ন্যায় বা ভালো কাজের গুরুত্ব অনেক। ন্যায় কাজ করলে, ন্যায় পথে চললে সমাজের 'সবাই প্রশংসা করে। ন্যায় কাজ অন্যায়কে ঘৃণা করতে শেখায়। ন্যায় কাজের দ্বারা সমাজের অনেক উপকার হয়। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই আমাদের ন্যায় কাজ করা উচিত।
সত্য কথা বলা, সৎ পথে চলা, সৎ ও আদর্শ বন্ধু নির্বাচন করা, অন্যায়ের প্রতিবাদ করা ইত্যাদি হলো ন্যায় কাজ।
সবাই ন্যায় কাজের অনুশীলন করলে সমাজ থেকে অন্যায় দূর হবে। সমাজে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে। ফলে সমাজের মানুষ শান্তিতে থাকবে।
মিথ্যা কথা বলা অন্যায় বা খারাপ কাজ। এ ধরনের কাজ করলে মানুষ তাকে পছন্দ করে না। তাই আমরা এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকব।
যে কাজগুলো ভালো এবং মানুষের জন্য কল্যাণকর তাকে ন্যায় কাজ বলে। সত্য কথা বলা, সৎ পথে চলা, সৎ ওআদশ বন্ধু বেছে নেওয়া, সত্যবাদার পক্ষে কথা বলা, মিথ্যাবাদীর পক্ষ না নেওয়া ইত্যাদি হলো ন্যায় কাজ।
দুটি ন্যায় কাজের উদাহরণ হলো-
১. সবসময় সত্য কথা বলা এবং
২. সৎ ও আদর্শ বন্ধু বেছে নেওয়া।
যে কাজগুলো মানুষের জন্য ভালো নয় এবং মানুষের কল্যাণ করে না, সেগুলোই অন্যায় কাজ। মিথ্যা বলা, অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া, অসৎ পথে চলা, অন্যায়ের প্রতিবাদ না করা, বড়োদের অবাধ্য হওয়া, অন্যকে অকারণে বিরক্ত করা ইত্যাদি অন্যায় কাজ।
দুটি অন্যায় কাজের উদাহরণ হলো- ১. সবসময় মিথ্যা কথা বলা এবং ২. কাউকে অসম্মান বা ছোটো করে কথা বলা।
আমি প্রতিদিন করি এমন তিনটি ন্যায় কাজ নিচের তালিকায় দেওয়া হলো-
১. সত্য কথা বলি।
২. অন্যের উপকার করি ও সৎ পরামর্শ দিই।
৩. কারও ক্ষতি হয় এমন কাজ করি না।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allযে কাজগুলো ভালো ও মানুষের জন্য কল্যাণকর সেগুলোই ন্যায় কাজ।
যে কাজগুলো ভালো নয়, সেগুলো অন্যায় কাজ।
সত্য কথা বলা ন্যায় কাজ।
অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া অন্যায় কাজ।
বড়োদের হওয়া অবাধ্য অন্যায় কাজ।
সৎ ও আদর্শ বন্ধু বেছে নেওয়া ন্যায় কাজ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!