মহাস্থানগড় বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। মৌর্য আমলে এই স্থানটি 'পুন্ড্রনগর' নামে পরিচিত ছিল।
মহাস্থানগড়ে প্রাপ্ত তিনটি নিদর্শন হলো-
(ক) চওড়া খাদবিশিষ্ট প্রাচীন দুর্গ।
(খ) প্রাচীন ব্রাহ্মী শিলালিপি।
(গ) ৩.৩৫ মিটার লম্বা 'খোদাই পাথর'।
নরসিংদী জেলার উয়ারী ও বটেশ্বর নামক দুইটি গ্রামে প্রচুর প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া গেছে। এই সভ্যতাটি সমুদ্র বাণিজ্যের সাথে সম্পর্কিত ছিল। প্রাচীন নগরসভ্যতার নিদর্শনস্বরূপ এখানে প্রাচীন রাস্তাঘাটও পাওয়া গেছে।
প্রাচীন নগরসভ্যতার নিদর্শনস্বরূপ এখানে প্রাচীন রাস্তাঘাটও পাওয়া গেছে। এখানে প্রাপ্ত জিনিসের মধ্যে রয়েছে ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রা, হাতিয়ার এবং পাথরের পুঁতি।
পাহাড়পুর ঐতিহাসিক নিদর্শনটি ৭৮১-৮২১ খ্রিস্টাব্দে পাল রাজা ধর্মপালের শাসনামলে নির্মিত হয়। পাহাড়পুর রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলায় অবস্থিত। এখানে ২৪ মিটার উঁচু গড় রয়েছে, এটি 'সোমপুর মহাবিহার' নামেও পরিচিত।
পাহাড়পুরে ২৪ মিটার উঁচু গড় রয়েছে, এটি 'সোমপুর মহাবিহার' নামেও পরিচিত।
অষ্টম শতকের রাজা মাণিক চন্দ্রের স্ত্রী ময়নামতির কাহিনি ময়নামতির ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে কুমিল্লা শহরের কাছে ময়নামতি অবস্থিত। এটি বৌদ্ধ সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্র ছিল।
লোকশিল্প জাদুঘরের জন্য সোনারগাঁও বিখ্যাত। সোনারগাঁও-এর গৌরব ধরে রাখার জন্য শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন ১৯৭৫ সালে এখানে লোকশিল্প জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন। লোকশিল্প জাদুঘরটি বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র। এছাড়া সোনারগাঁও মধ্যযুগে বাংলার সুলতানদের রাজধানী ছিল।
ঢাকার দক্ষিণ-পশ্চিমে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ১৬৭৮ সালে লালবাগ কেল্লা নির্মাণ করা হয়। দুর্গটি সম্পূর্ণ ইটের তৈরি। দুর্গের দক্ষিণে গোপন প্রবেশপথ এবং একটি তিন গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ রয়েছে। দুর্গের ভেতরে রয়েছে পরী বিবির মাজার।
আহসান মঞ্জিল ছিল বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে নির্মিত বাংলার নবাবদের রাজপ্রাসাদ। এ প্রাসাদে রয়েছে জলসাঘর, দরবার হল ও রংমহল। বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আহসান মঞ্জিল বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য নিদর্শন। এজন্য আহসান মঞ্জিল বিখ্যাত।
আহসান মঞ্জিল ছিল বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে নির্মিত বাংলার নবাবদের রাজপ্রাসাদ। মোগল আমলে জামালপুর পরগনার জমিদার শেখ এনায়েতুল্লাহ এই প্রাসাদটি নির্মাণ করেন। আঠারে। শতকে তার পুত্র শেখ মতিউল্লাহ প্রাসাদটিকে বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে ফরাসি বণিকদের কাছে বিক্রি করে দেন।
আহসান মঞ্জিলে রয়েছে লম্বা বারান্দা, জলসাঘর, দরবার হল এবং রংমহল। বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আহসান মঞ্জিল বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য নিদর্শন।
ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো জাতির মূল্যবোধ সম্পদ। বাংলাদেশের ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো আমাদের সংরক্ষণ করা উচিত। কারণ-
১. ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো থেকে আমরা অতীত সভ্যতা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারি।
২. ঐতিহাসিক নিদর্শনের মাধ্যমে আমরা ফেলে আসা সময়কে জানতে পারি।
৩. এসব নিদর্শনের মাধ্যমে আমাদের ঐতিহ্যকে বর্তমানে ধরে রাখতেও পারি।
Related Question
View Allমৌর্য আমলে মহাস্থানগড় পুন্ড্রনগর নামে পরিচিত ছিল।
মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
মহাস্থানগড়ে ৩.৩৫ মিটার লম্বা খোদাই পাথর পাওয়া গিয়েছে।
নরসিংদী জেলার উয়ারী ও বটেশ্বর নামক দুইটি গ্রামে প্রচুর প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া গেছে।
পাহাড়পুর পাল রাজা ধর্মপালের শাসনামলে নির্মিত হয়।
পাহাড়পুর রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলায় অবস্থিত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!