আকাশ জুড়ে হাজার তারা ছড়িয়ে থাকে। আকাশের বুকে চাঁদের আলো হাসে।
রাতের বেলা শিশির কণা গড়িয়ে পড়ে। এসময় শিশির কণাগুলো গিয়ে ঘাসের উপরে পড়ে।
রোদ ওঠার কারণে মেঘ দূরে গিয়েছে। সকালবেলায় চারিদিক রোদের আলোয় ভরে গেলে মেঘ দূরে সরে যায়।
পাখি সুরেলা কণ্ঠে ঘুরে ঘুরে গান গাইছে। গাছের ছায়ায় পাতার নাচন দেখে তারা খুশিতে গান গাইছে।
বিড়ালছানা মিউ মিউ শব্দ করে। দুধ খেতে দিলে সে চুকচুক করে দুধ খায়।
বৃষ্টি এলে বাঁশের বনের পাতাগুলো কেঁপে ওঠে। ঝমঝম বৃষ্টি দেখে মানুষের মন নেচে ওঠে।
Related Question
View Allছুটির দিন। ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ শুনি মিউ মিউ শব্দ। জেগে উঠে দেখি ঘরের ভেতর ছোট্ট একটি বিড়ালছানা। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কী চাই? বিড়ালটি বলল, মিউ মিউ। আমি বললাম, ক্ষুধা লেগেছে? বিড়ালটি আবার বলল, মিউ মিউ। বললাম, কী খাবি? বিড়ালটি কিছু বলল না। আমি ওকে এক বাটি দুধ দিলাম। বিড়ালটি চুকচুক করে দুধ খেলো।
ভোর বেলা। পাখি ডাকছে। ভাবছি, পাখিটা ক্ষুধার্ত। আমি কী করতে পারি? পাখি বলল, কুউ কুউ! বললাম, তোমার নাম কী? পাখি বলল, কুউ। আমি বললাম, এই নাও বিস্কুট। পাখিটা কুটকুট করে বিস্কুট খেলো। তারপর উড়ে গেল।
ছুটির দিনে আমি একটু দেরি করে ঘুম থেকে উঠি। এরপর নাশতা খেয়ে আমি আমার পোষা ময়না পাখির সাথে সময় কাটাই। আমার ময়না পাখিটির নাম 'ওলি'। সারাদিন ওলি আমাকে নানা রকম গল্প বলে। এছাড়া ছুটির দিন বিকালে আমি বাবা-মায়ের সাথে বাইরে ঘুরতে যাই।
শীতের সকালে চারিদিক কুয়াশায় ঢেকে থাকে। সবাই চাদর মুড়ি দিয়ে বাইরে যায়। শীতের সকালে মানুষ পিঠা বানায়। শীতের পিঠা খেতে খুবই মজা। শীতের সকালে সূর্য দেরিতে ওঠে।
বিড়াল সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য-
ক. বিড়াল একটি প্রাণী।
খ. বিড়ালের চারটি পা আছে।
গ. বিড়াল দেখতে খুব সুন্দর।
ঘ. বিড়াল দুধ খেতে পছন্দ করে।
ঙ. বিড়ালকে পোষ মানানো যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!