১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানিরা এদেশের অগণিত মানুষ হত্যা করেছে। পরিকল্পনা করে একে একে হত্যা করে এদেশের মেধাবী, আলোকিত ও বরেণ্য মানুষদের।
পঁচিশে মার্চের মধ্যরাতে শহিদ হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এম মুনিরুজ্জামান, অধ্যাপক জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, ড. গোবিন্দচন্দ্র দেব।
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান গণপরিষদে প্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান।
রণদাপ্রসাদ সাহা এদেশের সাধারণ মানুষের মঙ্গল ও কল্যাণের জন্য নিজেকে সঁপে দেন। এজন্য তাঁকে 'দানবীর' বলা হতো।
আলতাফ মাহমুদ 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি?' গানটির সুর করেন।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allঅধ্যক্ষ যোগেশচন্দ্র ঘোষ দেশবাসীর স্বাস্থ্যসেবার জন্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সাধনা ঔষধালয়।
মুক্তিযুদ্ধের একেবারে শেষের দিকে পাকিস্তানিরা বুঝতে পারে যে তাদের পরাজয় অবধারিত।
দেশ স্বাধীন হবার পরে এ সকল বুদ্ধিজীবীর অনেকের ক্ষত-বিক্ষত লাশ পাওয়া যায় মিরপুর ও রায়ের বাজারের বধ্যভূমিতে।
তারা বুঝতে পারে যে, তাদের পরাজয় অবধারিত।
দেশের ভিতরে অবরুদ্ধ জীবনযাপন করতে করতে প্রাণ দেন এদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ।
পাকিস্তানিরা একে একে হত্যা করে এদেশের মেধাবী, আলোকিত ও ___________ মানুষদের।
(শূন্যস্থান পূরণ)পাকিস্তানিরা একে একে হত্যা করে এদেশের মেধাবী, আলোকিত ও বরেণ্য মানুষদের।
মুক্তিযুদ্ধে শহিদরা মহান আত্মদানকারী হিসেবে চিরস্মরণীয়।
পঁচিশে মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনারা নির্বিচারে হত্যা করে নিদ্রিত মানুষকে।
অধ্যাপক গোবিন্দচন্দ্র দেব ছিলেন দর্শনশাস্ত্রের খ্যাতনামা শিক্ষক।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!