রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রসমাজ রাজপথে মিছিলে নামে। পুলিশ ওই মিছিলে গুলি চালায়। এতে সালাম, বরকত, রফিক, শফিক, জব্বারসহ অনেকে শহিদ হন। এসব শহিদের স্মরণে এবং তাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শহিদ মিনার নির্মাণ করা হয়।
২১শে ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস বা ভাষা দিবস। এ দিবসটির গুরুত্ব বিবেচনা করে ইউনেস্কো দিবসটিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা' দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। অর্থাৎ, আমাদের রাষ্ট্রভাষা দিবস বা ভাষাশহিদ দিবসটিই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রসমাজ রাজপথে মিছিলে নামে। পুলিশ ওই মিছিলে গুলি চালায়। এতে সালাম, বরকত, রফিক, শফিক, জব্বারসহ অনেকে শহিদ হন। ভাষা আন্দোলনে শহিদ হওয়া এসব ব্যক্তিকে আমরা ভাষাশহিদ বলি।
: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বিশাল জনসভায় ভাষণ দেন। এ ভাষণ ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ হিসেবে পরিচিত। এ ভাষণে শেখ মুজিবুর রহমান বলেন, "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।"
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয় আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। এই মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমেই আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করি। তাই ২৬শে মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস। এদিন থেকে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল বলে এ দিবসটি আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়। এ সরকারই মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত। এ সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সুষ্ঠুভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা ও বিশ্বে জনমত তৈরির জন্য এ সরকার গঠন করা হয়।
শহিদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য আমি তাদের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করব। শহিদরা যে উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে নিজের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন, সে উদ্দেশ্যকে লালন করে বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটাব। তাদের উদ্দেশ্যে শহিদ দিবসে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করব।
বাংলাদেশের ইতিহাসে কালরাত বলতে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের রাতকে বোঝায়। এ রাতে পৃথিবীর ইতিহাসে পাকিস্তান বাহিনী বর্বরতম গণহত্যা শুরু করে। নির্মমভাবে হত্যা করে এদেশের ছাত্র, শিক্ষক, পুলিশ, ইপিআর সদস্য ও সাধারণ মানুষকে। এ ঘটনার কারণে কালরাত বলতে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতকে বোঝায়।
স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য 'মুক্তিবাহিনী' গঠিত হয়েছিল। মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। প্রচলিত কায়দায় যুদ্ধের পাশাপাশি গেরিলা যুদ্ধের রণকৌশল গ্রহণ করে মুক্তিবাহিনী পাকিস্তানি বাহিনীকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে। ফলে ক্রমাগত যুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনী মনোবল হারায় ও হতাশ হয়ে পড়ে।.
অসীম সাহসে বাঙালি সেনারা যুদ্ধ চালিয়ে যায়। তাদের সুপরিকল্পিত আক্রমণের মুখে পাকিস্তানি বাহিনী মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। অবশেষে হার মানতে বাধ্য হয়। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারা আত্মসমর্পণ করে।
Related Question
View All১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়
পাকিস্তান দুটি ব অংশে বিভক্ত ছিল।
পাকিস্তানের জনসংখ্যার বেশিরভাগ লোকই ছিল বাঙালি ।
বাঙালিদের মাতৃভাষা বাংলা ।
বাঙালিরা পূর্ব পাকিস্তানে বাস করত।
পাকিস্তানের শাসকেরা পশ্চিম পাকিস্তানের ভাষা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার সিদ্ধান্ত নেয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!