জীবকে সেবা করলে ঈশ্বর সন্তুষ্ট ও প্রসন্ন হন। যেহেতু ঈশ্বর সকল সৃষ্টির স্রষ্টা এবং সকল জীবের মধ্যে আত্মারূপে বিরাজিত, তাই জীবকে ভালোবাসলে ঈশ্বরের প্রতিই ভালোবাসা প্রকাশ পায়। মূলত সৃষ্টিকে সেবার মাধ্যমেই মানুষ সহজেই ঈশ্বরকে ভালোবাসার পথ - বেছে নিতে পারে।
অমল স্কুলে যাওয়ার পথে দেখতে পায়, একটি বিড়ালছানা গর্তে পড়ে জল-কাদায় মাখামাখি হয়ে করুণ সুরে কাঁদছে। ঠান্ডায় ছানাটির মরণাপন্ন অবস্থা দেখে অমলের মনে খুব মায়া ও দয়ার উদ্রেক হয়। বিড়ালছানাটির প্রাণ বাঁচাতে এবং তাকে সেবা দিয়ে সুস্থ করে তুলতেই অমল তাকে কোলে তুলে নিয়েছিল।
অসহায় জীবের প্রতি আমার প্রধান কর্তব্য হলো তার বিপদে এগিয়ে যাওয়া এবং তাকে সেবা ও মমতা দিয়ে রক্ষা করা। পাঠের শিক্ষা অনুযায়ী, কোনো প্রাণীকে অসহায় অবস্থায় দেখলে তাকে অবহেলা না করে সাধ্যমতো উদ্ধার করা এবং তার প্রতি দয়া প্রদর্শন করা আমার নৈতিক দায়িত্ব।
শ্রীকৃষ্ণ দেখলেন একদল ক্ষুধার্ত বানর ননীর লোভে ঘরের পাশে ঘোরাঘুরি করছে। বন্য প্রাণীদের প্রতি তাঁর মনে গভীর দয়া ও মমতা জেগে ওঠে। তাই তিনি ঘরে জমানো ননী এনে পরম যত্নে বানরদের খাইয়েছিলেন।
শ্রীকৃষ্ণ দেখলেন একদল ক্ষুধার্ত বানর ননীর লোভে ঘরের পাশে ঘোরাঘুরি করছে। বন্য প্রাণীদের প্রতি তাঁর মনে গভীর দয়া ও মমতা জেগে ওঠে। তাই তিনি ঘরে জমানো ননী এনে পরম যত্নে বানরদের খাইয়েছিলেন।
যিনি জীবের প্রতি সদয়, ঈশ্বরও তার প্রতি সদয়'- এই কথাটির অর্থ হলো, জগতের সকল সৃষ্টি ঈশ্বরের ইচ্ছাধীন এবং তিনি দয়ালু ব্যক্তিদের পছন্দ করেন। কেউ যখন অন্য কোনো জীবের প্রতি মমতা দেখায় বা সেবা করে, তখন ঈশ্বর সেই ব্যক্তির ওপর সন্তুষ্ট' হয়ে কৃপা করেন। অর্থাৎ, অন্যের প্রতি করুণা প্রদর্শন করলে নিজের জন্য ঈশ্বরের আশীর্বাদ লাভ করা যায়।
প্রতিটি মানুষ তার নিজের সৃষ্টিকে ভালোবাসেন কারণ তাতে তার ব্যক্তিগত শ্রম, মেধা এবং দীর্ঘ সময়ের সাধনা মিশে থাকে। মানুষ সৃষ্টির মাধ্যমে নিজের চিন্তা ও দক্ষতাকে প্রকাশ করে, যা তাকে সার্থকতা ও মানসিক আনন্দ দেয়। নিজের তৈরি জিনিসের ওপর বিশেষ মমতা ও অধিকারবোধ থাকে বলেই স্রষ্টা তাঁর সৃষ্টিকে সবচেয়ে বেশি আগলে রাখেন।
ঈশ্বর প্রতিটি জীবের মধ্যে আত্মারূপে বিরাজ করেন, তাই জীবের সেবা করার মাধ্যমেই মানুষ ঈশ্বরকে ভালোবাসার পথ বেছে নিতে পারে। স্রষ্টাকে খুশি করার জন্য তাঁর সৃষ্টিকে ভালোবাসা ও রক্ষা করা সবচেয়ে সহজ ও শ্রেষ্ঠ উপায়। জীবে দয়া ও নিঃস্বার্থ সেবার মাধ্যমেই প্রকৃত ধার্মিকতা ফুটে ওঠে যা ঈশ্বরকে পাওয়ার পথ প্রশস্ত করে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allশ্রীকৃষ্ণের বাল্যকাল ছিল অনেক মধুর চপলতায় ভরা।
ঈশ্বর তাঁর প্রত্যেক সৃষ্টিকে ভালোবাসেন 1
সৃষ্টিকে ভালোবাসলে ঈশ্বরের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ পায়।
যিনি জীবের প্রতি সদয় ঈশ্বরও তার প্রতি সদয় হন।
সহমর্মিতা মানুষের অন্যতম নৈতিকগুণ।
শ্রীকৃষ্ণের বাল্যকাল ছিল অনেক মধুর চপলতায় ভরা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!