রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছোটোবেলায় কুস্তি শিখতেন। কানা পালোয়ান তাঁর কুস্তি শেখানোর ওস্তাদ ছিলেন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিদিন ব্যায়াম করতেন। ফলে তাঁর স্বাস্থ্য খুব ভালো ছিল। তাই তাঁর রোগ-বালাই হতো না।
পড়তে রবীন্দ্রনাথের ভালো লাগত না। তাই তিনি চাইতেন তাঁর জ্বর হোক যাতে পড়তে না হয়।
সন্ধ্যায় মা বাড়ির মেয়েদের সাথে গল্প করতেন। তিনি রবীন্দ্রনাথকে ডাকতেন পুথি পড়তে ও রামায়ণের কাহিনি শোনাতে।
সবাই রবীন্দ্রনাথের গল্প ও কাহিনি শুনে খুশি হতো। ভাবত, এতটুকু ছেলে কত কিছু জানে!
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবিতার জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
রাতে পড়তে বসে ঘুমালে শিক্ষক রবীন্দ্রনাথকে বকা দিতেন।
রবীন্দ্রনাথ ধুলো-কাদা মেখে বাড়ি ফিরতেন। তাই দেখে ছেলের গায়ের রং কালো হয়ে যাবে ভেবে তাঁর মা ভয় পেতেন।
অসুখ হওয়ার জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বৃষ্টিতে ভিজতেন, রোদে খেলতেন ও শীতের সন্ধ্যায় ছাদে উঠে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে থাকতেন।
দুধের মধ্যে পানি থাকে, আর দুধ জ্বাল দিলে পানি বাষ্প হয়ে উড়ে যায়। তাই দুধ ঘন হয়ে যায়। এটা জেনে রবীন্দ্রনাথ খুব অবাক হয়েছিলেন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবিতার জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ওস্তাদের নাম ছিল কানা পালোয়ান
তিনি চাইতেন যেন জ্বর তাঁর হয়
শীতের সন্ধ্যায় রবীন্দ্রনাথ খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে থাকতেন।
বিজ্ঞান পড়তে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের খুব ভালো লাগত।
রবীন্দ্রনাথের লেখা গান আমাদের জাতীয় সংগীত।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে নোবেল পান।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯৪১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
রবীন্দ্রনাথের ছোটোবেলা খুব মজার ছিল। তিনি কুস্তি শিখতেন। তাঁর ওস্তাদের নাম ছিল কানা পালোয়ান। তিনি তার সাথে রোজ সকালে কুস্তি লড়াই করতেন। তারপর সারা গায়ে ধুলো-কাদা মেখে বাড়ি ফিরতেন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অনেক বড়ো কবি ছিলেন। স্কুলে পড়তে তাঁর ভালো লাগত না। রাতে পড়তে বসলেও তাঁর ঘুম পেত। এ কারণেই শিক্ষক তাঁকে বকা দিতেন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কুস্তি শিখতেন। তাঁর ওস্তাদ ছিল কানা পালোয়ান। তিনি রোজ ওস্তাদের সাথে সকালে কুস্তি লড়াই করতেন। কুস্তি লড়াই করতে গিয়ে তাঁর সারা গায়ে ধুলো-কাদা লেগে যেত। এটা দেখে রবীন্দ্রনাথের মা ভয় পেতেন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কুস্তি শিখতেন। তিনি রোজ সকালে ওস্তাদের সাথে কুস্তি অভ্যাস করতেন। এতে তাঁর সারা গায়ে ধুলো-কাদা লেগে যেত। তাই ছুটির দিনে তাঁর মা তাঁর গা ঘষে ঘষে পরিষ্কার করে দিতেন। যাতে ছেলের গায়ের রং কালো হয়ে না যায়।
বিজ্ঞান পড়তে রবীন্দ্রনাথের ভালো লাগত। দুধের মধ্যে পানি থাকে। দুধ জ্বাল দিলে পানি বাষ্প হয়ে উড়ে যায়। তখন দুধ ঘন হয়ে যায়। এ বিষয়টি জেনে তিনি অবাক হয়েছিলেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!