উত্তরঃ

ইউনেস্কোর ৩০তম (নির্বাহী পরিষদের ১৫৭তম অধিবেশনে) সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে ঘোষণা করা হয়। উল্লেখ্য, ইউনেস্কো ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ সালে জাতিসংঘ ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ৷ আর প্রথম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয় ২০০০ সালে (১৮৮টি দেশে)। সিয়েরা লিওন ১২ ডিসেম্বর ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে সে দেশের অন্যতম সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করে।

উত্তরঃ

‘বাংলাদেশ' গানটি পরিবেশন করেন জর্জ হ্যারিসন। ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হওয়া 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' নামের সঙ্গীতানুষ্ঠানের প্রধান শিল্পী জর্জ হ্যারিসন। ১৯৭১ সালের এই দিনে পণ্ডিত রবিশংকর মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বজনমত গড়ে তোলা এবং শরণার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেয়ার জন্য শিল্পী জর্জ হ্যারিসনকে নিয়ে এ অবিস্মরণীয় কনসার্টের আয়োজন করেছিলেন।

উত্তরঃ

'অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ এবং ‘আমার দেখা নয়াচীন’। উল্লেখ্য, ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী' জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রথম আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ যা ২০১২ সালের জুন মাসে প্রকাশিত হয়। ‘আমার দেখা নয়াচীন' জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর তৃতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ যা ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত হয়। ‘আমার দেখা নয়াচীন' বইটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন ড. ফকরুল আলম ।

উত্তরঃ

৩০ অক্টোবর ২০১৭ সালে ‘মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল' রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অক্টোবর ২৪-২৭ তারিখ ২০১৭ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সংস্থাটির আন্তর্জাতিক পরামর্শক কমিটি (IAC) বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পাঠানো ১৩০টি ঐতিহাসিক এবং গুরুত্বপূর্ণ দলিল, নথি ও বক্তৃতাকে যাচাই-বাছাই করে ৭৮টি বিষয়কে সংস্থার Memory of the World Register এ অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ করে। এরপর ৩০ অক্টোবর ২০১৭ সালে UNESCO'র মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা ঐ ৭৮টি বিষয়কে Memory of the World Register এ অন্তর্ভূক্তির কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে। এর মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ অন্যতম। এটাই UNESCO'র এ যাবৎ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ৪২৭টি প্রামাণ্য ঐতিহ্যের মধ্যে প্রথম অলিখিত ভাষণ ।

উত্তরঃ

ডা. সিতারা বেগম সর্বপ্রথম ‘বীরপ্রতীক' খেতাব পান।

উত্তরঃ

৫ এপ্রিল ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন Newsweek এর সাংবাদিক লোবেন জেঙ্কিন্স তাঁর প্রতিবেদনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘রাজনীতির কবি' (Poet of Politics) বলে আখ্যায়িত করেছেন 

উত্তরঃ

রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগঃ ৮নং অনুচ্ছেদে আছে। 

উত্তরঃ

নদীর চর জাগলে যারা চাষাবাদ করে তাদের বলা হয় 'নদী পয়ন্তী'।

উত্তরঃ

নাফ নদীর উৎপত্তিস্থল মায়ানমারের আরাকান পর্বত ।

উত্তরঃ

হাইল হাওড়' সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার সদর এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলা জুড়ে অবস্থিত। এই হাওড়ে রয়েছে ১৪টি বিল এবং পানি নিষ্কাশনের ১৩টি নালা। হাওরটির মোট আয়তন ১০ হাজার হেক্টর।

উত্তরঃ

গেলিল তৈরিতে গড়ান কাঠ ব্যবহৃত হয়। 

উত্তরঃ

বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ২ জুন ১৯৯১ সালে। বাংলাদেশের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস হলো মূসক (মূল্য সংযোজন কর)। মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।

উত্তরঃ

নাটোরের দিঘাপাতিয়া নামক স্থানে 'উত্তরা গণভবন' অবস্থিত। ১৯৬৭ সালে ২৪ জুলাই ইহাকে ‘গভর্ণর হাউস' হিসাবে ঘোষণা করা হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ (১০ম দল হিসেবে) ২০০০ সালে ক্রিকেট খেলার টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জন করে। আর আফগানিস্তান এবং আয়ারল্যান্ড ২০১৭ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জন করে।

উত্তরঃ

পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাসাগর ‘উত্তর বা আর্কটিক মহাসাগর'। আর বিশ্বের বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর 'প্রশান্ত 'মহাসাগর' ।

উত্তরঃ

পৃথিবীর সর্বোচ্চ গড় আয়ুর দেশ ‘হংকং'।

উত্তরঃ

ভিয়েতনামের মুদ্রার নাম হলো ‘ডং ।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের ‘জাতীয় জরুরি সেবা' প্রদানকারী নম্বর ৯৯৯। এই নম্বরটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয় ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর ।

উত্তরঃ

‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১' (BS-1) ১২ মে ২০১৮ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়। BS-1 বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ উপগ্রহ। কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ১১ মে ২০১৮, বাংলাদেশ মান সময় ১২ মে রাত ০২:১৪-তে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হয়। এই প্রকল্পটি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন কর্তৃক বাস্তবায়িত হয় এবং এটি ফ্যালকন ৯ ব্লক ৫ রকেটের প্রথম পেলোড উৎক্ষেপণ ছিল। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইটের মালিক হলো। ফ্রান্সের থ্যালিস অ্যালেনিয়া স্পেস কর্তৃক নকশায় তৈরি করা হয়েছে এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তি মালিকানাধীন মহাকাশযান সংস্থা স্পেস এক্স থেকে উৎক্ষেপিত হয়েছে।

উত্তরঃ

পদ্মা বহুমুখী সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিমি এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার। উল্লেখ্য, উভয় প্রান্তের সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য ১২.১৬ কিমি (এর মধ্যে ১১.৯৫ কিমি জাজিরা প্রান্তে)। এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হলো চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড। নদী শাসন সংস্থা হলো সিনোহাইড্রো করপোরেশন এবং তদারকি পরামর্শক হলো কোরিয়ান এক্সপ্রেসওয়ে করপোরেশন।

153

ভাষা আন্দোলনভিত্তিক রচনা

রচয়িতা

রচনার নাম

জহির রায়হান'আরেক ফাল্গুন' (১৯৬৯): ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত প্রথম উপন্যাস। 'একুশের গল্প' (ছোটগল্প),
'Let there be Light' (চলচ্চিত্র)
হাসান হাফিজুর রহমান'একুশে ফেব্রুয়ারি': বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহিদদের স্মরণে ১৯৫৩ সালে সাহিত্য সংকলনটি রচিত হয়।
মাহবুব উল আলম চৌধুরী'কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' (কবিতা): ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত প্রথম কবিতা।
মুনীর চৌধুরী'কবর' (নাটক)
শওকত ওসমান'আর্তনাদ' (উপন্যাস), 'মৌন নয়' (ছোটগল্প)
আলাউদ্দিন আল আজাদ'স্মৃতিস্তম্ভ' (কবিতা)
আবদুল গাফফার চৌধুরীআমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি .. (একুশের গান)
আবদুল লতিফওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়... (গান)
রাবেয়া খাতুন'প্রথম বধ্যভূমি' (ছোটগল্প)
আবুবকর সিদ্দিকলখার একুশে (ছোটগল্প)

Related Question

View All
উত্তরঃ

আটচল্লিশ থেকে বায়ান্ন সালের বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের এক স্বতঃস্ফূর্ত এবং ঐতিহাসিক আন্দোলন, যা মাতৃভাষা বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার দাবি নিয়ে গড়ে ওঠে। এটি বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটাতে এবং পরবর্তীকালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ বপন করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।


ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস (১৯৪৮-১৯৫২)

পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই ভাষার প্রশ্নটি জোরালো হয়ে ওঠে। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মাতৃভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও পাকিস্তান সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ষড়যন্ত্র শুরু করে। এই অপচেষ্টার বিরুদ্ধেই গড়ে ওঠে মহান ভাষা আন্দোলন।

        
  • ১৯৪৮ সালের সূচনা:         
                  
    • ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮: পাকিস্তান গণপরিষদে কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান। তার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়।
    •             
    • ২ মার্চ ১৯৪৮: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
    •             
    • ১১ মার্চ ১৯৪৮: রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ধর্মঘট ও প্রতিবাদ সমাবেশ পালন করে। এদিন শেখ মুজিবুর রহমানসহ অনেক ছাত্রনেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
    •             
    • ২১ মার্চ ১৯৪৮: ঢাকার কার্জন হলে এক জনসভায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঘোষণা করেন, "উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।" উপস্থিত ছাত্ররা তাৎক্ষণিকভাবে এর প্রতিবাদ করে 'না, না' ধ্বনি তোলেন।
    •         
        
  •     
  • ১৯৪৯-১৯৫১ সালের স্থবিরতা ও প্রস্তুতি:         
                  
    • ১৯৪৮ সালের পর আন্দোলন কিছুটা স্তিমিত হলেও বাঙালি বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক ও ছাত্ররা গোপনে এবং প্রকাশ্যে বাংলা ভাষার পক্ষে জনমত গঠন অব্যাহত রাখেন। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাধ্যমে ভাষার প্রতি ভালোবাসা ও সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।
    •         
        
  •     
  • ১৯৫২ সালের চূড়ান্ত পর্যায়:         
                  
    • ২৭ জানুয়ারি ১৯৫২: তৎকালীন পূর্ব বাংলার প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন ঢাকার পল্টন ময়দানে এক জনসভায় ঘোষণা করেন যে উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। এই ঘোষণা নতুন করে আন্দোলনের স্ফুলিঙ্গ প্রজ্বলিত করে তোলে।
    •             
    • ৩০ জানুয়ারি ১৯৫২: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘট পালিত হয় এবং 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদ' গঠিত হয়।
    •             
    • ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২: ছাত্ররা ঢাকায় ধর্মঘট ও প্রতিবাদ মিছিল করে। কর্মপরিষদ ২১ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে ধর্মঘট এবং রাষ্ট্রভাষা দিবস পালনের ঘোষণা দেয়।
    •             
    • ২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২: সরকার ১৪৪ ধারা জারি করে ঢাকা শহরে যেকোনো ধরনের সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করে।
    •             
    • ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২: ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা মিছিল বের করে। মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, আবুল বরকত, আব্দুল জব্বার এবং শফিউর রহমানসহ (পরবর্তীকালে আহত হয়ে মারা যান) আরও অনেকে শহীদ হন। এই ঘটনা পুরো পূর্ব পাকিস্তানকে বিক্ষুব্ধ করে তোলে।
    •             
    • ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২: সারাদেশে হরতাল ও প্রতিবাদ অব্যাহত থাকে। সেদিনও পুলিশের গুলিতে অনেকে নিহত হন। শহীদদের স্মৃতিতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়।
    •         
        
  •     
  • ফলাফল: ভাষা আন্দোলনের তীব্রতা ও জনমতের চাপে পাকিস্তান সরকার ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়। এটি ছিল বাঙালির আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠা এবং পরবর্তীকালে স্বাধীনতা সংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

ভাষা আন্দোলনের রচয়িতা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

ভাষা আন্দোলনের "রচয়িতা" বলতে শুধু সাহিত্যিকদের বোঝায় না, বরং আন্দোলনকে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন, সংগঠিত করেছেন এবং সাহিত্য-সংস্কৃতির মাধ্যমে আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ ও প্রসারিত করেছেন, তাদেরও বোঝায়।

        
  • আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী ও সংগঠকগণ:         
                  
    • ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত: ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান গণপরিষদে প্রথম বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি তোলেন।
    •             
    • শেখ মুজিবুর রহমান: ১৯৪৮ সালের রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের অন্যতম সংগঠক ও নেতৃত্বদানকারী।
    •             
    • আবুল কাশেম: তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা এবং ভাষা আন্দোলনের প্রাথমিক সংগঠকদের অন্যতম।
    •             
    • শামসুল হক: ১৯৪৮ সালের 'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ'-এর আহ্বায়ক।
    •             
    • অলি আহাদ, গাজীউল হক, আবদুল মতিন: ভাষা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ছাত্রনেতা ও সংগঠক।
    •             
    • অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, আহমদ রফিক: ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ও গবেষক।
    •         
        
  •     
  • ভাষা শহীদগণ:         
                  
    • আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, আবুল বরকত, আব্দুল জব্বার, শফিউর রহমান: ১৯৫২ সালের ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি শাহাদাতবরণকারী।
    •         
        
  •     
  • সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব (আন্দোলনের চেতনা ধারণকারী):         
                  
    • আবদুল গাফফার চৌধুরী: অমর একুশের গান "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি" এর রচয়িতা।
    •             
    • মুনীর চৌধুরী: ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক "কবর" এর রচয়িতা।
    •             
    • জহির রায়হান: ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস "আরেক ফাল্গুন" এর রচয়িতা এবং চলচ্চিত্র "জীবন থেকে নেয়া" এর নির্মাতা।
    •             
    • আলাউদ্দিন আল আজাদ: ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কালজয়ী কবিতা "স্মৃতির মিনার" এবং উপন্যাস "তেইশ নম্বর তৈলচিত্র"-এ আন্দোলনের প্রভাব ছিল।
    •             
    • আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ: "কোনো এক মাকে" কবিতায় ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
    •             
    • সৈয়দ শামসুল হক: তাঁর অনেক রচনায় ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট বিদ্যমান।
    •         
        
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
503
উত্তরঃ একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলা কবিতার জন্য আত্মত্যাগ, ভাষা প্রেম ও জাতীয়তাবাদের এক অবিস্মরণীয় প্রেরণা।

একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক যুগান্তকারী দিন, যা শুধু রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেই নয়, বাংলা সাহিত্যের বিশেষ করে কবিতার জগতেও এক অন্তহীন প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করেছে। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার্থে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন রফিক, সালাম, বরকত, জব্বার, শফিউর সহ আরও অনেকে। এই আত্মত্যাগ বাংলা কবিতায় এক নতুন মাত্রা যোগ করে।

একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলা কবিতার জন্য প্রেরণার উৎস হওয়ার মূল কারণগুলো হলো:

        
  • ভাষা প্রেম ও জাতীয়তাবাদের জাগরণ: একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালির মনে ভাষার প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং স্বতন্ত্র জাতিসত্তার যে বীজ বপন করে, তা কবিদের মননকে প্রবলভাবে আলোড়িত করে। মাতৃভাষার প্রতি এই অবিচল টান অসংখ্য কবিতায় মূর্ত হয়েছে।
  •     
  • প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের প্রতীক: অন্যায় ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির প্রথম সফল প্রতিরোধ ছিল ভাষা আন্দোলন। এই আন্দোলনের চেতনা কবিদের লেখনীতে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের ভাষা জুগিয়েছে, যা পরবর্তীকালে স্বাধীনতা সংগ্রামেও প্রেরণা জুগিয়েছে।
  •     
  • শহীদদের আত্মদান ও শোকগাঁথা: ভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করার ঘটনা বাংলা কবিতায় শোক, আত্মত্যাগ এবং বীরত্বের নতুন উপাখ্যান তৈরি করেছে। শহীদদের আত্মদানকে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে অসংখ্য মর্মস্পর্শী কবিতা, যা বাঙালির হৃদয়ে অমর হয়ে আছে।
  •     
  • নবজাগরণ ও আধুনিকতার উন্মোচন: একুশে ফেব্রুয়ারির প্রেক্ষাপটে রচিত কবিতাগুলো কেবল বিষয়বস্তুতেই নয়, আঙ্গিক ও প্রকাশভঙ্গিতেও নতুনত্বের ছোঁয়া আনে। এটি বাংলা কবিতায় আধুনিকতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।

মাহবুব উল আলম চৌধুরীর 'কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি', আলাউদ্দিন আল আজাদের 'স্মৃতিস্তম্ভ' এবং আব্দুল গাফফার চৌধুরীর 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' এর মতো কালজয়ী সৃষ্টিগুলো একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়েই রচিত। এই কবিতাগুলো আজও বাঙালির প্রাণে একুশের মর্মবাণী পৌঁছে দেয় এবং মাতৃভাষা ও দেশের প্রতি ভালোবাসায় উদ্বুদ্ধ করে চলেছে, যা এর অন্তহীন প্রেরণার সাক্ষ্য বহন করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
381
উত্তরঃ বিহারীলাল চক্রবর্তী

বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক গীতিকবি বিহারীলাল চক্রবর্তীকে ‘ভোরের পাখি’ বলা হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই তাঁকে এই উপাধি দিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথের মতে, বিহারীলালের কাব্যই বাংলা কবিতায় নতুন সুর ও গভীর ভাবধারার সূচনা করেছে, যা পরবর্তীকালে রবীন্দ্র-কাব্যের পথ প্রশস্ত করে। বিহারীলাল চক্রবর্তীর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো 'সারদামঙ্গল', 'সাধের আসন', 'স্বপ্নদর্শন' এবং 'বঙ্গসুন্দরী' ইত্যাদি। তাঁর কাব্যে প্রকৃতিপ্রেম, আত্মনিমগ্নতা ও সঙ্গীতের মূর্ছনা বিশেষভাবে লক্ষণীয়, যা আধুনিক বাংলা কাব্যের উন্মেষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
306
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews