রামায়ণে দেশপ্রেম সম্পর্কে বলা হয়েছে, 'জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরীয়সী।' অর্থাৎ, জননী এবং জন্মভূমি স্বর্গের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। মানুষ প্রকৃতির কোলে তথা জন্মভূমির বুকেই জন্মগ্রহণ করে ও জীবনধারণ করে, তাই জন্মভূমির গুরুত্ব স্বর্গের চেয়েও বেশি বলে রামায়ণে উল্লেখ করা হয়েছে।
চতুর্দিক জয় করতে করতে অর্জুন যখন যজ্ঞের ঘোড়া নিয়ে মাহিম্মতিপুর রাজ্যে পৌঁছায় তখন সবাই অর্জুনের বশ্যতা স্বীকার করে নেন। কিন্তু রাজপুত্র প্রবীর তা মেনে নিতে পারেননি। মাতৃভূমির এই পরাজয় ও অমর্যাদা তাঁর দেশপ্রেমকে আহত করেছিল। তাই দেশের সম্মান রক্ষা করতে মায়ের অনুপ্রেরণায় তিনি ঘোড়া বন্দি করে অর্জুনের সাথে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন।
আমি আমার চারপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে দেশপ্রেম প্রকাশ করব। কেবল যুদ্ধ করাই দেশপ্রেম নয়, বরং নিজের বসবাসের জায়গাকে সংরক্ষণ করাও একজন নাগরিকের দায়িত্ব। তাই প্রাকৃতিক সম্পদ অপচয় না করে তার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমি দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করব।
একজন দেশপ্রেমিকের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. তিনি নিজের দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা. ও শ্রদ্ধা পোয়ণ করেন।
২. দেশের কল্যাণে ত্যাগ স্বীকার করতে সদা প্রস্তুত থাকেন।
৩. দেশ ও পরিবেশ রক্ষায় দায়িত্বশীল ও সচেতনভাবে কাজ করেন।
রাজপুত্র প্রবীরের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
১. প্রবীর ছিলেন গভীর দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ; মাতৃভূমির অপমান তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেননি।
২. তিনি ছিলেন অত্যন্ত সাহসী ও বীর; শক্তিশালী অর্জুনের সঙ্গেও যুদ্ধ করতে পিছপা হননি।
৩. মাতৃভূমি রক্ষার জন্য প্রাণদান করে তিনি আত্মত্যাগ ও কর্তব্যনিষ্ঠার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
হিন্দুশাস্ত্রে দেশপ্রেমকে ধর্মের অঙ্গ বলা হয়েছে, কারণ জন্মভূমি ও দেশের কল্যাণে কাজ করাকে পুণ্যকর্ম হিসেবে দেখা হয়েছে। দেশ ও মানুষের মঙ্গলের জন্য সেবা, ত্যাগ ও পূজা-অর্চনার কথা শাস্ত্রে উল্লেখ আছে। দেশের কল্যাণে কাজ করলে তা ঈশ্বরের সৃষ্টির সেবারই অংশ হয়। এই কারণে দেশপ্রেমকে ধর্মীয়- কতব্য হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
হিন্দুশাস্ত্রে পৃথিবীর সকল প্রাণীর মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করা হয়েছে-সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ সর্বে সন্তু নিরাময়াঃ।
সর্বে ভদ্রাণি পশ্যন্তু মা কশ্চিদ্ দুঃখভাগ্ ভবেৎ।।
অর্থাৎ, জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক। সকলে নিরাময় হোক।
সকলে মঙ্গল লাভ করুক। কেউ যেন দুঃখভোগ না করে।
হিন্দুশাস্ত্রে দেশপ্রেমকে ধর্মের অঙ্গ বলা হয়েছে, কারণ জন্মভূমি ও দেশের কল্যাণে কাজ করাকে পুণ্যকর্ম হিসেবে দেখা হয়েছে। দেশ ও মানুষের মঙ্গলের জন্য সেবা, ত্যাগ ও পূজা-অর্চনার কথা শাস্ত্রে উল্লেখ আছে। দেশের কল্যাণে কাজ করলে তা ঈশ্বরের সৃষ্টির সেবারই অংশ হয়। এই কারণে দেশপ্রেমকে ধর্মীয়- কতব্য হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
হিন্দুশাস্ত্রে পৃথিবীর সকল প্রাণীর মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করা হয়েছে-সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ সর্বে সন্তু নিরাময়াঃ।
সর্বে ভদ্রাণি পশ্যন্তু মা কশ্চিদ্ দুঃখভাগ্ ভবেৎ।।
অর্থাৎ, জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক। সকলে নিরাময় হোক।
সকলে মঙ্গল লাভ করুক। কেউ যেন দুঃখভোগ না করে।
Related Question
View Allহিন্দুশাস্ত্রে দেশপ্রেমকে ধর্মের অঙ্গ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
মাহিম্মতিপুরের রাজা ছিলেন নীলধ্বজ।
দেশপ্রেম মানুষের জন্মগত প্রবণতা।
জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসাই পৃথিবীর প্রতি ভালোবাসা।
জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপিগরিয়সী।
জননী জন্মভূমি স্বর্গের থেকেও শ্রেষ্ঠ ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!