আমাদের খাদ্যের প্রধান দু'টি উৎস হলো-
১। উদ্ভিদ ও
২। প্রাণী।
আমিষ জাতীয় খাদ্য আমাদের শরীরের গঠন ও ক্ষয় পূরণের কাজ করে।
যেসব খাবার থেকে আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাই সেগুলোকে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য বলে। যেমন-তাজা শাকসবজি, ফলমূল, ভাত, রুটি, দুধ, ডিম, ডাল, মাছ, মাংস ইত্যাদি।
নিরাপদ পানীয়ের দু'টি উদাহরণ হলো-
১। ডাবের পানি ও
২। ফলের রস।
উদ্ভিদ থেকে-পাওয়া যায়, এমন তিনটি খাদ্য হলো-১। ভাত, ২। রুটি ও ৩। ডাল।
তিনটি প্রাণীজ খাদ্য হলো-১। মাছ, ২। মাংস ও ৩। ডিম।
পাউরুটি ও বিস্কুট তৈরি হয় আটা দিয়ে। এই আটা আসে গম থেকে। আর আমরা গম পাই উদ্ভিদ থেকে। তাই পাউরুটি ও বিস্কুটের উৎস উদ্ভিদ।
দুর্ধ থেকে তৈরি তিনটি খাদ্যের নাম হলো-১। ঘি, ২। মাখন ও ৩। দই।
ঋতুভিত্তিক ফলকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ১। গ্রীষ্মকালীন, ২। শীতকালীন এবং ৩। বারোমাসি।
যেসব ফল শুধুমাত্র গ্রীষ্মকালে পাওয়া যায় সেসব ফলই হলো গ্রীষ্মকালীন ফল। যেমন: আম, জাম, কাঁঠাল, তরমুজ, লিচু ইত্যাদি।
গ্রীষ্মকালীন তিনটি ফলের নাম হলো-১। আমড়া, ২। আনারস ও ৩। জামরুল।
শীতকালীন তিনটি ফল হলো-১। কমলা, ২। আমলকী ও ৩। জলপাই।
সারাবছর পাওয়া যায়, এমন তিনটি ফল হলো-১। কলা, ২। পেঁপে ও ৩। নারকেল।
ঋতুভেদে সবজি তিন ভাগে বিভক্ত যথা :
১। গ্রীষ্মকালীন সবজি,
২। শীতকালীন সবজি এবং
৩। বারোমাসি সবজি।
গ্রীষ্মকালীন তিনটি সবজি হলো-১। পটল, ২। করলা ও ৩। কাঁকরোল।
শীতকালীন তিনটি সবজির নাম হলো-১। শিম, ২। লাউ ও ৩। মুলা।
বারোমাসি তিনটি সবজির নাম হলো-১। পেঁপে, ২। কাঁচাকলা ও ৩। কচুশাক।
খাদ্যে উপস্থিত পুষ্টি উপাদানগুলো হলো-১। শর্করা, ২। আমিষ, ৩। চর্বি ও ৪। ভিটামিন ও খনিজ লবণ।
শর্করা জাতীয় খাদ্যের তিনটি উৎস হলো-১। ভাত, ২। ত্রুটি ও ৩। আলু।
আমিষজাতীয় তিনটি খাদ্যের নাম হলো-১। মাছ, ২। মাংস ও ৩। শিমের বিচি।
আমিষের তিনটি কাজ হলো-
১। আমাদের দেহ গঠন করে।
২। দেহের ক্ষয়পূরণ করে।
৩। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
তেল পাওয়া যায়, এমন তিনটি উদ্ভিদ হলো-
১। সরিষা, ২। নারিকেল ও ৩। জলপাই।
ভিটামিন ও খনিজ লবণের তিনটি গুরুত্ব হলো-
১। আমাদের কর্মক্ষম ও সুস্থ রাখে।
২। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৩। হাড় ও দাঁতের গঠন শক্তিশালী করে।
শরীরের বিভিন্ন কাজের জন্য পানির প্রয়োজন। যেমন-
১। খাদ্য হজম ও দেহে পুষ্টি উপাদান শোষণে পানি প্রয়োজন।
২। শরীরে উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থ নির্গমনে সহায়তা করে।
৩। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
পুষ্টি উপাদান বলতে খাদ্যে উপস্থিত শর্করা, আমিষ, তেল বা চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ লবণ এবং পানিকে বুঝায়। তবে পানি সরাসরি পুষ্টি উপাদান নয়। একেকটি পুষ্টি উপাদান আমাদের শরীরের একেক কাজে লাগে। তাই সুস্থ থাকার জন্য বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত গ্রহণ করতে হয়।
শর্করার মতো তেল বা চর্বিও আমাদের শক্তি দেয়। চর্বি আমাদের দেহের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। শরীরে কিছু পুষ্টি উপাদান ও ভিটামিনের শোষণ হওয়ার জন্য তেল বা চর্বির প্রয়োজন।
যেসব খাবার থেকে আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাই সেগুলোকে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য বলে। যেমন-তাজা শাক-সবজি, ফলমূল, ভাত, রুটি, দুধ, ডিম, ডাল, মাছ, মাংস ইত্যাদি।
তিনটি নিরাপদ পানীয়ের নাম হলো-
১। ফলের রস,
২। লেবুর শরবত ও
৩। ডাবের পানি।
ডাবের পানি বেশি স্বাস্থ্যকর। কারণ ডাবের পানি থেকে আমরা যেমন প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পাই, তেমনি শরীরের পানির চাহিদাও পূরণ হয়। অন্যদিকে বোতলজাত পানীয়তে ধুলাবালি রা জীবাণু মিশতে পারে তাই এটি অনিরাপদ পানীয়।
আখের রস স্বাস্থ্যকর। কিন্তু, যখন রাস্তার ধারে আখের রস সংগ্রহ করা হয় তখন তা অস্বাস্থ্যকর। কারণ খোলা জায়গায় রস সংগ্রহের সময় ধুলাবালি বা জীবাণু মিশতে পারে।
সাধারণত বোতলজাত পানীয়গুলোকে অতিরিক্ত পরিমাণে চিনি ও নানা রকম রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়। এগুলো দীর্ঘদিন খেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। তাই বোতলজাত পানীয় কম খাওয়া উচিত।
Related Question
View Allশর্করা জাতীয় খাদ্য থেকে আমরা শক্তি পাই।
টিউবওয়েলের পানিতে বিভিন্ন ধরনের খনিজ লবণ মিশ্রিত থাকে।
ডিমের সাদা অংশ আমিষ আর কুসুম চর্বি জাতীয় পদার্থ।
মানুষ ফাস্টফুড খেলে, তাদের শরীর মোটা হয়ে যায়।
বিস্কুট, পাউরুটি উদ্ভিদ থেকে আসা খাদ্য।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!