মানুষের জীবন প্রকৃতির সবকিছুর সাথে মিলেমিশে আছে।
মানুষের জীবন প্রকৃতির সবকিছুর সাথে মিলেমিশে আছে।
জীবের বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক উপাদানগুলো হলো- মাটি, জল, বায়ু, আলো ইত্যাদি।
প্রকৃতি ভালো থাকলে আমরাও ভালো থাকব।
জীবের মঙ্গলের জন্য যে সেবা তথা কাজ করা হয় তাকেই জীবসেবা বলে।
জীবকে ভালোবাসলে ঈশ্বরকে ভালোবাসা হয়।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষদের যত্ন নেওয়া উচিত।
কয়েকজন দেশপ্রেমী হলেন- স্বামী বিবেকানন্দ, মাস্টারদা সূর্যসেন, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, রাণী রাসমণি, ক্ষুদিরাম বসু-দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ প্রমুখ।
দেশের জন্য কঠোর পরিশ্রম ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশপ্রেম প্রকাশ পায়।
দেশ শত্রুর দ্বারা আক্রান্ত হলে প্রকৃত দেশপ্রেমী নিজের জীবনের মায়া না করে দেশের জন্য যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন।
পবিত্র ধর্মগ্রন্থ রামায়ণে শ্রীরামচন্দ্রের গভীর দেশপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে।
রাজ্য আক্রান্ত হলে কার্তবীর্যার্জুন উচ্চ কণ্ঠে তার সৈন্যদের বলেছিলেন, “সৈন্যগণ, পরাজিত হলে দেশ হবে পরাধীন। প্রাণপণ যুদ্ধ করো। দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করো।"
আকাশ, বাতাস, মাটি, জল, সূর্য, চন্দ্র, গাছপালা, পশু-পাখি- সবকিছু মিলেই প্রকৃতি। ঈশ্বরের সৃষ্টি এই প্রকৃতিই আমাদের জীবনের মূল উৎস। কেননা প্রকৃতির সবকিছুর সাথে মিলেমিশে আছে আমাদের জীবন।
৬
আকাশ, বাতাস, মাটি, জল, সূর্য, চন্দ্র, গাছপালা, পশু-পাখি- সবকিছু মিলেই প্রকৃতি। ঈশ্বরের সৃষ্টি এই প্রকৃতিই আমাদের জীবনের মূল উৎস। কেননা প্রকৃতির সবকিছুর সাথে মিলেমিশে আছে আমাদের জীবন।
মানুষ, প্রাণী, গাছপালা, পোকামাকড়সহ যেসব প্রাণের অস্তিত্ব আছে, তাদের নিয়ে গঠিত জগৎই জীবজগৎ। জীবজগৎ প্রকৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
প্রকৃতি আমাদের বেঁচে থাকার সব উপকরণ দেয়। এসব উপকরণ ছাড়া কোনো জীবই বাঁচতে পারে না। তাই বলা যায়, প্রকৃতি ভালো থাকলে আমরাও ভালো থাকি। এজন্য প্রকৃতির যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।
জীবসেবার উপায় নিচে তিনটি বাক্যে লেখা হলো-
১. অসুস্থকে শুশ্রুষা করা।
২. বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষদের যত্ন নেওয়া।
৩. পশু-পাখির যত্ন নেওয়া।
স্বামী বিবেকানন্দ জীবসেবা সম্পর্কে বলেছেন, "জীবে প্রেম করে যেইজন সেইজন সেবিছে ঈশ্বর।" অর্থাৎ জীবকে ভালোবাসা মানে ঈশ্বরকে ভালোবাসা।
প্রভু জগদ্বন্ধু ঈশ্বরকে ভালোবাসা সম্পর্কে বলেছেন, "মানুষের মধ্যে' কোনো উঁচু-নিচু ভেদাভেদ নেই। সবাই সমান। সবাই আমরা ঈশ্বরের সন্তান। তাই মানুষকে ভালোবাসলে ঈশ্বরকে ভালোবাসা হয়।
দেশের প্রতি রয়েছে সকলের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। দেশের প্রতি এই শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা হলো দেশপ্রেম। এটি একটি নৈতিক গুণ এবং ধর্মের অঙ্গ হিসেবে বিবেচিত।
দেশপ্রেমী দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং জাতীয় দিবসসমূহে ভালোবাসা প্রকাশ করেন। তিনি ভালো কাজের মাধ্যমে নিজের দেশকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরে থাকেন।
নিজেদেরকে দেশপ্রেমী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে-
১. সৎ ও ধার্মিক ব্যক্তির মতো আমাদের দেশকে ভালোবাসতে হবে।
২. দেশের মঙ্গলের জন্য, দেশের উন্নতির জন্য কাজ করতে হবে।
৩. দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সচেষ্ট থাকতে হবে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allমানুষ সৃষ্টির সেরা জীব।
মানুষ পরিবার ও প্রতিবেশিদের নিয়ে বসবাস করে।
আমরা একে অপরকে ভালোবাসব l
বনের সৌন্দর্য সবাইকে আনন্দ দিত।
আমরা বিভিন্নভাবে জীবের সেবা করতে পারি।
মানুষের মধ্যে কোনো উঁচু-নিচু ভেদাভেদ নেই।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!