যে বল একটি বস্তুর পৃষ্ঠের উপর দিয়ে অপর একটি বস্তুর পৃষ্ঠকে চলতে বাধা দেয় তাকে ঘর্ষণ বল বলে।
হেলানো সমতল হলো একটি ঢালু পথ বা তির্যক পৃষ্ঠ, যার সাহায্যে ভারী বস্তু সহজে উপরে তোলা বা নিচে নামানো যায়।
ঘর্ষণ বলের জন্য আমরা হাঁটার সময় পিছলে যাই না। ঘর্ষণ বল না থাকলে আমরা ঢালু পথে উপরে উঠার সময় পা পিছলে পড়ে যাবো। একইভাবে নামার সময়ও পা পিছলে যাবে। আমরা একটু খেয়াল করলে বুঝতে পারব, চকচকে মসৃণ টাইলসের মেঝেতে হাঁটার চেয়ে অমসৃণ পাকা রাস্তায় হাঁটা অধিকতর সুবিধাজনক।
বাড়িতে বা আশপাশে ব্যবহৃত হয় এমন দুইটি সরল যন্ত্র হলো- ১. হাতুড়ি ও ২. স্কু-ড্রাইভার। নিচে এগুলোর ব্যবহার লেখা হলো-
১. হাতুড়ি: হাতুড়ি দিয়ে আমরা কোনো পিন বা পেরেক বল প্রয়োগ করে তা কাঠ বা দেয়ালে আটকাতে পারি।
২. স্কু-ড্রাইভার: স্ক্রু-ড্রাইভার দিয়ে আমরা ফ্যানের স্ক্রু খোলা বা লাগানোর কাজ করি।
পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে সকল বস্তুকে যে বল দ্বারা আকর্ষণ করে তাই হলো মাধ্যাকর্ষণ বল। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বল না থাকলে পৃথিবীতে বেঁচে থাকা অসম্ভব হবে। যেমন-
১. পৃথিবীর সমস্ত জীব হাঁটা-চলা করতে পারবে না। আবার সকল জীব ও বস্তু স্থির থাকবে না শূন্যে ভাসতে থাকবে। ফলে দৈনন্দিন কাজকর্ম বাধাগ্রস্ত হবে। যেমন- আমরা সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে বা নিচে নামতে পারবো না।
২. পৃথিবীর সব বায়ু মহাশূন্যে উড়ে যাবে এবং সব সাগর-মহাসাগরের পানিও উড়ে যাবে ফলে সব প্রাণীও মরে যাবে।
দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন কাজে আমরা বল প্রয়োগ করে থাকি। যেমন- ১. দরজা খোলা ও বন্ধ করা, ২. ঠেলাগাড়ি টানা ও ৩. টেবিল-চেয়ার সরানো ইত্যাদি।
বল প্রয়োগের প্রধান পদ্ধতি দুইটি। যথা- ১. টান ও ২.। ঠেলা।
বল প্রয়োগ করে কোনো বস্তুর যেসব পরিবর্তন করা যায়-
১. বস্তু সরানো যায়।
২. বস্তুর আকার পরিবর্তন করা যায়।
৩. বস্তুর আকৃতি পরিবর্তন করা যায়।
৪. বস্তুর গতি পরিবর্তন করা যায়।
বল প্রয়োগ করে বস্তু সরানো যায় এবং বস্তুর আকার, আকৃতি ও গতির পরিবর্তন করা যায়। বলের মাত্রা বাড়ালে বস্তু দ্রুত ও বেশি দূর যেতে পারে। তাই বলের কার্যকারিতা নির্ভর করে তার পরিমাণ ও প্রয়োগের কৌশলের ওপর।
বল প্রয়োগের শক্তি বা জোরকে বলের 'মাত্রা' বলা হয়। বিভিন্ন মাত্রার বল প্রয়োগ বস্তুর গতি, দিক ও দূরত্বে ভিন্ন প্রভাব ফেলে। বলের মাত্রা যত বেশি, বস্তু ওপর প্রভাব তত বেশি।
আমরা যখন সাইকেল চালাই তখন সাইকেলের প্যাডেলে বল প্রয়োগ করি। যদি প্যাডেলে কম মাত্রায় বল প্রয়োগ করি তাহলে 'সাইকেল কম গতিতে চলে। যদি প্যাডেলে, বেশি মাত্রায় বল প্রয়োগ করি তাহলে সাইকেল বেশি গতিতে চলে। অর্থাৎ বিভিন্ন মাত্রায় বল প্রয়োগে সাইকেলের গতি কম বেশি হয়।
যে বল একটি বস্তুর পৃষ্ঠের উপর দিয়ে অপর একটি বস্তুর পৃষ্ঠকে চলতে বাধা দেয় তাকে ঘর্ষণ বল বলে। বস্তুকে কোনো কিছুর উপর দিয়ে গড়িয়ে দিলে একটু পরে থেমে যায়। এই থেমে যাওয়ার কারণ হলো ঘর্ষণ বল।
যখন কোনো বস্তু অন্য কোনো বস্তুর উপর দিয়ে চলতে থাকে তখন বস্তু দুটির স্পর্শের জায়গায় গতির বিরুদ্ধে বল তৈরি হয়। এই বল হলো ঘর্ষণ বল। একটি বস্তু যখন আরেকটি বস্তুর উপর দিয়ে গড়িয়ে যায়. তখন একটি বস্তুর পৃষ্ঠ যেদিকে সরে যেতে চায় ঘর্ষণ বল তার বিপরীত, দিকে কাজ করে।
কোনো বস্তুর উপর দিয়ে অন্য বস্তুর চলাচল করলে উভয় বস্তুর পৃষ্ঠের প্রকৃতির উপর ঘর্ষণ বলের মান নির্ভর করে। যদি কোনো বস্তুর পৃষ্ঠ মসৃণ হয় তাহলে ঘর্ষণ কম হয়। অমসৃণ পৃষ্ঠযুক্ত বস্তু হলে ঘর্ষণ বেড়ে যায়, বস্তু সরাতে বেশি শক্তি লাগে।
ঘর্ষণ বলের তিনটি উপকারী উদাহরণ হলো-
১. ঘর্ষণ বলের কারণে আমরা হাঁটার সময় পিছলে যাই না।
২. ঘর্ষণের কারণে আমরা লেখার সময় কলম ধরতে পারি।
৩. ঘর্ষণের কারণে আমরা বোর্ডে লিখতে পারি।
পৃথিবী সকল বস্তুকে নিজের দিকে টানে, এই টানকে বলা হয় পৃথিবীর আকর্ষণ বল। এই বলের আকর্ষণেই বল, পেন্সিল ইত্যাদি যেকোনো বস্তু হাত থেকে ছেড়ে দিলে নিচে পড়ে যায়। আমরা যখন সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠি তখন কষ্ট হয়।. এর কারণ হলো মাধ্যাকর্ষণ বল। আমরা যখন সিঁড়ি বেয়ে উপর দিকে উঠি তখন পৃথিবীর আকর্ষণ বলের বিরুদ্ধে কাজ করি, তাই শক্তি বেশি লাগে। আবার যখন সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামি তখন পৃথিবীর আকর্ষণ বলের দিকে যাই, তখন মাধ্যাকর্ষণ বল সাহায্য করে। তাই নামা অনেক সহজ হয়।
আমরা যখন সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠি তখন কষ্ট হয়।. এর কারণ হলো মাধ্যাকর্ষণ বল। আমরা যখন সিঁড়ি বেয়ে উপর দিকে উঠি তখন পৃথিবীর আকর্ষণ বলের বিরুদ্ধে কাজ করি, তাই শক্তি বেশি লাগে। আবার যখন সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামি তখন পৃথিবীর আকর্ষণ বলের দিকে যাই, তখন মাধ্যাকর্ষণ বল সাহায্য করে। তাই নামা অনেক সহজ হয়।
পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে সকল বস্তুকে যে বল দ্বারা আকর্ষণ করে তাই হলো মাধ্যাকর্ষণ বল।
আয়াদের দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন কাজ করতে গিয়ে আমরা অনেক রকম যন্ত্র ব্যবহার করি। এসব যন্ত্র আমাদের কাজকে সহজ করে দেয়। প্রতিদিন আমরা বিভিন্ন কাজ সহজ করতে যেসকল যন্ত্র ব্যবহার করি সেগুলো হলো সরল যন্ত্র।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত ছয়টি সরল যন্ত্র হলো-১. ছুরি, ২. কাঁচি, ৩. কুড়াল, ৪. পুলি, ৫. হাতুড়ি, ৬. স্ক্রু-ড্রাইভার।
কম বল প্রয়োগে কাজ করতে সাহায্য করে এমন তিনটি সরল যন্ত্র হলো-
১. টিউবওয়েলের হাতল।
২. রিকসার চাকা।
৩. কুয়া থেকে পানি তোলার দড়ি ও চাকা।
হেলানো সমতল হলো একটি ঢালু পথ বা তির্যক পৃষ্ঠ, যার সাহায্যে ভারী বস্তু সহজে উপরে তোলা বা নিচে নামানো যায়।
হেলানো সমতলে বস্তু ঠেলে উঠানো সহজ হয়, কারণ এতে কম বল লাগে। কোনো বস্তুকে উপরের দিকে তুলতে হলে তাকে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির বিরুদ্ধে কাজ করতে হয়। সরাসরি তোলার সময় আমরা বস্তুর ওজনের সমান বা বেশি বল প্রয়োগ করি। কিন্তু হেলানো সমতলে সেই একই কাজ ধীরে ধীরে ও কম বল প্রয়োগে করা যায়।
পতাকা তোলার জন্য কপিকল ব্যবহার করা হয়। পতাকা তোলার জন্য দড়ি নিচের দিকে টানা হয় আর পতাকা উপরের দিকে উঠে যায়। কপিকল ব্যবহার করে আমরা অল্প বল প্রয়োগ করে ভারী বস্তুকে সহজে উপরে উঠাতে পারি।
লিভার হলো এক ধরনের সরল যন্ত্র। লিভারের সাহায্যে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় জোর দিয়ে বস্তু সহজে তোলা বা সরানো যায়। এতে একপাশে চাপ দিলে অন্যপাশে ভার ওঠে বা নড়ে। লিভারের সাহায্যে বেশি ভার তোলার জন্য কম শক্তি লাগে।
বল প্রয়োগের মাধ্যম দুটি হলো- টান ও ঠেলা।
বলের পরিমাণ ও প্রয়োগের কৌশলের উপর বলের কার্যকারিতা নির্ভর করে।
বলের প্রভাব বেশি করতে হলে বলের মাত্রা বাড়াতে হবে।
পৃথিবীতে তার কেন্দ্রের দিকে সকল বস্তুকে যে. বল দ্বারা আকর্ষণ শি করে তাঁকে মাধ্যাকর্ষণ বল বলে।
নির্মাণ-কাজে মালামাল তোলার জন্য যে যন্ত্র ব্যবহৃত হয় তাই পুলি
Related Question
View Allবল প্রয়োগ করে বস্তু যায় সরানো ।
বলের মাত্রা যত বেশি, বস্তুর ওপর প্রভাব তত বেশি
একটি বস্তুর পৃষ্ঠ যে দিকে সরে যেতে চায় তার বিপরীত দিকে ঘর্ষণ বল কাজ করে।
পৃথিবী সকল বস্তুকে নিজের দিকে টানে।
কাজ সহজ করার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রকে সরল যন্ত্র বলে।
বস্তুর আকার, আকৃতি ও গতি পরিবর্তনে বলের প্রভাব রয়েছে
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!