মানুষের শৈশবকালের মেয়াদ জন্মের পর থেকে পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত।
জিন বংশ থেকে বংশে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য বহন করে। এসব বৈশিষ্ট্য প্রত্যেক জীবের যার যার বংশ অনুযায়ী আলাদা রকমের হয়ে থাকে। এ কারণে এক ধরনের জীবের সাথে অন্য ধরনের জীবের মিল পাওয়া যায় না। তবে নিজ নিজ বংশের জীবে বৈশিষ্ট্যের মিল্ল থাকে। এই বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে বলেই জিনকে জীবজগতের বৈশিষ্ট্যের নিয়ন্ত্রক বলা হয়।
সখিনার বয়স ১২ বছর হওয়ায় সে বয়ঃসন্ধিকাল অতিক্রম করছে। এ সময়ে তার যেসব মানসিক পরিবর্তন দেখা দিতে পারে সেগুলো নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
অন্যের, বিশেষ করে নিকটজনের মনোযোগ, যত্ন ও ভালোবাসা পাওয়ার ইচ্ছা তীব্র হয়। আবেগ দ্বারা চালিত হওয়ার প্রবণতা দেখা দেয় এবং নানা বিষয়ে কৌতুহল সৃষ্টি হয়। এ সময়ে যৌন বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা শুরু করে এবং বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ বাড়ে। জীবনকালে গুরুত্বপূর্ণ এ সময়ে মানসিক পরিপক্কতার পর্যায় শুরু হয়। পরনির্ভরতার মনোভাব পরিবর্তিত হয়ে আত্মনির্ভর হওয়ার চেষ্টা করে।
রুমানা অল্প বয়সে গর্ভবতী হওয়ায় তার মানসিক ও শারীরিক বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে।
অপরিণত বয়সে কোনো মেয়ের মা হওয়ার মতো মানসিক পরিপক্কতা ও শারীরিক পূর্ণতা থাকে না। ফলে কম বয়সী মেয়েরা গর্ভধারণ করলে নানারকম প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়। রুমানা ২০ বছর বয়সের আগে গর্ভবতী হওয়ায় তার সন্তান ধারণ এবং সন্তান জন্ম দেওয়া সম্পর্কে সঠিক ধারণা নেই। এই অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের ফলে গর্ভাবস্থায় রক্তক্ষরণ, শরীরে পানি আসা, খুব বেশি ব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা, গর্ভপাত ইত্যাদি ঘটতে পারে। এসময়ে গর্ভে সন্তান আসলে সন্তানের বেড়ে ওঠার জন্য গর্ভে পর্যাপ্ত জায়গা থাকে না। ফলে কম ওজনের শিশু জন্ম নেবে। এসব শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। অল্প বয়সে গর্ভধারণ করার ফলে তার মানসিক চাপ বেড়ে যাবে
এবং সে অশান্তিতে ভুগবে। সুস্থভাবে কাজ কর্ম করতে না পারার ফলে পরিবারে অশান্তি নেমে আসবে। গর্ভধারণের নয় মাস পুরো সময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হয়। এ সময়ে জটিল কোনো সমস্যা দেখা দিলে বার বার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হয়। এতে চিকিৎসক ও ঔষধপত্রের জন্য বেশ অর্থের প্রয়োজন হবে। ফলে আর্থিক অস্বচ্ছলতা দেখা দেবে। এছাড়া অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের ফলে লজ্জায় বিদ্যালয়ে যেতে চাইবে না। ফলে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়বে।
Related Question
View All"জীবন্ত জীবাশ্ম" বলতে এমন কিছু জীবিত অর্গানিজম বোঝায় যাদের বিশেষ কোনো বৈশিষ্ট্যের কারণে তারা জীবাশ্মের মতো দেখায় কিন্তু তারা আসলে জীবিত। এটি সাধারণত কিছু প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণীকে নির্দেশ করে, যেমন:
মরীচিকা জীবাশ্ম (Living Fossils): কিছু জীবন্ত প্রজাতি, যেমন গিঞ্জো গাছ বা কোয়ালাক্যান্থ মাছ, যারা অনেক পুরানো জীবাশ্মগুলোর সাথে অতি সাদৃশ্যপূর্ণ, কিন্তু তারা আজও জীবিত।
বিশেষ পরিবেশে টিকে থাকা জীব: কিছু প্রজাতি যেমন সামুদ্রিক জীব বা এডাপটিভ প্রজাতি যে পরিবেশ পরিবর্তনের প্রতি খুব কম সাড়া দেয়, তারা আজও টিকে আছে এবং জীবাশ্মের মতো দেখতে পারে।
এটি একটি গবেষণার বিষয় হিসেবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি জীববৈচিত্র্য এবং প্রজাতির বিবর্তন সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য সরবরাহ করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!