যিনি দেহ ও মনে ভালো কাজে মগ্ন থাকেন এবং মিথ্যা ত্যাগ করে সত্যকে ভজনা করেন, তিনিই সদাচারী। যার মন শুদ্ধ এবং সেই শুদ্ধতার প্রতিফলন তার দেহ ও আচরণে ঘটে, জ্ঞানীগণ তাকেই সদাচারী হিসেবে গণ্য করেন।
যুধিষ্ঠির হস্তিনাপুরের রাজা হওয়া সত্ত্বেও দুর্যোধনের চক্রান্তে তাঁর প্রাপ্য রাজত্ব হারান। অনেক বিবাদ ও ষড়যন্ত্রের পর দুর্যোধন যখন কোনোভাবেই রাজ্য ফিরিয়ে দিলেন না, তখন যুধিষ্ঠির অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে বাধ্য হন।
যুধিষ্ঠিরের চারিত্রিক বৈশিষ্টা নিচে তিনটি বাক্যে লেখা হলো.
১. যুধিষ্ঠির শিশুকাল থেকেই অত্যন্ত ধার্মিক ও সত্যবাদী মানুষ ছিলেন।
২. তাঁর স্বভাব ছিল খুব শান্ত এবং তিনি গভীর চিন্তাশীল প্রকৃতির ছিলেন।
৩. তিনি বড়োদের প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল ছিলেন, যা যুদ্ধের ময়দানে গুরুজনদের পা ছুঁয়ে প্রণাম করার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়।
যুধিষ্ঠির পিতামহ ভীষ্মদেবের কাছে এসে তাঁর পাদস্পর্শ করে যুদ্ধের অনুমতি চাইলে তখন ভীষ্মদেব আশীর্বাদ করে বলেন, 'যুধিষ্ঠির, তোমার ব্যবহারে আমি মুগ্ধ হয়েছি। যুদ্ধে জয়ী হও।'
যুদ্ধ শুরুর প্রাক্কালে যুধিষ্ঠির হঠাৎ তাঁর বর্ম ও অস্ত্রশস্ত্র ত্যাগ করে রথ থেকে নেমে আসেন এবং পায়ে হেঁটে রিপক্ষ দলের গুরুজনদের দিকে এগিয়ে যান। তিনি তাঁর পিতামহ ভীষ্ম, অস্ত্রগুরু দ্রোণাচার্য ও কৃপাচার্যের পাদস্পর্শ করে প্রণাম করেন এবং যুদ্ধের অনুমতিসহ তাঁদের আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। বিপক্ষ শিবিরে থাকা গুরুজনদের' প্রতি এমন বিনয় ও সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমেই যুধিষ্ঠির তাঁর মহান সদাচারের পরিচয় দিয়েছেন।
Related Question
View Allসদাচারী ব্যক্তিকে সবাই ভালোবাসে এবংসম্মান করে।
যুধিষ্ঠির ছিলেন ধার্মিক ও সত্যবাদী।
ভীষ্ম ছিলেন যুধিষ্ঠিরের পিতামহ ।
যেখানে কৃষ্ণ সেখানেই জয়।
দেহ-মনে ভালো কাজে হয় যে মগন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!