নোমান স্যার দরজায় একটা ছেলেকে দেখলেন। ছেলেটি রাশেদ।
ক্র্যাচে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেটির নাম রাশেদ।
ভর্তির দিন নোমান স্যারের করা দুটি প্রশ্নের চটপট জবাব দেয় রাশেদ। তাই দেখে স্যার বুঝেছিলেন রাশেদ অত্যন্ত মেধাবী।
রাশেদ অঙ্ক দৌড় ও মোরগ লড়াই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে চায়। এটা শুনে নোমান স্যারের খুব ভালো লাগে।
ক্রীড়া প্রতিযোগিতার দিন রঙিন কাগজ দিয়ে মাঠ সাজানো হয়। এজন্য সবার মনে আনন্দ।
অঙ্ক দৌড়ে রাশেদকে প্রথমে ৯৫ থেকে ৬৭ বিয়োগ করতে হয়। তারপর উত্তর নিয়ে দৌড়ে সীমানা পার হতে হয়।
মোরগ লড়াইয়ে শুরুতে রাশেদ আক্রমণ করে না। আঘাত থেকে সে নিজেকে রক্ষা করে।
বিকালে হেড স্যার বিজয়ীদের গলায় মেডেল পরিয়ে দেন। পুরস্কার হিসেবে হাতে বই তুলে দেন।
প্রশ্নের জবাব চটপট দিয়েছিল বলে নোমান স্যার বুঝলেন রাশেদ মেধাবী।
অঙ্ক খেলার নিয়ম হলো- সবার আগে অঙ্ক করে দৌড় দিয়ে আসতে হয়।
রাশেদ অঙ্ক দৌড়ে প্রথম হয়েছিল।
মোরগ লড়াইয়ে তৃতীয় হয়েছিল রাজু।
খেলা শেষে হেড স্যার বলেছেন হারজিত বড়ো কথা নয়।
Related Question
View Allক্লাসে সেদিন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নিয়ে কথা হচ্ছিল।
রঙিন কাগজ দিয়ে সাজানো হয়েছে মাঠ।
সবার মনে আনন্দ
বিকালে হেড স্যার বিজয়ীদের গলায় মেডেল পরিয়ে দিলেন।
পুরস্কার হিসেবে হাতে তুলে দিলেন বই ।
নোমান স্যার জানতেন রাশেদ আসবে। ভর্তির দিন তিনি রাশেদকে দেখেছিলেন। দুটি প্রশ্নও করেছিলেন তাকে। রাশেদ চটপট জবাব দিয়েছিল। স্যার বুঝেছিলেন ছেলেটি অত্যন্ত মেধাবী।
স্যার বুঝেছিলেন ছেলেটা অত্যন্ত মেধাবী।
সেদিন ক্লাসে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নিয়ে কথা হচ্ছিল।
রঙিন কাগজ দিয়ে মাঠ সাজানো হয়েছে।
খেলায় উত্তেজনায় সবাই হইচই করতে লাগল।
রাশেদ একজন মেধাবী ছেলে। সে ক্র্যাচে ভর দিয়ে হাঁটে। কিন্তু তার সাহস ও বুদ্ধি খুব প্রখর। সে স্কুলের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। দুটি প্রতিযোগিতায় সে প্রথম স্থান অধিকার করে।
'হারজিতের গল্প' গল্পে ৪টি খেলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। খেলাগুলো হলো- ১. দৌড় খেলা, ২. দড়ি লাফ খেলা, ৩. অঙ্ক দৌড় খেলা ও ৪. মোরগ লড়াই খেলা
ক্রীড়া প্রতিযোগিতার দিন সবার মনে ছিল আনন্দ। কিছুটা উৎকণ্ঠাও ছিল। রঙিন কাগজ দিয়ে সাজানো হয়েছিল মাঠ। কোন খেলায় কে বিজয়ী হবে এটাই সবাই ভাবছিল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!