হজরত আলী (রা.) ছিলেন খুবই বিনয়ী ও নিরহংকারী।
হজরত উসমান (রা.)-এর আদর্শ অনুসরণে জনকল্যাণে আর্থিক সাহায্য-সহযোগিতা করব।
মহানবি (স.)-এর আদর্শ অনুসরণে সততা ও বিশ্বস্ততার দায়িত্ব পালন করব।
হজরত উসমান (রা.) ছিলেন খুলাফায়ে রাশেদিনের তৃতীয় খলিফা।
হজরত দাউদ (আ.) খুবই বিনয়ী ও নিরহংকারী ছিলেন।
হজরত ফাতেমা (রা.)-এর অনুসরণে আর্থিক প্রতিকূলতা ও কষ্টের মধ্যে ধৈর্যধারণ করব।
শৈশবে হজরত দাউদ (আ.) মেঘ চরাতেন।
রাদশাহ তালুতের মৃত্যুর পর দাউদ (আ.) বনি ইসরাইলদের বাদশাহ নিযুক্ত হন।
হজরত দাউদ (আ.) ইসলামের একজন নবি ও রাসুল ছিলেন।
হজরত দাউদ (আ.) অধিকাংশ সময় মহান আল্লাহর ইবাদতে মশগুল থাকতেন।
হজরত দাউদ (আ.) অসংখ্য গুণাবলির অধিকারী ছিলেন।
হজরত দাউদ (আ.) ছিলেন অত্যন্ত মানবদরদি।
হজরত দাউদ (আ.)-এর মহৎ গুণাবলি অনুসরণের মাধ্যমে আমরা দুনিয়া ও আখিরাতে সফল হতে পারি।
হজরত দাউদ (আ.)-এর মহৎ গুণাবলি অনুসরণের মাধ্যমে আমরা দুনিয়া ও আখিরাতে সফল হতে পারি।
হজরত ঈসা (আ.) একজন নবি ও রাসুল ছিলেন।
হজরত ঈসা (আ.)মারিয়াম (আ.);এর মাতার নাম ছিল হজরত।
হজরত ঈসা (আ:) কে মহানবি (স.)-এর রওজা মুবারকের পাশে' দাফন করা হবে।
হজরত ঈসা (আ.) অসংখ্য গুণাবলির অধিকারী ছিলেন।
হজরত ঈসা (আ.)-এর জীবনাচরণ ও শিক্ষা আম্রাদের জন্য অনুরণীয় l
হজরত মুহাম্মদ (স) ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে আরবের মক্কা নগরীর কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন।
হজরত মুহাম্মদ (স.) ছিলেন সর্বোত্তম নৈতিক গুণাবলি ও মূল্যবোধের প্রতীক।
হজরত মুহাম্মদ (স.) ছিলেন মানবতার জন্য উত্তম আদর্শ।
নবুয়ত লাভের পর মহানবি (স.) মক্কার মানুষদের ইসলাম গ্রহণ করার আহ্বান জানান।
বালকদের মধ্যে হজরত আলী (রা.) সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন।
মক্কার কুরাইশরা হজরত মুহাম্মদ (স.)-কে হত্যা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করার জন্য মহান আল্লাহর কাছ থেকে নির্দেশনাপান।।
মদিনায় এসে রাসুল (স.) একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন।
হজরত উসমান (রা.) ছিলেন বিভিন্ন গুণে গুণান্বিত একজন মানুষ।
হজরত উসমান (রা.) ছিলেন খুলাফায়ে রাশেদিনের তৃতীয় খলিফা।
ইসলামের জন্য হজরত উসমান (রা.)-এর উল্লেখযোগ্য অবদান ছিল কুরআন সংকলন l
হজরত উসমান (রা.) নম্র, বিনয়ী ও নিরহংকারী ছিলেন।
হজরত আলী (রা.) ছিলেন ইসলামের চতুর্থ খলিফা।
হজরত আলী (রা.) মহানবি (স.)-এর সঙ্গে বিভিন্ন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
হজরত আলী (রা.) ছিলেন জ্ঞানের ভান্ডার।
হজরত আলী (রা.) ছিলেন খুবই বিনয়ী ও নিরহংকারী।
হজরত ফাতেমা (রা.) ৬০৫ খ্রিস্টাব্দে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন।
হজরত ফাতেমা (রা.) অসাধারণ গুণাবলির অধিকারী ছিলেন।
জিহাদের ময়দানে হজরত ফাতেমা (রা.) বিশেষ ভূমিকা করেছেন পালন l
ইসলামের জন্য হজদ্রুত ফাতেমা (রা.)-এর অবদান অপরিসীম।
হজরত দাউদ (আ.) ইসলামের একজন নবি ও রাসুল; ছিলেন।
হজরত মুহাম্মদ (স.) ছিলেন সর্বোত্তম নৈতিক গুণাবলি ও মূল্যবোধের প্রতীক।
হজরত উসমান (রা.) নম্র, বিনয়ী ও নিরহংকারী। ছিলেন।
Related Question
View Allহজরত আলী (রা.) ছিলেন খুবই বিনয়ী ও নিরহংকারী।
হজরত উসমান (রা.)-এর আদর্শ অনুসরণে জনকল্যাণে আর্থিক সাহায্য-সহযোগিতা করব।
মহানবি (স.)-এর আদর্শ অনুসরণে সততা ও বিশ্বস্ততার দায়িত্ব পালন করব।
হজরত উসমান (রা.) ছিলেন খুলাফায়ে রাশেদিনের তৃতীয় খলিফা।
হজরত দাউদ (আ.) খুবই বিনয়ী ও নিরহংকারী ছিলেন।
হজরত ফাতেমা (রা.)-এর অনুসরণে আর্থিক প্রতিকূলতা ও কষ্টের মধ্যে ধৈর্যধারণ করব।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!