কোণের আকৃতি পরিমাপের একক ডিগ্রি।
৯০° অপেক্ষা ছোটো কোণকে সূক্ষ্মকোণ বলে ।
৯০° অপেক্ষা বড়ো এবং ১৮০° অপেক্ষা ছোটো কোণকে স্থূলকোণ বলে ।
কোণটি সমকোণ। ধরনের কোণ ।
১ সমকোণ = ৯০°।
৯০ এর = ৬০°।
চাঁদা সর্বোচ্চ ১৮০° পর্যন্ত পরিমাপ করতে পারে ।
সূক্ষ্মকোণ, সমকোণ এবং স্থূলকোণের মাঝে সম্পর্ক সূক্ষ্মকোণ < সমকোণ < স্থূলকোণ।
এক সরল কোণ সমান ১৮০°।
দুপুর ২ টায় ঘড়ির ঘণ্টা কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণের মান ৬০° ।
একটি রেখা অপর একটি রেখার উপর লম্ব হলে এরা একে অপরকে সমকোণে ছেদ করে ।
দুইটি সমান্তরাল রেখার মধ্যবর্তী দূরত্ব সর্বদা সমান।
দুইটি সরল রেললাইনকে আমরা সমান্তরাল রেখার আদর্শ হিসেবে কল্পনা করতে পারি ।
সমান্তরাল রেখা ধরনের দুইটি রেখা একে অপরের সঙ্গে কখনোই মিলিত হয় না ।
ত্রিকোণী সেট ব্যবহার করে সহজেই লম্ব ও সমান্তরাল রেখা ধরনের রেখা আঁকা যায় ।
যে জ্যামিতিক আকৃতি তিনটি রেখা দ্বারা আবদ্ধ তাকে ত্রিভুজ বলে ।
ত্রিভুজের তিনটি রাহু ।
বাহুভেদে ত্রিভুজ তিন প্রকার ।
যে ত্রিভুজের তিনটি বাহুই সমান তা সমবাহু ধরনের ত্রিভুজ ।
যে ত্রিভুজের দুইটি বাহু সমান তা সমদ্বিবাহু ধরনের ত্রিভুজ ।
যে ত্রিভুজের তিনটি বাহুই অসমান তা বিষমবাহু ধরনের ত্রিভুজ ।
কোণভেদে ত্রিভুজ ৩ প্রকার।
সমবাহু ত্রিভুজের তিনটি কোণ সমান ।
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের দুইটি কোণ সমান ।
কোণ ভেদে সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজের বৈশিষ্ট্য প্রতিটি কোণই ৯০° এর ছোটো।
সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ সমকোণ ।
স্থূলকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ ৯০° এর বড়ো ।
৬ সেমি, ৪ সেমি ও ৩ সেমি বাহুবিশিষ্ট ত্রিভুজটি বিষমবাহু ধরনের ত্রিভুজ ।
একটি ত্রিভুজের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৬ সেমি হলে এর প্রতিটি কোণের পরিমাণ ৬০° হবে ।
আয়তের বাহুর পরিমাণ চারটি।
যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল তাকে আয়ত বলে ।
আয়তের দুই জোড়া বাহু সমান ও সমান্তরাল ।
যে আয়তের চারটি বাহু সমান তাকে বর্গ বলে ।
চারটি সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ আকৃতিকে চতুর্ভুজ বলে ।
আয়তের প্রতিটি কোণের পরিমাণ ৯০°।
বর্গের চারটি কোণ সমকোণ ।
যে চতুর্ভুজের চারটি কোণই সমকোণ তাকে আয়ত বলে ।
শাড়ির পাড়, মসজিদের দেয়াল বা দাবার বোর্ডে যে নকশা দেখতে পাই তা জ্যামিতিক প্যাটার্ন।
নকশাটি একটি নির্দিষ্ট নিয়মে তৈরি হলে।
Related Question
View All
২৫°
১. কখ সরলরেখা আঁকি।
২. ক বিন্দুতে চাঁদার কেন্দ্রবিন্দু স্থাপন করি এবং কখ রেখাকে ০° বরাবর মিলাই।
৩. ২৫° পরিমাপে একটি বিন্দু গ নিই।
৪. চাঁদা সরিয়ে ফেলি এবং ক থেকে গ বিন্দু পর্যন্ত স্কেলের সাহায্যে একটি রেখা টানি।
৫. ∠খকগ = ২৫° < ৯০°। সুতরাং কোণটি সুক্ষ্মকোণ।

৭৫°
১. কখ সরলরেখা আঁকি।
২. ক বিন্দুতে চাঁদার কেন্দ্রবিন্দু স্থাপন করি এবং কখ রেখাকে ০° বরাবর মিলাই।
৩. ৭৫° পরিমাপে একটি বিন্দু গ নিই।
৪. চাঁদা সরিয়ে ফেলি এবং ক থেকে গ বিন্দু পর্যন্ত স্কেলের সাহায্যে একটি রেখা টানি।
৫. ∠খকগ = ৭৫° < ৯০°। সুতরাং কোণটি সুক্ষ্মকোণ।

৯০°
১. কখ সরলরেখা আঁকি।
২. ক বিন্দুতে চাঁদার কেন্দ্রবিন্দু স্থাপন করি এবং কখ রেখাকে ০° বরাবর মিলাই।
৩. ৯০° পরিমাপে একটি বিন্দু গ নিই।
৪. চাঁদা সরিয়ে ফেলি এবং ক থেকে গ বিন্দু পর্যন্ত স্কেলের সাহায্যে একটি রেখা টানি।
৫. ∠খকগ = ৯০° যা একটি সমকোণ।

১২০°
১. কখ সরলরেখা আঁকি।
২. ক বিন্দুতে চাঁদার কেন্দ্রবিন্দু স্থাপন করি এবং কখ রেখাকে ০° বরাবর মিলাই।
৩. ১২০° পরিমাপে একটি বিন্দু গ নিই।
৪. চাঁদা সরিয়ে ফেলি এবং ক থেকে গ বিন্দু পর্যন্ত স্কেলের সাহায্যে একটি রেখা টানি।
৫. খকগ = ১২০° যা ৯০° থেকে বড়ো কিন্তু ১৮০° থেকে ছোটো।
সুতরাং কোণটি স্থূলকোণ।
১. এক বাহু আঁকি। (ত্রিভুজের ভূমি কখ: ৪ সেমি)

(২) ভূমির বামপ্রান্ত ক বিন্দু থেকে ৬ সেমি দৈর্ঘ্য আঁকি।

(৩) ভূমির ডানপ্রান্ত খ বিন্দু থেকে ৬ সেমি দৈর্ঘ্য আঁকি।

(৪) প্রাপ্ত বিন্দুটি ব্যবহার করে ত্রিভুজের বাকি দুই বাহু আঁকি।

(৫) এখন, কখগ প্রদত্ত ত্রিভুজটি হলো।
১. এক বাহু আঁকি। (ত্রিভুজের ভূমি কখ: ৫ সেমি)

(২) ক বিন্দুতে ৬০° পরিমাপের একটি কোণ আঁকি।

(৩) খ বিন্দুতে ৬০° কোণ খুঁজে বের করি।

(৪) খ থেকে একটি রেখা আঁকি এবং ক কোণের সাথে গ বিন্দুতে বিন্দুগুলো মিলাই।

(৫) এখন, কখগ প্রদত্ত ত্রিভুজটি হলো।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!


