সংক্ষেপে  প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

শক্তি হলো কাজ করার ক্ষমতা, যা বিভিন্ন রূপে যেমন-বিদ্যুৎ শক্তি, আলোক শক্তি, তাপশক্তি ইত্যাদি আকারে বিদ্যমান থাকে। যেমন- চলমান গাড়ির শক্তি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন ধরনের আলো সৃষ্টি করতে সক্ষম যে শক্তি আমাদের দেখতে সাহায্য করে তাই আলোক শক্তি। এটি স্বচ্ছ বস্তুর ভেতর দিয়ে চলতে পারে। সূর্য, বৈদ্যুতিক বাতি, মোমবাতি ইত্যাদি থেকে আমরা আলোক শকি পাই।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

শক্তি একরূপ থেকে অন্যরূপে পরিবর্তিত হতে পারে। শক্তির রূপের এই পরিবর্তনকে শক্তির রূপান্তর বলে। উদাহরণস্বরূপ: উদ্ভিদ খাদ্য তৈরির সময় সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক শক্তির তিনটি উৎসের নাম হলো-
১. খাবার ১ জালানি ও ৩ কয়লা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পেট্রোলে থাকে রাসায়নিক শক্তি।পেট্রোল দিয়ে যখন মটরসাইকেল চালানো হয় তখন এই রাসায়নিক শক্তি তাপ ও যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। ফলে মটরসাইকেল চলতে থাকে ও তাপ উৎপন্ন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

টেলিভিশনে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ শক্তি তিনটি শক্তিতে রূপান্তরিত
হয়। যথা: ১. আলোক, ২. তাপ ও ৩. শব্দ

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

বিদ্যুৎ শক্তির তিনটি ব্যবহার হলো-
১. বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালানো, ২. পাখা চালানো ও ৩. টেলিভিশন চালানো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

শব্দ শক্তি হলো এমন একটি শক্তি যা আমাদের শুনতে সাহায্য করে। বস্তুর কম্পন থেকেই শব্দের সৃষ্টি হয়। এটি বায়ু বা অন্য কিছুর ভেতর দিয়ে চলতে পারে। যেমন- ঘণ্টায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে কম্পনের ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

তাপ শক্তির তিনটি উৎস হলো-
১. সূর্য, ২. চুলার আগুন ও ৩. বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

তাপ সঞ্চালন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে উচ্চ তাপমাত্রার স্থান থেকে নিম্ন তাপমাত্রার স্থানে তাপের প্রবাহ ঘটে। তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণেই তাপ সঞ্চালন প্রক্রিয়া হয় এবং এর মাধ্যমে তাপের সমতা বজায় থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যখন আমরা ভাত রান্না করি তখন পাত্রে থাকা পানির মধ্য দিয়ে তাপ স্থানান্তর হয়। নিচের উত্তপ্ত পানি হালকা হয়ে উপরে উঠে, আর উপরের ঠাণ্ডা পানি নিচে নেমে আসে। এভাবে পরিচলন প্রক্রিয়ায় তাপ পাত্রের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে এবং ভাত রান্না হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

ঘরের এক কোণে হিটার জ্বালালে সমস্ত ঘর গরম হয় বিকিরণ প্রক্রিয়ার কারণে। বিকিরণ প্রক্রিয়ায় কোনো মাধ্যমের সাহায্য ছাড়াই তাপ সঞ্চালিত হয়। ফলে হিটারের তাপ ধীরে ধীরে সমস্ত ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় তাপ শক্তি কোনো মাধ্যম ছাড়াই উৎস থেকে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে তাই বিকিরণ। বিকিরণ, প্রক্রিয়ায় তাপ কঠিন, তরল ও বায়বীয় মাধ্যম ছাড়াই সঞ্চালিত হয়। সূর্য, আগুন কিংবা বৈদ্যুতিক বাতি থেকে এ প্রক্রিয়ায় তাপ পাওয়া যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

সূর্য হতে পৃথিবীতে বিকিরণ প্রক্রিয়ায় আলো ও তাপ আসে। যে প্রক্রিয়ায় তাপ শক্তি কোনো মাধ্যম ছাড়াই উৎস থেকে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে তাই বিকিরণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

আলো বিকিরণ পদ্ধতিতে সঞ্চালিত হয়। আলোর সঞ্চালনে কঠিন, তরল বা বায়বীয় কোনো মাধ্যমেরই প্রয়োজন হয় না। চাঁদ, তারা ও সূর্য থেকে বিকিরণ পদ্ধতিতেই আলো পথিবীতে আসে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

দিনের বেলায় কক্ষে পড়াশোনা করতে শক্তির অপচয় রোধে আমি সূর্যের আলো ব্যবহার করবো। আমার পড়ার কক্ষের বৈদ্যুতিক বাতি না জ্বালিয়ে জানালার পর্দা সরিয়ে দিনের আলো ব্যবহার করবো। এতে শক্তির সাশ্রয় ঘটবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

: শক্তির অপচয় রোধে-আমার তিনটি করণীয়-
১. ব্যবহারের পর বৈদ্যুতিক বাতি ও যন্ত্রপাতিসমূহ বন্ধ রাখা।
২. প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় ধরে ফ্রিজের দরজা খোলা না রাখা।
৩. দিনের বেলায় পড়ার কক্ষে সূর্যের আলো ব্যবহার করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

শক্তি সংরক্ষণের জন্য শ্রেণিকক্ষে আমার করণীয় হলো-বৈদ্যুতিক বাতি ও পাখা না চালিয়ে দরজা, জানালা খুলে দিনের আলো ও বাতাস ব্যবহার করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

শক্তি সংরক্ষণের জন্য তিনটি করণীয় হলো-
১. বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ করা,
২. বাড়িতে ছায়ার ব্যবস্থা করা ও
৩. পায়ে হাঁটা বা সাইকেল ব্যবহার করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

আমরা প্রতিদিন নানা কাজে শক্তি ব্যবহার করি। তেল, কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎসের উপরই আমরা বেশি নির্ভরশীল। এ সকল শক্তি ব্যবহারের ফলে নিঃশেষ হলে তা আর সহজে তৈরি হয় না। এছাড়া শক্তির অপচয় পরিবেশের জন্যও ক্ষতিকর। যা জলবায়ুর উপরও প্রভাব ফেলে। তাই শক্তি সাশ্রয় অতীব জরুরি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যার ওজন আছে, জায়গা দখল করে এবং চাপ প্রয়োগে বাধা প্রদান করে তাকে পদার্থ বলে। যেমন- বায়ু, পানি ইত্যাদি। পদার্থ অসংখ্য ক্ষুদ্রতম কণা অর্থাৎ অণু দ্বারা গঠিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পদার্থের তিনটি অবস্থা আছে। যথা-
১. কঠিন, ২. তরল ও
৩. বায়বীয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

দুই বা ততোধিক পরমাণু একত্রিত হয়ে পরমাণু গঠনকারী যে কণা তৈরি করে তাকে অণু বলে। যেমন- দুইটি অক্সিজেন পরমাণু একত্রিত হয়ে অক্সিজেনের একটি অণু গঠন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পদার্থের প্রতিটি অণুতে অণুর চেয়েও ক্ষুদ্র এক বা একাধিক কণা থাকে, যাদের বলা হয় পরমাণু। যেমন- পানির অণু দুইটি হাইড্রোজেনের সূক্ষ্ম কণা বা পরমাণু ও একটি অক্সিজেনের পরমাণু দ্বারা গঠিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পানি একটি যৌগিক পদার্থ। পানির অণু দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু ও একটি অক্সিজেন পরমাণু মিলে গঠিত হয়। নিচে পানির অণুর গঠন দেখানো হলো

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

অণু ও পরমাণুর তিনটি পার্থক্য হলো-

অণুপরমাণু
১. অণু ভাঙলে পরমাণু পাওয়া ১. যায়।১. পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা, যা আর ভাঙা যায় না।
২. রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ নেয় না।২. রাসায়নিক বিক্রিয়ার অংশগ্রহণ করে।
৩. উদাহরণ- পানি (H₂O), অক্সিজেন (O₂)।৩. উদাহরণ- হাইড্রোজেন (H), সোডিয়াম (Na)
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যে পদার্থের অণুতে একই ধরনের এক বা একাধিক পরমাণু থাকে তাকে বলা হয় মৌলিক পদার্থ বা মৌল।
যেমন- সোডিয়াম (Na), হাইড্রোজেন (H)।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যে পদার্থের অণুতে একাধিক ভিন্ন মৌলের পরমাণু থাকে তাকে যৌগিক পদার্থ বা যৌগ বলা হয়।
যেমন- পানি (H₂O), খাবার লবণ. (NaCl)।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পদার্থের অবস্থান পরিবর্তন অর্থাৎ পদার্থটি কঠিন, তরল না বায়বীয় অবস্থায় থাকবে তা নির্ভর করে পদার্থের অণুগুলো কীভাবে সাজানো, এদের মধ্যে বন্ধন কেমন, অণুগুলোর মাঝের দূরত্ব-কেমন তার উপর

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
80
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews