উত্তরঃ

ইমেইল ঠিকানায় @ এর পরের অংশটিকে ডোমেইন বলে। ই-মেইল ঠিকানা @ চিহ্ন (At sign) দ্বারা দুইভাগে বিভক্ত । প্রথমভাগে অর্থাৎ @ চিহ্নের আগের অংশে User name অর্থাৎ ব্যবহারকারীর ঠিকানা থাকে ৷ ডোমেইন নেইম (.) চিহ্ন দ্বারা কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয়। @ চিহ্নের পরের প্রথম শব্দটিকে হোস্ট মেশিনের নেম বলা হয়। ১৯৭২ সালে ইমেইল ঠিকানায় সর্বপ্রথম @ চিহ্ন (At sign) ব্যবহৃত হয়।

উত্তরঃ

MICR এর পূর্ণরূপ : Magnetic Ink Character Reader 

URL এর পূর্ণরূপ : Uniform Resource Locator.

উত্তরঃ

ফেসবুক হলো সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ওয়েবসাইট এবং টুইটার হলো সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের একটি ওয়েবসাইট। টুইটারকে ইন্টারনেটের এসএমএস হিসেবে অভিহিত করা হয়।

উত্তরঃ

ফিঙ্গার প্রিন্ট আইডেন্টিফিকেশন Biometrics Technology প্রযুক্তি। 

উত্তরঃ

MS Word এ নতুন Window চালু করার জন্য কীবোর্ড-এর শর্টকাট Key = Ctrl + N ব্যবহৃত হয়। 

উত্তরঃ

কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে বলা হয় ROM বা Read Only Memory. ROM-এ সঞ্চিত তথ্যাদি কেবল ব্যবহার করা যায় কিন্তু কোনো রকম সংযোজন, বিয়োজন বা পরিবর্তন করা যায় না ।

উত্তরঃ

Printer-Scanner, Camera, VCR, VCP, VTR, TV, Tape Recorder, Modem, Touch Screen ইত্যাদি, এইগুলো ইনপুট এবং আউটপুট হিসেবে কাজ করতে পারে ।

উত্তরঃ

‘পিপীলিকা' বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র সার্চ ইঞ্জিন। এটি বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই কাজ করতে সক্ষম । এটি ১৩ এপ্রিল ২০১৩ সালে চালু হয়।

উত্তরঃ

LAN এর দুইটি সুবিধাঃ i) High speed data communication & ( ii) Highly Secured.

উত্তরঃ

MS Excel এ Split Dialog Box মেনুর অধীনে থাকে। 

উত্তরঃ

টিম বার্নাস লি কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর জনক বলা হয়।

উত্তরঃ

ল্যাপটপের তুলনায় পামটপের Functionality অনেক কম।

উত্তরঃ

Oracle এক ধরনের Database Programme.

উত্তরঃ

MS Power Point এক ধরনের  Application software.

150

ল্যাপটপ হলো একটি পোর্টেবল কম্পিউটার যা সহজে বহনযোগ্য এবং ব্যাটারিচালিত। এটি ডেস্কটপ কম্পিউটারের মতোই প্রায় সমস্ত কার্যক্ষমতা সরবরাহ করতে সক্ষম, তবে এটি ছোট আকার এবং হালকা ওজনের হওয়ার কারণে সহজে বহন করা যায়। ল্যাপটপে কীবোর্ড, টাচপ্যাড (মাউসের বিকল্প), এবং ডিসপ্লে স্ক্রিন একত্রিত থাকে, যা একটি পোর্টেবল প্যাকেজে পুরো কম্পিউটিং সিস্টেম প্রদান করে।

ল্যাপটপের বৈশিষ্ট্য:

  1. পোর্টেবল এবং হালকা: ল্যাপটপের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর বহনযোগ্যতা। এটি হালকা ও ছোট আকারের হওয়ার কারণে সহজে ব্যাগে বহন করা যায়।
  2. ব্যাটারিচালিত: ল্যাপটপে বিল্ট-ইন ব্যাটারি থাকে, যা একবার চার্জ করে কিছু সময়ের জন্য পাওয়ার সাপ্লাই দেয়, ফলে এটি বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়াই ব্যবহার করা যায়।
  3. ইন-বিল্ট ডিসপ্লে এবং ইনপুট ডিভাইস: ল্যাপটপে একটি বিল্ট-ইন কীবোর্ড, টাচপ্যাড, এবং ডিসপ্লে স্ক্রিন থাকে, যা ডেস্কটপের মতো আলাদা ইনপুট ডিভাইসের প্রয়োজনীয়তা দূর করে।
  4. মাল্টি-ফাংশনাল: ল্যাপটপে বিভিন্ন কার্যক্রম করা যায়, যেমন ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ডকুমেন্ট প্রসেসিং, ভিডিও স্ট্রিমিং, গেমিং, এবং সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট।
  5. কানেক্টিভিটি অপশন: ল্যাপটপে ওয়াইফাই, ব্লুটুথ, এবং ইথারনেট পোর্টের মতো বিভিন্ন কানেক্টিভিটি অপশন থাকে, যা ইন্টারনেট এবং অন্যান্য ডিভাইসের সাথে সংযোগ সহজ করে।

ল্যাপটপের ধরণ:

  1. আলট্রাবুক (Ultrabook):
    • এটি হালকা এবং পাতলা ল্যাপটপ, যা দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ এবং ভালো পারফরম্যান্স প্রদান করে।
    • উদাহরণ: Dell XPS, HP Spectre।
  2. গেমিং ল্যাপটপ:
    • গেমিং ল্যাপটপে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রসেসর, গ্রাফিক্স কার্ড, এবং বড় মেমোরি থাকে, যা উচ্চ গ্রাফিক্সযুক্ত গেম এবং ভারী সফটওয়্যার চালানোর জন্য ডিজাইন করা হয়।
    • উদাহরণ: Alienware, ASUS ROG।
  3. কনভার্টিবল ল্যাপটপ (2-in-1):
    • এই ল্যাপটপে টাচস্ক্রিন এবং ডিট্যাচেবল বা ফ্লিপ কীবোর্ড থাকে, যা এটি ট্যাবলেট হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
    • উদাহরণ: Microsoft Surface Pro, Lenovo Yoga।
  4. ব্যবসায়িক ল্যাপটপ:
    • ব্যবসায়িক ব্যবহারের জন্য তৈরি এই ল্যাপটপগুলো টেকসই এবং নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যসহ আসে।
    • উদাহরণ: Lenovo ThinkPad, Dell Latitude।

ল্যাপটপের সুবিধা:

  1. বহনযোগ্যতা: ল্যাপটপ ছোট এবং হালকা হওয়ার কারণে যেকোনো স্থানে বহনযোগ্য। এটি ভ্রমণকালীন কাজ করতে বা যেকোনো স্থানে কাজ করতে সুবিধাজনক।
  2. ব্যাটারি সুবিধা: ল্যাপটপে বিল্ট-ইন ব্যাটারি থাকে, যা একবার চার্জ করে বিদ্যুৎ ছাড়াই কিছু সময় কাজ করতে সক্ষম।
  3. সর্ব-ইন-ওয়ান ডিজাইন: ল্যাপটপে ডিসপ্লে, কীবোর্ড, টাচপ্যাড, এবং ব্যাটারি একত্রিত থাকে, যা ডেস্কটপের মতো আলাদা অংশের প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দেয়।
  4. ভিন্ন ধরনের কাজ: ল্যাপটপে ইন্টারনেট ব্রাউজিং, অফিসের কাজ, শিক্ষামূলক কার্যক্রম, গেমিং, এবং বিনোদন সবই করা যায়।

ল্যাপটপের সীমাবদ্ধতা:

  1. পারফরম্যান্স সীমাবদ্ধতা: ডেস্কটপের তুলনায় ল্যাপটপের পারফরম্যান্স সাধারণত কম, কারণ ল্যাপটপে প্রায়ই কম শক্তিশালী প্রসেসর এবং গ্রাফিক্স কার্ড ব্যবহার করা হয়।
  2. আপগ্রেড করার সীমাবদ্ধতা: ল্যাপটপে হার্ডওয়্যার আপগ্রেড করা কঠিন, কারণ এর কম্পোনেন্টগুলো সাধারণত একত্রিত এবং স্থায়ীভাবে সেট করা থাকে।
  3. তাপ উৎপাদন: ল্যাপটপে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কাজ করার সময় তাপ উৎপাদন বেশি হয়, এবং এর শীতলীকরণ ব্যবস্থাও ডেস্কটপের মতো কার্যকর নয়।
  4. খরচ: শক্তিশালী এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ল্যাপটপের দাম অনেক বেশি হতে পারে, যা সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য সাশ্রয়ী নাও হতে পারে।

ল্যাপটপের ব্যবহার:

  • শিক্ষা: শিক্ষার্থীদের জন্য ল্যাপটপ ব্যবহারিক কার্যক্রম এবং অনলাইন ক্লাসের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
  • ব্যবসা ও অফিস কাজ: ল্যাপটপ অফিসিয়াল কাজের জন্য যেমন ডকুমেন্ট প্রসেসিং, ইমেইল, এবং উপস্থাপনা তৈরিতে উপকারী।
  • গেমিং এবং বিনোদন: ল্যাপটপে ভিডিও গেম খেলা, ভিডিও স্ট্রিমিং, এবং মিডিয়া কনটেন্ট উপভোগ করা যায়।
  • ভ্রমণকালীন কাজ: ভ্রমণকারী পেশাজীবীদের জন্য ল্যাপটপ একটি অপরিহার্য সরঞ্জাম, যা তাদের যেকোনো স্থানে কাজ করার সুযোগ দেয়।

সারসংক্ষেপ:

ল্যাপটপ হলো একটি বহনযোগ্য, শক্তিশালী এবং সর্ব-ইন-ওয়ান কম্পিউটিং ডিভাইস, যা ব্যক্তিগত, শিক্ষামূলক, এবং পেশাগত কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি ডেস্কটপ কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা বহনযোগ্যতার সুবিধা নিয়ে আসে এবং আজকের জীবনে একটি অপরিহার্য প্রযুক্তি হয়ে উঠেছে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

RAM (Random Access Memory) হলো কম্পিউটারের একটি অস্থায়ী বা অস্থির স্মৃতি (volatile memory) যেখানে প্রসেসর (Processor) চলমান প্রোগ্রাম (programs) এবং ডেটা (data) সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে। কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় RAM থেকে ডেটা অত্যন্ত দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়, যা প্রোগ্রামের দ্রুত কার্যকারিতা নিশ্চিত করে। তবে, কম্পিউটার বন্ধ করলে বা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে RAM-এর ডেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায়।

অন্যদিকে, ROM (Read Only Memory) হলো কম্পিউটারের একটি স্থায়ী বা অন-অস্থির স্মৃতি (non-volatile memory) যেখানে প্রস্তুতকারক দ্বারা সরবরাহকৃত নির্দিষ্ট নির্দেশাবলী যেমন- বায়োস (BIOS) বা ফার্মওয়্যার (Firmware) স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা থাকে। এই মেমরি থেকে শুধু ডেটা পড়া যায়, সাধারণত ডেটা লেখা বা পরিবর্তন করা যায় না (বিশেষ প্রক্রিয়া ছাড়া)। কম্পিউটার বন্ধ হলেও ROM-এর ডেটা অক্ষত থাকে এবং এটি কম্পিউটার চালু হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক নির্দেশাবলী সরবরাহ করে।


RAM এবং ROM উভয়ই কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমরি (primary memory) হলেও এদের কার্যকারিতা ও বৈশিষ্ট্য ভিন্ন। নিচে এদের প্রধান পার্থক্যগুলো তুলে ধরা হলো:

        
  • স্থায়িত্ব (Volatility): RAM হলো একটি অস্থির স্মৃতি (volatile memory)। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে এর সংরক্ষিত ডেটা মুছে যায়। ROM হলো একটি স্থায়ী স্মৃতি (non-volatile memory)। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলেও এর সংরক্ষিত ডেটা অক্ষত থাকে।
  •     
  • ডেটা লেখা ও পড়া (Read/Write Capability): RAM-এ ডেটা দ্রুত লেখা এবং পড়া উভয়ই করা যায়। ROM থেকে কেবল ডেটা পড়া যায়। ডেটা লিখতে বিশেষ পদ্ধতি (যেমন - ফ্ল্যাশ রম) প্রয়োজন হয়।
  •     
  • গতি (Speed): RAM-এর ডেটা অ্যাক্সেস করার গতি ROM-এর চেয়ে অনেক বেশি। তাই প্রসেসর দ্রুত কাজ করার জন্য RAM ব্যবহার করে। ROM-এর ডেটা অ্যাক্সেস করার গতি তুলনামূলকভাবে কম।
  •     
  • ব্যবহার (Usage): RAM ব্যবহৃত হয় অপারেটিং সিস্টেম (Operating System), অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম (application programs) এবং প্রসেসরের চলমান ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণের জন্য। ROM ব্যবহৃত হয় কম্পিউটার চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় বুটস্ট্র্যাপ নির্দেশাবলী (bootstrap instructions), যেমন - BIOS (Basic Input/Output System) বা ফার্মওয়্যার (firmware) সংরক্ষণের জন্য।
  •     
  • ধারণ ক্ষমতা (Capacity): আধুনিক কম্পিউটার সিস্টেমে RAM-এর ধারণ ক্ষমতা সাধারণত ROM-এর চেয়ে অনেক বেশি হয় (যেমন ৪জিবি, ৮জিবি, ১৬জিবি বা তার বেশি)। ROM-এর ধারণ ক্ষমতা সাধারণত অনেক কম হয় (যেমন কয়েক এমবি)।
  •     
  • মূল্য (Cost): প্রতি গিগাবাইট (GB) RAM-এর মূল্য ROM-এর চেয়ে বেশি। ROM তুলনামূলকভাবে কম মূল্যের হয়, কারণ এর প্রযুক্তিগত জটিলতা কম।
Satt AI
Satt AI
3 days ago
337
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews