বিজ্ঞান হলো প্রকৃতি ও প্রকৃতিতে ঘটা ঘটনা-সম্পর্কিত জ্ঞান, যা পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রাকৃতিক ঘটনাকে ব্যাখ্যা এবং বিশ্লেষণ করে।
প্রযুক্তি হলো আমাদের জীবনের বাস্তব সমস্যা সমাধানের জন্য বিজ্ঞানের ব্যবহারিক প্রয়োগ। বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ব্যবহার করেই সব প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়।
রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আমরা প্রযুক্তিনির্ভর যেসব সেবা গ্রহণ করি সেগুলো হলো-
১. জরুরি সেবা বা সমস্যা জানাতে কল সেন্টার সেবা।
২. অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সেবা।
৩. মোবাইল বা কম্পিউটারে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করার সেবা।
৪. অনলাইনে পরীক্ষার ফলাফল দেখা।
৫. আবহাওয়ার পূর্বাভাস সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেওয়া।
প্রযুক্তির অপব্যবহারে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে-
১. নিয়মিত বিরতি নিয়ে প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে।
২. মোবাইল, কম্পিউটার ব্যবহারের সময় চোখের সঠিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
৩. দীর্ঘ সময় বসে কাজ না করে হালকা ব্যায়াম করতে হবে।
৪. শিশুদের প্রযুক্তি ব্যবহারে সীমা নির্ধারণ করতে হবে।
৫. ঘুমের আগে মোবাইল বা স্ক্রিন ব্যবহার এড়িয়ে চলতে হবে।
Paint প্রোগ্রাম দিয়ে ছবি আঁকা হয়।
৩টি ব্রাউজার হলো
১. Google Chrome,
২. Firefox এবং
৩. Microsoft Edge.
গুগল হলো একটি সার্চ ইঞ্জিন। এর ঠিকানা হলো
www.google.com
Word প্রোগ্রাম দিয়ে লেখালেখির কাজ করা হয়।
দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করার জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ব্যবহার করে প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়।
প্রযুক্তি হলো আমাদের জীবনের বাস্তব সমস্যা সমাধানের জন্য বিজ্ঞানের ব্যবহারিক প্রয়োগ।
বেশি সময় ধরে ডিভাইস ব্যবহারে পিঠ ও ঘাড়ে ব্যথা, চোখের সমস্যাসহ আরও কিছু শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে।
রহিমের করণীয় জরুরি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে ১৬২৬৩ নম্বরে কল দিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়া। প্রয়োজনে রহিমের বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া। সময়মতো চিকিৎসা ও হাসপাতালে নিতে পারলে রহিমের বাবার কষ্ট কম হবে এবং জীবন রক্ষা পাবে।
আমার এলাকায় যদি কেউ বিনা অনুমতিতে সামাজিক বনায়নের গাছগুলো কেটে ফেলে তবে জাতীয় সেবাকেন্দ্রের ৩৩০ নম্বরে কল দিয়ে অভিযোগ জানাব। কারণ, বন রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব এবং গাছ কাটলে পরিবেশের ক্ষতি হয়।
তথ্যের নিরাপদ ব্যবহার বলতে তথ্য আদান-প্রদানে বাড়তি সতর্কতাকে বুঝায়। যে কোনো তথ্য আদান-প্রদানের আগে তথ্যের সঠিকতা, নির্ভরযোগ্যতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করে নিতে হয়।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা দূরের মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে পারি। তথ্য সংরক্ষণ করতে পারি। কোনো সমস্যায় পড়লে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে তার সমাধান করতে পারি। এটি সময় বাঁচায় এবং দৈনন্দিন সমস্যাগুলো সমাধান করার মাধ্যমে আমাদের জীবনকে সহজ করে।
সিসিটিভি ক্যামেরার তিনটি ব্যবহার হলো:
১. নজরদারিতে,
২. চোর বা দুষ্কৃতিকারী শনাক্তে ও
৩. অপরাধ তদন্তে।
ড্রোনের তিনটি' ব্যবহার ক্ষেত্র হলো-
১. সীমান্ত পাহারা,
২. বনরক্ষা ও
৩. দুর্গম এলাকায় উদ্ধার কাজ।
মাইক্রোওয়েভ এর তিনটি কাজ হলো-
১. ল্যাবরেটরিতে গবেষণামূলক কাজ,
২. খাবার গরম করা ও
৩. কেক বানানো।
বিদ্যালয়ে কম্পিউটারের তিনটি ব্যবহার হলো-
১. ইউনিক আইডি খোলা,
২. শিক্ষার্থী তথ্য সংরক্ষণ ও
৩. আপৎকালীন পাঠদান।
কোনো নির্দিষ্ট কাজ বা সমস্যা সমাধানের জন্য কোড বা কোডসমূহকে যৌক্তিকভাবে সাজানোর প্রক্রিয়াই হলো প্রোগ্রামিং
যেমন- বড়ো বা ছোটো সংখ্যা নির্ণয়ের প্রক্রিয়া হচ্ছে প্রোগ্রামিং।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ব্যবহার করেই সব প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে। প্রযুক্তি শুধু বিজ্ঞানের ওপর নির্ভরশীল নয়। বিজ্ঞানের অগ্রগতিও প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল। অর্থাৎ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক রয়েছে l
তিনটি উন্নত জাতের ধানের নাম হলো-
১. ইরি, ২. ব্রি এবং ৩. বি আর ৩৩।
জলীয়বাষ্পের ক্ষমতা সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মানুষ বাষ্পীয় ইঞ্জিন উদ্ভাবন করেছে। এ বাষ্পীয় ইঞ্জিন নিম্নোক্ত কাজে ব্যবহৃত হয়-
১. কলকারখানার যন্ত্রপাতি সচল করতে,
২. রেলগাড়ি চালনায় ও
৩. জাহাজ চালনায় ইত্যাদি।
প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে তিনটি স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি হলো-
১. নিদ্রাহীনতা,
২. পিঠ ও ঘাড়ে ব্যথা ও
৩. চোখে সমস্যা।
প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে তিনটি সামাজিক ঝুঁকি হলো-
১. পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্ক দুর্বল হয়ে যাওয়া।
২. বাস্তব জীবনের যোগাযোগ ও মেলামেশা কমে যাওয়া।
৩. তথ্য চুরি ও অনলাইন হয়রানির ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়া।
প্রযুক্তির অতি ব্যবহারে শিশুদের ক্ষেত্রে যে ধরনের প্রভাব ফ্রেলে তা হলো:
১. সঠিক শারীরিক বিকাশ ব্যাহত হয়।
২. মানসিক ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।
৩. বন্ধুদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়।
রাষ্ট্রীয় সেবা সম্পর্কিত তিনটি কল সেন্টারের নম্বর হলো-
১. জাতীয় জরুরি সেবা -৯৯৯।
২. জাতীয় সেবা কল সেন্টার -৩৩৩।
৩. কৃষি কল সেন্টার -১৬১২৩।
ব্যক্তি পর্যায়ে তিনটি প্রযুক্তিনির্ভর সেবা হলো-
১. মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে যোগাযোগ।
২. অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ করা।
৩. রাষ্ট্রের জরুরি সেবা গ্রহণ করা।
সমাজ পর্যায়ে প্রযুক্তিনির্ভর তিনটি সেবা হচ্ছে-
১. অনলাইন শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।
২. সিসিটিভির সাহায্যে চোর বা দুষ্কৃতিকারী শনাক্ত করা।
৩. বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য সম্প্রচার।
প্রযুক্তির তিনটি নিরাপদ ব্যবহার হচ্ছে-
১. বিভিন্ন ডিভাইসের পাসওয়ার্ড গোপন রাখা।
২. অপ্রয়োজনে কোনো সাইটে প্রবেশ থেকে বিরত থাকা।
৩. অপরিচিত কারো সাথে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার না করা।
প্রযুক্তি মানুষের জীবনের মানোন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পণ্য, যন্ত্রপাতি, এবং পদ্ধতির উদ্ভাবন করে।
বাষ্পীয় ইঞ্জিন কলকারখানা, রেলগাড়ি ও জাহাজ চালাতে ব্যবহার হয়।
সমুদ্র উপকূলে বায়ুচাপ ভীষণভাবে হ্রাস পেলে প্রচণ্ড জলোচ্ছ্বাস হবে।
কোনো দেশ কতটা উন্নত সেটা নির্ভর করে সে দেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কত দ্রুত সেবা দিতে পারে তার ওপর।
বেশি সময় ধরে ডিভাইস ব্যবহারে পিঠ ও ঘাড়ে ব্যথা, চোখের সমস্যাসহ আরও কিছু শারীরিক জটিলতা হতে পারে।
Related Question
View Allপ্রযুক্তির কল্যাণে আমরা সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবনযাপন করি।
বিজ্ঞানীরা জলীয়বাষ্পের ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে বাষ্পীয় ইঞ্জিন উদ্ভাবন করেছেন।
প্রযুক্তির অতি ব্যবহারের ফলে স্বাস্থ্য ও সামাজিক ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে
প্রযুক্তির কল্যাণে আমরা সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন যাপন করছি।
প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম সময়ে ও সহজে সেবা গ্রহণ করতে পারি।
বিজ্ঞান ওপ্রযুক্তির মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!