ট কমে যায়। জানুয়ারি বাংলাদেশের শীতলতম মাস। এসময় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যথাক্রমে ২৯ ডিগ্রি সে. ও ১১ ডিগ্রি সে.।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশে তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সে. এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি সে. পর্যন্ত হয়ে থাকে। মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল। এটিই বাংলাদেশের উষ্ণতম ঋতু।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

গ্রীষ্মকালে সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তি রেখার নিকটবর্তী হওয়ায় বায়ুর চাপের পরিবর্তন হয় এবং বাংলাদেশের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হতে থাকে। একই সময়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক দিয়ে শুষ্ক ও শীতল বায়ু প্রবাহিত হওয়ার ফলে কালবৈশাখী ঝড় হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মোট বৃষ্টিপাতের পাঁচ ভাগের চার ভাগ বৃষ্টিপাত বর্ষাকালেই হয়ে থাকে। এ সময়কার গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সর্বনিম্ন ১১৯ সে.মি. এবং সর্বোচ্চ ৩৪০ সে.মি.। উল্লেখ্য যে, দেশের পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে বৃষ্টিপাত ক্রমেই বেশি হয়ে থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে, জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বর্ষাকাল। জুন মাসের শেষদিকে মৌসুমি বায়ুর আগমনের সাথে বর্ষাকাল শুরু হয়। এসময় সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় অতিরিক্ত তাপ অনুভব হয়। কিন্তু অতিরিক্ত বৃষ্টি হওয়ার কারণে তাপ স্থায়ী হতে পারে না। তবে আবহাওয়া উষ্ণ থাকায় দক্ষিণা বায়ুর প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। বাংলাদেশের মোট বৃষ্টিপাতের পাঁচ ভাগের চার ভাগ বর্ষাকালে হয়ে থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ডৌগোলিক অবস্থান এবং জলবায়ুর কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় বেশি হয়।
বাংলাদেশ বঙ্গোপসগারের উত্তরে অবস্থিত। এ অঞ্চল ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি জন্য উপযুক্ত। কারণ, সাগরের গরম জলবায়ু ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি বাড়ায়। এছাড়া বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা অনেকটা সমতল এবং সাগরের খুব কাছাকাছি। এ কারণে ঘূর্ণিঝড় স্থলভাগে সহজেই আঘাত হানে এবং উপকূলীয় এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

মার্চ হতে মে মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল। এটিই দেশের উষ্ণতম ঋতু। এ ঋতুতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সে. এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১ ডিগ্রি সে. পর্যন্ত হয়ে থাকে। গড় হিসেবে উষ্ণতম মাস এপ্রিল। এ সময়ে সামুদ্রিক বায়ুর প্রভাবে দেশের দক্ষিণ হতে উত্তরদিকে তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বেশি থাকে। যেমন- এপ্রিল মাসের গড় তাপমাত্রা কক্সবাজারে ২৭.৬৪ ডিগ্রি সে. নারায়ণগঞ্জে ২৮.৬৬ ডিগ্রি সে. এবং রাজশাহীতে প্রায় ৩০ ডিগ্রি সে. থাকে। গ্রীষ্মকালে সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তি রেখার নিকটবর্তী হওয়ায় বায়ুর চাপের পরিবর্তন হয় এবং বাংলাদেশের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হতে থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

মার্চ হতে মে মাস পর্যন্ত ভারতে গ্রীষ্মকাল। ২১ মার্চ সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধ হতে নিরক্ষরেখায় আসে এবং তারপর ক্রমশ উত্তরে কর্কটক্রান্তি রেখার দিক অগ্রসর হয়। সূর্যের এ উত্তরায়ণের সঙ্গে সঙ্গে ভারতের তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। এসময় গঙ্গা নদীর উপত্যকায় গড়ে ২৭ ডিগ্রি সে. তাপমাত্রা পুরিলক্ষিত হয়। যতই উত্তরে যাওয়া যায় ক্রমশ তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং এসময় ভারতের উত্তর-পশ্চিমে মরু অঞ্চলের নিকট উত্তাপ ৪৮ ডিগ্রি সে. পর্যন্ত ওঠে। মে মাসে কলকাতা শহরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সে, পর্যন্ত উঠলেও গ্রীষ্মকালীন গড় তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সে. এর বেশি হয় না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভারতে শরৎ ও হেমন্তকালে সৃষ্ট ঝড়ের নাম আশ্বিনা ঝড়। শরৎ ও হেমন্তকালে ভারতে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু দিক পরিবর্তন করে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুতে পরিণত হতে থাকে। ফলে ভারতের কোনো কোনো অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের মাধ্যমে বৃষ্টিপাত হয়। পশ্চিমবঙ্গে এ ঝড়কে আশ্বিনা ঝড় বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বিশাল আয়তনের দেশ হওয়ায় ভারতের জলবায়ু বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। অক্ষাংশ, সমুদ্র হতে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতির ভিন্নতার কারণেই মূলত ভারতের জলবায়ু ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

হিমালয় পর্বতমালা উত্তর 'তঅঞ্চল ঝুড়ে প্রাচীরের ন্যায় দণ্ডায়মান থাকায় হিমমণ্ডল থেকে নির্গত শুষ্ক ও শীতল বায়ু সরাসরি ভারতে প্রবেশ করতে পারে না। এ জন্য ভারত শীতের কবল থেকে রক্ষা পায়। শীত ঋতুতে সমগ্র ভারতের আবহাওয়া মোটামুটি শুল্ক, শীতল ও আরামদায়ক থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

মিয়ানমারে তিনটি ঋতু দেখা যায়। যথা-

১. গ্রীষ্মকাল : মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত মিয়ানমারে গ্রীষ্মকাল।
২. বর্ষাকাল: জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত এখানে বর্ষাকাল।
৩. শীতকাল: নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত মিয়ানমারে শীতকাল বিরাজ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

মার্চ মাস থেকে মে মাস পর্যন্ত মিয়ানমারে গ্রীষ্মকাল। এ সময়ের এদেশের অধিকাংশ স্থান অত্যন্ত উত্তপ্ত এবং গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৯ ডিগ্রি সে. এর কাছাকাছি পৌঁছে। এসময় সূর্য উত্তর গোলার্ধে অবস্থান করে বিধায় মধ্য এশিয়ায় বিরাট নিম্নচাপের সৃষ্টি হয় এবং এ অঞ্চলে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ শুরু হয়। এ সময়ে ভামোতে ১৯ ডিগ্রি সে. মান্দালয়ে ৩২ ডিগ্রি সে. এবং রেঙ্গুনে প্রায় ২৭ ডিগ্রি সে. তাপমাত্রা বিরাজ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ুর কারণে সৃষ্ট বন্যার পানিবাহিত পলিমাটি কৃষিক্ষেত্রে উর্বরতা বাড়ায়, এতে ফসল অনেক ভালো হয়। পলিমাটি বেষ্টিত নদীর তীরবর্তী অঞ্চলগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ধান, গম, নানাজাতের - সবজি, ডাল, রবিশস্য প্রভৃতি জন্মে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

কখনো কখনো ভূপৃষ্ঠের কতক অংশ হঠাৎ কোনো কারণে কেঁপে ওঠে। এ কম্পন অত্যন্ত মৃদু থেকে প্রচণ্ড হয়ে থাকে, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়। ভূপৃষ্ঠের এরূপ আকস্মিক ও ক্ষণস্থায়ী কম্পনকে ভূমিকম্প বলে। এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভূকিম্পের তিনটি কারণ হলো-
১. ভিত্তিশিলা চ্যুতি বা ফাটল বরাবর আকস্মিক ভূআলোড়ন হলে ভূমিকম্প হয়।
২. ভূআলোড়নের ফলে ভূত্বকের কোনো স্থানে শিলা ধসে পড়লে বা শিলাচ্যুতি ঘটলে ভূমিকম্প হয়।
৩. আগ্নেয়গিরির লাভা প্রচন্ড শক্তিতে ভূঅভ্যন্তর থেকে বের হয়ে আসার সময় ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর ব্যবচ্ছেদে দেখা যায় যে, ভূ-ত্বক ৮টি বড়ো বড়ো টুকরা এবং ৬টি আঞ্চলিক টুকরা দ্বারা বিভক্ত। এগুলো টেকটনিক প্লেট নামে পরিচিত। ভূমিকম্পের অন্যতম কারণ হলো টেকটনিক প্লেটগুলোর বিভিন্ন রকমের স্থানান্তর বা বিচ্যুতি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্পের ধাক্কায় সমুদ্রের পানি তীর থেকে নিচে নিমে যায় এবং পরক্ষণেই ভীষণ গর্জন সহকারে ১৫-২০ মিটার উঁচু হয়ে ঢেউয়ের আকারে, উপকূলে এসে আছড়ে পড়ে। এ ধরনের -জলোচ্ছ্বাসকে সুনামি বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের চেয়ে ভূমিকম্পের প্রকৃতি আলাদা। এটি অকস্মৎ সংঘটিত হয়, খুবই ক্ষণস্থায়ী এবং ভূঁডাভ্যন্তরে ঘটে থাকে। তাই এটি সরাসরি পর্যবেক্ষণের কোনো সুযোগ নেই।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে বাংলাদেশ ইন্ডিয়ান ও ইউরোপীয়ান প্লেটের সীমানার কাছে অবস্থিত। এই কারণে বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল। ভূমিরূপ ও ভূভ্যন্তরীণ কাঠামোগত কারণে বাংলাদেশে ভূআলোড়নজনিত শক্তি কার্যকর এবং এর ফলে এখানে ভূমিকম্প হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্পের তীব্রতাকে চিহ্নিত করে মানচিত্রে যে বলয় তৈরি করা হয় তাকে সিসমিক রিস্ক জোন বলে। ১৯৮৯ সালে ফরাসি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়াম বাংলাদেশের ভূমিকম্প বলয় সংবলিত। মানচিত্র তৈরি করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীতে ভূমিকম্পের ফলে বহু পরিবর্তন ও ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। ভূমিকম্পের ফলে কখনো উচ্চভূমি সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হয়, আবার কখনো সমুদ্রের তলদেশের কোনো স্থান উঁচু হয়ে সমুদ্রে দ্বীপের সৃষ্টি করে। এর ফলে নদীর গতি রোধ করে হ্রদের সৃষ্টি হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দুর্ভিক্ষ ও মহামারির ফলে বহু প্রাণহানি ঘটে। ভাই ভূমিকম্পকে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের ভূমিকম্প বলয় বলতে এমন ভৌগোলিক অঞ্চলগুলোকে বোঝায় যেখানে ভূমিকম্পের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। বাংলাদেশের অবস্থান ইউরোপীয় এবং ভারতীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলের কাছাকাছি হওয়ায় এ অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং রংপুর অঞ্চলে ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বেশি থাকে। এ অঞ্চলগুলো ভূমিকম্প বলয়ের মধ্যে পড়ে, যেখানে প্লেটগুলোর সংঘর্ষ বা স্থানচ্যুতির কারণে ভূমিকম্প ঘটে থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

নতুন বাড়ি তৈরি করার সময় স্ট্র্যাকচার ও ডিজাইন করার সময় যে নীতি অনুসরণ করা হয় সেটাই ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড। ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলা করার জন্য দক্ষ প্রকৌশলীরা তদারকির মাধ্যমে ভালো নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে বাড়ি তৈরি করতে হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্পের প্রস্তুতিস্বরূপ একজন ব্যক্তির করণীয় হলো-বাড়িতে ব্যাটারি চালিত রেডিও এবং টর্চ বাতি রাখা। প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা এবং, হাসপাতাল, ফায়ার ব্রিগেড প্রভৃতির ফোন নাম্বার সাথে রাখা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্প চলাকালীন জনসাধারণের করণীয় দুইটি বিষয় হলো-
১. নিজেকে ধীরস্থির ও শান্ত রাখা।
২. রাস্তায় গাড়িতে থাকলে গাড়ি না চালিয়ে ইঞ্জিন বন্ধ করে রাখা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্পের পর একজন সচেতন ব্যক্তির প্রথম করণীয় হলো নিজের এবং অন্যের প্রাথমিক চিকিৎসা করা। পানি, গ্যাস ও বৈদ্যুতিক লাইন পরীক্ষা করা। খালি পায়ে চলাচল না করা এবং রেডিও, টেলিভিশন খোলা রাখা যাতে দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে প্রচারিত তথ্য শোনা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ব-দ্বীপ হলো বাংলাদেশ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরের পাহাড়গুলোকে স্থানীয়ভাবে টিলা বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

লালমাই পাহাড় বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ বা চত্বর ভূমিরূপের অন্তর্গত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভারত মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে অবস্থিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

লালমাই পাহাড়ের গড় উচ্চতা ২১ মিটার।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

নেপালের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৪৫ সে.মি.।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

মিয়ানমারের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি ধরনের।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মোট ক্ষেত্রের পরিমাণ ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে মাথাপিছু জমির পরিমাণ ০.২৮ একর ছিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

লালমাই পাহাড়ের আয়তন ৩৪ বর্গকিলোমিটার।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান নবম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম তাজিওডং বা বিজয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাাদেশের সমতল ভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গ কিলোমিটার।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহের মধ্যে অন্যতম একটি পাহাড় হলো চিকনাগুল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে অবস্থিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বরেন্দ্রভূমির আয়তন ৯,৩২০ বর্গ কিলোমিটার।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের ভূখণ্ড উত্তর হতে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম অবস্থিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মিয়ানমার অবস্থিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মোট আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি.।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৪.৯৭ কোটি ছিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

জনশুমারি-২০২২ হিসাব অনুসারে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব ১১১৯ জন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বর্তমানে বাংলাদেশে মাথাপিছু জমির পরিমাণ ০.২৫ একর।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

একটি বৃহৎ অঞ্চলব্যাপী আবহাওয়ার উপাদানগুলোর দৈনন্দিন অবস্থার দীর্ঘদিনের গড় অবস্থাকে জলবায়ু বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

গ্রীষ্মকালে সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তি রেখার নিকটবর্তী হওয়ায় বায়ুর চাপের পরিবর্তন হয় এবং বাংলাদেশের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হতে থাকে। একই সময়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে শুষ্ক ও শীতল বায়ু প্রভাবিত হয়। এ ঝড়কে কালবৈশাখী ঝড় বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত সম্পদকে প্রাকৃতিক সম্পদ বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের শীতলতম মাস হলো জানুয়ারি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের জলবায়ু 'ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু' নামে পরিচিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

প্রতিবছর নভেম্বর হতে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশের শীতকালের স্থায়িত্বকাল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

মৌসুমি বায়ুর কারণে এদেশের বছরের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ঋতুতে জলবায়ুর কিছুটা তারতম্য ঘটে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের জলবায়ু মোটামুটি উষ্ণ, আর্দ্র ও সমভাবাপন্ন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশের ঋতুকে ছয়টি ভাগে ভাগ করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

মার্চ হতে মে মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে জুন হতে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বর্ষাকাল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ডিসেম্বর হতে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ভারতে শীতকাল স্থায়ী হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

মার্চ হতে মে মাস পর্যন্ত ভারতে গ্রীষ্মকাল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

জুন হতে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ভারতে বর্ষাকাল থাকে

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

অক্টোবর-নভেম্বর দুমাস ভারতে শরৎ ও হেমন্তকাল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

মার্চ মাস থেকে মে মাস পর্যন্ত মিয়ানমারে গ্রীষ্মকাল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

জুন হতে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নেপালে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

কোনো একটি এলাকায় ভূমিকম্পের সম্ভাব্য মাত্রা এবং ঝুঁকি চিহ্নিত করে যে বলয় চিহ্নিত করা হয় তাকে সিসমিক রিস্ক জোন বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

টেকটনিক প্লেট হলো বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব যার ভূত্বক বা পৃথিবীর উপরিতলের বর্ণনা দেওয়া হয় এবং এটি বিজ্ঞানসম্মত অনুঘটক 'যা ভূমিকম্পের জন্য দায়ী।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

রুখনো কখনো ভূপৃষ্ঠের কতক অংশে হঠাৎ কোনো কারণে কেঁপে ওঠে। এ কম্পন অত্যন্ত মৃদু থেকে প্রচণ্ড হয়ে থাকে, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়। ভূপৃষ্ঠের এরূপ আকস্মিক ও ক্ষণস্থায়ী কম্পনকে ভূমিকম্প-বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভূঅভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে ভূমিকম্পের কেন্দ্র বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভূকম্প বিজ্ঞানের পরিভাষায় উপকেন্দ্র হচ্ছে অবকেন্দ্র বা ফোকাসের সরাসরি উপরে অবস্থিত ভূপৃষ্ঠের উপরিতলের একটি বিন্দু, যেখানে ভূমিকম্প বা ভূগর্ভস্থ বিস্ফোরণ উৎপন্ন হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

প্রশান্ত মহাসাগরের বহিঃসীমানা বরাবর সবচয়ে বেশি ভূমিকম্প হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঠিক পূর্বাভাস ক্ষয়ক্ষতির হার। কমাতে সাহায্য করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্পের সময় খোলা জায়গায় আশ্রয় নেওয়া উচিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্প প্রকোপ এলাকাকে প্রধানত ৩টি অংশে ভাগ করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

গ্রামাঞ্চলে টিনের ঘরগুলোতে ভূমিকম্পে ক্ষতির সম্ভাবনা কম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ঢাকায় মাঝারি মানের ভূমিকম্পে মারাত্মক বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্প বিষয়ে সচেতনতা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করা সম্ভব।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

নতুন বাড়ি তৈরির সময় 'ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড' অনুসরণ করা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে জীবিকার সংস্থান কষ্টসাধ্য। এসব অঞ্চলে ভালো রাস্তাঘাট বা রেল যোগাযোগের অভাব রয়েছে। এছাড়াও অনুন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা, জীবনধারণের প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহের অভাব, শিক্ষা ও চিকিৎসার অভাব, বনভূমি ও ভূপ্রকৃতিগত কারণে 'বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে স্বল্পসংখ্যক মানুষ বসবাস করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান। বাংলাদেশ ২০°′৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°.৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত। বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩°.৫′) অতিক্রম করেছে। পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কিলোমিটার এবং উত্তর-উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কিলোমিটার। বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মায়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত। বাংলাদেশের মোট আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার বা ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে জীবিকা সংস্থান কষ্টসাধ্য। এসব অঞ্চলে ভালো রাস্তাঘাট বা রেল যোগাযোগের অভাব রয়েছে। এছাড়াও অনুন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা, জীবনধারণের প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহের অভাব, শিক্ষা ও চিকিৎসার অভাব, বনভূমি ও ভূপ্রকৃতিগত কারণে বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে স্বল্প সংখ্যক মানুষ বসবাস করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের কিছু স্থানে জীবিকা সংস্থান কষ্টসাধ্য বলে জনবসতির ঘনত্ব কম। বাংলাদেশের মোটামুটি সব জায়গায় জনসবতি রয়েছে। তবে পার্বত্য এলাকা এবং সুন্দরবন অঞ্চলে জীবিকা সংস্থান কষ্টসাধ্য হওয়ায় এ দুই অন্যলে জনবসতির ঘনত্ব অত্যন্ত কম। অনুন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা, বনভূমি ও ভূপ্রকৃতিগত কারণেই এসব স্থানে জীবিকার সংস্থান কষ্টসাধ্য এবং এখানে জনবসতির ঘনত্ব কম হওয়ার জন্য এসব কারণই দায়ী।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ। বাংলাদেশের তিন দিকে ভারত, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব অংশে মিয়ানমার অবস্থিত। দেশের উত্তরে অবস্থিত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম, পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গটি যে অঞ্চলে অবস্থিত সেটি বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের অন্তর্গত। বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত। প্রায় ২ মিলিয়ন বছরেরও বেশি আগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হবার সময় এসব পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে। রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্গত। এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার। বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হচ্ছে- কিও ক্রাডং (বিজয়), যার উচ্চতা ১২৩১ মিটার, এটি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত। এসব পাহাড়গুলো বেলে পাথর, কর্দম ও শেল পাথর দ্বারা গঠিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভূপ্রকৃতিতে তেমন কোনো পার্থক্য না থাকাতে মোটামুটি প্রায় সব জায়গায় জনবসতি রয়েছে। পার্বত্য এলাকা এবং সুন্দরবন অঞ্চলে জীবিকা সংস্থান কষ্টসাধ্য হওয়ায় এ দুটি অঞ্চলে' জনসংখ্যার ঘনত্ব খুবই কম। সিলেটে চা শিল্পকে কেন্দ্র করে জনবসতি গড়ে উঠেছে। সমতল নদী অববাহিকা অঞ্চল উর্বর পলিমাটি দ্বারা সৃষ্টি হওয়ায় কৃষি আবাদ অনেকটা সহজসাধ্য। ফলে এ অঞ্চলে ঘন জনবসতি গড়ে উঠতে দেখা যায়। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের প্রায় সব জায়গায় জনবসতি রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বে আন্তঃবরফগলা পানিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়ে বরেন্দ্রভূমি সৃষ্টি হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। এ স্থানের মাটি ধূসর ও লাল বর্ণের। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর, দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ময়মনসিংহ, শেরপুর ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়সমূহ নিয়ে বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ গঠিত। পাহাড়গুলোর উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়। স্থানীয়ভাবে এসব পাহাড় টিলা নামে পরিচিত, যার গড় উচ্চতা ৩০-৯০ মিটার।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি সমতল হওয়াতে মোটামুটি সব জায়গায় জনবসতি রয়েছে। পার্বত্য এলাকা এবং সুন্দরবন অঞ্চলে জীবিকা সংস্থান কষ্টসাধ্য হওয়ায় এ দুটি অঞ্চলে জনবসতির ঘনত্ব খুবই কম। সমতল নদী অববাহিকা অঞ্চল উর্বর পলিমাটি দ্বারা সৃষ্ট। এ অঞ্চলে কৃষি আবাদ অনেকটা সহজসাধ্য। ফলে এসব অঞ্চলে দ্রুত জনবসতি গড়ে উঠতে দেখা যায়। তাছাড়া বাংলাদেশের যেসব অঞ্চলে খনিজ সম্পদ, কৃষিজ সম্পদ ও বনজ সম্পদ রয়েছে সেসব অঞ্চলে জীবিকার সন্ধানে বহু শ্রমিক ও কর্মচারী জড়ো হয়ে এলাকাটিকে ঘনবসতিপূর্ণ করে তুলেছে। এভাবে ভূপ্রকৃতির গঠন জনসংখ্যার সাথে সম্পর্কিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বনভূমি ও পাহাড়ি অঞ্চলে জীবিকা সংস্থান কষ্টসাধ্য। এসব অঞ্চলে ভালো রাস্তাঘাট বা রেল যোগাযোগের অভাব রয়েছে। অনুন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা, জীবনধারণের প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহের অভাব, জলবায়ু এবং ভূপ্রকৃতিগত কারণে বাংলাদেশের বনভূমি ও পাহাড়ি অঞ্চলে জনবসতি কম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

সমতল নদী অববাহিক অঞ্চল উর্বর পলিমাটি দ্বারা সৃষ্ট। এ অঞ্চলে কৃষি আবাদ অনেকটা সহজসাধ্য। ফলে এসব অঞ্চলে ঘন জনবসতি গড়ে ওঠে। এসব অঞ্চলের নদীগুলো নাব্য, সড়কপথ ও রেলপথে যোগাযোগের সুযোগ-সুবিধা জনজীবনকে আকৃষ্ট করে। তাছাড়া জলবায়ুর প্রভাবের কারণেও জনবসতির বণ্টন নিয়ন্ত্রিত হয়। চরমভাবাপন্ন জলবায়ুর চেয়ে সমভাবাপন্ন জলবায়ুতে মানুষ বসবাস করতে বেশি পছন্দ করে। কৃষির অনুকূল জলবায়ু চাষাবাদ এবং শস্য উৎপাদনে সহায়ক বলে সমভূমি মানুষের বসবাসকে আকৃষ্ট করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

নদ-নদীর পলি দ্বারা গঠিত হওয়ায় বাংলাদেশের বেশিরভাগ অঞ্চল সমভূমি।

বাংলাদেশের ওপর দিয়ে অসংখ্য নদ-নদী প্রবাহিত হয়েছে। এদেশের ভূখণ্ড উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু। ফলে এসব নদ-নদী উত্তর দিক থেকে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অভিমুখে প্রবাহিত হয়েছে। এসব নদ-নদীর কারণে প্রতিবছর বর্ষাকালে এদেশে বন্যা হয়। বছরের পর বছর এভাবে বন্যার পানির সঙ্গে পরিবাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে এদেশের অধিকাংশ ভূমি গঠিত হয়েছে। এজন্য বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র অঞ্চল একটি বিস্তীর্ণ সমভূমি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ৮% এলাকা নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলা হয়। এ সময়ের আন্তঃবরফগলা পানিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়ে এসব চত্বরভূমি গঠিত হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড়। নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর, দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত। এর আয়তন ৯.৩২০ বর্গকিলোমিটার।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

জনসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীতে বাংলাদেশের স্থান নবম। ভূখণ্ডের তুলনায় এদেশের জনসংখ্যার ঘনত্বও খুব বেশি। তাছাড়া জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারও বেশি। ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১৪.৯৭ কোটি, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭% এবং প্রতি বর্গ কিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ১০১৫ জন। জনশুমারি-২০২২ অনুসারে জনসংখ্যা প্রায় ১৬.৯৮ কোটি, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২% এবং প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ১১১৯ জন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

প্রতিবছর নভেম্বর হতে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে শীতকাল। এসময় সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে থাকায় বাংলাদেশে এর রশ্মি তির্যকভাবে পড়ে এবং উত্তাপের পরিমাণ যথেস্ট কমে যায়। শীতকালীন সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পরিমাণ যথাক্রমে ২৯ ডিগ্রি সে. ও ১১ ডিগ্রি সে.। জানুয়ারি মাস বাংলাদেশের শীতলতম মাস। এ মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রি সে.। এ সময়ে দক্ষিণে সমুদ্র উপকূল হতে উত্তর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কম হয়ে থাকে সমতাপ রেখাগুলো অনেকটা সোজা হয়ে পূর্ব-পশ্চিমে অবস্থান করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

মৌসুমি শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ 'মওসুম' থেকে, যার অর্থ হলো ঋতু। ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে যে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয় তাকে মৌসুমি বায়ু বলে। সূর্যের উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়নের ফলে শীত-গ্রীষ্মে ঋতুভেদে স্থলভাগ ও জলভাগের তাপের তারতম্য ঘটে। সেজন্য মৌসুমি বায়ুর সৃষ্টি হয়। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশসহ কর্কটক্রান্তির আশপাশে দেশগুলোতে প্রচুর বৃষ্টিপাত ও প্রচন্ড গরমের প্রবণতা লক্ষ করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

অধিক জনবসতি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ। কেননা, বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যায় পরিবেশ ও পারিপার্শ্বিকতার বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভয়াবহ সংকট তৈরির মূলে রয়েছে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার আতঙ্কজনক বিস্ফোরণ। অধিক জনবসতির ফলে অধিক বায়ুদূষণ, গ্রিন হাউজ গ্যাস, উদগীরণ গ্লোবাল ওয়ারমিং ইত্যাদি ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রকৃতিতে নানা বিপর্যয় লক্ষ করা যাচ্ছে। জনসংখ্যার আধিক্য প্রকৃত বাস্তবতায় আমাদের বর্তমানে জনবিস্ফোরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভূমিকম্প, সুনামি, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হলো অধিক জনবসতি। তাই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক হয়েছে বলা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ুর সাথে মানুষের জীবন-জীবিকা গভীরভাবে সম্পর্কিত। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে মানুষের জীবন-জীবিকায় নানা পরিবর্তন ঘটে। বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। ফলে বিভিন্ন রকমের ফসল ও ফল প্রচুর পরিমাণে জন্মায়। আবার শীতকালেও তদ্রুপ। তাই বলা যায়, জলবায়ুর সাথে - মানুষের জীবন-জীবিকা সম্পর্কিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভারত মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে অবস্থিত। বিশাল আয়তনের দেশ হওয়ায় ভারতের জলবায়ু বিচিত্র। অক্ষাংশ, সমুদ্র হতে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতি বিভিন্নতার কারণে ভারতের জলবায়ুও বিভিন্ন হয়। মৌসুমি জলবায়ুতে অবস্থিত হওয়ায় উষ্ণতা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা প্রভৃতি মৌসুমি বায়ুপ্রবাহের ওপর নির্ভরশীল। সূর্যের উত্তরায়নের ফলে তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পায় এবং সূর্যের দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থানের কারণে উত্তাপ যথেষ্ট হ্রাস পেয়ে থাকে। এছাড়া বর্ষা, শরৎ ও হেমন্ত ঋতুও রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভারত মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে অবস্থিত। বিশাল আয়তনের দেশ হওয়ায় ভারতের জলবায়ু বিচিত্র। অক্ষাংশ, সমুদ্র হতে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতি বিভিন্নতার কারণে ভারতের জলবায়ুও বিভিন্ন হয়। মৌসুমি জলবায়ুতে অবস্থিত হওয়ায় উষ্ণতা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা প্রভৃতি মৌসুমি বায়ুপ্রবাহের ওপর নির্ভরশীল। সূর্যের উত্তরায়নের ফলে তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পায় এবং সূর্যের দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থানের কারণে উত্তাপ যথেষ্ট হ্রাস পেয়ে থাকে। এছাড়া বর্ষা, শরৎ ও হেমন্ত ঋতুও রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

অক্টোবর-নভেম্বর দুই মাস ভারতে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু দিক পরিবর্তন করে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুতে পরিণত হতে থাকে বলে কোনো কোনো স্থানে ঘূর্ণিঝড়ের মাধ্যমে বৃষ্টিপাত হয়। পশ্চিমবঙ্গে এ ঝড়কে আশ্বিনা ঝড় বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের জলবায়ু মোটামুটি উষ্ণ, আর্দ্র ও সমভাবাপন্ন। বর্ষাকালে বায়ু বাংলাদেশের ওপর লম্বভাবে. কিরণ দেওয়ায় এখানে অতিরিক্ত তাপ, অনুভূত হওয়ার কথা থাকলেও এ ঋতুতে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় তা হয় না। আবহাওয়া এ সময় সর্বদাই উষ্ণ থাকে। এ সময়ের গড় উষ্ণতা প্রায় ২৭ ডিগ্রি সে. বর্ষাকালের মধ্যে জুন ও সেপ্টেম্বর মাসে সবচেয়ে বেশি গরম পড়ে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

কালবৈশাখী এক প্রকার ঝড়। গ্রীষ্মকালে সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তি রেখার নিকটবর্তী হওয়ায় বায়ুর চাপের পরিবর্তন হয় এবং বাংলাদেশের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হতে থাকে। একই সময়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক হতে শুষ্ক ও শীতল বায়ু প্রবাহিত হয়ে যে ঝড়ের সৃষ্টি করে সে ঝড়কেই কালবৈশাখী ঝড় বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বিশাল আয়তনের দেশ হওয়ায় ভারতের জলবায়ু বিচিত্র। অক্ষাংশ, সমুদ্র, হতে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতির ভিন্নতার কারণেই এর জলবায়ুও ভিন্ন। ভারত মৌসুমি অঞ্চলে অবস্থিত, ফলে এ দেশের উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা ইত্যাদি মৌসুমি বায়ুপ্রবাহের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। উষ্ণতা ও বৃষ্টিপাতের পার্থক্যের উপর নির্ভর করে ভারতের ঝতুগুলো হলো: শীতকাল, গ্রীষ্মকাল, বর্ষাকাল এবং শরৎ ও হেমন্তকাল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর 'প্রভাব বিস্তারকারী বিষয়টি হলো জলবায়ু। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং জলবায়ুজনিত কারণে এদেশের মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থা অধিক মাত্রায় প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নির্ভরশীল। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে মানুষের জীবন-জীবিকার নানা পরিবর্তন ঘটেছে। জলবায়ুজনিত ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দীর্ঘস্থায়ী বন্যা, নদনদীর ভাঙন মানুষের জীবন-জীবিকার পরিবর্তন আনে। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের জীবন-জীবিকার ওপর জলবায়ুর প্রভাব রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

কালবৈশাখী এক প্রকার ঝড়। গ্রীষ্মকালে সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তি রেখার নিকটবর্তী হওয়ায় বায়ুর চাপের পরিবর্তন হয় এবং বাংলাদেশের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হতে থাকে। একই সময়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক হতে শুষ্ক ও শীতল বায়ু প্রবাহিত হয়ে যে ঝড়ের সৃষ্টি করে সে ঝড়কেই কালবৈশাখী ঝড় বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

মৌসুমি জলবায়ুর কারণে বাংলাদেশে বছরের বিভিন্ন ঋতুতে জলবায়ুর কিছুটা তারতম্য ঘটে। বাংলাদেশের জলবায়ু মোটামুটি উষ্ণ, আর্দ্র ও সমভাবাপন্ন। মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাব এখানে এত অধিক যে, সামগ্রিকভাবে এ জরবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত। দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক জলবায়ুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বাংলাদেশে বছরে ছয়টি ঋতু দেখা যায়। ঋতুভেদে জলবায়ুর কিছুটা তারতম্য হলেও এখানে কখনো অন্যান্য শীতপ্রধান বা গ্রীষ্মপ্রধান দেশের মতো চরমভাবাপন্ন হয় না। অর্থাৎ মৌসুমি জলবায়ুর কারণে বাংলাদেশে খুব বেশি শীত বা খুব বেশি গরম অনুভূত হয় না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

মার্চ মাস থেকে মে মাস পর্যন্ত মিয়ানমারে গ্রীষ্মকাল। এ সময়ের এদেশের অধিকাংশ স্থান অত্যন্ত উত্তপ্ত এবং গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৯ ডিগ্রি সে. এর কাছাকাছি পৌঁছে। এসময় সূর্য উত্তর গোলার্ধে অবস্থান করে বিধায় মধ্য এশিয়ায় বিরাট নিম্নচাপের সৃষ্টি হয় এবং এ অঞ্চলে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ শুরু হয়। এ সময়ে ভামোতে ১৯ ডিগ্রি সে. মান্দালয়ে ৩২ ডিগ্রি সে. এবং রেঙ্গুনে প্রায় ২৭ ডিগ্রি সে. তাপমাত্রা বিরাজ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

নেপালের জলবায়ুতে তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের তারতম্য বিবেচনায় স্পষ্টত দুটি ঋতু পরিলক্ষিত হয়। জুন হতে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি থাকে এবং এজন্য এ সময়কালকে বর্ষাকাল হিসেবে বিবেচনা করা যায়। জুলাই মাসে কাঠমান্ডুর তাপমাত্রা থাকে ২৪.৪ ডিগ্রি সে.। অন্যদিকে, নেপালে নভেম্বর হতে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত সময় অত্যন্ত শুষ্ক ও বৃষ্টিহীন থাকে। এ সময় তাপমাত্রাও বেশ কম থাকে বলে একে শীতকাল হিসেবে বিবেচনা করা যায়। জানুয়ারিতে কাঠমান্ডুর তাপমাত্রা থাকে প্রায় ১০ ডিগ্রি সে.। উঁচু পার্বত্য এলাকা হওয়ায় নেপালের কোনো অংশের তাপমাত্রা অতিরিক্ত বৃদ্ধি পায় না এবং শীত-গ্রীষ্মের তাপমাত্রার পার্থক্যও খুব বেশি হয় না। নেপালের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৪৫ সে.মি. যার প্রায় পুরোটাই সংঘটিত হয় জুন হতে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্পের প্রকোপ পৃথিবীর সর্বত্র সমান নয়। ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকাগুলোকে তিনটি প্রধান অংশে ভাগ করা যায়। যথা-১. প্রশান্ত মহাসাগরীয় অংশ; ২. ভূমধ্যসাগরীয় হিমালয় অংশ ও ৩. মধ্য আটলান্টিক ভারত মহাসাগরীয় শৌলশিরা অংশ। ১নং অংশের এলাকায় সবচেয়ে বেশি, ২নং অংশে ১নং এর থেকে কিছু কম এবং ৩নং অংশের অন্তর্গত অংশের কিছু কিছু অংশে ভূমিকম্পের প্রকোপ দেখা যায়। তাই বলা যায়, ভূমিকম্পের প্রকোপ সর্বত্র সমান নয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পই যমুনা নদী সৃষ্টির একমাত্র কারণ। ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার একটি শাখা নদীর সৃষ্টি হয়। এ নতুন স্রোতধারাটি যমুনা নামে পরিচিত হয়। এটি দক্ষিণে গোয়ালন্দ পর্যন্ত যমুনা নদী পরিচিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্পের প্রকোপ পৃথিবীর সর্বত্র সমান নয়। বিশ্বে ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলগুলোর মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল অন্যতম। প্রশান্ত মহাসাগরের বহিঃসীমানা বরাবর সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্প হয়। এ অংশের জাপান, ফিলিপাইন, চিলি, অ্যালিসিয়ান দ্বীপপুঞ্জ ও আলাস্কা সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্পের কারণ অনুসন্ধানকালে বিজ্ঞানীরা লক্ষ করেন পৃথিবীর বিশেষ কিছু এলাকায় ভূমিকম্পন বেশি হয়। এ সমস্ত এলাকায় নবীন পর্বতমালা অবস্থিত। তাদের মতে, ভিত্তিশিলা চ্যুতি বা ফাটল বরাবর আকস্মিক ভূআলোড়ন হলে ভূমিকম্প হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ভৌগোলিকভাবে জাপানের অবস্থান হলো প্রশান্ত মহাসাগরের বহিঃসীমা বরাবর। পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ভূকম্পনপ্রবণ এলাক্য হলো এটি। কেননা, এর অবস্থান হলো পৃথিবীর সবচেয়ে সক্রিয় দুটি ভিত্তিশিলা বা প্লেট বরাবর। সে কারণে এখানে ভূমিকম্প হয় সবচেয়ে বেশি। এছাড়াও জাপানের আগ্নেয়গিরিসমূহের কারণেও ভূমিকম্প হয়। ফলে জাপানকে ভূকম্পনপ্রবণ অঞ্চল বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

২ মিলিয়ন বছর আগে

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

প্লাইস্টোসিন কালে

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

৯,৩২০ বর্গ কি. মি.

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

প্রায় ৪১০৩ বর্গ কি. মি.

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

১,২৪,২৬৬ বর্গ কি. মি

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

কালবৈশাখী ঝড়

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

জুন মাসের শেষদিকে

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ক্রান্তীয় মৌসুমি

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্প

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ফরাসি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়াম

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
184

Related Question

View All
উত্তরঃ

বস্তুত বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাংশের পাহাড়িয়া অংশ ব্যতীত প্রায় সমগ্র দেশটিই বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত নদ-নদীর পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি। বাংলাদেশের ভূখণ্ড উত্তর হতে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে অবস্থিত। ফলে বাংলাদেশের নদনদী, উপনদী ও শাখানদীগুলো উত্তর দিক হতে দক্ষিণে অর্থাৎ বঙ্গোপসাগরের অভিমুখে প্রবাহিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
880
উত্তরঃ

মানচিত্রের 'A' চিহ্নিত অঞ্চলটি হচ্ছে প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ বা চত্বরভূমি।

বাংলাদেশের মোট ভূমির ৮% এলাকা নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলা হয়। এ সময়ের আন্তঃবরফগলা পানিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়ে এসব চত্বরভূমি গঠিত হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড়। নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর, দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত। এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এ অঞ্চলের মাটি ধূসর ও লালচে বর্ণের।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
462
উত্তরঃ

চিত্রের 'B' চিহ্নিত স্থানটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে নির্দেশ করায় এখানে ছোটবড় পাহাড়-পর্বত অধিক পরিলক্ষিত হবে এবং 'C' চিহ্নিত অঞ্চলটি সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি বিধায় এখানে নদীনালাসহ অধিক ঘনবসতি পরিলক্ষিত হবে।

'B' স্থানটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ যা বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২% এলাকা নিয়ে গড়ে উঠেছে। রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্গত। আবার ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। ফলে বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিওডংসহ ছোটবড় বেশকিছু টিলা জাতীয় পাহাড় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় হিসেবে আমাদের ভূখন্ডে শোভা পাচ্ছে। আর 'C' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি। বাংলাদেশের প্রায় ৮০% ভূমি নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। তবে এ সমভূমি একদিনে সৃষ্টি হয়নি। সমতল ভূমির ওপর দিয়ে অসংখ্য নদী প্রবাহিত হওয়ার কারণে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর এভাবে বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে। এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গ কিলোমিটার। সমগ্র সমভূমির মাটির স্তর খুব গভীর এবং ভূষি খুবই উর্বর। ফলে কৃষিজাত দ্রব্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে তা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। আর তাই সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিতে ঘনবসতি অধিক পরিলক্ষিত হবে এটাই স্বাভাবিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
463
উত্তরঃ

বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহের মধ্যে অন্যতম একটি পাহাড় হচ্ছে চিকনাগুল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
946
উত্তরঃ

কালবৈশাখি এক প্রকার ঝড়। গ্রীষ্মকালে সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তি রেখার নিকটবর্তী হওয়ায় বায়ুর চাপের পরিবর্তন হয় এবং বাংলাদেশের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হতে থাকে। একই সময়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক হতে শুষ্ক ও শীতল বায়ু প্রবাহিত হয়ে যে ঝড়ের সৃষ্টি করে সে ঝড়কেই কালবৈশাখি ঝড় বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
343
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews