যিনি গৃহ ব্যবস্থাপনার প্রধান দায়িত্বে থাকেন, তাকে গৃহ ব্যবস্থাপক বলে।
পারিবারিক সংকটকালে গৃহ ব্যবস্থাপকের নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রাখাকেই আত্মসংযম বা আত্মপরিচালনা বলে।
একজন সুব্যবস্থাপকের আত্মসংযমী' হওয়া একান্ত প্রয়োজন। আত্মসংযম ক্ষমতা থাকলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখা সহজ হয়। পরিবারে অনেক সময় সদস্যদের মধ্যে নানা রকম ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে সম্পর্কের অবনতি হওয়ার আশঙ্কা থাকতে পারে। এ রকম পরিস্থিতিতে গৃহ ব্যবস্থাপক উত্তেজিত না হয়ে নিজেকে সংযত রেখে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেন। এতে করে পারিবারিক সম্পর্ক বজায় থাকে।
শিখার মধ্যে গৃহ ব্যবস্থাপকের অভিযোজ্যতা গুণটি বিদ্যমান।
গৃহ ব্যবস্থাপককে অনুশীলনের মাধ্যমে কতগুলো গুণের অধিকারী হতে হয়। কারণ গৃহ ব্যবস্থাপক হচ্ছেন গৃহের যাবতীয় কর্মকান্ডের মূল কেন্দ্রবিন্দু। তার ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভর করে পারিবারিক সুখ-শান্তি। যেকোনো পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নিজেকে খাপ খাওয়ানোকে অভিযোজ্যতা বলা হয়। গৃহ ব্যবস্থাপকের এই গুণটি থাকা প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ-বাড়িতে কেউ অসুস্থ হলে সময়মতো চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। তার সেবাযত্ন করতে হয়। এ ধরনের পরিবর্তিত অবস্থার সাথে অভিযোজন করে যাবতীয় কাজ সমাধা করতে হয়।
সচ্ছল পরিবারের শিখা উচ্চ শিক্ষিত। তার মধ্যে অভিযোজ্যতা গুণ রয়েছে বলে তিনি শ্বশুর বাড়ির পরিবেশে মানিয়ে নিয়েছেন। তিনি অসুস্থ শাশুড়ির পরিচর্যাসহ সকল কাজ, এমনকি পরিবারের অসুস্থ ব্যক্তিকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বও পালন করেন।
সুতরাং, উদ্দীপকে শিখার মধ্যে অভিযোজ্যতা গুণটি পূর্ণমাত্রায় রয়েছে।
পরিবারে শান্তি আনয়নে তন্বীর আত্মসংযম গুণটি প্রয়োজন। স্বাভাবিকভাবে জীবন চলার মাঝে পরিবারে বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। পারিবারিক সংকটকালে নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রাখাটাই আত্মসংযম। একজন সুব্যবস্থাপকের আত্মসংযমী হওয়া একান্ত প্রয়োজন।
আত্মসংযম গুণের মাধ্যমে অনেক কঠিন সমস্যার সমাধান করা যায়। আত্মসংযম ক্ষমতা থাকলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখা সহজ হয়। পরিবারে অনেক সময় সদস্যদের মধ্যে নানা রকম ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে সম্পর্কের অবনতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ রকম পরিস্থিতিতে গৃহ ব্যবস্থাপক উত্তেজিত না হয়ে নিজেকে সংযত রেখে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেন। ফলে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে পরিবারে শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়। অন্যদিকে সংসারের সকল কাজে নিজের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটালে সংসারে অশান্তি লেগে থাকে। যেমন- উদ্দীপকে স্বল্প শিক্ষিত তন্বীর ক্ষেত্রে হয়েছে। সুতরাং পরিবারে শান্তি আনয়নে তন্বী আত্মসংযমী হওয়া উচিত ছিল বলে আমি মনে করি।
Related Question
View Allগৃহে যাবতীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু গৃহ ব্যবস্থাপক।
গৃহের সকল কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য সুষ্ঠু কর্মব্যবস্থা সৃষ্টি করা প্রয়োজন।
পরিবারের সদস্যদের শক্তি, সামর্থ্য, বয়স, কর্মস্পৃহা ইত্যাদির ভিত্তিতে কাজগুলোকে তাদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার মাধ্যমেই সুষ্ঠু কর্মব্যবস্থা নিশ্চিত হয়।
সন্তানদের লেখাপড়ার ব্যাপারে সানজিদা খাতুনের যে গুণটি প্রকাশ পেয়েছে তা হলো পরিবারের সদস্যদের জন্য কাজের উপযুক্ত পরিবেশ বজায় রাখা।
পরিবারের সকল সদস্য যেন তাদের করণীয় কাজগুলো ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পারে সেজন্য সানজিদা খাতুন কাজের উপযুক্ত, উন্নত ও আরামদায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করেন। ফলে সদস্যদের কাজ তুলনামূলক সহজ হয়ে যায় এবং তারা উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে সফলতার দিকে অগ্রসর হয়।
সানজিদা খাতুন তার সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য আলো-বাতাসপূর্ণ ও কোলাহলমুক্ত স্থান নির্বাচন করেছেন। এছাড়া তিনি তাদের শিক্ষার প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহ সঠিকভাবে নির্দিষ্ট স্থানে গুছিয়ে রাখেন। ফলে তার সন্তানেরা নির্বিঘ্নে আরামদায়ক পরিবেশে লেখাপড়া করতে পারে। পরিবারের সদস্যদের কাজের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা প্রত্যেক গৃহ ব্যবস্থাপকের কর্তব্য। সানজিদা খাতুনও তাই করেছেন।
সানজিদা খাতুন বাসায় মেহমান এলে তাদের যত্ন ও আপ্যায়ন করতে প্রায়শ বিরক্ত হন। তার এ আচরণটি দক্ষ গৃহ ব্যবস্থাপকের গুণাবলির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মানুষ সামাজিক জীব। আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী নিয়েই আমাদের জীবন। তাই সকলের সাথে ভালো ব্যবহার ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাড়িতে মেহমান এলে আপ্যায়নের মাধ্যমে তাদের সাথে একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু এ সময় যদি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করা হয় তাহলে সম্পর্কের মধ্যে একটা দূরত্ব সৃষ্টি হয় যা সামাজিক জীবনযাপনের অন্তরায়।
সানজিদা খাতুনের মধ্যে গৃহ ব্যবস্থাপকের যে গুণটি নেই তা হলো অভিযোজ্যতা। যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাই হলো অভিযোজ্যতা। যিনি যত ভালোভাবে অভিযোজন করতে পারবেন, তিনি তত সহজেই যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবেন। দক্ষ গৃহ ব্যবস্থাপককে পরিবর্তিত অবস্থার সাথে অভিযোজন করে সকল কাজ করতে হয়। তাই সানজিদা খাতুনের মধ্যে অভিযোজ্যতা গুণটি থাকা প্রয়োজন।
গৃহে যাবতীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু গৃহ ব্যবস্থাপক।
গৃহের সকল কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য সুষ্ঠু কর্মব্যবস্থা সৃষ্টি করা প্রয়োজন।
পরিবারের সদস্যদের শক্তি, সামর্থ্য, বয়স, কর্মস্পৃহা ইত্যাদির ভিত্তিতে কাজগুলোকে তাদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার মাধ্যমেই সুষ্ঠু কর্মব্যবস্থা নিশ্চিত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!