সংক্ষেপে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

Updated: 2 days ago
উত্তরঃ

বয়ঃসন্ধিকালে শরীর ও মন সুস্থ রাখার উপায়গুলো হলো-

১. নিজের 'বিছানা ও পড়ার টেবিল পরিষ্কার করা।

২. নিজে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা এবং পরিষ্কার পোশাক পরা।
৩. বিদ্যালয় ও বাড়ির আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা।
৪. মা-বাবাকে তাদের কাজে সহযোগিতা করা।
৫. নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস, ছবি আঁকা ও ধর্মচর্চা করা।

উত্তরঃ

ছেলেদের মধ্যে বয়ঃসন্ধিকালে যেসব পরিবর্তন দেখা যায়
সেগুলো হলো-
১. ওজন ও উচ্চতা বৃদ্ধি পায়।
২. দাড়ি, গোঁফ গজাতে থাকে।
৩. গলার স্বর মোটা ও ভারী হতে থাকে।
৪. পেশি সুগঠিত ও কাঁধ চওড়া হতে থাকে।

উত্তরঃ

জীবনের যে পর্যায়ে একজন মানুষ নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বড়ো হয়ে ওঠে, মানবজীবনের সেই পর্যায়কে বয়ঃসন্ধিকাল বলে। এটি মানুষের বৃদ্ধি ও বিকাশের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

উত্তরঃ

ছেলেদের ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধিকাল সাধারণত ৯ থেকে ১৫ বছর এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ৮ থেকে ১৩ বছর বয়সে শুরু হয়।
তবে কারও ক্ষেত্রে এটি একটু আগে বা পরে শুরু হতে পারে।

উত্তরঃ

বয়ঃসন্ধিকালীন ছেলেদের তিনটি পরিবর্তন হলো-
১. ওজন ও উচ্চতা বৃদ্ধি পায়।
২. দাড়ি গোঁফ গজায় এবং
৩. পেশি সুগঠিত হয়।

উত্তরঃ

বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেদের তিনটি পুরুষালি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. দাড়ি গজাতে থাকে।
২. গোঁফ গজাতে থাকে এবং
৩. গলার স্বর মোটা এবং ভারী হতে থাকে।

উত্তরঃ

বয়ঃসন্ধিকালে কিশোর কিশোরীদের মধ্যে ভয়-ভীতি, কৌতূহল, লজ্জা, আবেগ প্রবণতা, বিষণ্ণতা ও অস্থিরতা দেখা দেয়। তারা নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিতে চায়।

উত্তরঃ

বয়ঃসন্ধিকাল মানুষের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। কারণ এই সময়ে দেহে নতুন নতুন পরিবর্তন ঘটে এবং কিশোর-কিশোরীরা শারীরিক ও মানসিকভাবে পরিপক্ক হতে শুরু করে। এই সময় সঠিক যত্ন নিলে সুস্থভাবে বেড়ে ওঠা সম্ভব।

উত্তরঃ

বয়ঃসন্ধিকালের পরিবর্তন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এতে ভয় বা লজ্জা পাওয়া কিংবা বিব্রত না হয়ে বাবা-মা, বড়ো বোন বা শিক্ষকের সাথে খোলামেলা আলোচনা করা, খেলাধুলা ও ভালো কাজে যুক্ত থাকা এবং ইতিবাচক মনোভাব রাখা গেলে বয়ঃসন্ধিকালের পরিবর্তন সহজে মানিয়ে নেওয়া যায়।

উত্তরঃ

বয়ঃসন্ধিকালে মেয়েদের শরীর কিছুটা ভারী হতে থাকে এবং মেয়েলি বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেতে থাকে। মুখে ব্রণ দেখা দিতে পারে। শরীর থেকে প্রতি মাসে অল্প দিনের জন্য রক্তক্ষরণ হয়ে থাকে।

উত্তরঃ

স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের প্রধান শর্তগুলো হলো-
১. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা,
২. নিরাপদ পানি পান ও
৩. সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ।

উত্তরঃ

বয়ঃসন্ধিকালে যেহেতু শারীরিক বৃদ্ধি দ্রুত হয়, এজন্য মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল ইত্যাদি প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খাওয়া প্রয়োজন। ভাত, রুটি ইত্যাদি শর্করা ও চর্বি যেমন- তেল, ঘি দিয়ে তৈরি খাবারও প্রয়োজন। তাছাড়াও ছোটো মাছ, রঙিন শাকসবজি এবং বিভিন্ন ধরনের ফল খাওয়া প্রয়োজন।

উত্তরঃ

বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেমেয়েদের দেহ দ্রুত বেড়ে ওঠে এবং নানা শারীরিক পরিবর্তন ঘটে। ঘুমের সময় বৃদ্ধি হরমোন সক্রিয় থাকে, যা দেহের হাড়, পেশি ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সঠিক বিকাশে সাহায্য করে। তাই শরীরের বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য বয়ঃসন্ধিকালে পর্যাপ্ত ঘুম খুবই প্রয়োজন।

উত্তরঃ

বর্জনীয় খাবার বলতে যেসব খাদ্য গ্রহণে স্থূলতা, হৃৎপিণ্ডের রোগ, অল্প বয়সে ডায়াবেটিস আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায় সেসব খাদ্যকে বুঝায়। যেমন- অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার, কোমল পানীয়, বাইরের তৈরি খাবার, জাঙ্ক ফুড ইত্যাদি। এসব খাবারে প্রচুর অস্বাস্থ্যকর চর্বি ও চিনি থাকে।

উত্তরঃ

জাঙ্ক ফুডে প্রচুর চর্বি, তেল, লবণ ও চিনি থাকে, কিন্তু প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ প্রায় থাকে না। ফলে শরীর পর্যাপ্ত পুষ্টি পায় না। নিয়মিত জাঙ্ক ফুড খেলে হজমের সমস্যা, স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ জন্য জাঙ্ক ফুড স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

উত্তরঃ

নিরাপদ পানির অপর নাম জীবন। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান না করলে শরীরে পানি শূন্যতা হতে পারে। ফলে শরীর দুর্বল ও হজমের সমস্যা হবে। আবার পানি যদি অপরিষ্কার বা দূষিত হয় তাহলে ডায়রিয়া, আমাশয়, কলেরা ইত্যাদি রোগ হতে পারে। তাই স্বাস্থ্য রক্ষায় নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে নিরাপদ পানি পান করা প্রয়োজন।

উত্তরঃ

দৈনন্দিন জীবনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার তিনটি উপায় হলো-
১. ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমানোর পূর্বে দাঁত ব্রাশ করা।
২. প্রতিদিন গোসল করা এবং
৩. বাথরুম ব্যবহারের পর ও খাবার পূর্বে নিয়মিত সাবান বা ছাই দিয়ে হাত ধোয়া।

উত্তরঃ

বয়ঃসন্ধিকালে শারীরিক সুস্থতায় তিনটি করণীয় হলো-
১. নিয়মিত শরীরচর্চা ও খেলাধুলা করা।
২. রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানো ও সকালবেলা ঘুম থেকে উঠা এবং
৩. প্রতিদিন সূর্যের আলোতে যাওয়া।

উত্তরঃ

বয়ঃসন্ধিকালে শরীর ও মন ভালো রাখার তিনটি উপায় হলো-
১. নিজের বিছানা ও পড়ার টেবিল পরিষ্কার রাখা,
২. নিজে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা ও
৩. মা-বাবাকে কাজে সহযোগিতা করা।

উত্তরঃ

শরীর ও মন ভালো রাখার জন্য বিভিন্ন ধরনের সৃজনশীল কাজ করা উচিত। যেমন- ছবি আঁকা, নাচ-গান করা, কবিতা-আবৃত্তি, বিতর্ক, কুইজ প্রতিযোগিতা ইত্যাদি।

উত্তরঃ

বয়ঃসন্ধিকালে শরীর ও মন ভালো রাখার তিনটি উপায় হলো-
১. নিজের বিছানা ও পড়ার টেবিল পরিষ্কার রাখা,
২. নিজে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা ও
৩. মা-বাবাকে কাজে সহযোগিতা করা।

উত্তরঃ

শরীর ও মন ভালো রাখার জন্য বিভিন্ন ধরনের সৃজনশীল কাজ করা উচিত। যেমন- ছবি আঁকা, নাচ-গান করা, কবিতা-আবৃত্তি, বিতর্ক, কুইজ প্রতিযোগিতা ইত্যাদি।

6

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews