প্রযুক্তি হলো আমাদের জীবনের বাস্তব সমস্যা সমাধানের জন্য বিজ্ঞানের ব্যবহারিক প্রয়োগ। প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষ জীবনের মানোন্নয়নে বিভিন্ন পণ্য, যন্ত্রপাতি এবং পদ্ধতি উদ্ভাবন করে। যেমন- বিজ্ঞানীরা বিদ্যুৎ নিয়ে গবেষণা করে যে ধারণা ও জ্ঞান অর্জন করেছেন তা কাজে লাগিয়েছেন ফ্রিজ, টেলিভিশন, মোবাইল এবং বৈদ্যুতিক বাতি উদ্ভাবনে
প্রযুক্তি হলো আমাদের জীবনের বাস্তব সমস্যা সমাধানের জন্য বিজ্ঞানের ব্যবহারিক প্রয়োগ। বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ব্যবহার করে বিভিন্ন রকম প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়। আর এইসব প্রযুক্তি মানুষ জীবনের মানোন্নয়নে ব্যবহার করে।
প্রযুক্তি ব্যবহারের তিনটি ক্ষেত্র হলো-১. শিক্ষা, ২. চিকিৎসা ও ৩. যোগাযোগ।
তিনটি কৃষি প্রযুক্তির নাম হলো-১. লাঙল, ২. সেচ পাম্প ও ৩. ট্র্যাক্টর।
তিনটি আদিম প্রযুক্তির নাম হলো-১.. আগুন, ২. পাথরের হাতিয়ার ও ৩. চাকা।
তিনটি যান্ত্রিক প্রযুক্তির নাম হলো-১. গাড়ি, ২. সেচ পাম্প ও ৩. ফসল মাড়াইয়ের যন্ত্র।
বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃত জলীয় বাষ্পের ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে মানুষ বাষ্পীয় ইঞ্জিন উদ্ভাবন করেছে। এই বাষ্পীয় ইঞ্জিন কলকারখানা, রেলগাড়ি ও জাহাজ চালাতে ব্যবহার হতো
স্বল্প সময়ে অধিক খাদ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত তিনটি কৃষি প্রযুক্তির নাম হলো- ১. ট্র্যাক্টর ও ২. সেচ পাম্প ও ৩. ফসল মাড়াইয়ের যন্ত্র।
আধুনিক প্রযুক্তির সবচেয়ে ভয়াবহ প্রয়োগের তিনটি উদাহরণ হলো- ১. বন্দুক, ২. ট্যাঙ্ক ও ৩. বোমা।
কৃষিক্ষেত্রে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। রাসায়নিক সার উদ্ভিদের স্বাস্থ্যকর বৃদ্ধিতে এবং অধিক ফসল উৎপাদনে সহায়তা করে। অপরদিকে কীটনাশক ফসলের ক্ষতিকর পোকা ও আগাছা দমন করে। এভাবেই রাসায়নিক প্রযুক্তি কৃষিক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে।
বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে কয়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। কয়লা পোড়ানোর ফলে এর ধোঁয়া বায়ুকে দূষিত করে। এর ফলে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও এসিড বৃষ্টির মতো পরিবেশ বিপর্যয় সৃষ্টি হচ্ছে।
মানুষের কল্যাণে জীবকে ব্যবহার করে নতুন কিছু উৎপাদনের প্রযুক্তিকে জৈব প্রযুক্তি বলে। জৈব প্রযুক্তির সাহায্যে বিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন উদ্ভিদ সৃষ্টি করা যায়। তাই একটি নতুন জাতের শিম উৎপাদন করতে আমি জৈব প্রযুক্তি ব্যবহার করবো।
মানুষের কল্যাণে নতুন কিছু উৎপাদনে জীবের ব্যবহারই হলো জৈব প্রযুক্তি। যেমন- জৈব প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন উদ্ভিদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এই প্রযুক্তি আমাদেরকে অধিক পুষ্টিসমৃদ্ধ, পোকামাকড় প্রতিরোধী এবং অধিক ফলনশীল উদ্ভিদ উৎপাদনে সহায়তা করে।
এক নাগাড়ে এক ঘণ্টার বেশি কম্পিউটার ব্যবহার করা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এতে মাথা ব্যথা ও চোখের ক্ষতি হতে। পারে। এছাড়াও অতিরিক্ত কম্পিউটার ব্যবহার সুস্থ মানসিক বিকাশেও বাধার সৃষ্টি করে।
প্রযুক্তির ক্ষতিকর প্রভাবের তিনটি উদাহরণ হলো-
১. রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে মাটি ও পানি দূষিত হয়।
২. নিয়মিত খেলাধুলা, ব্যায়াম ও মুক্তচিন্তার পথে প্রযুক্তি বাধা সৃষ্টি করে।
৩. অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখা বা কম্পিউটার ব্যবহার করা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
তিনটি আধুনিক প্রযুক্তির নাম হলো-
১. কম্পিউটার,
২. এক্স-রে মেশিন ও
৩. মোবাইল ফোন।
আধুনিক প্রযুক্তির সবচেয়ে ভয়াবহ প্রয়োগ হলো যুদ্ধের অস্ত্র নির্মাণ ও এর ব্যবহার। এসব ভয়ঙ্কর অস্ত্র মধ্যে রয়েছে বন্দুক, ট্যাংক, বোমা ইত্যাদি। এসব অস্ত্র 'ব্যবহারের ফলে সারা বিশ্বে হাজার হাজার মানুষ আহত ও নিহত হচ্ছে।
আঠারো শতকে শিল্পবিপ্লবের সময় যেসব ক্ষেত্রে প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটেছে তাদের মধ্যে তিনটি ক্ষেত্র হলো-
১. কৃষি, ২. শিল্পকারখানা ও ৩. পরিবহন।,
বিজ্ঞান হলো প্রকৃতি সম্পর্কিত জ্ঞান যা পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রাকৃতিক ঘটনাকে বর্ণনা করে। সুতরাং এখানে বিজ্ঞান হচ্ছে জলীয় বাষ্প। অপরদিকে, প্রযুক্তি হলো জীবনের বাস্তব-সমস্যা সমাধানের জন্য ০ বিষলোর প্রদ্রহারিক গ। তাই খানে জাহাজ হচ্ছে প্রযুক্তি
Related Question
View Allবিজ্ঞান হলো প্রকৃতি সম্পর্কিত জ্ঞান ।
প্রকৃত ঘটনাকে ব্যাখ্যা এবং বর্ণনা করে বিজ্ঞান ।
অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে।
শিল্পবিপ্লবের ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছিল ১৮ শতকে।
মানুষ বাষ্পীয় ইঞ্জিন উদ্ভাবন করেন জলীয় বাষ্পের ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে।
আঠারো শতকে কৃষি প্রযুক্তির ব্যাপক উন্নয়ন সাধন হয়েছে
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!