সংক্ষেপে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

পা'নির তিনটি প্রাকৃতিক উৎসের নন্দাম হলো- ১. বৃষ্টিপাত, ২. নদী ও ৩. সমুদ্র।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

মানুষের তৈরি তিনটি পানির উৎসের নাম হলো- ১. দিঘি, ২. পুকুর ও ৩. নলকূপ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পানির। উৎস দুইটি। যথা-
১. প্রাকৃতিক উৎস: বৃষ্টিপাত, নদী, সমুদ্র ইত্যাদি থেকে আমরা পানি পাই।
২. মানুষের তৈরি উৎস: দিঘি, পুকুর, কূপ, নলকূপ ইত্যাদি থেকে আমরা পানি পেয়ে থাকি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ খাদ্য তৈরিতে পানি ব্যবহার করে। এজন্য উদ্ভিদ মূল বা/শিকড়ের মাধ্যমে মাটি থেকে পানি গ্রহণ করে। এ পার্নির সাহায্যেই উদ্ভিদ পুষ্টি উপাদান শোষণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের বেঁচে থাকার জন্য পানি প্রয়োজন। কারণ-
১. উদ্ভিদ খাদ্য তৈরিতে পানি ব্যবহার করে।
২. উদ্ভিদ মূলের মাধ্যমে মাটি থেকে পানির সাহায্যে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান শোষণ 'করে।
৩. উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান কাণ্ড ও অন্যান্য অংশে পরিবহন করতে পানির প্রয়োজন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য পানি প্রয়োজন।
কারণ-
১. পানি খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে।
২. পানি দেহের বিভিন্ন অংশে পুষ্টি উপাদান পরিবহনে সাহায্য করে।
৩. পানি দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

বায়ু যখন ঠান্ডা কোনো বস্তুর সংস্পর্শে আসে। তখন বায়ুতে থাকা জলীয় বাষ্প ঠান্ডা হয়ে পানির ফোঁটা হিসেবে কোনো বস্তুর উপর জমা হয়। এভাবেই পানির ফোঁটা তৈরি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

শীতের রাতে ঘাস, গাছপালা ইত্যাদির উপর যে বিন্দু বিন্দু পানি জমে তাকে শিশির বলে। সাধারণত শীতকালে সন্ধ্যার পরে যখন তাপমাত্রা কমে যায় তখন বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে যায়। যদি তাপমাত্রা আরও কমে যায়, তখন বাতাস আর জলীয় বাষ্প ধরে রাখতে পারে না এবং তা ঠাণ্ডা হয়ে ঘাস, গাছপালা ইত্যাদির উপর বিন্দু বিন্দু পানির ফোঁটা হিসেবে জমা হয়। এ পানির ফোঁটা শিশির বিন্দু নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কোনো পদার্থ বাম্প থেকে তরলে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ঘনীভবন বলে। যেমন- বাতাসের জলীয় বাষ্পকে ঠান্ডা করা হলে তা ঘনীভূত হয়ে পানিতে অর্থাৎ তরলে পরিণত হয়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কোনো পদার্থ তরল থেকে বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে। যেমন- পানিকে যখন তাপ দেওয়া হয়, তখন বাষ্পীভবন প্রক্রিয়ায় জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

তাপ দিলে পানির তিনটি অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। যেমন পানির কঠিন অবস্থা বরফকে তাপ দিলে পানিতে পরিণত হয়। আর পানির তরল রূপ পানিকে তাপ দিলে তা গ্যাসীয় অবস্থায় তথা জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কোনো পদার্থ বাষ্প থেকে তরলে পরিণত হওয়াকে ঘনীভবন বলা হয়। অর্থাৎ, ঘনীভবন 'প্রক্রিয়ায় বাতাসের জলীয় বাম্প ঠান্ডা হয়ে পানিতে পরিণত হয়। যেমন- ঘনীভবন প্রক্রিয়ায় জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে তথা ঠাণ্ডা হয়ে শিশির তৈরি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কোনো পদার্থ তরল থেকে বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াই হচ্ছে বাষ্পীভবন। যেমন- তরল পানিকে যখন তাপ দেওয়া হয়, তখন তা ৰাষ্পীভবন প্রক্রিয়ায় জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়। এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রায়শই ঘটে। এটি পানিচক্রের সময় দেখা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

উপরিউক্ত প্রক্রিয়াটিতে তাপের প্রভাবে পানির অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে। এক্ষেত্রে প্রথমে তাপ দিলে বরফের টুকরো গলে তরল পানিতে পরিণত হয়। আবার তরল পানি তাপ গ্রহণে জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়। অন্যদিকে, তাপ সরিয়ে নিলে জলীয় বাষ্প পানিতে এবং পানি আবার কঠিন বরফে পরিণত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পানির তিনটি অবস্থা হলো- ১. বরফ, ২. পানি ও ৩. জলীয়বাষ্প। যেমন- পানির বরফ অবস্থাকে কঠিন, পানি অবস্থাকে তরল এবং জলীয় বাষ্প অবস্থাকে গ্যাসীয় বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় পানি বিভিন্ন অবস্থায় পরিবর্তিত হয়ে ভূপৃষ্ঠ ও বায়ুমণ্ডলের সর্বদা ছড়িয়ে পড়ে এবং পুনরায় উৎসে ফিরে আসে তাকে পানিচক্র বলে। এই চক্রের মাধ্যমে সর্বদাই পানির অবস্থার পরিবর্তন ঘটছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

সূর্যের তাপে সাগর ও নদীর পানি বাষ্পীভূত হয়ে জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়। এই বাষ্পীভূত পানি উপরে উঠে ঠাণ্ডা ও ঘনীভূত হয়ে পানির বিন্দুতে পরিণত হয়। এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পানির বিন্দু একত্রিত হয়ে মেঘ সৃষ্টি করে। এই মেঘের পানিকণা বড় হয়ে বৃষ্টিপাত হিসেবে ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। এভাবেই আমরা মেঘ থেকে বৃষ্টি পাই।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

সূর্যের তাপে সাগর বা নদীর পানি বাষ্পীভূত হয়ে জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়। এই বাষ্পীভূত পানি উপরে উঠে ঠান্ডা ও ঘনীভূত হয়ে পানির বিন্দুতে পরিণত হয়। এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পানির বিন্দু একত্রিত হয়ে মেঘ সৃষ্টি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পানি দূষণের তিনটি কারণ হলো-
১. কৃষিকাজে ব্যবহৃত কীটনাশক ও কলকারখানার রাসায়নিক দ্রব্য পানিতে মেশানো।
২. নদী বা পুকুরে পানিতে গরু-ছাগল গোসল করানো।
৩. পলিথিন ও প্লাস্টিক জাতীয় সামগ্রী পানিতে ফেলা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পানি দূষণের তিনটি কারণ হলো-
১. কৃষিকাজে ব্যবহৃত কীটনাশক ও কলকারখানার রাসায়নিক দ্রব্য পানিতে মেশানো।
২. নদী বা পুকুরে পানিতে গরু-ছাগল গোসল করানো।
৩. পলিথিন ও প্লাস্টিক জাতীয় সামগ্রী পানিতে ফেলা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

দূষিত পানি পান করলে যেসব রোগে মানুষ আক্রান্ত হয় তাকে পানিবাহিত রোগ বলা হয়। পানিবাহিত তিনটি রোগের নাম হলো-
১. টাইফয়েড, ২. আমাশয় ও ৩. ডায়রিয়া বা কলেরা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পানি দূষণ রোধে আমার তিনটি পরামর্শ হলো-
১. কৃষি জমিতে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমাতে হবে।
২. কৃষিতে কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে হবে।
৩. রান্নাঘরের ও টয়লেটের বর্জ্য নিষ্কাশন নালায় ফেলা যাবে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয় এমন পানিই হলো নিরাপদ পানি। কিছু পানি মানুষের জন্য নিরাপদ। যেমন- নলকূপের পানি। আবার কিছু পানি মানুষের পানের জন্য নিরাপদ নয়।
যেমন- পুকুর বা নদীর পানি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয় এমন পানিই হলো নিরাপদ পানি।
অনিরাপদ পানি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। কেননা বিশুদ্ধ বা নিরাপদ পানির অপর নাম জীবন। তাই পান করা এবং রান্নার কাজে ব্যবহার করার পূর্বে পানি নিরাপদ করা প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পানি নিরাপদ করার কিছু উপায় উল্লেখ করা হলো-
১. ছাঁকন, ২. থিতানো, ৩. ফুটানো ও ৪. রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পানি। বিশুদ্ধকরণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

অনেক সময় বন্যা বা জলোচ্ছ্বাসের কারণে পানি ফুটানো সম্ভব হয় না। এ সময় ফিটকিরি, ব্লিচিং পাউডার, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ইত্যাদি পরিমাণমতো মিশিয়ে আমরা পানি নিরাপদ করতে পারি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

অনিরাপদ পানি থেকে নিরাপদ পানি পাওয়ার ৩টি উপায় নিচে দেওয়া হলো-
১. ছাঁকন, ২. পানি ফুটানো ও ৩. রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পানি বিশুদ্ধকরণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

মানুষের ব্যবহারের জন্য পানিকে গ্রহণযোগ্য এবং নিরাপদ করার ব্যবস্থাই হলো পানি বিশুদ্ধকরণ।
রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পানি বিশুদ্ধকরণে ব্যবহৃত দুইটি উপাদানের নাম হলো- ১. ব্লিচিং পাউডার এবং ২. ফিটকিরি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
135

আমাদের চারপাশ ঘিরে আছে পানি। প্রাকৃতিক উৎস যেমন— বৃষ্টি, নদী, সমুদ্র ইত্যাদি থেকে আমরা পানি পাই। মানুষের তৈরি উৎস যেমন— দিঘি, পুকুর, কূপ, নলকূপ ইত্যাদি থেকেও পানি পাওয়া যায়। পানি ছাড়া আমরা বেঁচে থাকতে পারি না ।

 

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews