সংবাদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। 

বিবিসি বাংলার খবর: রমজান মাসে রাজধানীর বাসাবোর ধর্মরাজিক বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের কাছে থেকে প্রতিদিন ইফতার নেন কয়েকশ দরিদ্র্য মুসলিম নর-নারী। ভিক্ষুদের ধর্মীয়গুরু শুদ্ধানন্দ মহাথেরো ১৬ বছর ধরে এ ইফতার বিতরণ কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। যেদিন তিনি দেখেছেন অনেক দরিদ্র মানুষ সারাদিন রোজা রেখে সন্ধ্যায় শুধু পানি বা শুকনা মুড়ি দিয়ে ইফতার করে, তখন থেকেই তিনি মন্দিরের ফান্ড থেকে এই ইফতার বিতরণ শুরু করেন।

Updated: 9 months ago
395

Related Question

View All
উত্তরঃ

 

মাহমুদা এবং তার মতো অসহায় ভূমিহীন পরিবারগুলোর সমস্যাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং তা সমাধান করার জন্য একটি কার্যকরী এবং মানবিক কৌশল প্রয়োজন। নিচে কিছু করণীয় পদক্ষেপ উল্লেখ করা হলো যা মাহমুদাদের সরকারি খাসজমি বন্দোবস্তের অধিকার রক্ষায় সহায়ক হতে পারে:

১. আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ

  • আইনি সহায়তা: মাহমুদা এবং অন্যান্য ভূমিহীন পরিবারগুলোর উচিত স্থানীয় বা জাতীয় পর্যায়ে আইনি সহায়তা গ্রহণ করা। সরকারী নীতিমালা এবং খাসজমি বন্দোবস্ত সংক্রান্ত আইনি বিধানগুলি সম্পর্কে অবহিত হয়ে সঠিক আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি।
  • মানবাধিকার সংগঠনের সাহায্য নেওয়া: জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সাহায্য গ্রহণ করে আইনি লড়াই শক্তিশালী করা যেতে পারে।

২. প্রচার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি

  • মিডিয়া কভারেজ: বিষয়টি প্রচার করার জন্য সংবাদমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ার সহায়তা নেওয়া যেতে পারে। গণমাধ্যমে এ বিষয়ের প্রচার ঘটানো হলে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি হবে এবং জনমত গঠনে সহায়ক হবে।
  • অবস্থান ও প্রতিবাদ কর্মসূচি: শান্তিপূর্ণভাবে সংগঠিত অবস্থান কর্মসূচি এবং প্রতিবাদ মিছিলের মাধ্যমে জনমত তৈরি করা যেতে পারে। এতে স্থানীয় এবং জাতীয় পর্যায়ে সমর্থন পাওয়া সম্ভব।

৩. স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সংলাপ

  • প্রশাসনিক সহযোগিতা: স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বৈঠকের মাধ্যমে তাদের সহানুভূতিশীল সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করা যেতে পারে। সঠিকভাবে তথ্য উপস্থাপন এবং দাবিগুলো তুলে ধরা গুরুত্বপূর্ণ।
  • সামাজিক প্রতিনিধি নির্বাচন: মাহমুদাদের পক্ষ থেকে একজন বা একাধিক সামাজিক প্রতিনিধি নির্বাচিত করে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

৪. সহায়ক সংস্থা ও এনজিওর সহযোগিতা

  • এনজিওর সমর্থন: যেসব এনজিও ভূমিহীনদের অধিকার নিয়ে কাজ করে, তাদের সহায়তা গ্রহণ করলে এই আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করা যেতে পারে। তারা প্রয়োজনীয় আইনি এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে পারে।
  • অর্থনৈতিক সহায়তা ও কর্মশালা: এনজিওরা বিভিন্ন কর্মশালার মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিকল্প আয়ের উৎস সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিতে পারে।

উপসংহার

মাহমুদা এবং অন্যান্য ভূমিহীনদের উচিত একতাবদ্ধ থেকে সাহসের সঙ্গে তাদের অধিকার রক্ষায় এগিয়ে আসা। স্থানীয় প্রশাসন, এনজিও, এবং জনমত তৈরি করে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব। এটি সঠিক উদ্যোগ এবং সংহতির মাধ্যমে বাস্তবায়িত করা যেতে পারে।

493
উত্তরঃ

কবিতাংশটি "আমি বাংলায় গান গাই" কবিতার সাথে 'তোমরা যেখানে সাধ' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকগুলি নিম্নরূপ:

ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি প্রেম: উভয় কবিতায় বাংলার ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর ভালবাসা প্রকাশিত হয়েছে। "আমি বাংলায় গান গাই" কবিতার মাধ্যমে কবি বাংলা ভাষার গুরুত্ব এবং তার আবেগময় চেতনা প্রকাশ করেছেন। একইভাবে, "তোমরা যেখানে সাধ" কবিতায়ও বাংলা ভাষার প্রতীক হিসেবে সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত মূল্যবোধকে তুলে ধরা হয়েছে।

জাতীয় পরিচয়: উভয় কবিতা আমাদের জাতীয় পরিচয়ের সাথে যুক্ত। "আমি বাংলায় গান গাই" কবিতায় কবি বাংলার সাথে নিজের আত্মপরিচয় খুঁজে পান, যা আমাদের জাতীয়তাবোধকে জাগ্রত করে। "তোমরা যেখানে সাধ" কবিতায়ও জাতীয়তা এবং সংহতির অনুভূতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

স্বপ্ন ও আশা: "আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন" লাইনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে কবি বাংলাকে কেবল একটি স্থান হিসেবে নয়, বরং একটি স্বপ্নের জগত হিসেবে দেখছেন। "তোমরা যেখানে সাধ" কবিতাতেও একটি উচ্চতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার, স্বপ্নের প্রতি আগ্রহ ও আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করা হয়েছে।

সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন: উভয় কবিতা সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের গূঢ় অর্থ বহন করে। "আমি বাংলায় গান গাই" কবিতায় কবি বাংলার জন্য আত্মত্যাগের কথা বলেন, যা জাতীয়তার চেতনা ও সংগ্রামের সাথে সম্পর্কিত। "তোমরা যেখানে সাধ" কবিতাতেও সংগ্রামী মনোভাব এবং মুক্তির সংগ্রাম প্রকাশিত হয়েছে।

সুতরাং, উভয় কবিতা বাংলার প্রতি প্রেম, জাতীয় পরিচয়, আশা ও সংগ্রামের মর্মার্থকে সাদৃশ্যপূর্ণভাবে তুলে ধরেছে, যা বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।

619
(২০)

সময়টা ০৫ই আগস্ট, ২০২৪। স্বৈরশাসকের পতনের একদফা দাবীতে উত্তাল ঢাকা। গেন্ডারিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র শাহরিয়ার খান আনাস আন্দোলনে যোগ দিতে একটি চিঠি লিখে বাসা থেকে বের হয়। কিন্তু চানখারপুল এলাকায় পুলিশের গুলিতে ঝাঁঝরা হয় তার বুক। চিঠিতে আনাস লিখেছিল-

"মা, আমি মিছিলে যাচ্ছি। আমি নিজেকে আর আটকিয়ে রাখতে পারলাম না। সরি আব্বুজান। তোমার কথা অমান্য করে বের হলাম। স্বার্থপরের মতো ঘরে বসে থাকতে পারলাম না। আমাদের ভাইরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে রাজপথে নেমে সংগ্রাম করে যাচ্ছে, অকাতরে নিজেদের জীবন বিসর্জন দিচ্ছে, একটি প্রতিবন্ধি কিশোর, ৭ বছরের বাচ্চা, ল্যাংড়া মানুষও যদি সংগ্রামে নামতে পারে, তাহলে আমি কেনো বসে থাকবো ঘরে। একদিন তো মরতে হবেই। ভাই মৃত্যুর ভয় করে স্বার্থপরের মতো ঘরে বসে না থেকে সংগ্রামে নেমে গুলি খেয়ে বীরের মতো মৃত্যুও অধিক শ্রেষ্ঠ। যে অন্যের জন্য নিজের জীবনকে বিলিয়ে দেয় সেই প্রকৃত মানুষ। আমি যদি বেঁচে না ফিরি তবে কষ্ট না মেয়ে গর্বিত হয়ো। জীবনের প্রতিটি ভুলের জন্য ক্ষমা চাই।" 

আনাস

316
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

সময়টা ০৫ই আগস্ট, ২০২৪। স্বৈরশাসকের পতনের একদফা দাবীতে উত্তাল ঢাকা। গেন্ডারিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র শাহরিয়ার খান আনাস আন্দোলনে যোগ দিতে একটি চিঠি লিখে বাসা থেকে বের হয়। কিন্তু চানখারপুল এলাকায় পুলিশের গুলিতে ঝাঁঝরা হয় তার বুক। চিঠিতে আনাস লিখেছিল-

"মা, আমি মিছিলে যাচ্ছি। আমি নিজেকে আর আটকিয়ে রাখতে পারলাম না। সরি আব্বুজান। তোমার কথা অমান্য করে বের হলাম। স্বার্থপরের মতো ঘরে বসে থাকতে পারলাম না। আমাদের ভাইরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে রাজপথে নেমে সংগ্রাম করে যাচ্ছে, অকাতরে নিজেদের জীবন বিসর্জন দিচ্ছে, একটি প্রতিবন্ধি কিশোর, ৭ বছরের বাচ্চা, ল্যাংড়া মানুষও যদি সংগ্রামে নামতে পারে, তাহলে আমি কেনো বসে থাকবো ঘরে। একদিন তো মরতে হবেই। ভাই মৃত্যুর ভয় করে স্বার্থপরের মতো ঘরে বসে না থেকে সংগ্রামে নেমে গুলি খেয়ে বীরের মতো মৃত্যুও অধিক শ্রেষ্ঠ। যে অন্যের জন্য নিজের জীবনকে বিলিয়ে দেয় সেই প্রকৃত মানুষ। আমি যদি বেঁচে না ফিরি তবে কষ্ট না মেয়ে গর্বিত হয়ো। জীবনের প্রতিটি ভুলের জন্য ক্ষমা চাই।" 

আনাস

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews