কান্তজী মন্দিরের গায়ে রামায়ণ-মহাভারতের কাহিনি, পৌরাণিক কাহিনি, যুদ্ধযাত্রা, নৌকাভ্রমণের দৃশ্য প্রভৃতি বিষয়ক সুন্দর পোড়ামাটির ফলকে খোদাই করা রয়েছে।
পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রার পূজা হয়।
লাঙ্গলবন্দ নারায়ণগঞ্জ জেলায় এবং এটি ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে অবস্থিত।
তীর্থক্ষেত্র মথুরায় দেখার মতো অনেক গুরুত্বপূর্ণস্থান ও মন্দির রয়েছে। এগুলোর মধ্যে শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দির, দ্বারকাধীশ মন্দির, গীতা মন্দির এবং গোকুলনাথ মন্দির অন্যতম। এছাড়া ভক্তরা সেখানে প্রাচীন কংসের দুর্গ ঐতিহাসিক শিল্পকলা দেখার সুযোগ পান।
সম্প্রীতি ও সহাবস্থান হলো পারস্পরিক শ্রদ্ধা সহনশীলতা, সৌহার্দ ও শান্তিপূর্ণভাবে একসঙ্গে বসবাসের মনোভাব। বিভিন্ন ধর্ম, জাতি ও মতের মানুষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলাই সম্প্রীতি ও সহাবস্থান।
সংস্কৃত 'ধৃ' ধাতু থেকে ধর্ম শব্দটির উৎপত্তি, যার অর্থ ধারণ করা। মানুষ যা ধারণ করে এবং যা তাকে সুশৃঙ্খল ও সৎ পথে পরিচালিত করে, তাকেই ধর্ম বলে।
ধর্মের বৈশিষ্ট্য নিচে তিনটি বাক্যে লেখা হলো-
১. ধর্ম মানুষকে সুখী ও সমৃদ্ধ করে।
২. ইহলৌকি ও পারলৌকিক শান্তি দেয়।
৩. ঈশ্বরকে জানতে ও ভক্তি শ্রদ্ধা করতে শেখায়।
ধর্মগ্রন্থ পাঠ করলে ঈশ্বরকে জানা যায় এবং জগতের মঙ্গল ও শান্তির পথ খুঁজে পাওয়া যায়। এটি মানুষকে জীবসেবা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে এবং আদর্শ জীবন গঠনে সহায়তা করে।
পুরাণ' শব্দের সাধারণ অর্থ প্রাচীন। পুরাণে মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও প্রলয়, দেব-দেবী ও ঋষিদের আখ্যান এবং সামাজিক বিধি-বিধানের কথা বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে।
মহাভারতের ভীষ্মপর্বের অংশ হিসেবে গীতার উৎপত্তি। কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের প্রাক্কালে অর্জুন মোহগ্রস্ত হয়ে যুদ্ধ করতে অস্বীকার করলে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁকে যে উপদেশ দেন, তাই শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা।
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় মোট সাতশত শ্লোক থাকার কারণে একে 'সপ্তশতী' বলা হয়। এটি কেবল ধর্মীয় পাঠ্য নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা বা যোগশাস্ত্র।
শ্রীমদ্ভগবদলীতা ১৮টি অধ্যায়ে বিভক্ত। এই গ্রন্থে সর্বমোট ি ৭০০টি (সাতশত) শ্লোক রয়েছে বলে একে 'সপ্তশতী' নামেও অভিহিত করা হয়।
গীতার মূল শিক্ষা হলো মানুষকে দুর্বলতা ত্যাগ করে কর্তব্য কর্মে এগিয়ে যাওয়া এবং ফলের আশা না করে নিষ্কাম কর্ম করা। এটি উ মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে এবং আত্মার অমরত্বে বিশ্বাস রাখতে শেখায়।
যে গ্রন্থে স্রষ্টা ও তাঁর সৃষ্টি, জগতের ভালো-মন্দ এবং ধর্মীয় বিভিন্ন আচার-আচরণের উল্লেখ থাকে তা ধর্মগ্রন্থ। হিন্দুদের দুটি ধর্মগ্রন্থ হলো- শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা ও পুরাণ।
মন্দির হলো দেবালয় বা আধ্যাত্মিক সাধনার পবিত্র স্থান, যেখানে বিভিন্ন দেব-দেবীর বিগ্রহ বা মূর্তি থাকে। এখানে প্রতিদিন পূজা-অর্চনা হয় এবং ভক্তরা দেব-দেবীর আশীর্বাদ ও পুণ্য লাভের জন্য গমন করেন।
দিনাজপুরের কান্তজী মন্দিরে আদিতে নয়টি শিখর বা চূড়া ছিল, এ কারণে একে নবরত্ন মন্দির বলা হতো। এ নয়টি শিখর মন্দিরের সৌন্দর্য ও স্থাপত্যকে বিশেষ বৈশিষ্ট্য দিত। কিন্তু ১৮৯৭খ্রিস্টাব্দে ভয়াবহ ভূমিকম্পে এই সুন্দর চূড়াগুলো ধ্বংস হয়ে যায়।
: মন্দিরের নামকরণ সাধারণত অধিষ্ঠিত দেব-দেবীর নাম (যেমন- শিবমন্দির, দুর্গামন্দির, কালীমন্দির, কৃষ্ণমন্দির, বিষ্ণুমন্দির) অথবা স্থানের নামানুসারে (যেমন- যশোরেশ্বরী মন্দির, চট্টেশ্বরী মন্দির) করা হয়ে থাকে। এছাড়াও পীঠস্থানের 'মধ্যেও অনেক মন্দির গড়ে উঠেছে। যেমন- বদেশ্বরী মহাপীঠ মন্দির, ভবানীপীঠ মন্দির প্রভৃতি।
তীর্থক্ষেত্র একটি পবিত্র স্থান। সেখানে গেলে মানুষের মনে ধর্মীয় ও পবিত্র ভাব জাগ্রত হয় এবং পাপ নাশ হয়ে শান্তি আসে। এটি মানুষের মনের হিংসা-বিদ্বেষ দূর করে পরোপকার ও ঈশ্বরভক্তির উদ্রেক ঘটায়।
যত মত তত পথ' কথাটির অর্থ হলো- ধর্মসমূহের পথ ভিন্ন হলেও সকলের জীবনের উদ্দেশ্য হচ্ছে ঈশ্বরকে উপলব্ধি করা এবং এক ও অভিন্ন ঈশ্বরের নৈকট্য লাভ করা। এটি আমাদের শেখায় যে অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে পরম সহিষ্ণুতার সাথে সম্প্রীতি বজায় রাখা উচিত।
জগন্নাথ মন্দিরটি ভারতের উড়িষ্যার পুরীতে অবস্থিত।
জগন্নাথ মন্দিরের চারটি প্রধান দরজার নাম হলো-
১. সিংহ দরজা।
২. হস্তী দরজা।
৩. অশ্ব দরজা ও
৪. ব্যাঘ্র দরজা।
জগন্নাথ মন্দিরের মহাপ্রসাদের বিশেষত্ব হলো-
১. এটি সবাই খেতে পারে, কোনো ধর্ম, জাতি বা বর্ণভেদ নেই।
২. বহু মানুষের স্পর্শ-লাগলেও মহাপ্রসাদ অস্পৃশ্য হয় না।
৩. এটি দেবতার নৈবেদ্য হিসেবে অত্যন্ত পবিত্র বলে গণ্য।
৪. ভক্তদের বিশ্বাস, মহাপ্রসাদ গ্রহণ করলে পুণ্যলাভ হয় ও মনশুদ্ধি হয়।
তীর্থদর্শন ভক্তদের মনে যে প্রভাব ফেলে তা হলো-
১. দেহ-মন পবিত্র হয় এবং মনে শান্তি আসে।
২. পাপ নাশ হয় এবং পুণ্য লাভ হয়।
৩. হিংসা-বিদ্বেষ দূর হয়।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allমন্দিরে গেলে পুণ্যলাভ হয়।
কান্তজী মন্দির দিনাজপুর জেলার ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত।
শ্রীকৃষ্ণের অপর নাম রুক্মিণীকান্ত।
লাঙ্গলবন্দে পুণ্যস্নানের সময় ভক্তরা পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করেন'।
মথুরা হলো শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান ও তাঁর লীলা ক্ষেত্র।
মন্দির একটি আধ্যাত্মিক সাধনার স্থান।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!