বায়ুপ্রবাহের তিনটি ব্যবহার হলো-
১. বড় চরকা বা টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।
২. মানুষ শরীর ঠান্ডা রাখতে হাত পাখা বা বৈদ্যুতিক পাখার বায়ুপ্রবাহ ব্যবহার করে।
৩. কোনো ভেজা বস্তুকে শুকানোর জন্য বায়ুপ্রবাহ ব্যবহার করা হয়।
বায়ুপ্রবাহ ভেজা বস্তু থেকে দ্রুত পানি সরিয়ে নিতে সাহায্য করে। এজন্য আমরা ভেজা বস্তুকে শুকানোর জন্য বায়ুপ্রবাহ ব্যবহার করি। ভেজা কাপড় শুকানোর জন্য আমরা তা খোলা জায়গায় বাতাসে মেলে রাখি। আবার ভেজা চুল শুকানোর জন্য হেয়ার ড্রায়ারের বায়ুপ্রবাহ ব্যবহার করি।
বায়ুপ্রবাহ ভেজা বস্তু থেকে দ্রুত পানি সরিয়ে নিতে সাহায্য করে। এজন্য আমরা ভেজা বস্তুকে শুকানোর জন্য বায়ুপ্রবাহ ব্যবহার করি। ভেজা কাপড় শুকানোর জন্য আমরা তা খোলা জায়গায় বাতাসে মেলে রাখি। আবার ভেজা চুল শুকানোর জন্য হেয়ার ড্রায়ারের বায়ুপ্রবাহ ব্যবহার করি।
বায়ুর কার্বন ডাইঅক্সাইড উপাদানটি আগুন নেভাতে সাহায্য করে। কারণ কার্বন ডাইঅক্সাইডের উপস্থিতিতে আগুন জ্বলতে পারে না। তাই অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
হেয়ার ড্রায়ারের মাধ্যমে বায়ুপ্রবাহ তৈরি করা হয়। এই বায়ুপ্রবাহ স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক দ্রুত চুল শুকায়। অর্থাৎ হেয়ার ড্রায়ার বায়ুপ্রবাহ তৈরি করে দ্রুত চুল শুকায়।
অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস থাকে। কার্বন ডাইঅক্সাইড আগুন নেভাতে সাহায্য করে। তাই কোনো আগুন লাগা স্থানে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের মাধ্যমে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস স্প্রে করলে আগুন নিভে যায়।
খাদ্যের চারপাশ নাইট্রোজেন গ্যাস দ্বারা পূর্ণ থাকলে খাদ্যে জীবাণু আক্রমণ করতে পারে না এবং পচন ধরে না। চিপসের প্যাকেটের ভেতরে নাইট্রোজেন গ্যাস থাকে। তাই চিপস সহজেই নষ্ট হয় না। এভাবেই প্যাকেটের ভেতর চিপস সংরক্ষণ করা হয়।
বিভিন্ন ধরনের পদার্থ যেমন- রাসায়নিক পদার্থ, গ্যাস, ধূলিকণা, ধোঁয়া অথবা দুর্গন্ধ বায়ুতে মিশে যখন জীব ও প্রাকৃতিক পরিবেশের জন্য ক্ষতির কারণ হয় তখন তাকে বায়ু দূষণ বলে। এই দূষণ জীব ও প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি সাধন করে। মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড বায়ু দূষণের একটি বড় কারণ।
বায়ুকে দূষিত করে এমন তিনটি পদার্থ হলো-
১. রাসায়নিক পদার্থ, ২. গ্যাস ও ৩. ধূলিকণা।
বায়ু দূষণের তিনটি কারণ হলো-
১. গাড়ির নির্গত কালো ধোঁয়া,
২. যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলা ও
৩. জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো।
বায়ু দূষণের তিনটি ক্ষতিকর দিক হলো-
১. মানুষের শ্বাসজনিত রোগ হওয়া।
২. এসিড বৃষ্টি হওয়া।
৩. পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পাওয়া।
বায়ু দূষণের ফলে সৃষ্ট তিনটি রোগের নাম হলো-
১. ফুসফুসের ক্যান্সার, ২. হৃদরোগ ও ৩. শ্বাসকষ্ট।
তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা ইত্যাদি হলো জীবাশ্ম জ্বালানি। এগুলো পোড়ালে-কার্বন ডাইঅক্সাইডসহ অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাস নির্গত হয়। এসব গ্যাস বায়ুমণ্ডলকে দূষিত করে এবং বায়ুমণ্ডলের ভারসাম্য নষ্ট করে।
যানবাহন, কলকারখানা ও অন্যান্য কাজে জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাস উৎপন্ন হয়। এইসব গ্যাস বায়ুর মাধ্যমে মেঘের সাথে মিশে যে বৃষ্টি হয় তাই এসিড বৃষ্টি।
যানবাহন, কলকারখানা ও অন্যান্য কাজে জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাস উৎপন্ন হয়। এইসব গ্যাস বায়ুর মাধ্যমে মেঘের সাথে মিশে যায় এবং এসিড বৃষ্টি তৈরি করে। এসিড বৃষ্টির ফলে জীরের বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি হতে পারে
এসিড বৃষ্টির তিনটি কারণ হলো-
১. জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বাতাসে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাস বায়ুতে বেড়ে যাওয়া।
২. কল কারখানার ধোঁয়া থেকে সৃষ্ট বিভিন্ন গ্যাস মেঘের সাথে মিশে যাওয়া।
৩. যানবাহন থেকে নির্গত গ্যাস বাতাসে মিশে যাওয়া।
এসিড বৃষ্টির তিনটি ক্ষতিকর দিক হলো-
১. জীবের ক্ষতি হতে পারে,
২. জীব মারা যেতে পারে ও
৩. ফসল নষ্ট, হতে পারে।
জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বায়ুতে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাস ছড়াচ্ছে। এছাড়াও কলকারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়া থেকেও রায়ুতে ক্ষতিকর গ্যাস ছড়াচ্ছে। এই সকল গ্যাস বেড়ে যাওয়ার ফলে পৃথিবীর উষ্ণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বায়ুবাহিত রোগসমূহ প্রতিকারে তিনটি করণীয় হলো-
১. পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে।
২. নিয়মিত ওষুধ সেবন করতে হবে।
৩. বাইরে গেলে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।
বায়ু দূষণ রোধে আমার তিনটি করণীয় হলো-
১. গাড়ি ব্যবহারের পরিবর্তে পায়ে হাঁটা বা সাইকেল ব্যবহার করা।
২. বৃক্ষরোপণ করা।
৩. যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা না ফেলা।
উত্তর: মানব স্বাস্থ্যের ওপর বায়ু দূষণের তিনটি ক্ষতিকর প্রভাব হলো-
১. ফুসফুসের ক্যান্সার, ২. শ্বাসজনিত রোগ ও ৩. হৃদরোগ।
জীবের জন্য বায়ু খুব গুরুত্বপূর্ণ। বায়ু ছাড়া জীব বেঁচে থাকতে পারে না। উদ্ভিদ বায়ুর কার্বন ডাইঅক্সাইডের সাহায্যে খাদ্য তৈরি করে। আবার শ্বাস গ্রহণের জন্য প্রাণীর বায়ুর অক্সিজেন প্রয়োজন।
Related Question
View Allবায়ুপ্রবাহ ব্যবহার করে নদীতে পাল তোলা নৌকা চলে।
ভেজা বস্তু থেকে দ্রুত পানি সরিয়ে নিতে সাহায্য করে বায়ুপ্রবাহ ।
চিপস এর প্যাকেটে বায়ুর নাইট্রোজেন ব্যবহার করা হয়।
শ্বাসকষ্টের রোগীকে সিলিন্ডারের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!