সংক্ষেপে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

বিজ্ঞানীদের দূরবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহারের কারণ হলো-
১. মহাকাশের বিভিন্ন বস্তু পর্যবেক্ষণ করার জন্য।
২. নক্ষত্রসমূহ স্পষ্টভাবে দেয়ার জন্য।
৩. কৃত্রিম উপগ্রহের গতিবিধি ও কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণের জন্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

ছায়াপথ হচ্ছে নক্ষত্রের একটি বিশাল সমাবেশ। স্যার এডিংটনের মতে, প্রতি ছায়াপথে গড়ে দশ সহস্রকোটি নক্ষত্র রয়েছে। সৌরজগৎ যে ছায়াপথের অন্তর্ভুক্ত তার নাম আকাশগঙ্গা বা মিল্কিওয়ে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

শীতকালে পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ সূর্যের বিপরীত দিকে হেলে থাকে। এ সময় উত্তর গোলার্ধে সূর্য তির্যকভাবে কিরণ দেয়। এ কারণে উত্তর গোলার্ধে শীতকালে দিন ছোট হয়।.

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

শীতকালে পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ সূর্যের বিপরীত দিকে হেলে থাকে। ফলে সূর্য উত্তর গোলার্ধে তির্যকভাবে কিরণ দেয়। তাই শীতকালে উত্তর গোলার্ধে তাপমাত্রা হ্রাস পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

ছায়াপথ, নক্ষত্র, গ্রহ, মহাশূন্য, সকল পদার্থ এবং শক্তি এসব কিছু নিয়ে মহাবিশ্ব গঠিত। মহাবিশ্ব এখনও প্রসারিত হচ্ছে। আর এ কারণে মহাবিশ্বের প্রকৃত আকার সম্পর্কে কেউ নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

গ্রহ ও নক্ষত্রের তিনটি পার্থক্য হলো-

গ্রহনক্ষত্র
১. গ্রহের নিজস্ব আলো নেই।১. নক্ষত্রের নিজস্ব আলো আছে।
২. গ্রহগুলো আকারে ছোট হয়।২. নক্ষত্রের আকার বড় হয়।.
৩. গ্রহগুলো নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে।৩. নক্ষত্র সাধারণত স্থির থাকে।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবী নামক গ্রহের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. পৃথিবী সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ।
২. একমাত্র গ্রহ যেখানে জীবনের অস্তিত্ব আছে।
৩. পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ হলো চাঁদ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব ৩,৮৪,৪০০ কিমি। অন্যদিকে পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিমি। আলোর গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩,০০,০০০ কিমি। চাঁদ থেকে পৃথিবীতে মাত্র ১.৩ সেকেন্ডে আলো আসলেও সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো পৌছাতে প্রায় ৮ মিনিট লাগে। অর্থাৎ, চাঁদের তুলনায় সূর্য পৃথিবী থেকে বেশি দূরে অবস্থিত হওয়ায় আলো আসতে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কোনো বস্তুর কেন্দ্র বরাবর ছেদকারী কাল্পনিক রেখাই হলো অক্ষ। পৃথিবীর অক্ষরেখা বলতে পৃথিবীকে কেন্দ্র বরাবর ছেদকারী রেখাকে বোঝায়। অক্ষরেখাটি পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণ মেরু বরাবর ছেদ করেছে। এটি পৃথিবীর কক্ষপথের তলের সাথে কিছুটা হেলে রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

উপগ্রহের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. কোনো নির্দিষ্ট গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে।
২. গ্রহের তুলনায় আকারে অনেক ছোট হয়।
৩. সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত করে আলোকিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

সৌরজগতের প্রতিটি গ্রহ সূর্যকে কেন্দ্র করে সূর্যের চারপাশে একটি নির্দিষ্ট পথে সর্বদা ঘুরতে থাকে। যে নির্দিষ্ট পথে পৃথিবী বা অন্যান্য গ্রহগুলো সূর্যকে আবর্তন করে তাকে সেই গ্রহের কক্ষপথ বলা হয়। প্রতিটি গ্রহের কক্ষপথ ভিন্ন থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

সূর্যের চারদিকে ঘূর্ণনের সাথে সাথে পৃথিবী লাটিমের মতো নিজ অক্ষের উপরে ঘুরছে। নিজ অক্ষের উপরে পৃথিবীর এই ঘূর্ণায়মান গতিকে পৃথিবীর আহ্নিক গতি বলে। পৃথিবী নিজ অক্ষের চারপাশে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘুরে, যা সম্পন্ন করতে প্রায় ২৪ ঘণ্টা সময় নেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৃথিবীর আবর্তনকে বার্ষিক গতি বলে। সূর্যের চারদিকে এই গতি সম্পন্ন করতে পৃথিবীর প্রায় ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা সময় লাগে। বার্ষিক গতি ঋতু পরিবর্তনের মূল কারণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবী নিজ অক্ষের চারপাশে ক্রমাগত ঘুরছে। আর এ কারণে প্রতিদিন সকালে সূর্য ওঠে এবং সন্ধ্যায় অস্ত যায়। পৃথিবীর এক অংশ সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে এবং অপর অংশ সূর্যের বিপরীতে থাকে। যে অংশটা সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে সেই অংশটায় দিন এবং যে অংশটা বিপরীত দিকে থাকে সেই অংশটায় রাত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবী নিজ অক্ষের চারপাশে একবার ঘুরে আসতে অর্থাৎ '৩৬০° ঘুরে আসতে পৃথিবীর সময় লাগে প্রায় ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪.০৯০৫ সেকেন্ড। কিন্তু ততক্ষণে পৃথিবী তার কক্ষপথে কিছুটা এগিয়ে যায় এবং সেটাও ঘড়ির কাঁটার ঘূর্ণনের বিপরীত দিকেই হয়। সুতরাং সূর্যের সাপেক্ষে ঠিক একই অবস্থায় আসতে পৃথিবীর আরো কিছু বেশি সময় লাগে। এই পুরো সময়টাকে বলে এক। সৌরদিন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর নিজস্ব কক্ষপথে ঘূর্ণন ও সূর্যের দিকে এর হেলে থাকা অক্ষের কারণে ঋতু পরিবর্তন হয়। পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘুরতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশ সূর্যের দিকে বা বিপরীত দিকে সরে পড়ে। ফলে একটি অংশ সূর্যের দিকে বেশি হেলে থাকে, সেখানে গ্রীষ্মকাল হয়। অন্যদিকে যে অংশ বিপরীত দিকে সরে পড়ে সেখানে শীতকাল শুরু হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

গ্রীষ্মকালের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১.. দিনের সময়কাল দীর্ঘ থাকে,
২. সূর্য খাড়াভাবে কিরণ দেয় ও
৩. তাপমাত্রা বেশি থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

শীতকালের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
১. দিনের চেয়ে রাত বড় হয়,
২. সূর্য তির্যকভাবে কিরণ দেয় ও
৩. তাপমাত্রা হ্রাস পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

চাঁদের অর্ধাংশ সূর্যের আলোতে সব সময়ই আলোকিত থাকে। কিন্তু পৃথিবীকে আবর্তনের সময় পৃথিবীর দিকে মুখ করা চাঁদের আলোকিত অংশের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হয়। চাঁদের উজ্জ্বল অংশের আকৃতির এরূপ পরিবর্তনশীল অবস্থাকে চাঁদের দশা বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ হিসেবে পৃথিবীকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়, এটাই হলো চাঁদের আবর্তন। চাঁদ তার নিজের অক্ষ বরাবর প্রায় ২৮ দিনে একবার আবর্তিত হয় হয়। একই সময়ে পৃথিবীর - চারদিকেও ঘুরে আসতে চাঁদের প্রায় ২৮ দিন সময় লাগে।'

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

চাঁদের পাঁচটি দশার নাম হলো-

১. পূর্ণিমা,
২. অমাবস্যা,
৩. প্রথম চতুর্থাংশ,
৪. শেষ চতুর্থাংশ ও
৫. ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়া ক্রিসেন্ট।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যখন আমরা চাঁদের আলোকিত অংশ সম্পূর্ণ গোলাকার দেখতে পাই তখন তাকে পূর্ণিমার চাঁদ বলা হয়। আর যখন আমরা চাঁদের আলোকিত অংশ একেবারেই দেখতে পাই না তখন একে অমাবস্যার চাঁদ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

দিন ও রাত্রির দৈর্ঘ্য ছোট-বড় হয় কারণ পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘুরে এবং তার অক্ষ ২৩.৫ ডিগ্রি হেলে থাকে। যখন পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে হেলে, তখন সেখানে দিন বড় ও রাত ছোট হয়। আবার যখন উত্তর গোলার্ধ সূর্যের বিপরীত দিকে সরে, তখন সেখানে দিন ছোট ও'রাত বড় হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
122

রাতের আকাশে খালি চোখে তুমি অসংখ্য তারা বা নক্ষত্র দেখতে পাও। দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে তুমি সেই নক্ষত্রসমূহকে আরও স্পষ্ট দেখতে পাও। দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে অনেক দূরের বস্তুও বড় দেখায়। এটি আমাদেরকে মহাকাশের দূরবর্তী বস্তু পর্যবেক্ষণে সাহায্য করে। মহাকাশের গ্রহ, নক্ষত্র এবং গ্যালাক্সি নিয়ে গবেষণা করতে বিজ্ঞানীরা দূরবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করে থাকেন।

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews