ধর্মীয় সম্প্রীতির মাধ্যমে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে।
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সহাবস্থানের মাধ্যমে সমাজের উন্নয়ন হয়।
ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
সমাজের প্রতি মমতা জাগিয়ে তুলতে ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রয়োজন।
ধর্মীয় সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে সহযোগিতার মনোভাব তৈরি হয়।
সমাজে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তুলতে ধর্মীয় সম্প্রীতি গুরুত্বপূর্ণ।
মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব হলো ঈদুল ফিতর।
ঈদের দিনে মুসলমানেরা ঈদগাহে নামাজ আদায় করে।
দুর্গাপূজা হিন্দুদের সবচেয়ে বড়ো ধর্মীয় উৎসব।
দুর্গাপূজার, সময় প্রসাদ হিসেবে বিভিন্ন রকম মিষ্টি ও ফল দেওয়া হয়।
বুদ্ধপূর্ণিমা বৌদ্ধদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব।
বুদ্ধপূর্ণিমা বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে হয়।
বৌদ্ধরা প্রদীপ জ্বালিয়ে ও ফুলের মালা দিয়ে প্যাগোডা সাজায়।
২৫ ডিসেম্বর খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব।
বড়োদিন উপলক্ষ্যে বাড়িতে ক্রিসমাস ট্রি সাজানো হয়।
বড়োদিনে খ্রিস্ট ধর্মের প্রবর্তক যিশু খ্রিস্ট জন্মগ্রহণ করেন।
ধর্মীয় সম্প্রীতি থাকলে আমরা সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা পোষণ করি।
প্রতিবেশীর বিপদে আমরা সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসব।
সমাজে সকলে মিলেমিশে থাকলে সুখী জীবনযাপন করা যায়।
অন্য ধর্মের আচার-অনুষ্ঠান নিয়ে আমাদের বিতর্ক করা উচিত নয়।
Related Question
View Allধর্মীয় সম্প্রীতির মাধ্যমে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে।
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সহাবস্থানের মাধ্যমে সমাজের উন্নয়ন হয়।
ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
সমাজের প্রতি মমতা জাগিয়ে তুলতে ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রয়োজন।
ধর্মীয় সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে সহযোগিতার মনোভাব তৈরি হয়।
সমাজে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তুলতে ধর্মীয় সম্প্রীতি গুরুত্বপূর্ণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!