সংবিধান রাষ্ট্রের দর্পণ হওয়ায় সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার সাথে সংগতি রেখে এতে সংশোধনী আনয়ন করা হয়। বাংলাদেশের সংবিধানের একটি সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদকে নিয়মতান্ত্রিক করে উপ-রাষ্ট্রপতির পদকে বিলুপ্ত করা হয়। এ সংশোধনী অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী প্রকৃত নির্বাহী হয়ে উঠেন এবং আইন বিভাগের নিকট শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত হয়।

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বলতে বুঝায় একটি সরকারের ফার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় থেকে নতুন একটি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পূর্ববর্তী সময়ে রাষ্ট্রের প্রশাসন পরিচালনায় নিয়োজিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সাধারণত যেকোনো প্রতিষ্ঠিত সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্ব পর্যন্ত বিদায়ী সরকারের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালনের প্রথা লক্ষণীয়। এ স্বল্পস্থায়ী সরকার দৈনন্দিন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করে এবং নীতি নির্ধারণী কার্যক্রম থেকে বিরত থাকে, যাতে এ সরকারের কার্যাবলি নির্বাচনের ফলাফলে কোনো প্রভাব সৃষ্টি না করে। এ সরকার একটি অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিশ্চিত করার জন্য নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রশ্নে উল্লিখিত উক্ত সংশোধনী বলতে বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীকে বোঝানো হয়েছে। এ সংশোধনীর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-

প্রথমত, বাংলাদেশ সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদে প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে শব্দগুলো সন্নিবেশিত হয়।
দ্বিতীয়ত, দ্বাদশ সংশোধনী আইনে সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম ও ২য় পরিচ্ছেদ সংশোধন করে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন যিনি সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবেন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী তিনি সকল কাজ করবেন। তার কার্যকাল হবে পাঁচ বছর। তাছাড়া সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর অসদাচরণের জন্য তিনি জাতীয় সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যদের ভোটে অভিশংসিত হয়ে অপসারিত হবেন।
তৃতীয়ত, দ্বাদশ সংশোধনী (১৫২ অনুচ্ছেদের সংশোধন) আইন দ্বারা
উপরাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্ত করা হয়। এক্ষেত্রে বিধান করা হয় কোনো কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে জাতীয় সংসদের স্পিকার অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। চতুর্থত, স্বাদশ সংশোধনী অনুযায়ী সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রকৃত শাসক ও সরকার প্রধানে পরিণত হন। জাতীয় সংসদের অধিকাংশ সদস্যদের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশে একটি মন্ত্রিসভা গঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে দেশের সকল নির্বাহী ক্ষমতা পরিচালিত হবে।
পঞ্চমত, দ্বাদশ সংশোধনী দ্বারা উপপ্রধানমন্ত্রীর পদ বিলোপ ঘোষণা করা হয়।
ষষ্ঠত, সংবিধানের ৭২ নং অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বলা হয় জাতীয় সংসদের অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ষাট দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকবে না। এছাড়া ৭০ নং এবং ১৪৫ এর (ক) অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

'উত্ত সংশোধনীটি অর্থাৎ দ্বাদশ সংশোধনী বাংলাদেশের সরকার ও শাসনব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন সাধন করেছিল' মন্তব্যটি যথার্থ।
বাংলাদেশে সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিকাশে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী একটি গুরুত্বপূর্ণ পদেক্ষপ। এ সংশোধনীর ফলে দেশে ১৭বছর পর আবার সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। দ্বাদশ সংশোধনী আইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে পুনরায় সংসদীয় ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। এ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় রীতি অনুসারে প্রকৃতপক্ষে প্রধানমন্ত্রী সকল নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী হয়ে ওঠেন। তিনিই হন সরকার প্রধান। এ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদকে নিয়মতান্ত্রিক করা হয়। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত করা হয় এবং উপ-রাষ্ট্রপতি পদ বিলুপ্ত করা হয়।
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আইনের ৫৯ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয় যে, আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের ওপর প্রজাতন্ত্রের প্রতিটি প্রশাসনিক একাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হবে। ৬০ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়, জাতীয় সংসদ স্থানীয় শাসনসংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে প্রয়োজনে কর আরোপ করার ক্ষমতাসহ বাজেট প্রস্তুতকরণ ও নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করবে।
আলোচনা শেষে বলা যায়, প্রকৃতপক্ষে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ এবং স্থানীয় শাসনের গঠন, ক্ষমতা ও কার্যাবলির ক্ষেত্রে ব্যাপক সংশোধন ও পরিবর্তন আনয়ন করে সমগ্র সরকার ও শাসনব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন সাধন করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
36

Related Question

View All
উত্তরঃ

মৌলিক অধিকার বলতে রাষ্ট্রপ্রদত্ত সেসব সুযোগ-সুবিধাকে বোঝায় যা ব্যতীত নাগরিকদের ব্যক্তিত্বের বিকাশ সম্ভব নয়।
মানুষের ব্যক্তিত্ব ও মেধা বিকাশের জন্য একান্তভাবে অপরিহার্য যে সকল অধিকার রাষ্ট্র কর্তৃক বলবৎ হয় সেইগুলোই মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। মৌলিক অধিকার ব্যতীত সভ্য জীবনযাপন করা সম্ভব নয়। সকল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেই জনগণের মৌলিক অধিকারসমূহ তাদের শাসনতন্ত্রে সন্নিবেশিত থাকে। গণতান্ত্রিক সমাজের মূলভিত্তি হলো মৌলিক অধিকার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
200
উত্তরঃ

হ্যাঁ, উদ্দীপকের সংবিধানের সাথে আমার পঠিত বাংলাদেশের সংবিধানের সাদৃশ্য রয়েছে।
প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্রেরই একটি সংবিধান থাকে। কারণ সংবিধানের ভিত্তিতেই একটি রাষ্ট্রের সকল কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। এ কারণেই স্বাধীনতার পর পরই বাংলাদেশের একটি সংবিধান প্রণীত হয়। এই সংবিধানের বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলনই 'ক' রাষ্ট্রের সংবিধানের ক্ষেত্রে লক্ষণীয়।

উদ্দীপকে 'ক' রাষ্ট্রটি স্বাধীনতা লাভের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। এর মূলনীতি হিসেবে যে বিষয়গুলোকে পণ্য করা হয় সেগুলো হলো জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। বাংলাদেশের সংবিধানের ক্ষেত্রেও এ বিষয়গুলো দৃষ্টিগোচর হয়। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। আর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। এরপর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বদেশে ফিরে আসেন। দেশে ফেরার পর পরই তিনি স্বাধীন রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য অনতিবিলম্বে সংবিধান প্রণয়নে মনোনিবেশ করেন। ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন। ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর এটি গণপরিষদ কর্তৃক চূড়ান্তভাবে গৃহীত হয়। এই সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ৪টি বিষয়কে নির্দিষ্ট করা হয়। এগুলো হলো বাঙালি জাতির ঐক্য ও সংহতির ভিত্তিতে গড়ে ওঠা বাঙালি জাতীয়তাবাদ। শোষণহীন সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার লক্ষ্যে সমাজতন্ত্র। মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান এবং জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার লক্ষ্যে গণতন্ত্র। সকল প্রকার সাম্প্রদায়িকতা বিলোপ ও সকল ধর্মের মানুষের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ধর্মনিরপেক্ষতা। এ আলোচনা থেকে বাংলাদেশের সংবিধান এবং 'ক' রাষ্ট্রের সংবিধানের সাদৃশ্য প্রমাণিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
173
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত সংবিধান অনুযায়ী অর্থাৎ বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী 'জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস'- বক্তব্যটি যথার্থ।

বাংলাদেশ সংবিধানের একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এ সংবিধানে জনগণের সার্বভৌমত্বকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। সংবিধানে বলা হয়েছে- 'জনগণই সকল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার উৎস'। জনগণ প্রত্যক্ষভাবে প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পরিচালনা করবে। অর্থাৎ এ সংবিধানে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন রয়েছে। গণতন্ত্রকে রাষ্ট্রের অন্যতম মূল চালিকাশক্তি হিসেবে ঘোষণা করে সংবিধানের ১১নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে। প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে।

বাংলাদেশের সংবিধানে জনগণের ক্ষমতায়ন স্বীকার করে নেয়ার পাশাপাশি মৌলিক অধিকারকেও প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। আইন ব্যতীত এমন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না যাতে ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, দেহ, সুনাম বা সম্পত্তির হানি ঘটে। সর্বক্ষেত্রে জনগণের ক্ষমতায়ন হলেও দেশ আইনের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। আইনের দ্বারা প্রত্যেক নাগরিকের সম্পত্তি অর্জন, ধারণ, হস্তান্তর ও অন্যভাবে বিধিব্যবস্থা করার অধিকার থাকবে। জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসংগত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে দেশের সর্বত্র অবাধে চলাফেরা, এর যে কোনো স্থানে বসবাস, শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হওয়ার, শোভাযাত্রায় যোগদান করার অধিকার সকলের থাকবে।
পরিশেষে বলা যায়, গণতন্ত্রের মূল কথাই হচ্ছে জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। এর প্রতি অদম্য স্পৃহাই বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা সংগ্রামে অনুপ্রাণিত করেছিল। তাই সংবিধানে গণতন্ত্র তথা জনগণের ক্ষমতায়নকে রাষ্ট্রের অন্যতম মূল স্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
159
উত্তরঃ

প্রজাতন্ত্রের কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মের শর্তাবলি, নিয়োগ, বদলি, বরখাস্ত বা অবসর, অর্থদণ্ড, কর্মের মেয়াদ ইত্যাদি যে প্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করে তাকে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
229
উত্তরঃ

তৃনমূল পর্যায়ে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন অত্যন্ত জরুরি। কোনো এলাকার সমস্যা স্থানীয় সরকারই ভালোভাবে উপলব্ধি করতে এবং সে অনুযায়ী সমাধানের ব্যবস্থাও দ্রুততার সাথে গ্রহণ করতে পারে। এমনকি 'স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন সমস্যা সমাধান এবং কার্যক্রমের মাধ্যমে তৃনমূল পর্যায়ে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটায়। এসব প্রতিষ্ঠান গণতন্ত্রের খুঁটিস্বরূপ এবং এগুলোর মাধ্যমে গণতন্ত্র বিকশিত হয়। তাই বলা যায়, আধুনিককালে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের গুরুত্ব অপরিসীম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
172
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews