এই পৃথিবী ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন।
অপরূপ সুন্দর আমাদের এই পৃথিবীতে রয়েছে মানুষ, গাছপালা, ফুল-ফল, জীব-জন্তু, পশু-পাখি, কীটপতঙ্গ, চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্র, পাহাড়-পর্বত, নদ-নদী, আকাশ-বাতাস, মরু-প্রান্তর ইত্যাদি।
সৃষ্টিকর্তার কয়েকটি নাম হলো- পরম পিতা, পরম স্রষ্টা, পরমেশ্বর, ভগবান ইত্যাদি।
ঈশ্বর আমাদের সৃষ্টি করেছেন। লালন-পালন করেন। তিনি আমাদের মঙ্গল করেন। এজন্য আমরা ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞ।
ঈশ্বর জীবের মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করেন।
যে কাজের মাধ্যমে আমরা ঈশ্বরকে কাছে পেতে পারি তাকে উপাসনা বলে।
উপাসনা দুই প্রকার। যথা- সাকার উপাসনা ও নিরাকার উপাসনা।
সাকার উপাসনা হচ্ছে নিরাকার ঈশ্বরের সাকার রূপের আরাধনা করা। বিভিন্ন দেব-দেবী যেমন- শিব, দুর্গা, কালী, লক্ষ্মী, সরস্বতী, গণেশ, কার্তিক প্রভৃতি ঈশ্বরের সাকার রূপ।
ঈশ্বরের কোনো প্রতীক বা রূপ ছাড়া ধ্যান, জপ ও গুণকীর্তনের মাধ্যমে উপাসনা হচ্ছে নিরাকার উপাসনা।
পদ্মাসন ও সুখাসনে উপাসনায় বসতে হয়।
ঈশ্বরের কাছে ভক্তিসহকারে কিছু চাওয়াই হচ্ছে প্রার্থনা।
পৃথিবীর কোনো কিছুই হঠাৎ সৃষ্টি হয়নি। দীর্ঘ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আজকের এই সুন্দর পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে। এর পিছনে একজন সর্বশক্তিমান স্রষ্টা আছেন।
স্বামী বিবেকানন্দ ঈশ্বর লাভের উপায় সম্পর্কে বলেছেন, "জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।” অর্থাৎ জীবসেবাই ঈশ্বরসেবা।
অপরূপ সুন্দর আমাদের এই পৃথিবী। পৃথিবীতে রয়েছে মানুষ, গাছপালা, ফুল-ফল, জীব-জন্তু, পশু-পাখি, কীট-পতঙ্গ, চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্র, পাহাড়-পর্বত, নদ-নদী, আকাশ-বাতাস, মরু-প্রান্তর ইত্যাদি।
না, ঈশ্বর নিরাকার বলে তাঁকে দেখা যায় না। কিন্তু তিনি সর্বত্র বিরাজমান। তিনি জীবের মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করেন। তাঁর সৃষ্টির মধ্য দিয়ে আমরা তাঁকে অনুভব করি। সাধকেরা সাধনার মাধ্যমে এবং ভক্তরা ভক্তির মাধ্যমে-তাঁর সান্নিধ্য অনুভব করেন।
ঈশ্বরকে সর্বশক্তিমান বলার কারণ হলো-
১. তিনি সকল শক্তির উৎস।
২. তার ক্ষমতা অসীম।
৩. সমগ্র সৃষ্টি তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন।
উপাসনা শব্দের অর্থ নিকটে বসা। এটি 'উপ' (নিকটে) এবং 'আসন' (বসা) এই দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। এটি একটি নিত্যকর্ম, যা প্রতিদিন সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় করতে হয়।
উপাসনার প্রধান কাজ হলো একাগ্রচিত্তে ভক্তিসহকারে ঈশ্বরের আরাধনা করা ও তাঁকে স্মরণ করা। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছে ঈশ্বরের গুণকীর্তন, পূজা-অর্চনা, স্তব-স্তুতি এবং তাঁর আশীর্বাদ ও সকলের কল্যাণ কামনা করা।
অনেকে একসাথে বসে ঈশ্বরের আরাধনা করাই হলো সমবেত উপাসনা। সমবেত উপাসনায় সবাই একত্রিত হয়। সমবেত উপাসনার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো এতে অংশগ্রহণকারী সকলের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে।
Related Question
View Allঅপরূপ সুন্দর আমাদের এই পৃথিবী।
সব কিছুর একজন স্রষ্টা বা সৃষ্টিকর্তা আছেন।
ঈশ্বর জীবের মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করেন।
ঈশ্বর ও তাঁর সকল সৃষ্টিকে ভালোবাসা আমাদের কর্তব্য।
উপাসনা শব্দের অর্থ নিকটে বসা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!