সংসার-জীবনে নারীর প্রধান ভূমিকা সংসার পরিচালনা করা।
সংসার-জীবনে নারী মা, বোন, কন্যা, ভাবি, চাচি, ফুফু, খালা, নানি, দাদির ভূমিকা পালন করে। এর পাশাপাশি সংসার পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পালন করে থাকে। সন্তান জন্মদান ও তার লালন-পালনের দায়িত্ব নারীকেই পালন করতে হয়। সংসারের সবার প্রয়োজনের দিকে খেয়াল রাখা, তাদের সকল চাহিদা পূরণ করা নারীর অন্যতম কাজ। এ সকল কাজের মাধ্যমে একজন নারী সংসার-জীবনে তার প্রধান ভূমিকা পালন করে থাকে।
Related Question
View Allবেগম রোকেয়া নারী ও পুরুষকে একটি গাড়ির দুটি চাকার সাথে তুলনা করেছেন।
হাফিজা কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমানাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
বাংলাদেশের সংবিধানে নারী-পুরুষের সমানাধিকারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। সমানাধিকার বলতে পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র অর্থাৎ জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে পুরুষের পাশাপাশি নারীর সমান অধিকারের কথা বোঝানো হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা, চাকরি বা কর্মসংস্থান, বেতন বা মজুরি সব ব্যাপারেই নারী ও পুরুষ সমান সুযোগ লাভ করবে। কোনো অবস্থাতেই নারীর প্রতি কোনো বৈষম্য করা যাবে না।
উদ্দীপকের হাফিজা সংসারের অভাব দূর করতে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ নেন। সপ্তাহ শেষে মজুরি গ্রহণের সময় মালিক তাকে দৈনিক ৩০০ টাকা হারে মজুরি দেয়। অথচ একই কাজের জন্য পুরুষ শ্রমিকদের ৪০০ টাকা হারে দৈনিক মজুরি দেওয়া হয়। হাফিজা এর প্রতিবাদ করলে মালিক তাকে কাজে আসতে নিষেধ করে। সংবিধান অনুযায়ী কর্মক্ষেত্রে মজুরির ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের অধিকার সমান হলেও হাফিজা তার সে অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তাই বলা যায়, হাফিজা কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমানাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
হাফিজার মতো নারীদের অধিকার আদায়ে শিক্ষার বিস্তার ও নারী অধিকার সর্ম্পকে সচেতনতা সৃষ্টি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
বাংলাদেশের সংবিধানে নারী-পুরুষের সমানাধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশের নারীরা তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন নয়। এর ফলে তারা নানা রকম বৈষম্যের শিকার হয়। এছাড়া নেতিবাচক সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণেও সমাজের পুরুষ সদস্যরা নারীদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে। তাই এ সকল নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করতে প্রয়োজন সচেতনতা সৃষ্টি।
নারীর প্রতি মানুষের ধারণা ইতিবাচক হলে তারা তাদের প্রাপ্য অধিকার পাবে। তাদের সাথে কোনোরকম বৈষম্যমূলক আচরণ করা হবে না। নারীরা যদি শিক্ষিত হয়ে ওঠে তাহলে তারা তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হবে। তখন তাদের সাথে কোনো বৈষম্যমূলক আচরণ করা যাবে না। এছাড়া শিক্ষিত নারী অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে। বরং অশিক্ষা, অজ্ঞতা ও অসচেতনতার কারণে হাফিজার মতো নারীরা বিভিন্ন বৈষম্যের শিকার হয়। তাই তাদের মতো নারীদের অধিকার আদায়ের জন্য প্রয়োজন শিক্ষা বিস্তার ও সচেতনতা সৃষ্টি।নারীর প্রতি মানুষের ধারণা ইতিবাচক হলে তারা তাদের প্রাপ্য অধিকার পাবে। তাদের সাথে কোনোরকম বৈষম্যমূলক আচরণ করা হবে না। নারীরা যদি শিক্ষিত হয়ে ওঠে তাহলে তারা তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হবে। তখন তাদের সাথে কোনো বৈষম্যমূলক আচরণ করা যাবে না। এছাড়া শিক্ষিত নারী অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে। বরং অশিক্ষা, অজ্ঞতা ও অসচেতনতার কারণে হাফিজার মতো নারীরা বিভিন্ন বৈষম্যের শিকার হয়। তাই তাদের মতো নারীদের অধিকার আদায়ের জন্য প্রয়োজন শিক্ষা বিস্তার ও সচেতনতা সৃষ্টি।
তাই বলা যায়, শিক্ষার বিস্তার ও সচেতনতা সৃষ্টি হাফিজার মতো নারীদের অধিকার আদায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
সাধারণত ষাটোর্ধ্ব বয়সের মানুষরাই প্রবীণ।
বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কল্যাণ সমিতি প্রবীণদের ক্ষেত্রে নানা ধরনের কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কল্যাণ সমিতি প্রবীণদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা অনুদানসহ বিনা সুদে ঋণ প্রদান করে থাকে। এছাড়া প্রবীণরা যাতে সমাজে সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে পারে সেজন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে।
ছিদ্দিকা খাতুনের সমস্যাটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সমস্যা।
একসময় আমাদের দেশে প্রবীণদের প্রতি যে সম্মান দেখানো হতো বা তাদের মতামতকে যতটা গুরুত্ব দেওয়া হতো, আজ আর তা দেখা যায় না। এর পেছনে সমাজে মূল্যবোধের বিপর্যয়, নৈতিক শিক্ষার অভাব, বিদেশি সংস্কৃতির প্রভাব, আত্মকেন্দ্রিক মনোভাবের প্রসার ইত্যাদি বিভিন্ন কারণ কাজ করছে। বর্তমানে পরিবার ও সমাজে প্রবীণদের অনেকটাই অপ্রয়োজনীয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। তাদের পাশে বসে কিছু শোনার সময় যেন কারও নেই। অবসর যাপন বা চিত্তবিনোদনের সুযোগও তাদের নেই বললেই চলে। প্রবীণদের এ ধরনের সমস্যাগুলো সামাজিক-সাংস্কৃতিক সমস্যার অন্তর্ভুক্ত।
উদ্দীপকের ৭০ বছরের ছিদ্দিকা খাতুনের সাথে কথা বলার সময় তার ছেলেমেয়েদের নেই। এমনকি তার নাতনির বিয়ের সময় তার মতামত জিজ্ঞাসা করা হয় না। পাঠ্যবইয়ে প্রবীণদের এ ধরনের সমস্যাকে সামাজিক-সাংস্কৃতিক সমস্যা হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। তাই বলা যায়, ছিদ্দিকা খাতুন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!