শক্তির ধরনগুলোর নাম হলো- আলোক শক্তি, বিদ্যুৎ শক্তি, তাপ শক্তি এবং শব্দ শক্তি।
আমরা রান্না করতে তাপ শক্তি ব্যবহার করি।
যদি আলো না থাকে তাহলে আমরা দেখতে পাব না। যদি বিদ্যুৎ না থাকে তাহলে আমরা বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেমন-টেলিভিশন, কম্পিউটার, ফ্রিজ, বৈদ্যুতিক বাতি, পাখা ইত্যাদি চালাতে পারব না।
শক্তি অপচয়ের তিনটি কারণ হলো-
১। পর্যাপ্ত সূর্যের আলো থাকা সত্ত্বেও বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালানো।
২। কেউ দেখছেনা কিন্তু টেলিভিশন চলছে।
৩। বসার ঘরে কেউ নেই কিন্তু বৈদ্যুতিক পাখা চলছে।
আমরা তাপশক্তি ব্যবহার করি এমন তিনটি কাজ হলো-
১। খাবার রান্না করা।
২। কাপড় শুকানো।
৩। ধান শুকানো।
যেসব কাজে আলোক সংকেত ব্যবহার করা হয় তা হলো-
১। নিরাপদে সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচলে।
২। নিরাপদে বিমান চলাচলে।
৩। যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক সিগনালে।
বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি চালানোর জন্য যে শক্তি ব্যবহার করা হয় তাকে বিদ্যুৎ শক্তি বলে। যেমন- বৈদ্যুতিক বাতি, পাখা, টেলিভিশন, ফ্রিজ, খেলনা গাড়ি ইত্যাদি চালানোর জন্য বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়।
তাপ হলো এক ধরনের শক্তি, যা কোনো বস্তুকে গরম রাখে। কোনো কিছু পোড়ালে আমরা তাপ পাই। এমনকি দুটি বস্তু যেমন- আমাদের দুই হাতের তালু ঘষলেও আমরা তাপ পাই। সূর্য তাপের অন্যতম উৎস।
শব্দ শক্তির তিনটি ব্যবহার হলো-
১। শব্দের সাহায্যে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারি।
২। গান শোনা বা বাদ্যযন্ত্র বাজানোর মাধ্যমে আমরা শব্দ শক্তি ব্যবহার করি।
৩। বিপদ বা সর্তকতা জানানোর জন্য শব্দ ব্যবহার করি।
যেমন- গাড়ির হর্ন বাজানো।
শক্তির অপচয় রোধের তিনটি উপায় হলো-
১। টিভি দেখা শেষ হলে সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করা।
২। রান্না শেষ হলেই চুলা বন্ধ করা।
৩। দিনের আলোর সর্বোত্তম ব্যবহার করা।
আমাদের চারপাশে বিভিন্ন ধরনের শক্তি রয়েছে। আলো, তাপ, বিদ্যুৎ এবং শব্দ হলো বিভিন্ন ধরনের শক্তি।
Related Question
View Allসূর্য থেকে আমরা সবচেয়ে বেশি আলোক শক্তি পাই।
বৈদ্যুতিক পাখা চালানোর জন্য বিদ্যুৎ শক্তি প্রয়োজন।
ঠান্ডা ও গরম হওয়ার সাথে তাপ শক্তি সম্পর্কিত।
বাতি জ্বালানো, টেলিভিশন চালানো, রান্নার কাজে শক্তির প্রয়োজন হয়।
আলো এক ধরনের শক্তি, যার সাহায্যে আমরা দেখি ।
তাপ হলো এক ধরনের শক্তি, যা কোনো বস্তুকে গরম রাখে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!