পরিবেশের উপাদানগুলো দুই ভাগে বিভক্ত। এগুলো হলো-১. জড় উপাদান ও ২. জীব উপাদান।
বায়ু, পানি, মাটি, খাদ্য, আসবাবপত্র, পোশাক ইত্যাদি হলো জড় বন্ধু। এসবের মধ্যে মানুষের শ্বাস গ্রহণের জন্য বায়ু এবং পান করার জন্য পানি প্রয়োজন। পুষ্টির জন্য খাবার প্রয়োজন। ফসল ফলানো ও বাসস্থান তৈরির জন্য মাটি প্রয়োজন। এছাড়াও জীবনযাপনের জন্য বাসস্থান, আসবাবপত্র, পোশাক, যন্ত্রপাতি ইত্যাদি প্রয়োজন। সুতরাং বিভিন্ন জড় বস্তুর উপর নির্ভরশীল হয়েই মানুষ বেঁচে থাকে।
মানুষের জীবনে বায়ু, মাটি ও পানির প্রয়োজনীয়তা তিনটি বাক্যে উল্লেখ করা হলো-
১. মানুষের শ্বাস গ্রহণের জন্য বায়ু প্রয়োজন।
২. ফসল ফলানো ও বাসস্থান তৈরির জন্য মাটি প্রয়োজন।
৩. পান করার জন্য পানি প্রয়োজন।
উদ্ভিদ ও প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় তিনটি উপাদান হলো-
১. কার্বন ডাইঅক্সাইড, ২. অক্সিজেন ও ৩. খাদ্য।
মাটিতে বাস করে এমন তিনটি জীবের নাম হলো-১. কেঁচো, ২. পোকামাকড় ও ৩. ইঁদুর।
পানিতে বাস করে এমন তিনটি উদ্ভিদের নাম হলো-
১. শাপলা, ২. কচুরিপানা ও ৩. পদ্ম।
উদ্ভিদের জীবনধারাকে প্রভাবিত করে এমন তিনটি উপাদান হলো-
১. আলো, ২. বায়ু ও ৩. পানি।
উদ্ভিদ খাদ্য তৈরিতে ব্যবহার করে এমন তিনটি উপাদানের নাম হলো-
১. সূর্যের আলো, ২. পানি ও ৩. কার্বন ডাইঅক্সাইড।
পরিবেশের উপর জীবের নির্ভরশীলতার তিনটি উদাহরণ হলো-
১. জীব তার খাদ্যের জন্য পরিবেশের উপর নির্ভরশীল।
২. জীব তার বেঁচে থাকার জন্য পরিবেশের উপর নির্ভরশীল।
৩. জীব তার বাসস্থানের জন্য পরিবেশের উপর নির্ভরশীল।
সকল প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন এমন তিনটি উপাদান হলো- ১. বায়ু, ২. পানি ও ৩. খাদ্য।
উদ্ভিদ সূর্যের আলো, পানি ও বায়ু থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড ব্যবহার করে নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করে। উদ্ভিদের খাদ্য তৈরির এই প্রক্রিয়া সালোকসংশ্লেষণ নামে পরিচিত।
উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করতে পারে কিন্তু প্রাণী নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারেনা। তাই প্রাণী তার খাদ্যের জন্য উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল।
কোনো স্থানের সকল জীব ও জড় এবং তাদের মধ্যকার পারস্পরিক ক্রিয়াকে ওই স্থানের বাস্তুসংস্থান বলে। যেমন-পুকুরের বাস্তুসংস্থান, বনভূমির বাস্তুসংস্থান ইত্যাদি।
উদ্ভিদের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. খাদ্য তৈরি করতে পারে।
২. প্রাণীর ত্যাগ করা কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে।
৩. বীজের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে।
উদ্ভিদ কীভাবে প্রাণীর উপর নির্ভরশীল সে সম্পর্কে তিনটি বাক্য হলো-
১. উদ্ভিদ খাদ্য তৈরিতে প্রাণীর উপর নির্ভরশীল।
২. উদ্ভিদ পরাগায়ন ও বীজের বিস্তরণের জন্য প্রাণীর উপর নির্ভরশীল।
৩.. প্রাণীর মৃতদেহ পচে যে সার হয় তা উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
উদ্ভিদের তিনটি অংশ যা প্রাণী খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে তার নাম হলো- ১. কাণ্ড, ২. শাখা ও ৩. ফলমূল।
মাতৃউদ্ভিদ থেকে বিভিন্ন স্থানে বীজের ছড়িয়ে পড়াই হলো বীজের বিস্তরণ। বীজের বিস্তরণ নতুন নতুন উদ্ভিদ আবাস গড়ে তুলতে সাহায্য করে। এ কাজে বিভিন্ন প্রাণী, যেমন- মানুষ, পাখি এবং জড় উপাদান, যেমন- বায়ু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্রাণীর মৃত্যুর পর মাটিতেই পচন ক্রিয়া সংগঠিত হয়। এ সময় প্রাণীর মৃতদেহ পচে প্রাকৃতিক সারে পরিণত হয়। এই সার পুষ্টি হিসেবে ব্যবহার করে। উদ্ভিদ বেড়ে ওঠে। এভাবেই পুষ্টি উপাদানের জন্য উদ্ভিদ প্রাণীর উপর নির্ভরশীল।
পরাগায়নে সাহায্য করে এমন তিনটি প্রাণীর নাম হলো-১. পাখি, ২. মৌমাছি ও ৩. প্রজাপতি।
খাদ্য শৃঙ্খল বলতে বাস্তুসংস্থানে উদ্ভিদ থেকে প্রাণীতে শক্তি প্রবাহের ধারাবাহিক প্রক্রিয়াকে বুঝায়। যেখানে এক জীব অন্য জীবকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। সবুজ উদ্ভিদ থেকেই প্রতিটি খাদ্য শৃঙ্খলের শুরু।
খাদ্য শৃঙ্খলের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. শক্তি একমুখীভাবে প্রবাহিত হয়।
২. খাদ্য শৃঙ্খল সবুজ উদ্ভিদ থেকে শুরু হয়।
৩. শক্তি উদ্ভিদ থেকে প্রাণীতে প্রবাহিত হয়।
ঈগল, ঘাস, সাপ ও ব্যাঙ দিয়ে খাদ্য শৃঙ্খলের সঠিক ক্রমটি হলো: ঘাস ব্যাঙ সাপ ঈগল।
খাদ্য জাল হলো একাধিক খাদ্য শৃঙ্খলের সমন্বিত রূপ। অর্থাৎ একাধিক খাদ্য শৃঙ্খল একত্রিত হয়ে খাদ্য জাল তৈরি করে। খাদ্য জালের মাধ্যমে বাস্তুসংস্থানের স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।
খাদ্য জালের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. একাধিক খাদ্য শৃঙ্খলের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
২. জীবদের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরশীলতা থাকে।
৩. বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে।
উদ্ভিদ খাদ্য তৈরিতে ব্যবহার করে এমন দুটি উপাদানের
নাম হলো- ১. সূর্যের আলো ও ২. পানি।
Related Question
View Allউদ্ভিদ তার বীজের বিস্তরণের জন্য প্রানীর উপর নির্ভরশীল।
পরাগায়নের ফলে উদ্ভিদের বীজ সৃষ্টি হয়।
উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে।
মাতৃ উদ্ভিদ থেকে বিভিন্ন স্থানে বীজের ছড়িয়ে পড়াই হলো বীজের বিস্তরণ ।
উদ্ভিদ সূর্যের আলো ব্যবহার করে নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!