কবি সারা বাংলাদেশ ঘুরে মায়ের নোলক খোঁজেন। তিতাস নদীর শরীর বোয়াল মাছে ভরা।
কবিতার বোয়াল মাছে ভরা তিতাস নদীটির অবস্থান হরিণবেড়ের বাঁকে। সেখানে শাদা পালক বকরা পাখ ছড়িয়ে থাকে।
কবি বনের কাছে মিনতি করেন। বনের সাধারণ হলো পাখপাখালি।
কবি মায়ের সোনার নোলক খুঁজতে যে সবুজ বনে গিয়েছিলেন সেখানে হরিৎ টিয়ে ঝিকমিক করে। বনটি সবুজ চুলে ফুল পরিধান করেছে- সে নোলক পরে না।
পাহাড় আহার ভরা বুক দেখায়। হরিণ পাতার কাছে মুখ বাঁকিয়ে রাখে।
কবির আকুতি শুনে পাহাড় তাকে ফুলের গন্ধ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তার আহার ভরা বুক দেখায়। আর হাজার হরিণ পাতার ফাঁকে মুখ বাঁকিয়ে রাখে।
পাহাড়ের রয়েছে প্রচুর খনিজ সম্পদ। চরণটিতে কবি পাহাড়ের সেই সমৃদ্ধশালী রূপই বর্ণনা করেছেন।
কবির আকুতি শুনে পাহাড় কবিকে বলে সে সবুজ চুলে ফুল পরে কিন্তু নোলক পরে না। কবি চাইলে হাত পেতে ফুলের গন্ধ নিতে পারেন।
রাত্রি এলে কবি ফের পা বাড়ালেন। কারণ তিনি পণ করেছেন মায়ের গয়না ছাড়া ঘরে যাবেন না।
নোলক হলো নাকে পরার অলংকার। কবির মায়ের নোলক হারিয়ে গেছে।
কবি সারা বাংলাদেশে নোলক খুঁজছেন।
তিতাস নদীর শরীর বোয়াল মাছে ভরা।
বনের সাধারণ পাখপাখালি সবুজ চুলে ফুল পরেছে।
কবির মায়ের গয়না হারিয়ে গেছে। কবি গয়না খুঁজে দেওয়ার প্রতিজ্ঞা করেছেন। তাই কবি মায়ের গয়না ছাড়া বাড়ি ফিরবেন না।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allহেথায় খুঁজি হোথায় খুঁজি সারা বাংলাদেশে।
হাত দিও না আমার শরীর ভরা বোয়াল মাছে।
জল ছাড়িয়ে দল হারিয়ে গেলাম বনের দিক।
সবুজ বনের হরিৎ টিয়ে করে রে ঝিকমিক
হাজার হরিণ পাতার ফাঁকে বাঁকিয়ে রাখে মুখ।
জল ছাড়িয়ে দল হারিয়ে গেলাম বনের দিক
সবুজ বনের হরিৎ টিয়ে করে রে ঝিকমিক।
কোথায় পাবো তোমার মায়ের হারিয়ে যাওয়া ধন
আমার তো সব পাখপাখালি বনের সাধারণ।
'নোলক' কবিতায় কবি বনের কাছে গিয়েছিলেন তাঁর মায়ের সোনার নোলক ফিরে পাওয়ার আকুতি জানাতে। মায়ের সোনার নোলক খুঁজতে প্রথমে তিনি নদীর কাছে যান। কিন্তু নদী এ বিষয়ে নিজের প্রতিবন্ধকতা ও অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর তিনি জল ছাড়িয়ে দল হারিয়ে বনের কাছে যান। কারণ তিনি পণ করেছিলেন, যেভাবেই হোক তাঁর মায়ের গয়না না নিয়ে তিনি ঘরে ফিরবেন না।
'নোলক' কবিতায় সারা বাংলাদেশ তন্ন তন্ন করে তাঁর মায়ের সোনার নোলক খুঁজেছেন। এরই একটি পর্যায়ে তিনি তা খুঁজতে সবুজ বনের কাছে যান। তাঁর আকুতি শুনেও সবুজ বন সোনার নোলক দিতে পারে না কারণ বনে আছে পাখপাখালি, ফুল প্রভৃতি। কবির মায়ের হারিয়ে যাওয়া ধন তার কাছে নেই।
কবি সারা বাংলাদেশে মায়ের হারিয়ে যাওয়া নোলক খোঁজেন। কবি নদীর কাছে যান তাঁর মায়ের গয়নার খোঁজে। কবি বনের কাছে মিনতি করেন গয়না ফেরত দেওয়ার জন্য। এছাড়াও কবি পাখপাখালি, পশুপাখির কাছেও যান মায়ের গয়নার খোঁজে।
কবি সারা বাংলাদেশ তন্ন তন্ন করে মায়ের সোনার নোলক খুঁজে বেড়িয়েছেন। এজন্য তিনি গিয়েছেন নদীর কাছে। সেখানে না পেয়ে জল ছাড়িয়ে দল হারিয়ে গিয়েছেন বনের দিকে। তিনি তাঁর মায়ের নোলক নিয়ে ঘরে ফেরার জন্য বনের কাছে গভীর আকুতি জানিয়েছেন। এছাড়াও তিনি পাহাড়, বনের হরিণ প্রভৃতির কাছে একই আকুতি জানিয়েছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!