পার্থ তার সোয়েটার শিশুটিকে দিয়েছিল কারণ শিশুটি শীতে কাঁপছিল। শিশুটির পরনে কোনো শীতের কাপড় ছিল না।
বৃত্রাসুর শিবের তপস্য করত।
দেবতারা বিষ্ণুলোকে ভগবান বিষ্ণুর স্তুতি করলেন।
দেবতারা দধীচি মুনির নিকট তাঁর অস্থি প্রদানের জন্য বিনীত প্রার্থনা করলেন।
দধীচি মুনি তাঁর আত্মত্যাগের জন্য পৃথিবীতে অমর হয়ে আছেন
যুধিষ্ঠিরদের বলা হয় পান্ডব।
দুর্যোধনদের চক্রান্তে পাণ্ডবদের বনে যেতে হয়।
ধৃতরাষ্ট্র জন্মান্ধ ছিলেন।
দ্বৈত বনের প্রান্তে ঘোষ অর্থাৎ গো-পালকদের বাসস্থান।
গন্ধর্ব প্রধান চিত্ররথ দুর্যোধনদের আক্রমণ করলেন।
পরমতসহিষ্ণুতা হলো পারস্পরিক সহাবস্থানের মূলমন্ত্র।
স্বামী বিবেকানন্দ ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে অনুষ্ঠিত বিশ্বধর্ম মহাসভায় বক্তৃতা করেন।
সকলের মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা প্রদর্শনকে পরমতসহিষ্ণুতা বলে।
আমাদের সমাজে বিভিন্ন শ্রেণি, পেশা ও ধর্মের মানুষ রয়েছে।
অন্য ধর্মের প্রতি আমরা প্রন্থা প্রদর্শন করব কারণ-
১. বিভিন্ন ধর্মের আলাদা রীতি-নীতি, আচার-আচরণ ও পদ্ধতি হওয়া সত্ত্বেও আমরা একই সাথে বসবাস করি।
২. সকল ধর্মই মানুষের কল্যাণের কথা বলে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর কয়েকটি ধরন হলো-শারীরিক, মানসিক, আবেগীয়, দৃষ্টি, বাক্, শ্রবণ, বুদ্ধি, অটিজম, ডাউন-সিনড্রোম ইত্যাদি।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষার জন্য সরকার যে ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তা হলো-
(i) প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।
(ii) বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদানের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক সবিতাকে বলেছিলেন, "তুমি শারীরিক সমস্যা জয় করে নিয়মিত স্কুলে যেতে পারবে।"
ত্যাগ হলো নিজের স্বার্থ না দেখে অন্যের স্বার্থ দেখা। কেবল নিজের চিন্তা না করে অন্যের ভালোর জন্য কাজ করা। এটি একটি নৈতিক ও মানবিক গুণ এবং ধর্মেরও অঙ্গ।
যেভাবে ত্যাগ গুণটি অর্জন করা যায় তা হলো-
i. অন্যের ভালোর জন্য কাজ করা।
ii. জীবের কল্যাণের জন্য কাজ করা।
iii. সমাজের মঙ্গলের জন্য কাজ করা।
দধীচি ছিলেন একজন মুনি। তিনি শিবের উপাসনা করতেন এবং তিনি সবসময় জীবের মঙ্গল চিন্তা করতেন। জীবের দুঃখ দূর করার জন্য তিনি শিবের নিকট প্রার্থনা করতেন।
ভগবান বিষ্ণু দেবতাদের দেখা দিয়ে বললেন, "একমাত্র দধীচি মুনির অস্থি দ্বারা নির্মিত অস্ত্রেই বৃত্রাসুর নিহত হবে। তাকে বধ করার জন্য কোনো উপায় নেই।"
দধীচি মুনি যোগবলে দেহত্যাগ করলে দেবতারা দধীচি মুনির দেহ থেকে অস্থি নিয়ে আসেন। স্বর্গের শ্রেষ্ঠ শিল্পী বিশ্বকর্মা অস্থি দিয়ে বজ্রাস্ত্র তৈরি করেন। সেই অস্ত্র দিয়ে দেবরাজ ইন্দ্র বৃত্রাসুরকে হত্যা করেন।
কোনো কিছুর প্রত্যাশা না করে অন্যের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করাই হচ্ছে উদারতা। উদারতা মানুষের একটি মহৎ গুণ। ধর্মের অঙ্গ।
একজন উদার ব্যক্তির তিনটি বৈশিষ্ট্য নিচে লেখা হলো-
i.উদার ব্যক্তি অন্যের ভালোর জন্য, দেশের মঙ্গলের জন্য নিজের স্বার্থ ত্যাগ করেন।
ii.উদার ব্যক্তির নিকট সকল মানুষ সমান।
iii. সবাইকে আপন মনে করেন।
গন্ধর্বরা যখন তাঁদের স্ত্রীদের নিয়ে সরোবরে স্নান উৎসব 'করছিলেন তখন দুর্যোধনরা সেখানে গিয়ে তাদের উৎসবে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ফলে গুন্ধর্বরা রেগে যায়।
দুর্যোধনরা ঘোষযাত্রায় যেতে চেয়েছিল, কারণ তখন পঞ্চপাণ্ডব স্ত্রী দ্রৌপদীসহ দ্বৈতবনে বাস করছিলেন। তাঁরা দেখতে চেয়েছিলেন, বনবাসে থাকা পাণ্ডবেরা কতটা দুঃখ-কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। পাণ্ডবরা দুঃখ-কষ্টে থাকলেই দুর্যোধনের মনে শান্তি আসত।
পরমতসহিষ্ণুতা হলো অন্যের মত প্রকাশের সুযোগ দেওয়া বা অন্যের বাস্বাধীনতাকে গুরুত্ব দেওয়া। এটি মানুষকে অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শেখায়, তাই এটিকে মানুষের একটি নৈতিক গুণ বলা হয়।
পরমত সহিষ্ণুতা সম্পর্কে নিচে তিনটি বাক্য লেখা হলো-
i. পরমতসহিষ্ণুতা মানুষের একটি নৈতিক গুণ।
ii. এটি ধর্মেরও অঙ্গ।
iii. এটি আমাদের অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শেখায়।
যারা শারীরিকভাবে স্বাভাবিক নয়, তারা হলো বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু। আমাদের চারপাশে বিভিন্ন ধরনের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু রয়েছে। যেমন- শারীরিক, মানসিক আবেগীয়, দৃষ্টি, বাকশ্রবণ, বুদ্ধি, অটিজম, ডাউন-সিনড্রোম ইত্যাদি।
আমরা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের প্রতি যেভাবে সহমর্মিতা প্রকাশ করব তা হলো-
১. তাদের ভালোবাসব।
২. তাদের সঙ্গে খেলা করব।
৩. বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের নিয়ে অংশগ্রহণ করব।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allত্যাগ একটি নৈতিক ও মানবিক গুণ।
পার্থ চতুর্থ শ্রেণির একজন ছাত্র।
তিনি সবসময় জীবের মঙ্গল চিন্তা করতেন।
দধীচি মুনি জীবের দুঃখ দূর করার জন্য শিবের নিকট প্রার্থনা করতেন।
দুর্যোধনদের বলা হয় কৌরব ।
ধৃতরাষ্ট্র দুর্যোধনের পিতা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!