জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট তিনটি সমস্যার নাম হলো-
১. খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও ভূমি ইত্যাদির ঘাটতি দেখা দেয়।
২. মানুষ সহজে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়।
৩. শিক্ষা ও চিকিৎসার সুযোগ কমে যায়।
জনসংখ্যার ঘনত্ব হলো প্রতি একক জায়গায় বসবাসরত মোট লোকসংখ্যা। কোনো দেশ বা এলাকার মোট জনসংখ্যাকে সেই দেশ বা এলাকার ক্ষেত্রফল দ্বারা ভাগ করলে ঐ নির্দিষ্ট দেশ। বা এলাকার জনসংখ্যার ঘনত্ব পাওয়া যায়।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রফল ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার। ১৯৮১ সালে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ৮,৯৯,০০,০০০
আমরা জানি,
জনসংখ্যার ঘনত্ব =/মোট জনসংখ্যা/ক্ষেত্রফল
(প্রায়)
খাদ্য, রয়, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা হলো মানুষের মৌলিক চাহিদা। জনসংখ্যা যত বাড়ে তত বেশি মানুষের জন্য খাবার, থাকার জায়গা, শিক্ষা ও চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। তবে জনসংখ্যা অতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে এই চাহিদাগুলো মেটানো কঠিন হয়ে পড়ে, জীৱনয়াত্রা কঠিন হয়ে পড়ে। অর্থাৎ, জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মৌলিক চাহিদাও বাড়ে।
পরিবেশের উপর জনসংখ্যা বৃদ্ধির তিনটি প্রভাব হলো-
১. বাড়তি শস্য উৎপাদন এবং পশুপালনের জন্য মানুষ বন উজাড় করছে।
২. বাড়ি-ঘর, রাস্তাঘাট, কলকারখানা নির্মাণে বনভূমি ধ্বংস করছে।
৩. অধিক খাদ্য উৎপাদনের জন্য জমিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করছে।
বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় তিনটি উপাদান হলো-
১. খাদ্য, ২. পানি ও
৩. আশ্রয়।
মানুষের তিনটি মৌলিক চাহিদা হলো-
১. খাদ্য,
২. শিক্ষা ও
৩. চিকিৎসা।
প্রাকৃতিক সম্পদের উপর জনসংখ্যা বৃদ্ধির তিনটি প্রভাব হলো-১. বাড়তি শস্য উৎপাদন, ২. ভূমিক্ষয় ও ৩. মাটি দূষণ।
ব্যাপকভাবে বনভূমি ধ্বংসের তিনটি ক্ষতিকর প্রভাব হলো-
১. ভূমিক্ষয় ও ভূমিধ্বস বৃদ্ধি পাওয়া,
২. বাস্তুসংস্থানের পরিবর্তন হওয়া ও
৩. পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি।
কৃষিকাজে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার করলে নিম্নরূপ ক্ষতি হতে পারে-
১. জমির উর্বরতা কমে যাবে।
২. মাটি দূষিত হবে।
৩. পানি দূষণ ঘটবে।
মাটি দূষণের তিনটি কারণ হলো-
১. রাসায়নিক সারের অতিরিক্ত ব্যবহার।
২. কলকারখানার বর্জ্য পদার্থ।
৩. প্লাস্টিক ও ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখা।
পানি দূষণের কারণগুলো হলো-
১. রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার।
২. শিল্প বর্জ্য ও আবর্জনা নদী, খালে মিশে।
৩. গৃহস্থালির বর্জ্য ও মানুষের অসচেতনতা।
জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের তিনটি ক্ষেত্র হলো-
১. বিদ্যুৎ উৎপাদন,
২. কলকারখানায় পণ্য তৈরি ও
৩. যানবাহনে।
বায়ু দূষণের তিনটি ক্ষতিকর ফলাফল হলো-
১. স্বাস্থ্য ঝুঁকি ঘটে,
২. পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পায় ও
৩. এসিড বৃষ্টি দেখা যায়।
জৈব প্রযুক্তি ব্যবহার করে উদ্ভাবিত ফসলের তিনটি
বৈশিষ্ট্য হলো-
১. অধিক পুষ্টিসম্পন্ন,
২. রোগ প্রতিরোধী ও
৩. অধিক উৎপাদনশীল।
জনসংখ্যা বৃদ্ধিজনিত সমস্যা সমাধানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির তিনটি অবদান নিম্নরূপ:
১. বাড়তি মানুষের চাহিদা পূরণে অধিক খাদ্য উৎপাদনে সাহায্য করে।
২. শক্তি সংরক্ষণ ও দূষণ কমাতে সহায়তা করে। যেমন- সৌর প্যানেল।
৩. মানুষের যাতায়াতের জন্য 'হাইব্রিড গাড়ি' প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে।
হাইব্রিড গাড়ি প্রযুক্তির তিনটি সুবিধা হলো-
১. মানুষের যাতায়াত সহজলভ্য করেছে।
২. তেল ও বিদ্যুৎ উভয় জ্বালানি ব্যবহার করা যায়।
৩. জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমাতে ভূমিকা রাখছে
বিজ্ঞান শিক্ষা আমাদের আচরণ পরিবর্তনে এবং বিজ্ঞানের জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে জনসংখ্যা বৃদ্ধিজনিত সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে। শুধু তাই নয় বিজ্ঞান শিক্ষা দক্ষ মানব সম্পদ তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আমাদের বিজ্ঞান শেখা অত্যন্ত জরুরি।
Related Question
View Allবনভূমি ধ্বংসের ফলে বাস্তুসংস্থানের পরিবর্তন হয়।
জনসংখ্যার ঘনত্ব হলো প্রতি একক জায়গায় বসবাসরত মোট জনসংখ্যা
জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি হলে জীবাণু দ্রুত ছড়ায়।
প্রতি একক জায়গায় বসবাসরত মোট লোকসংখ্যাই হলো জনসংখ্যার ঘনত্ব
মোট জনসংখ্যাকে ক্ষেত্রফল দ্বারা ভাগ করে জনসংখ্যার ঘনত্ব পাওয়া যায়।
বনভূমি ধ্বংস হলে ভূমিক্ষয় এবং ভূমিধ্বস হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!