সংখ্যা প্রতীক সংখ্যা লেখার জন্য ব্যবহার করা হয় ।
সংখ্যা প্রতীক ১০টি।
'০' সংখ্যা গাণিতিক প্রতীকের অন্তর্ভুক্ত
০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯ প্রতীকগুলো সংখ্যা প্রতীক।
যে প্রতীকগুলো চারটি প্রক্রিয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়, সেগুলোকে প্রক্রিয়া প্রতীক বলে ।
প্রক্রিয়া প্রতীক ৪টি।
প্রক্রিয়া প্রতীকগুলো +, -, এবং ।
প্রতীকগুলো প্রক্রিয়া প্রতীক ।
সম্পর্ক প্রতীক সংখ্যার মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহার করা হয় ।
প্রতীকগুলো সম্পর্ক প্রতীক।
= প্রতীকের নাম সমান।
< প্রতীকের নাম ক্ষুদ্রতর।
প্রতীকের নাম বৃহত্তর নয়।
'বৃহত্তর' বোঝাতে > প্রতীক ব্যবহৃত হয় ।
'সমান নয়' বোঝাতে ≠ প্রতীক ব্যবহৃত হয় ।
'ক্ষুদ্রতর নয়' বোঝাতে প্রতীক ব্যবহৃত হয় ।
সংখ্যাগুলির মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক একত্রে বা আলাদা বোঝাতে বন্ধনী প্রতীক ব্যবহৃত হয় ।
বন্ধনী প্রতীক ৩টি।
বন্ধনী প্রতীকগুলো ( ), { }, [ ]
( ), { }, [ ] প্রতীকগুলো বন্ধনী প্রতীক।
( ) প্রতীকটির নাম প্রথম বন্ধনী।
{ } প্রতীকটির নাম দ্বিতীয় বন্ধনী।
দ্বিতীয় বন্ধনীকে { } প্রতীকের সাহায্যে প্রকাশ করা হয় ।
তৃতীয় বন্ধনীকে [ ] প্রতীকের সাহায্যে প্রকাশ করা হয় ।
যে আকৃতির বা অক্ষর দ্বারা অজানা সংখ্যাকে প্রকাশ করা হয় তাকে অজানা প্রতীক বলে ।
অজানা প্রতীক দ্বারা অজানা ধরণের সংখ্যাকে প্রকাশ করা হয় ।
কতিপয় সংখ্যাকে প্রক্রিয়া প্রতীক ও প্রয়োজনে বন্ধনী দ্বারা যুক্ত করলে সংখ্যারাশি তৈরি হয় ।
রাশিটি সংখ্যারাশি ধরণের রাশি ।
ছাব্বিশ গুণ সতেরো-এর সংখ্যারাশি ।
দশ গুণ চার যোগ ছয়-এর সংখ্যারাশি
খালিঘরে = সম্পর্ক প্রতীক বসবে ।
খালিঘরে = ও ≠ এর মধ্যে ≠ সম্পর্ক প্রতীক বসবে ।
খালিঘরে > ও < এর মধ্যে < চিহ্ন বসবে ।
খালিঘরে > ও < এর মধ্যেখালিঘরে > ও < এর মধ্যে < চিহ্ন বসবে ।
খালিঘরে এর মধ্যে চিহ্ন বসবে ।
খালিঘরে > ও < এর মধ্যে > সম্পর্ক প্রতীক বসবে ।
খালিঘরে > ও < এর মধ্যে < বসবে ।
দশ, বার থেকে ছোটো; একে প্রতীকে প্রকাশ করলে ১০ < ১২ হবে ।
পঁচিশ, চব্বিশ থেকে ছোটো নয়। গাণিতিক প্রতীক ব্যবহার করে বাক্যটি হলো -
২৫, ২৮ থেকে বড় নয়। একে প্রতীকে প্রকাশ হুলো -
একটি গাণিতিক বাক্যে থাকলে, গুণ ও ভাগের কাজ আগে করতে হয় ।
'সুতরাং' বা 'অতএব' বোঝাতে '' প্রতীক ব্যবহার করা হয় ।
৫ + ১০ = ১৫; গাণিতিক বাক্যটি সঠিক বাক্য ।
২০ + ০ = ২০০ ; গাণিতিক বাক্যটি ভুল বাক্য।
গাণিতিক বাক্যটি সঠিক বাক্য।
৩৭ - ৭ = ৩০; গাণিতিক বাক্যটি সঠিক বাক্য।
গাণিতিক বাক্যটি সঠিক বাক্য।
গাণিতিক বাক্যটি সঠিক বাক্য।
গাণিতিক বাক্যটি ভুল বাক্য।
গাণিতিক বাক্যটি সঠিক বাক্য।
গাণিতিক বাক্যটি সঠিক বাক্য।
একটি সংখ্যার সাথে ৩৭ যোগ করলে ২৪০ হয়। অজানা সংখ্যাটি হলে, গাণিতিক বাক্য লেখো।
একটি বাক্সে মোট ১৫টি জিনিসের মধ্যে ১০টি কলম ও কিছু পেনসিল আছে। পেনসিল সংখ্যা হলে, হলে, গাণিতিক গাণিতিক বাক্য লিখ।
এর ৫ গুণ ৪৫ এর সমান। তথ্যটিকে গাণিতিক বাক্যে লেখো।
গাণিতিক বাক্যে যোগ অথবা বিয়োগ এবং গুণ অথবা ভাগ সম্পর্কিত সমস্যা থাকলে প্রথমে গুণ অথবা ভাগ এর সমাধান করতে হয় ।
গাণিতিক বাক্যে বন্ধনী থাকলে প্রথমে প্রথম বন্ধনীর কাজ করতে হয় ।
১টি কলার দাম ৫ টাকা এবং একটি পেয়ারার দাম ১০ টাকা হলে, ৬টি কলা এবং ৮টি পেয়ারার মোট দামকে গাণিতিক বাক্যে প্রকাশ করা যায় ।
১টি কলমের দাম ৫ টাকা। ২টি কলম কিনে দোকানদারকে ২০ টাকার মোট দিলে ১০ টাকা ফেরত পাওয়া যাবে ।
৬ প্যাকেট বিস্কুটের দাম ৬০ টাকা হলে, ১২ প্যাকেট বিস্কুটের দাম ১২০ টাকা।
আবিদ ২০০ টাকা নিয়ে দোকানে গেলো। সে ১০ টাকা দামের একটি পেন্সিল এবং ৩০ টাকা দামের একটি খাতা কিনলে তার নিকট আর ১৬০ টাকা থাকবে ।
Related Question
View Allবামপক্ষ =
= ৪
ডানপক্ষ =
= ১৬
বাক্যটি সত্য।
কারণ ৪, ১৬ এর চেয়ে ছোটো।
বামপক্ষ =
= ২৪ + ১৫
= ৩৯
ডানপক্ষ =
=
= ১৮০
বাক্যটি মিথ্যা।
কারণ ৩৯ ও ১৮০ সমান নয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!