মাটির উপাদানগুলো হলো- নুড়িপাথর, বালু, পলি, কাদা, পানি, উদ্ভিদের বিভিন্ন পচা অংশ ইত্যাদি।
দোআঁশ মাটিতে ধান, গম, ভুট্টা, যব, পাট, আখ ইত্যাদি ফসল ভালো জন্মে।
আমরা যেসব কাজে মাটি ব্যবহার করে থাকি তা হলো-
১। কৃষি কাজে,
২। বাড়ি তৈরিতে,
৩। নানারকম পুতুল ও খেলনা তৈরিতে,
৪। হাঁড়ি-পাতিল ও থালা-বাসন তৈরিতে।
মাটি হলো পৃথিবীর উপরের স্তর, যা পৃথিবীপৃষ্ঠকে ঢেকে রেখেছে। বিভিন্ন বস্তু দিয়ে মাটি গঠিত। এসব উপাদানের ভিন্নতার কারণে মাটি বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে।
উদ্ভিদ ও প্রাণীর মৃতদেহ পচে মাটিতে মিশে যায়। পচে যাওয়া প্রাণীর দেহকে বলা হয় হিউমাস। হিউমাস সাধারণত কালো বা গাঢ় রঙের হয়'। হিউমাস গাছের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
বেলে মাটির তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। বেলে মাটি হালকা বাদামি থেকে হালকা ধূসর রঙের।
২। হাতে ধরলে শুকনো ও দানাময় মনে হয়।
৩। মাটির কণাগুলোর আকার বড়।
এঁটেল মাটির তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। এঁটেল মাটি সাধারণত লালচে রঙের হয়।
২। ভেজা অবস্থায় আঠালো মনে হয়।
৩। মাটির কণাগুলোর আকার সবচেয়ে ছোট।
মাটি সাধারণত তিন ধরনের হয়। এদের মধ্যে বেলে মাটির পানিধারণ ক্ষমতা খুবই কম। এঁটেল মাটি সবচেয়ে বেশি পানিধারণ করতে পারে। অন্যদিকে দোআঁশ মাটির পানিধারণ ক্ষমতা এঁটেল মাটির চেয়ে কম। কিন্তু বেলে মাটির চেয়ে বেশি।
বেলে মাটির পানিধারণ ক্ষমতা খুবই কম। এ মাটির কণার ফাঁক দিয়ে পানি খুব তাড়াতাড়ি নিচে চলে যায়। পানির সঙ্গে ফসলের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানও বের হয়ে যায়। এ কারণে বেলে মাটিতে সব ফসল ভালো হয় না।
বেলে মাটিতে ভালো হয় এমন তিনটি ফসল হলো-১। তরমুজ, ২। চিনাবাদাম ও ৩। শসা।
দোআঁশ মাটিতে ভালো হয় এমন তিনটি ফসল হলো-১। ধান, ২। গম ও ৩। পাট।
আমরা যে খাবার খাই তার অধিকাংশই উদ্ভিদ থেকে আসে। উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য মাটি প্রয়োজন। 'মাটি উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় পানি এবং পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে। মানুষ খাবারের জন্য মাটিতে শাকসবজি ও ফসল ফলায়। আমরা খাদ্যের জন্য প্রাণীর ওপরও নির্ভরশীল। অনেক প্রাণী আবার উদ্ভিদ থেকে তাদের খাদ্য পায়। সুতরাং ফসল ফলানো ও খাদ্য তৈরিতে মাটির গুরুত্ব অপরিসীম।
মাটি দিয়ে তৈরি তিনটি জিনিসের নাম হলো:-
১। থালাবাসন,
২। ফুলদানি ও
৩। খেলনা।
মাটিতে জন্মানো বিভিন্ন উদ্ভিদে নানান ধরনের ফুল ফুটে। ফুল আমাদের পৃথিবীকে সুন্দর করে। তাছাড়া, মানুষের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের ফলে প্রচুর পরিমাণে বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এসব বর্জ্য মাটিতে ফেলা হয় বা মাটি চাপা দেওয়া হয়। ফলে ময়লা আবর্জনা এবং দুর্গন্ধ থেকে আমরা রক্ষা পাই। এভাবে সুন্দর ও দূষণমুক্ত পরিবেশ বজায় থাকে।
আমরা যেসব কাজে মাটি ব্যবহার করে থাকি তা হলো-
১। কৃষি কাজে,
২। বাড়ি তৈরিতে,
৩। হাঁড়ি-পাতিল ও থালা-বাসন তৈরিতে।
দোআঁশ মাটির তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। মাটির কণাগুলো-বিভিন্ন আকারের হয়।
২। মাটির বর্ণ কালো (ছাই) রং এর।
৩। হাতে ধরলে নরম ও শুকনো অনুভব হয়।
মাটির উপাদানগুলো হলো নুড়িপাথর, বালু, পলি, কাদা, পানি, বায়ু ইত্যাদি।
মাটির বৈশিষ্ট্য হলো মাটির রং, গঠন, কণার আকার, পানিধারণ ক্ষমতা ইত্যাদি।
বেলে ও এঁটেল মাটির দুইটি পার্থক্য হলো-
| বেলে মাটি | এঁটেল মাটি |
| ১। মাটির কণাগুলো আকৃতিতে বড়। | ১। মাটির কণাগুলো আকৃতিতে ছোট। |
| ২। পানিধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম। | ২। পানিধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। |
Related Question
View Allবিভিন্ন উপাদানের সমন্বয়ে মাটি গঠিত।
দোআঁশ মাটির রঙ কালো ।
বেলে মাটির পানিধারণ ক্ষমতা খুবই কম ।
এঁটেল মাটির পানিধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি ।
বাংলাদেশের বেশির ভাগ এলাকা দোআঁশ মাটি দিয়ে গঠিত।
মাটি পৃথিবীর উপরিভাগের নরম আবরণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!