ঈশ্বর ব্রহ্মা রূপে জগৎ সৃষ্টি করেন।
অগ্নির তিনটি রূপ রয়েছে। যথা-
১. আকাশে সূর্য,
২. অন্তরীক্ষে বিদ্যুৎ,
৩. পৃথিবীতে অগ্নিশিক্ষা।
মা মনসাকে বিষহরা ও পদ্মাবতী নামে ডাকা হয়।
মা চণ্ডীদেবীর ক্রোধের ফলে মনসা দেবীর একটি চোখ নষ্ট হয়ে যায়।
ঈশ্বরের কোনো গুণ বা ক্ষমতার প্রকাশিত রূপ বা আকারই হলো দেব-দেবী। ঈশ্বর ভিন্ন ভিন্ন রূপ ধারণ করে মানব কল্যাণের জন্য পৃথিবীতে আবির্ভূত হন এবং সাধকেরা তাঁর এই শক্তিকে দেব-দেবী রূপে উপাসনা করেন।
ঈশ্বর যে রূপে জগৎ সৃষ্টি করেন, তিনি ব্রহ্মা। যে রূপে তিনি জগৎ প্রতিপালন ও রক্ষা করেন, তিনি বিষ্ণু এবং যে রূপে তিনি জগৎ সংহার বা ধ্বংস করেন, তিনি শিব।
ঋগ্বেদে অগ্নিকে পাবক, বহ্নি, বৈশ্বানর, হুতাশন, হোতা পুরোহিত, দূত নামে স্তুতি করা হয়েছে। এ ছাড়াও তাঁকে যজ্ঞের অগ্রদূত ও যজ্ঞের সারথী হিসেবে অভিহিত করা হয়।
মা মনসা হলেন সর্পের দেবী এবং লৌকিক দেব-দেবীদের মধ্যে অন্যতম। তিনি ঋষি কশ্যপের কন্যা, নাগরাজ বাসুকির বোন এবং ঋষি জরৎকারুর স্ত্রী। তিনি সর্প পরিবেষ্টিতা তাই তাঁর অপর নাম বিষহরা ও পদ্মাবতী।
পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে, মা চণ্ডীদেবীর ক্রোধের ফলে দেবী মনসার একটি চক্ষু নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তাই ভক্তদের কাছে তিনি একচক্ষু বিশিষ্টা দেবী হিসেবেও পরিচিত।
সাধারণত সর্পদংশন থেকে রক্ষা পেতে, সন্তান কামনায় ও ঐশ্বর্য লাভের জন্য মনসা পূজা করা হয়। আষাঢ় মাসের নাগপঞ্চমী তিথিতে এবং শ্রাবণ মাসের সংক্রান্তিতে এই পূজা অনুষ্ঠিত হয়।
দেব-দেবীর পূজাকে কেন্দ্র করে অনেক মানুষের সমাগম হয়, যা সমাজে সম্প্রীতি ও সংহতি সৃষ্টি করে। এর ফলে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক ভক্তি, শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ বৃদ্ধি পায়।
মনসা দেবী 'সর্পের' দেবী হিসেবে পরিচিত। কথিত আছে, তাঁর কৃপায় মানুষ সাপের কামরের বিপদ থেকে রক্ষা পায়। লোকবিশ্বাসে মনসা দেবীর আশীর্বাদে বিষনাশ ঘটে ও জীবন রক্ষা হয়। এজন্য তাঁকে সর্পদংশন থেকে রক্ষার দেবী বলা হয়।
যেভাবে দেব-দেবীর পূজা মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি সৃষ্টি করে-
১. দেব-দেবীর পূজাকে কেন্দ্র করে বহু মানুষের সমাগম হয়।
২. একসঙ্গে আচার-অনুষ্ঠান পালন করলে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক ঘনিষ্ঠতা বাড়ে।
৩. পূজা সমাজে ভক্তি, শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও একতার অনুভূতি জাগায়। এতে সমাজে সম্প্রীতি, শান্তি ও সৌহার্দ সৃষ্টি হয়।
মনসা দেবীর প্রণাম মন্ত্রটি নিচে সরলার্থসহ লেখো হলো-
মনসা দেবীর প্রণাম মন্ত্র:
আস্তিকস্য মুনের্মাতা ভগিনী বাসুকেস্তথা। জরৎকারুমুনেঃ পত্নী মনসাদেবী নমোহস্তু তে।।
সরলার্থ : হে মনসা দেবী, তুমি আস্তিক মুনির মা, বাসুকির বোন, জরৎকারু মুনির পত্নী, তোমাকে নমস্কার।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allসাধকেরা তাঁর শক্তিকে দেব-দেবী রূপে উপাসনা করেন।
ঋগ্বেদে অগ্নিকে অন্যতম দেবতা হিসেবে স্তুতি করা হয়েছে।
অগ্নির গাত্রবর্ণ উজ্জ্বল লাল বা সুবর্ণ l
মা মনসার অপর নাম বিষহরা ও. পদ্মাবতী l
মনসা দেবী সর্প। পরিবেষ্টিতা।
১. ঈশ্বর সর্বশক্তিমান।
২. ঈশ্বরের গুণ বা ক্ষমতার প্রকাশিত রূপ হলো দেবী-দেবী।
৩.ঈশ্বর সৃষ্টি করেন ব্রহ্মা রূপে।
৪. দেবী দুর্গা শক্তির প্রতীক।
৫. বৈদিক দেরতারা হলেন অগ্নি, ইন্দ্র, সোম।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!