আতশি কাচ দিয়ে কাগজ পোড়ানোর মাধ্যমে আমরা সূর্যের আলোর উজ্জ্বলতার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে পারি। যেমন- কালো কাগজে আলোক বৃত্তের আকার বড় হলে উজ্জ্বলতা কম হয় এবং আলোক বৃত্তের আকার ছোট হলে উজ্জ্বলতা বেশি হয়।
দিনের বেলা সূর্য থাকে বলে পৃথিবী আলোকিত হয়। সূর্যের এই আলোতে আমরা আশপাশের পরিবেশ দেখতে পাই। কিন্তু রাতের বেলা সূর্য থাকে না বলে পৃথিবী অন্ধকার থাকে। অর্থাৎ রাতের বেলা অন্ধকার থাকার কারণে আমরা দেখতে পাই না।
দুপুর ১২টার সময় খোলা মাঠে দাঁড়ালে আমাদের ছায়া সবচেয়ে ছোট দেখাবে। দুপুরে সূর্য খাড়া অবস্থানে থাকে বলে ছায়ার দৈর্ঘ্য ছোট হয়।
পৃথিবীকে জীবের বাস উপযোগী রাখতে সূর্যের তিনটি ভূমিকা নিচে উল্লেখ করা হলো-
১। সূর্য পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
২। সূর্য থাকার ফলে পৃথিবী আলোকিত হয়।
৩। সূর্যের আলোর সাহায্যে জীব তার খাদ্য তৈরি করে।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সূর্যের তিনটি ব্যবহার হলো-
১। ভেজা কাপড় শুকানো।
২। সৌর প্যানেল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা।
৩। সৌর চুলার সাহায্যে রান্না করা।
আলো সূর্য থেকে সরলরেখা বরাবর পৃথিবীতে আসে। আলো তার চলার পথে কোনো অস্বচ্ছ বস্তুর মাধ্যমে বাধা পেলে আর যেতে পারে না। তখন বিপরীত পাশে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল অন্ধকার হয়ে যায় এবং সেই জায়গা কালো দেখায়। একেই ছায়া বলে।
সূর্যের অবস্থান পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ছায়ার দৈর্ঘ্য পরিবর্তন হয়। সকালে এবং বিকালে আকাশে সূর্য হেলানো অবস্থায় থাকে। এসময় ছায়া দীর্ঘ হয়। আবার দুপুরে সূর্য খাড়া অবস্থানে যায়। ফলে দুপুরে ছায়ার দৈর্ঘ্য সবচেয়ে ছোট হয়।
সূর্য না থাকলে হতো এমন তিনটি সমস্যা হলো-
১। আমাদের চারপাশ সারাক্ষণ অন্ধকার থাকতো।
২। পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব থাকতো না।
৩। পৃথিবী ঠান্ডা ও বরফে আবৃত হয়ে থাকতো।
Related Question
View Allআমাদের বেঁচে থাকার জন্য সূর্যের আলো অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
ছায়া ব্যবহার করে সূর্য ঘড়ি তৈরি করা যায়।
সূর্য ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুমণ্ডলকে গরম রাখে।
আলোর প্রধান উৎস সূর্য ।
সূর্য না থাকলে সারাক্ষণ অন্ধকার থাকত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!