চুম্বক যে পদার্থগুলোকে কাছে টানে না, সেগুলোকে অচৌম্বক পদার্থ বলে। যেমন- কাগজ, মাটি, প্লাস্টিক ইত্যাদি।
একটি দণ্ড চুম্বকের উত্তর মেরু অপর একটি দন্ড চুম্বকের দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি নিয়ে এলে তারা একে অপরকে আকর্ষণ করে।
বেলুনে মুখ দিয়ে ফুঁ দিলে মুখের বাতাস বেলুনে প্রবেশ করে। যত বেশি বাতাস প্রবেশ করবে বেলুনটি ততই ফুলে উঠবে। এক্ষেত্রে বাতাস বেলুনের বেশি স্থান দখল করে বলে বেলুন ফুলে যায়।
পদার্থের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। পদার্থের আকার ও আকৃতি থাকে।
২। পদার্থের ওজন আছে।
৩। পদার্থের আয়তন আছে।
তিনটি হালকা পদার্থের নাম হলো-১। তুলা, ২। বাতাস ও ৩। জলীয় বাষ্প।
তিনটি ভারী পদার্থের নাম হলো-১। ইট, ২। পাথর ও ৩। লোহা।
মুরগির ছানার চেয়ে হাতি আকারে অনেক বড়। এছাড়াও মুরগির ছানার চেয়ে হাতি বেশি স্থান দখল করে। তাই হাতির আয়তন মুরগির ছানার আয়তনের তুলনায় অনেক বেশি।
পানি দিয়ে অর্ধেক পূর্ণ গ্লাসে একখণ্ড পাথর ফেললে পানির স্তর উপরে উঠে যায়। কারণ পাথর খণ্ডটি গ্লাসের পানিতে ডুবে গেলে সেটি পানির ভেতর কিছু স্থান দখল করে। এই স্থানটুকুই পাথর খণ্ডটির আয়তন। এভাবে বুঝা যায় পাথরের আয়তন আছে।
আকৃতি বলতে একটি পদার্থের বাহ্যিক গঠন কেমন হবে তা বুঝায়। অনেক পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি থাকে। তবে সকল পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি থাকে না। কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি থাকে। কিন্তু তরল ও বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি থাকে না।
বাতাস একটি বায়বীয় পদার্থ। কারণ, বাতাসের নিজস্ব কোনো আকৃতি নেই। কিন্তু আয়তন ও ওজন আছে। বেলুন বা ফুটবলে যদি বাতাস ঢুকানো হয় তাহলে তাদের ওজন ও আয়তন বেড়ে যায়। তাই বলা যায়, বায়বীয় পদার্থের বৈশিষ্ট্য এবং বাতাসের বৈশিষ্ট্য একই হওয়ায় বাতাস বায়বীয় পদার্থ।
পদার্থের অবস্থা তিনটি। যথা-
১। কঠিন, ২। তরল ও ৩। বায়বীয়।
পানি একটি তরল পদার্থ। কারণ-
১। তরল পদার্থের ন্যায় পানির নির্দিষ্ট আকার নেই কিন্তু আয়তন আছে।
২। তরল পদার্থের মতো পানিও যে পাত্রে রাখা হয় সেই পাত্রের আকার ধারণ করে।
পানির অবস্থা তিনটি। যথা- কঠিন (বরফ), তরল (পানি) ও বায়বীয় (জলীয়বাষ্প)। বরফকে তাপ দিলে তা গলে পানিতে পরিণত হয়। আবার পানিকে তাপ দিলে তা ফুটে জলীয়বাষ্পে পরিণত হয়। অন্যভাবে, জলীয়বাষ্পকে ঠান্ডা করলে পানিতে রূপান্তর হয় এবং পানিকে ঠান্ডা করলে তা বরফে রূপান্তরিত হয়।
বরফ একটি কঠিন পদার্থ। তাপে বরফ গলে পানিতে পরিণত হয়। সাধারণ অবস্থায় বাইরে রেখে দিলে এটি আস্তে আস্তে গলে। তাপ দিলে দ্রুত গলে। এই পানিকে আরও তাপ দিলে তা জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়। জলীয় বাষ্প একটি বায়বীয় পদার্থ।
তিনটি তরল পদার্থের নাম হলো-১। ফলের রস, ২। পানি ও ৩। তেল।
তিনটি কঠিন পদার্থ হলো- ১। মার্বেল, ২। বল ও ৩। পেন্সিল।
তিনটি বায়বীয় পদার্থের উদাহরণ হলো-১। বেলুন ভর্তি বাতাস, ২। ফ্যানের বাতাস ও ৩। ধোঁয়া।
দুটি চুম্বকের একই মেরুকে কাছাকাছি নিয়ে এলে তারা একে অপরকে দূরে ঠেলে দিবে। এটাকে বিকর্ষণ বলে। আবার দুটি চুম্বকের বিপরীত মেরুকে কাছাকাছি নিয়ে এলে তারা পরস্পরকে কাছে টেনে নিবে। এটাকে আকর্ষণ বলে।
তিনটি চৌম্বক পদার্থের নাম হলো-
১। লোহা, ২। আলপিন ও ৩। সুই।
চুম্বকের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। লোহা জাতীয় পদার্থকে চুম্বক কাছে টানে।
২। মুক্তভাবে ঝুলিয়ে দিলে চুম্বক সবসময় উত্তর-দক্ষিণে মুখ করে থাকে।
৩। চুম্বকের বিপরীত মেরু পরস্পরকে আকর্ষণ করে এবং সমমেরু পরস্পরকে বিকর্ষণ করে।
বস্তুর সাবধানী ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের তিনটি উদাহরণ হলো-
১। গরম বস্তু ধরার প্রয়োজন হলে কাপড় বা ন্যাকড়া ব্যবহার করতে হবে।
২। কাচের বস্তু সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
৩। ছুরি বা ধারালো জিনিস ব্যবহারের সময় কেউ যেন খোঁচা খেয়ে আঘাতপ্রাপ্ত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
Related Question
View Allঅর্ধেক পানিসহ একটি গ্লাসে এক টুকরা পাথর ফেললে গ্লাসের পানির উচ্চতা বাড়বে ।
রাবারের নির্দিষ্ট আকার আছে কারণ এটি কঠিন পদার্থ।
প্রকৃতিতে পানি তিন অবস্থাতেই থাকে।
লৌহ জাতীয় পদার্থ এক ধরনের চৌম্বক পদার্থ।
সকল পদার্থেরই ওজন আছে ।
বড় পদার্থ বেশি স্থান দখল করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!