পাঁচটি ধর্মগ্রন্থের নাম হলো- বেদ, শ্রীশ্রীচণ্ডী, রামায়ণ, মহাভারত ও শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা।
যে ধর্মগ্রন্থে সৃষ্টি, প্রলয়, দেবতাদের আখ্যান-উপাখ্যান, ঋষি ও রাজাদের বৃত্তান্ত প্রভৃতি আলোচনা করা হয়েছে তাই পুরাণ। দুটি পুরাণ হলো- ১. ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ ও ২. মার্কন্ডেয় পুরাণ।
কয়েকজন পৌরাণিক দেব-দেবী হলেন- ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শিব, দুর্গা, স্বরস্বতী, গণেশ প্রমুখ।
ব্যাসদেবের পুত্র শুকদেব ভাগবতকথা রাজা পরীক্ষিতকে শুনিয়েছিলেন।
যুদ্ধের প্রাক্কালে তৃতীয় পাণ্ডব অর্জুন উভয় পক্ষের সেনাবাহিনীতে নিজের আত্মীয়-স্বজন, গুরুজন ও প্রিয়জনদের দেখতে পান। তাঁদের নিধনের কথা ভেবে তিনি মোহগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং যন্ত্র করতে অস্বীকার করেন।
সংস্কৃত 'ধৃ' ধাতু থেকে ধর্ম শব্দটির উৎপত্তি, যার অর্থ ধারণ করা। মানুষ যা ধারণ করে এবং যা তাকে সুশৃঙ্খল ও সৎ পথে পরিচালিত করে, তাকেই ধর্ম বলে।
ধর্মের বৈশিষ্ট্য নিচে তিনটি বাক্যে লেখা হলো-
১. ধর্ম মানুষকে সুখী ও সমৃদ্ধ করে।
২. ইহলৌকি ও পারলৌকিক শান্তি দেয়।
৩. ঈশ্বরকে জানতে ও ভক্তি শ্রদ্ধা করতে শেখায়।
ধর্মগ্রন্থ পাঠ করলে ঈশ্বরকে জানা যায় এবং জগতের মঙ্গল ও শান্তির পথ খুঁজে পাওয়া যায়। এটি মানুষকে জীবসেবা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে এবং আদর্শ জীবন গঠনে সহায়তা করে।
পুরাণ' শব্দের সাধারণ অর্থ প্রাচীন। পুরাণে মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও প্রলয়, দেব-দেবী ও ঋষিদের আখ্যান এবং সামাজিক বিধি-বিধানের কথা বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে।
মহাভারতের ভীষ্মপর্বের অংশ হিসেবে গীতার উৎপত্তি। কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের প্রাক্কালে অর্জুন মোহগ্রস্ত হয়ে যুদ্ধ করতে অস্বীকার করলে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁকে যে উপদেশ দেন, তাই শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় মোট সাতশত শ্লোক থাকার কারণে একে 'সপ্তশতী' বলা হয়। এটি কেবল ধর্মীয় পাঠ্য নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা বা যোগশাস্ত্র।
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা ১৮টি অধ্যায়ে বিভক্ত। এই গ্রন্থে সর্বমোট ৭০০টি (সাতশত) শ্লোক রয়েছে বলে একে 'সপ্তশতী' নামেও অভিহিত করা হয়।
গীতার মূল শিক্ষা হলো মানুষকে দুর্বলতা ত্যাগ করে কর্তব্য কর্মে এগিয়ে যাওয়া এবং ফলের আশা না করে নিষ্কাম কর্ম করা। এটি মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে এবং আত্মার অমরত্বে বিশ্বাস রাখতে শেখায়।
যে গ্রন্থে স্রষ্টা ও তাঁর সৃষ্টি, জগতের ভালো-মন্দ এবং ধর্মীয় বিভিন্ন আচার-আচরণের উল্লেখ থাকে তা ধর্মগ্রন্থ। হিন্দুদের দুটি ধর্মগ্রন্থ হলো- শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা ও পুরাণ।
Related Question
View Allধর্ম শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ধূ-ধাতু থেকে, যার অর্থ ধারণ করা ।
ধর্মের পথ অনুসরণ করলে ঈশ্বর লাভ হয়।
ভাগবত কথা পাঠ করলে ও শুনলে পুণ্যলাভ হয়।
সাতশত শ্লোক আছে বলে গীতাকে সপ্তশতী বলা হয়।
শ্রদ্ধাবান ব্যক্তি জ্ঞান লাভে সমর্থ হন।
সংস্কৃত ধূ-ধাতু; থেকে ধর্ম শব্দটির উৎপত্তি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!