উত্তরঃ

মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ।

উত্তরঃ

শাহনামা পারস্যের (বর্তমান ইরান) কবি ফেরদৌসীর দ্বারা লিখিত একটি দীর্ঘ মহাকাব্য ।

উত্তরঃ

‘ঞ্ছ’ যুক্ত বর্ণে ঞ + ছ বর্ণ আছে।

উত্তরঃ

‘পরিচ্ছেদ' এর সন্ধি বিচ্ছেদ পরি + ছেদ।

উত্তরঃ

একাদশে বৃহস্পতি' এর অর্থ সৌভাগ্যের বিষয় ।

উত্তরঃ

অপলাপ' শব্দের অর্থ  অস্বীকার ।

উত্তরঃ

‘বীর’ শব্দের বিপরীত লিঙ্গ বীরাঙ্গনা ।

উত্তরঃ

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ।

উত্তরঃ

যে জমিতে ফসল জন্মায় না= ঊষর

Shudipta
Shudipta
1 year ago
উত্তরঃ

গঠনভেদে শব্দ ২ প্রকার। এ দুটি হলোঃ মৌলিক শব্দ এবং সাধিত শব্দ। উল্লেখ্য, অর্থমূলক শ্রেণিভেদে ৩ প্রকার। এই ৩টি হলোঃ যৌগিক, রূঢ়ি এবং যোগরূঢ়। উৎসমূলক শ্রেণিভেদে ৫ প্রকার । এগুলো হলোঃ তৎসম, অর্ধ-তত্মম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশ ।

229

প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ। এর ভাষা ও বিষয়বস্তু দুর্বোধ্য এবং এর কবিরা ছিলেন বৌদ্ধ সাধক। এতে বিধৃত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মের তত্ত্বকথা। এ সময়ের সাহিত্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো গোষ্ঠী কেন্দ্রিকতা ও ধর্মনির্ভরতা। ধর্মের বিষয়টি সমাজজীবনের চিন্তাভাবনাকে নিয়ন্ত্রিত করেছে, তাই সাহিত্যে ধর্মের কথা বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।

প্রাচীন যুগের সময়কাল-

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর মতে৬৫০-১২০০ খ্রি.
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এর মতে৯৫০-১২০০ খ্রি.
ড. সুকুমার সেনের মতে৯০০-১৩৫০ খ্রি.

চর্যাপদ: বাংলা ভাষার প্রথম কাব্য/কবিতা সংকলন চর্যাপদ। এটি বাংলা সাহিত্যের আদিযুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন। ডক্টর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার হতে ১৯০৭ সালে 'চর্যাচর্য বিনিশ্চয়' নামক পুঁথিটি আবিষ্কার করেন। চর্যাপদের সাথে 'ডাকার্ণব' ও 'দোহাকোষ' নামে আরও দুটি বই নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার হতে আবিষ্কৃত হয়। ১৯১৬ সালে সবগুলো বই একসাথে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে প্রকাশ করেন।

বাংলার পাল বংশের রাজারা ছিলেন বৌদ্ধধর্মালম্বী। তাদের আমলে চর্যাগীতিগুলোর বিকাশ ঘটেছিল। সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে পদগুলো রচিত। পাল বংশের পরে আসে সেন বংশ। সেন বংশ হিন্দুধর্ম এবং ব্রাহ্মণ্যসংস্কার রাজধর্ম হিসাবে গ্রহণ করে। ফলে বৌদ্ধ সিদ্ধচার্যেরা এদেশ হতে বিতাড়িত হয় এবং নেপালে আশ্রয় গ্রহণ করে। তাই বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন বাংলাদেশের বাহিরে নেপালে পাওয়া গেছে।

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী - উইকিপিডিয়া
ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

চর্যাপদের শব্দগুলো অপরিচিত, শব্দ ব্যবহারের রীতি বর্তমানের রীতি থেকে ভিন্ন --এর কবিতাগুলো পড়ে বুঝতে কষ্ট হয়। এজন্য চর্যাপদের ভাষাকে 'সন্ধ্যা ভাষা'ও বলে। চর্যাপদের কবিতাগুলো গাওয়া হত। তাই এগুলো একইসাথে গান ও কবিতা।

সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তার 'বাঙলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ' (Origin and Development of Bengali language) নামক গ্রন্থে ধ্বনি তত্ত্ব ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে, পদসংকলনটি আদি বাংলা ভাষায় রচিত। কেউ কেউ একে মৈথিলি, উড়িয়া বা আসামি ভাষা বলে দাবি করেন। ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, সেকালের বাংলা, উড়িয়া বা আসামি ভাষার পার্থক্য ছিল সামান্যই। উল্লেখ্য যে, চর্যাপদ উড়িষ্যা, বিহার, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের নিজ নিজ ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসাবে বিবেচিত।

এতে মোট ৫১ টি পদ'রয়েছে। কয়েক পাতা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সর্বমোট সাড়ে ৪৬টি পদ পাওয়া গেছে। ২৩ নং পদটি খণ্ডিত আকারে উদ্ধার করা হয়েছে অর্থাৎ এর শেষাংশ পাওয়া যায়নি। ২৪, ২৫ ও ৪৮ নং পদগুলো পাওয়া যায়নি। চর্যাপদের মোট পদকর্তা ২৪। অনেকের মতে, আদি চর্যাকার লুইপা। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে প্রাচীনতম চর্যাকার শবরপা এবং আধুনিকতম সরহ বা ভুসুকু। কাহ্নপা সর্বাধিক ১৩ টি পদ রচনা করেন।

রাজশাহী কলেজ গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুর্লভ চর্যাপদ এর অংশবিশেষ

চর্যাপদের কবি / পদকর্তা-

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর মতে২৩ জন
ড. সুকুমার সেনের মতে২৪ জন

পদকর্তা: লুই, শবর, ককুরী, বিরুআ, গুণ্ডারী, চাটিল, ভুসুকু, কাহ্ন, কামলি, ডোম্বী, শান্তি, মহিত্তা, বীণা, সরহ, আজদেব, ঢেণ্টণ, দারিক, ভাদে, তাড়ক, কঙ্কণ, জঅনন্দি, ধাম, তন্ত্রী ও লাড়ীডোম্বী। পদকর্তাদের নামের শেষে সম্মানসূচক 'পা' যোগ করা হয়। যেমন: লুই থেকে লুইপা, শবর থেকে শবরপা।

কাহ্ন : ১৩ টি পদ রচনা করেন।

ভুসুকু : ৮ টি পদ রচনা করেন।

সরহ : ৪ টি পদ রচনা করেন।

লুই, শান্তি ও শবরী: ২ টি করে পদ রচনা করেন।

বাকিরা : ১ টি করে পদ রচনা করেন।

লাড়ীডোম্বী : কোন পদ পাওয়া যায়নি।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থের মতে, পদ সংখ্যা ৫০টি এবং প্রাপ্ত পদ সাড়ে ছেচল্লিশটি।

ড. সুকুমার সেনের 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস' গ্রন্থের মতে, পদ সংখ্যা ৫১টি।

চর্যাপদের যে পদ পদ পাওয়া যায়নিঃ

২৩ নং অর্ধেক, ২৪, ২৫ ও ৪৮ নং পদ।

যেসব পদ পাওয়া যায়নি সেগুলোর রচয়িতাঃ

২৩- ভুসুকুপা, ২৪- কাহ্নপা, ২৫- তান্তীপা, ৪৮- কুকুরীপা।

চর্যাপদের প্রথম পদের রচয়িতাঃ

লুইপা। তিনি ২টি পদ রচনা করেন। যথা: ১, ২৯। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে, তিনি রাঢ় অঞ্চলের বাঙালি কবি হিসেবে পরিচিত। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, তিনি শবরপার শিষ্য ছিলেন। লুইপাকে আদি চর্যাকার হিসেবে ধরে নেয়া হয়।

চর্যাপদের প্রথম পদটিঃ

কাআ (শরীর) তরুবর পঞ্চ বি ডাল।

চঞ্চল চীএ পইঠো কাল ॥

দিঢ় করিঅ মহাসুহ পরিমাণ।

লুই ভণই (বলে) গুরু পুচ্ছিঅ জাণ ॥

সঅল সহিঅ কাহি করিঅই।

সুখ দুখেতে নিচিত মরিঅই ॥

এড়ি এউ ছান্দক বান্ধ করণক পাটের আস।

সুনুপথ ভিতি লেহু রে পাস ॥

ভণই লুই আমহে ঝাণে দিঠা।

ধমণ চমণ বেণি পিত্তি বইঠা ॥

মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে, সন্ধ্যা বা সান্ধ্য ভাষা বা আলো-আঁধারির ভাষা।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, এর ভাষার নাম 'বঙ্গকামরূপী'। এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

চর্যাপদের অনুবাদক

ভাষা

অনুবাদক

অনূদিত নাম

তিব্বতিকীর্তিচন্দ্র-
হিন্দিরাহুল সাংকৃত্যায়নদোহাকোষ (১৯৫৭)
ইংরেজিহাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদমিস্টিক পোয়েট্রি অব বাংলাদেশ (২০১৭)
সংস্কৃতপ্রবোধচন্দ্র বাগচী-
চিত্রঃ কাহ্নপার নকশা

Related Question

View All
উত্তরঃ অযৌক্তিক

বাংলা ব্যাকরণে 'এক কথায় প্রকাশ' বা 'বাক্য সংকোচন' হলো একটি বাক্য বা বাক্যাংশকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা, যা মূল অর্থকে অক্ষুণ্ণ রাখে। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বক্তব্যকে সংক্ষিপ্ত ও সুনির্দিষ্ট করে তোলে।

প্রদত্ত বাক্য "যুক্তিসংগত নয়" বলতে এমন কিছুকে বোঝায় যার পেছনে কোনো যুক্তি, কারণ বা ভিত্তি নেই, যা অযৌক্তিক বা অসমর্থনীয়। এই অর্থকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করতে হলে 'অযৌক্তিক' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত। এখানে 'অ' উপসর্গটি 'নয়' বা 'বিরুদ্ধ' অর্থ প্রকাশ করে এবং 'যৌক্তিক' শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে 'যুক্তিসংগত নয়' ভাবটি সম্পূর্ণভাবে তুলে ধরে।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় (যেমন - বিসিএস, ব্যাংক, সরকারি ও বেসরকারি চাকরি) বাংলা ব্যাকরণের এই অংশটি প্রায়শই আসে। এটি ভাষার সঠিক ব্যবহার এবং শব্দভান্ডার যাচাইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কিছু প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:

        
  • যা কষ্টে লাভ করা যায় – দুর্লভ
  •     
  • যা দমন করা যায় না – অদম্য
  •     
  • যা সহজে ভেঙে যায় – ভঙ্গুর
  •     
  • যার সীমা নেই – অসীম
Satt AI
Satt AI
1 month ago
575
উত্তরঃ উক্ত

এক কথায় প্রকাশ হলো বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে একটি বাক্য বা বাক্যাংশকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়। এর মাধ্যমে ভাষার সংক্ষিপ্ততা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং শব্দভাণ্ডারের ওপর দখল বোঝা যায়। 'যা বলা হয়েছে' বাক্যটিকে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করলে হয় 'উক্ত'। এটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ও চাকরির পরীক্ষায় প্রায়শই দেখা যায়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
689
উত্তরঃ অনুসন্ধিৎসা

বাংলা ব্যাকরণে একাধিক পদকে একটি পদে সংক্ষেপ করাকে বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ বলা হয়। 'ইচ্ছা' সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ নিচে উল্লেখ করা হলো, যা বিভিন্ন সরকারি ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় নিয়মিত আসে:

      
  • অনুসন্ধান করবার ইচ্ছা: অনুসন্ধিৎসা
  •   
  • জানার ইচ্ছা: জিজ্ঞাসা
  •   
  • জয় করার ইচ্ছা: জিগীষা
  •   
  • বেঁচে থাকার ইচ্ছা: জিজীবিষা
  •   
  • মুক্তি পাওয়ার ইচ্ছা: মুমুক্ষা
  •   
  • করবার ইচ্ছা: চিকিৎসা
  •   
  • দেখবার ইচ্ছা: দিদৃক্ষা
  •   
  • লাভ করার বা পাওয়ার ইচ্ছা: লিপ্সা
  •   
  • খাবার ইচ্ছা: বুভুক্ষা
Satt AI
Satt AI
1 day ago
606
উত্তরঃ সমসাময়িক

'একই সময়ে বর্তমান' বাক্যটির সঠিক বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ হলো সমসাময়িক (বা সমকালীন)।

চাকরির পরীক্ষা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সময় সংক্রান্ত আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংক্ষেপণ নিচে দেওয়া হলো:

      
  • একই সময়ে বর্তমান: সমসাময়িক / সমকালীন
  •   
  • একই সময়ে উৎপন্ন বা ঘটে এমন: যুগপৎ
  •   
  • সমান বয়সের যিনি: সমবয়সী / সমবয়স্ক
  •   
  • সব সময়ে বিদ্যমান: শাশ্বত / সর্বকালীন
  •   
  • পূর্ববর্তী সময়ের: ভূতপূর্ব
  •   
  • পরবর্তী সময়ের: উত্তরকালীন
Satt AI
Satt AI
1 day ago
572
উত্তরঃ চাক্ষুষ

ব্যাখ্যা: 'চক্ষু দ্বারা গৃহীত' বাক্যটির এক কথায় প্রকাশ হলো চাক্ষুষ (বা গোচর)। বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ হলো দীর্ঘ বাক্য বা বাক্যাংশকে সংক্ষিপ্ত করে একটি শব্দে রূপান্তর করা, যা ভাষার সৌন্দর্য ও বোধগম্যতা বৃদ্ধি করে।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ও চাকরির পরীক্ষার জন্য 'চক্ষু' সম্পর্কিত আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন নিচে দেওয়া হলো:

      
  • চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত: প্রত্যক্ষ বা চাক্ষুষ
  •   
  • চক্ষুর অগোচরে: পরোক্ষ
  •   
  • যা অক্ষি বা চক্ষুর সম্মুখে বিদ্যমান: প্রত্যক্ষ
  •   
  • যার চক্ষু লজ্জিত নয় / অক্ষির লজ্জাহীন: চশমখোর
  •   
  • যা চক্ষুর বিষয় বা ইন্দ্রিয় দ্বারা গ্রাহ্য: গোচর
Satt AI
Satt AI
1 day ago
560
উত্তরঃ অশ্রুতপূর্ব

ব্যাখ্যা: বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ হলো একাধিক পদকে একটি শব্দে রূপান্তর করা। অনুরূপ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংক্ষেপণ নিচে উল্লেখ করা হলো:

        
  • যা পূর্বে শোনা যায় নি: অশ্রুতপূর্ব
  •     
  • যা পূর্বে দেখা যায় নি: অদৃষ্টপূর্ব
  •     
  • যা পূর্বে ঘটে নি: অভূতপূর্ব
  •     
  • যা পূর্বে বলা হয় নি: অনুক্ত
  •     
  • যা পূর্বে ছিল এখন নেই: ভূতপূর্ব
Satt AI
Satt AI
1 day ago
532
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews