স্মার্ট বাংলাদেশ ধারণার চারটি ভিত্তি- স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট গভর্নমেন্ট, স্মার্ট অর্থনীতি এবং স্মার্ট সোসাইটি। বলা বাহুল্য, স্মার্ট বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তিটি হচ্ছে স্মার্ট অর্থনীতি। স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট গভর্নমেন্ট এবং স্মার্ট সোসাইটি- এসবই স্মার্ট অর্থনীতির লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলব। সেই বাংলাদেশ হবে স্মার্ট বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে আমরা চলে যাব।
স্মার্টবাংলাদেশ ধারণার চারটি ভিত্তি-
1. স্মার্টসিটিজেন
2. স্মার্টগভর্নমেন্ট
3. স্মার্টঅর্থনীতি এবং
4. স্মার্টসোসাইটি।
জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস হলেও দেশ আইন দ্বারা পরিচালিত হবে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা -কে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি ৪ টি। যথাঃ জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গনতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা
বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি ৪ টি। যথাঃ জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গনতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা।
Related Question
View Allবাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি চারটি।
সংবিধান নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব দিয়েছেন সুপ্রিমকোর্টকে ।
বঙ্গবন্ধু ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে স্বাক্ষর করেন ।
বাংলাদেশের জন্য সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়। ১২ অক্টোবর ১৯৭২ সালে কমিটি খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করলে ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে তা গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে সংবিধান কার্যকর হয়।
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান
বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে কার্যকর হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!