জেলে তৃতীয় বারও জাল গুটিয়ে এনে দেখে বিরাট মাটির জালা। তৃতীয়বারও জালে কোনো মাছ না ওঠায় তার মন বিষণ্ণ হয়ে উঠেছিল।
দুঃখে হতাশায় জেলে আকাশের দিকে মুখ করে খোদার কাছে ছেলেমেয়েরা যাতে অনাহারে না থাকে তার জন্য কিছু একটা ব্যবস্থা করার প্রার্থনা করে।
জেলে প্রতিদিন নদীতে পাঁচ বার মাছ ধরে, কিন্তু একদিন প্রথম চার বার তার জালে কোনো মাছ ধরা পড়েনি। তাই শেষ বার জাল ফেলার আগে খোদার কাছে সে ফরিয়াদ করে যেন তার সন্তানেরা অনাহারে না থাকে।
প্রথম বার জেলের জালে কেবল একটি মোটা গাছের গুঁড়ি উঠেছিল। তখন কোনো মাছ ওঠেনি।
শেষবারের জালে উঠেছিল ঢাকনা খোদাই করা একটি তামার জালা। যার মধ্যে ছিল দৈত্য।
জালা থেকে মুক্তি পেয়ে দৈত্য হাত জোড় করে আকাশের দিকে তাকিয়ে বিনীতভাবে সুলেমানের কাছে প্রাণরক্ষা চেয়ে বলল-মেহেরবান সুলেমান, দোহাই তোমার, আমাকে মেরে ফেলো না। আমি এক মুহূর্তের জন্যও আর তোমার কথার অবাধ্য হব না।
সুলেমান ছিলেন দাউদ নবির পুত্র এবং আল্লাহর একজন পয়গম্বর ও শাসক।
নদীর তলায় বন্দি অবস্থায় দৈত্যের দিন কাটে। বন্দি অবস্থায় দৈত্য প্রথমবার শপথ করে বলে যদি চারশ বছরের মধ্যে কেউ তাকে এ বন্দিদশা থেকে মুক্তি দেয়, তাহলে তাকে সে অগাধ ধনরত্ন দিয়ে খুশি করবে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allকায়ক্লেশে দিন গুজরান হতো তার।
নিশ্চয়ই মণিরত্ন কিছু রয়েছে ভেতরে
নদীর তলায় এক এক করে চারশ বছর বহু কষ্টে কাটল আমার।
মরার ভয়ে ভীত হলেও জেলে বুদ্ধি হারাল না।
এবারে আমার মেজাজ বিগড়ে গেল।
এক নদীর ধারে বাস করত এক গরিব জেলে।
একদিন সকালে জেলে এসে নদীতে জাল ফেলল।
তৃতীয় বারে জাল গুটিয়ে এনে দেখে বিরাট মাটির জালা
জালাটার মুখ ঢাকনা দিয়ে আটকানো
মৃত্যুর কথা শুনে জেলের মুখ শুকিয়ে গেল।
আমার নাম সক-হর-অল জিন।
বাদশাহ এরপর জালাটাকে নদীতে ফেলে দিল।
হঠাৎ তার মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল।
আমি মিথ্যা কথা বলছি?
এইভাবে দিন কেটে যাচ্ছিল
বদনসিব জেলে, তা হলে শোন বলছি। আমার নাম সক-হর-অল জিন। আমি বাদশাহ সুলেমানের গোলাম ছিলাম। আমার এমনই ক্ষমতা ছিল যে, দুনিয়ায় কাউকেই পরোয়া করতাম না। একদিন বাদশাহর হুকুম তামিল করতে অস্বীকার করে বসলাম। এতে রেগে গিয়ে বাদশাহ শায়েস্তা করবার জন্য তার লোকজন দিয়ে আমাকে একটা তামার জালায় পুরে তার মুখ বন্ধ করে দিল। তারপর বাদশাহর মোহর খোদাই করে দিল জালাটার মুখে। আমি জালার ভেতরে বন্দি হয়ে গেলাম।
সে প্রতিদিন নদীতে পাঁচ বার করে জাল ফেলত।
বলতে বলতে জেলে শেষ বারের মতো জালটা পানিতে ছুঁড়ে মারল।
তোমার জন্য জব্বর একটা খবর নিয়ে এসেছি।
কেন তুমি আমাকে মারতে চাইছ?
দৈত্য এবার বলল, তোমার গোস্তাকি কী শুনবে ?
জেলে প্রতিদিন পাঁচ বার করে নদীতে জাল ফেলে। একদিন প্রথম বার তার জালে ওঠে মোটা গাছের গুঁড়ি। দ্বিতীয় বার ওঠে মরা গাধা। বিরাট মাটির জালা ওঠে তৃতীয় বারে। চতুর্থ বারে ওঠে ভাঙা হাঁড়ি-কলসি, ছোটোবড়ো কাচের টুকরো। পঞ্চম ও শেষ বার জালে আটকা পড়ে একটি তামার জালা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!