মানুষের তৈরি পানির দুইটি উৎস হলো-
১। পুকুর ও ২। কুয়া।
পানি না থাকলে আমাদের জীবনে হতে পারে এমন দুইটি সমস্যা হলো-
১। পিপাসা লাগলে আমরা পানি পান করতে পারবো না।
২। ফসল বা খাদ্য উৎপাদন করতে পারবো না।
দৈনন্দিন জীবনে পানির দুইটি ব্যবহার হলো-
১। গোসল করা ও
২। কাপড় পরিষ্কার করা।
পানির তিনটি প্রাকৃতিক উৎসের নাম হলো-১। বৃষ্টি, ২। নদী-নালা ও ৩। খাল-বিল।
বৃষ্টির পানি জমা হয় এমন তিনটি স্থানের নাম হলো-১। পুকুর, ২। নদী ও ৩। হাওর।
সাগর, মহাসাগর, নদী, জলাভূমি, পুকুর ইত্যাদি হলো ভূপৃষ্ঠের পানি। ভূপৃষ্ঠের পানি ক্রমাগত বাষ্পে পরিণত হয়। পরবর্তী সময়ে এই বাষ্প বৃষ্টি আকারে ভূপৃষ্ঠে পড়ে জমা হয়। জমা হওয়া এই পানি চুয়ে চুয়ে ভিতরে ঢুকে ভূগর্ভে জমা হয়।
ভূগর্ভস্থ পানি সংগ্রহ করার তিনটি উপায় হলো-
১। পাহাড়ি ঝরনা থেকে।
২। সমতল অঞ্চলে কূপ খনন করে।
৩। নলকূপের মাধ্যমে।
মানুষের তৈরি তিনটি পানির উৎসের নাম হলো-১। পুকুর, ২। কুয়া ও ৩। নলকূপ।
মিঠা পানির তিনটি উৎসের নাম হলো-১। নদী, ২। বৃষ্টি ও ৩। প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট হ্রদ।
পান করার উপযোগী তিনটি পানির উৎসের নাম হলো-১। বোতলে প্রক্রিয়াজাত করা পানি, ২। ফুটানো পানি ও ৩। সবুজ রং করা নলকূপের পানি।
পানের অযোগ্য পানির তিনটি উৎসের নাম হলো-১। পুকুরের পানি, ২। নদীর পানি ও ৩। লাল রং করা নলকূপের পানি।
দৈনন্দিন কাজে পানির তিনটি ব্যবহার হলো-
১। রান্না করা, ২। থালাবাসন ধোয়া ও ৩। গোসল করা।
পানি মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা পানি ছাড়া বাঁচতে পারি না। পৃথিবীর সকল প্রাণের বেঁচে থাকার জন্য পানি - অপরিহার্য। খাবার ছাড়া কয়েকদিন বেঁচে থাকা সম্ভব। কিন্তু পানি ছাড়া একদিনও বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। এসব কারণেই পানির অপর নাম জীবন বলা হয়।
পানি না থাকলে আমাদের জীবনে নিম্নলিখিত সমস্যা হতে পারে-
১। পিপাসা লাগলে আমরা পানি পান করতে পারবো না।
২। ফসল বা খাদ্য উৎপাদন করতে পারবো না।
৩। উদ্ভিদ ও প্রাণী বেঁচে থাকতে পারবে না।
খরা বলতে পানির তীব্র অভাবকে বুঝায়। গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের কিছু অঞ্চলে পানির তীব্র অভাব হয়। তখন পানি ছাড়া কৃষি খেত, কূপ, নদী ও পুকুর শুকিয়ে যায়; তখন এ অবস্থাকে খরা বলে।
পানি অপচয়ের তিনটি কারণ নিম্নরূপ-
১। দাঁত ব্রাশ করার সময় বেসিনের কল ছেড়ে রাখা।
২। কাপড় ধোয়ার সময় পানির কল ছেড়ে রাখা।
৩। গোসল করার সময় অপ্রয়োজনে ঝরনা বা কল চালু রাখা।
পানির অপচয় রোধে আমার তিনটি করণীয় হলো-
১। দাঁত ব্রাশ করার সময় পানির কল ছেড়ে রাখব না।
২। হাত বা মুখ ধোয়ার পরই পানির কলটি বন্ধ করে রাখব।
৩। বালতিতে পানি ভরে তারপর থালাবাসন ধোব।
যে পানিতে লবণ নেই বা থাকলেও তাতে লবণের পরিমাণ খুবই কম থাকে এমন পানিকে স্বাদু পানি বলে। প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট হ্রদ, জলপ্রপাত, নদী, তুষারপাত, বরফ, বৃষ্টি ইত্যাদি মিঠা পানির প্রধান উৎস।
পান করার জন্য সর্বদা নিরাপদ পানি প্রয়োজন। কিন্তু সব নলকূপের পানি নিরাপদ নয়। নলকূপে সবুজ এবং লাল রং করার কারণ হলো নিরাপদ ও অনিরাপদ পানির উৎস চিহ্নিত করা। সবুজ রং করা নলকূপের পানি নিরাপদ। অন্যদিকে লাল নং করা নলকূপের পানি অনিরাপদ।
Related Question
View Allসমুদ্র হলো পানির প্রাকৃতিক উৎস।
যে পানিতে লবণ থাকে, তাকে লবণাক্ত পানি বলে।
উৎসের ভিত্তিতে পানিকে দুই ভাগ করা যায়।
হাত বা মুখ ধোয়ার পর পানির কলটি বন্ধ করে পানির অপচয় রোধ করতে পারি।
পৃথিবীর উপরিভাগের চার ভাগের প্রায় তিন ভাগ পানি।
পানির উৎসকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!