'ভাবুক ছেলেটি' গল্পের ছেলেটির বয়স দশ-এগারো বছর। তার বাবা ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন।
ভাবুক ছেলেটি' ছেলেটির বাবা ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। তার আগে শিক্ষকতা করেছেন।
'ভাবুক ছেলেটি' রচনায় ছেলেটির বাবার বাড়ি বিক্রমপুরের রাঢ়িখাল গ্রামে। তিনি ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
জগদীশচন্দ্র বসু ১৮৭৪ সালে সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষা পাস করেন।
জগদীশচন্দ্র বসু ১৮৮৫ সালে কলকাতায় প্রেসিডেন্সি কলেজে অধ্যাপক পদে যোগ দেন।
জগদীশচন্দ্র বসু তিন বছর বেতন না নিয়ে কর্তব্য পালন করেন। ১৮৯৫ সালে তিনি অতিক্ষুদ্র তরঙ্গসৃষ্টি আবিষ্কার করেন।
বিজ্ঞানী স্যার জগদীশচন্দ্র বসু দেখিয়েছেন যে উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনের মধ্যে অনেক মিল আছে। ১৮৯৫ সালে অতিক্ষুদ্র তরঙ্গসৃষ্টি আবিষ্কার হয়।
উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনের দুইটি মিল হলো- উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয়েরই জীবন আছে। প্রাণীদের মতো উদ্ভিদও খাদ্য গ্রহণ করে।
জগদীশচন্দ্র বসুকে বিজ্ঞানী অলিভার লজ ও লর্ড কেলভিন বিলেতে অধ্যাপনা করতে আমন্ত্রণ জানান।
'নিরুদ্দেশের কাহিনি' বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি। এটি লিখেছেন স্যার জগদীশচন্দ্র বসু।
'পলাতক তুফান' নামে লেখাটির আগের নাম ছিল 'নিরুদ্দেশের কাহিনি।' স্যার জগদীশচন্দ্র বসুর 'অব্যক্ত' নামক বইয়ে এটি ছাপা হয়।
ব্রিটিশ সরকার জগদীশচন্দ্র বসুকে 'নাইট' উপাধি দেন। ১৯১৭ সালে তিনি বিজ্ঞান মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন।
অধ্যাপনা থেকে অবসর গ্রহণের পর স্যার জগদীশচন্দ্র বসু প্রতিষ্ঠা করেন জগদীশচন্দ্র বসু বিজ্ঞান মন্দির।
উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনের দুইটি মিল হলো- উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয়েরই জীবন আছে। প্রাণীদের মতো উদ্ভিদও খাদ্য গ্রহণ করে।
Related Question
View Allতাঁর পাণ্ডিত্যপূর্ণ বক্তৃতা শুনে তাঁকে অধ্যাপনা করার আমন্ত্রণ জানানো হয়।
দেশের কল্যাণ করার জন্যই তিনি নিজ দেশে ফিরে আসেন।
জগদীশচন্দ্র বসুর আশ্চর্য সব আবিষ্কার দেখে আইনস্টাইন মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন।
জগদীশচন্দ্র বসুর 'নিরুদ্দেশের কাহিনি' বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি।
ছেলেটি তেমন দুরন্ত নয়।
মেঘ ডেকে আকাশে বিদ্যুৎ চমকে বাজ পড়লে অবাক বিস্ময়ে ভাবে।
ওর পড়াশোনার শুরু বাড়িতে।
প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক পদে যোগ দেন।
প্রতিবাদে তিনি দীর্ঘ তিন বছর বেতন না নিয়ে কর্তব্য পালন করে ।
তিনি দেখিয়েছিলেন যে, উদ্ভিদ ও প্রাণী জীবনের মধ্যে অনেক মিল আছে।
তিনি অতিক্ষুদ্র তরঙ্গসৃষ্টি আবিষ্কার করেন।
১৯১৭ সালে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে 'নাইট' উপাধি দেন। তাই উপাধিসহ তাঁর নাম হয় স্যার জগদীশচন্দ্র বসু। সে বছরই তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বসু বিজ্ঞান মন্দির। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সেই বিজ্ঞান মন্দিরে গবেষণা পরিচালনা করেন। বিজ্ঞান শিক্ষা ও চর্চার ক্ষেত্রে তাঁর সফলতা বিজ্ঞানী গ্যালিলিও-নিউটনের সমকক্ষ ছিল। জগদীশচন্দ্র বসু ১৯৩৭ সালের ২৩শে নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
১৯১৭ সালে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে 'নাইট' উপাধি দেন। তাই উপাধিসহ তাঁর নাম হয় স্যার জগদীশচন্দ্র বসু। সে বছরই তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বসু বিজ্ঞান মন্দির। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সেই বিজ্ঞান মন্দিরে গবেষণা পরিচালনা করেন। বিজ্ঞান শিক্ষা ও চর্চার ক্ষেত্রে তাঁর সফলতা বিজ্ঞানী গ্যালিলিও-নিউটনের সমকক্ষ ছিল। জগদীশচন্দ্র বসু ১৯৩৭ সালের ২৩শে নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
জগদীশচন্দ্র বসুর বাবা ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। তার আগে তিনি স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন। তাঁর বাবার বাড়ি বিক্রমপুরে। গ্রামের নাম রাঢ়িখাল। জগদীশচন্দ্র বসুর পড়াশোনার হাতেখড়ি তাঁর পরিবারের হাতেই হয়েছিল।
১৮৮১ সালে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা লাভ শেষে দেশে ফিরেন জগদীশচন্দ্র বসু। ১৮৮৫ সালে তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক পদে যোগদান করেন। ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে বেতন-বৈষম্য নিয়ে প্রতিবাদে তিনি তিন বছর বেতন না নিয়ে কর্তব্য পালন করেন। শেষ পর্যন্ত সরকার তাঁকে কাজের স্বীকৃতি দিয়ে বকেয়া বেতন পরিশোধ করে। এরপর ধীরে ধীরে তিনি 'বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু' হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
জগদীশচন্দ্র বসু স্বদেশকে ভালোবাসতেন। তাঁর মনে সর্বদা দেশের কল্যাণচিন্তা জাগ্রত ছিল। জ্ঞান-বিজ্ঞানের মধ্য দিয়ে তিনি দেশকে এগিয়ে নিতে চেয়েছিলেন। তাই বিদেশি বিজ্ঞানীদের অনুরোধ উপক্ষো করে তিনি দেশে ফিরে এসেছিলেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!